somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশু শিক্ষা ০৫

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যে পুস্তক পাঠ করিলে সঠিক ভাবে বাংলা ভাষা বলতে ও লিখতে পারা যায় তাহাকেই বাংলা ব্যকরণ বলে। মনে হয় এমন একটা সংজ্ঞা পড়েছিলাম কিলাশ ফাইভে।
এখনও যে সেই সংজ্ঞার বাইরে গিয়ে কিছু ভাবতে শিখেছি এমন নয়। নোয়াম চমস্কি যখন বলেন অর্থবোধক বাক্য গঠন শিক্ষার একটা সহজাত প্রবৃত্তি শিশুদের আছে। শিশুরা বড়দের অনুকরণ করেই সঠিক বাক্য গঠনের রীতিনীতি শিখে ফেলে তখন তার এই দৃষ্টিভঙ্গিকে আমি সমর্থন করতে পারি না।

আমার সামনে উদাহরণ হিসেবে একটি শিশু সার্বক্ষণিক বিদ্যমান। তার সাথে নিয়মিত আলোচনা না হলেও তার অনেক কথারই অর্থ আমাকে নির্দিষ্ট করে তার দাবি পুরণের চেষ্টা করতে হয়।

শব্দ এবং ভাষার বিবর্তণ এবং ব্যবহারবিধির সাথে মানুষের প্রবৃত্তিগত যোগাযোগ তেমন নেই। তবে অর্থবোধকতা বিবেচনা করে অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচিত হতে পারে। অনেক রকম বাক্য সজিয়ে তার কোনটা সঠিক ফল বয়ে আনে এইসব দেখেই ঋদ্ধ হয় শিশুরা। তাই তারা ব্যকরণের সংজ্ঞা না পড়েই ভাষায় অর্থবোধক বাক্য গঠন করতে পারে।
নোয়াম চমস্কির উদাহরণগুলোতে চমক থাকলেও সেই চমক তার রাজনৈতিক অবস্থানের মতোই পূঁজিকেন্দ্রীক চমক। অবশ্য সঠিক অর্থবোধক বাক্য অনেক শিক্ষিত মানুষও গঠন করতে পারে না, অনেকের ক্ষেত্রেই এই উদাহরণটা প্রযোজ্য হবে। এখানে তেমন প্রবৃত্তির যোগাযোগ নেই। ভাষার বিবর্তন ও বিকাশের পর্যায়গুলোর বিশ্লেষণ ও ব্যবহার উপোযোগিতা নিয়ে নোয়াম চমস্কির কাজকে তার সমসাময়িক প্রেক্ষাপট থেকে বিবেচনা করলে এটার অভিনবত্ব চোখে পড়ে। শব্দ প্রকরণ, বাক্য প্রকরণ, এবং শব্দের উচ্চারণ বিধিকে নির্দিষ্ট করে ভাষাকে নির্মানউপযোগী একটা বিষয় বিবেচনা করে নেওয়ার মনন সবার থাকে না।

তার দৃষ্টিভঙ্গিতে গলদ থাকলেও এটাই এই ধারায় প্রথম কাজ।
তার নিজের ওয়েব সাইট নোয়ামচমস্কিডটইনফোতে তার অনেকগুলো গবেষণানিবন্ধ আছে, তার কিছু সাক্ষাৎকারও আছে, তবে তার রচিত সকল পুস্তকের ডাউনলোড লিঙ্ক নেই সেখানে। বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার সাফাই গাওয়া এই স্ট্যান্টবাজের স্ববিরোধিতা চোখে কাঁটার মতো খোঁচা দেয়। পূঁজিবাদ রাপ, মানুষের সৃষ্টিশীলতার স্বাধীনতা, তথ্য প্রবাহের স্বাধীনতার জায়গাটা পূঁজিবাদের খপ্পরে চলে যাচ্ছে, এই নিয়ে হাহুতাশের সাথে বইয়ের রয়ালিটি এবং সে কারণে উদ্ভুত লয়ালিটিকে কিভাবে চিহ্নিত করা যায় ?

অবশ্য নোয়াম চমস্কির কুৎসা রচনা নয় বরং অন্য একটি কারণে নোয়াম চমস্কি প্রসঙ্গের অবতারণা এখানে। যখন মানুষের প্রবৃত্তি হিসেবে কোনো কিছুকে চিহ্নিত করা হয় তখন সেটা সহজাত দক্ষতা এবং সেটা সংরক্ষণের প্রতিরোধ উঠে আসবার দৃষ্টান্তগুলোও সামনে থাকা উচিত ছিলো।
অন্তরের নির্মিত টম এন্ড জেরীর বাংলা ডাবিংয়ের সময় যারা এর নেপথ্যে তাদের বোধ হয় এই স্বাভাবিক সহজাত প্রবৃত্তি ছিলো না।

যদিও আগেই স্বীকার করে নেওয়া ভালো, ভাষার সঠিকত্ব্য নির্ণয় বেহুদা বিষয় আমার কাছে, যোগাযোগের উপযোগী মাধ্যম কিছু শব্দ, কিংবা কিছু আলোড়ন, যেগুলোর একটা অর্থ আমরা নিজেরাই তৈরি করেছি এবং এই বিষয়ক কিছু চিত্রকল্প আমরা নিজেদের ভেতরে সাজিয়েছি। সুতরাং বিষন্নতা শব্দটির সাথে অন্ধকার এবং বিমর্ষ একজন প্রায় নিস্প্রাণ মানুষের ছবি সামনে আসে। একই সাথে সঠিক আলোচনা এবং শাব্দিক অর্থ এবং শব্দের ব্যবহার নিয়ে অহেতুক ফেনানোর বিষয়টাকেও অপছন্দ করতে শিখেছি।

কারা নির্ধারণ করে দেয় ভাষার সঠিক ব্যবহার, এরজে অপু যখন উদ্ভট বাংলায় যোগাযোগ করে মানুষকে আনন্দ দিতে পারে তখন এই ডিজুস ভাষাটি একটি নতুন ভাষারীতি হয়ে উঠে কি না এটা নিয়ে চমস্কির হয়তো মতবাদ থাকতে পারে, তবে আমার কাছে শ্রুতিকটু বলেই আমি এর বিরোধিতা করি। হয়তো আমার নিজের ভেতরেও এলিটিস্ট ভঙ্গি আছে এই বিবেচনায়।

চমস্কি যখন ঘোষণা করে প্রতিটা ভাষায় অসীম সংখ্যক বাক্য উৎপাদনের সক্ষমতা ধারণ করে, প্রতিটা মানুষই নিজস্ব জীবনে এমন অভিনব শব্দসজ্জ্বা করে যেতে পারে, যার সবগুলোই অনন্য এবং এগুলো সঠিক বাক্য। সাধু চলিত, আঞ্চলিকতা এইসব মিশ্রনকে অশুচী গণ্য না করে ভাষাকে কোনো কাঠামো প্রদান করা সম্ভব হবে কি না জানি না আমি।
ভোগ শব্দটি হয়তো শাররীক একটি অনুভুতি ধারণ করে, ইন্দ্রিয় দিয়েই মানুষ ভোগ করে। তবে ভোগ শব্দটি নেহায়েত খেলো শব্দ মনে হয় অনুভুতির দিক থেকে। ভোগীদের প্রতি নিসৃত সামাজিক ঘৃনা হয়তো এর কারণ, তবে উপভোগ, শাব্দিক দিক থেকে ভোগের ভগ্নাংশ হলেও উপভোগ শব্দটি মায়াময়। উপভোগের আকাঙ্খা ধারণ করি আমি নিজেই।

টম এন্ড জেরী কার্টুনের বাংলা ডাবিং উপভোগ করি নি। এটুকু নির্দ্বিধায় বলা যায়। বরং যখন শুনি জেরী লাদেন আর টম বুশের ভেতরে যুদ্ধ এবং জেরি লাদেন টম বুশকে নাজেহাল করছে তখন হঠাৎ করেই মনে হয় এই শিশুদের কলুষিত করবার এমন চমৎকার উপায় আর হয় না।
প্রেমভালোবাসার বানী, উটকো ফাজলামি এমন কি পোমোভাষাবিধি, সব মিলিয়ে জঘন্য একটা কাজ এটা, যারা করেছে তাদের প্রকাশ্যে জুতাপেটা করা উচিত শিশু নির্যাতনের দায়ে।

টম এন্ড জেরী আমার খুব প্রিয় কার্টুন। তবে এই কার্টুন সব সময়ই চিত্রনির্ভর। খুব বেশী বাক্য নেই এখানে, সেখানে বাংলা ডাবিং ক্রণিক বাচালতা। প্রতিমুহূর্তে ধারাভাষ্য এবং মানসিকতার বিশ্লেষণের উৎপাত এইখানে।

একটি কিনলে একটি ফ্রির যুগে না চাইলেও মীনা কার্টুনের সাথে এসেছে এই বাংলা টম এন্ড জেরি।

বিক্রেতা গোপন এবং নিষিদ্ধ কিছু দিচ্ছে এমন ভঙ্গিতে বলেছিলো এটাতে বাংলা টম এন্ড জেরী আছে। আমি মাঝে মাঝে স্যাটেলাইটের কল্যানে দেখলেও সম্পূর্ণ উৎপীড়নের মুখোমুখি হই না। তবে বাঙালী সব সময়ই বাড়তি কিছু চায়, তাই তাদের জন্যই এক ডিভিডিতে ৮টা ছবি, একটি বইয়ের ৬টি পাতায় ৭০টি জন্তুর ছবি থাকে, তাদের জন্যই মীনা কার্টুনের সাথে বাংলা ডাবিং। আমি নিশ্চিত এই কার্টুন উপভোগ করতে হলে কোনো না কোনো মানসিক সমস্যা থাকতেই হবে। এর ভেতরের প্রচ্ছন্ন ইসলামি ধাঁচ, অশুদ্ধ বাক্যবিন্যাস এবং অহেতুক কৌতুকপ্রবন হয়ে উঠতে চাওয়ার নামে ভাঁড়ামি, এইসব অগ্রাহ্য করতে চাইলে অবশ্যই টম এন্ড জেরী কিনে ফেলা ভালো।
একটি দেখেই আমি মুগ্ধ তাই অন্য কোনো বাংলা ডাবড এনিমেশন কিনি নি ছেলের জন্য। অবশ্য বাসায় ছেলেকে শিক্ষিত করে তুলবার ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করবার কোনো সঠিক প্রক্রিয়া নেই। আমার ছোটো ভাইবোনেরা মায়ের কাছেই বর্ণশিক্ষা ও ধারাপাত শিখেছে। এমন কি হাতের লেখাও তার কাছেই শেখা।

আমার ছোটো বোনেরা এখন সবাই ইউনিভার্সিটির দোরগোড়ায়, অনেক দিন পরে মা আমার ছেলেকে নিয়ে তার পাঠশালা খুলেছেন। বলো স্বরে অ, স্বরে আ,

আমি সারাদিন বাসায় থাকি না, এই অবসরে সবাই ক্যাট মানে বিড়াল, ডগ মানে কুকুর, এলিফ্যান্ড মানে হাতি করছে দিন রাত। আমাদের সময়ে শ্লেট ছিলো হাতে খড়ির জন্য। আমিও শ্লেটেই লিখতে শিখেছি, পড়তে শিখেছি, গ্রানাইটের শ্লেটের শীতলতায় নিশ্চিন্ত হয়েই লিখেছি, হাতে খড়িকাঠি। মুছবার জন্য একটা কাপড়।

এরপরে আসলো কাঠের স্লেট, লাল বর্ডার দেওয়া, আর সাদা চক, পরে রঙ্গীন চকও এসেছিলো বাজারে। তবে বিগত এক দশকে এইসব বদলে গেছে। এখন ম্যাগনেটিক বোর্ড পাওয়া যায়, সেটা অবশ্য একদিক থেকে ভালো, ভেজা কাপড় দিয়ে শ্লেট মুছতে হয় না, টান দিলেই পরিস্কার হয়ে যায় সব।

সেখানেই আম্মার পাঠশালার একমাত্র ছাত্রের বর্ণ পরিচয় ঘটে। সাগরে গিয়ে একদিন দেখলাম বর্ণমালা সিডি। ১২০ টাকা খরচ করে কিনে আনলাম। গোয়েবলসীয় প্রাথমিক শিক্ষা যখন দিতে হবে তখন একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থার সাহায্যেই কেনো নয়। অন্তত সারাদিন স্বরে অ, স্বরে আ বলবার যাতনা থকে মুক্তি মিলবে, যতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকবে মাউস চাপলেই একজন স্বরে অ স্বরে আ করতে থাকবে।

সারাজীবনই তাকে এই চেচামেচি করতে হবে, ১২০ টাকায় এমন নিশ্চিত দাস কিনে এনে আমি মুগ্ধ। তবে প্রথম দেখায় বিষয়টি তেমন পছন্দ হলো না।
মুলত ৬টি অংশ, স্বর বর্ণ, ব্যাঞ্জন বর্ণ, ইংরেজি এলফাবেট, গণনা শিখা, ওয়ার্ড মিনিং, নামতা শিখা, এইসবের কোনটা আদতে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় এটাও বুঝতে পারি না।

শিক্ষামূলক কিছু উপাদান থাকতে হবে তার জীবনে, সে রং চিনে না, তবে তাকে কিনে দেওয়া রবং পেনসিলের আঁচর সমস্ত বাসায়। সেখানে তার ভাষ্যমতে অনেক কিছুই আছে, ঘোড়া আঁকছে, প্রজাপতি আঁকছে।

কোনো এক কারণে হঠাৎ ছুটে এসে বাবা ভয় পেলাম বলাটাও তার খেলার অংশ। সুতরাং সেই খেলার বিভিন্ন রকমফের আছে। বাবা চিৎকার করে ভয় পেলাম, তখন তার চিল চিৎকারে কানের পোকা মরে যাবে। বাবা টিকটিকি ভয় পেলাম, বাবা প্রজাপতি ভয় পেলাম, বাবা টম ভয় পেলাম, এইসব ভয়ের খেলার আনন্দে মশগুল হয়ে থাকা ছেলে যদি হঠাৎ বলে বাবা বর্ণমালা ভয় পেলাম তাহলে তাকে পাঠশালায় পাঠানো সম্ভব হবে না।

সুতরাং আরও আকর্ষণীয় কিছু খুঁজছিলাম। তবে সিসিমপুরের পরে মীনা এবং এরপরে এই বর্ণশিক্ষার সিডি সুপার হিট হয়ে গেলো। তার প্রবল বিদ্যোৎসাহে আমার অবসর এবং কম্পিউটার নিয়ে বসা স্থগিত প্রায়। ইংরেজি বর্ণমালার অংশটি আমিও মনোযোগ দিয়ে দেখি, সেখানে আছে কে ফর কাবাঘর, কাবা ঘর মানে কাবা ঘর। আমি আমার শৈশবে পড়েছিলাম কে ফর কাইট, কাইট মানে ঘুড়ি, তবে আমার সেক্যুলার শৈশব পার হয়ে যাওয়ার পরে প্রথমিক শিক্ষা ও বর্ণ পরিচয়েও ইসলামি শিক্ষা ঢুকেছে, তাই এখন এক এ আল্লাহ, দুই এ পক্ষ, চার এ চার কেতাব, পাঁচ এ নামাজ এই ভাবে গননা শিক্ষা শুরু হয়, সেই পরিস্থিতিতে এ ফর আল্লাহ এখনও পুস্তকে আসে নি।ইসলাম যদি ইশ্বরের প্রতিমূর্তি নির্মাণে বাধা না দিতো তবে অবশ্যই এ ফর আল্লাহ এবং আল্লাহ র একটি ছবি থাকতো বাংলাদেশে ইংরেজি বর্ণমালার বইতে।

তবে আমার আনন্দের কারণ ভিন্ন, আমার ছেলে বেশ স্পষ্ট উচ্চরণে শিখে, কে ফর হাবা ঘর, হাবা ঘর মানে হাবা ঘর। বর্তমানের পরিস্থিতি বিবেচনা করলে তার এই উপলব্ধিকে যুগোপযোগী মনে হয়।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অদৃশ্য অসুখের দৃশ্যমান সংকট: দ্বৈত বাস্তবতার প্রভাব

লিখেছেন বাঙালী ঋষি, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:০৭



আধুনিক সভ্যতা একটি মৌলিক বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—যা পরিমাপযোগ্য, সেটাই বাস্তব। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতি এই বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। আমরা জানি কীভাবে শরীরের অসুখ নির্ণয় করতে হয়, কীভাবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেড ইন বাংলাদেশ ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২২


দেশপ্রেমের সংজ্ঞাটা আমাদের দেশে ঋতুভেদে বদলায়। তবে ২০২৪-এর জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা এক নতুন ধরনের সিজনাল দেশপ্রেম দেখলাম। একে বলা যেতে পারে "রিটার্ন টিকিট দেশপ্রেম"। যারা দেশে বিদেশে আরাম-আয়েশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

image upload problem

বাংলাদেশে একসময় খুব জনপ্রিয় একটা পরিচয়-“আমি সুশীল”, “আমি নিরপেক্ষ”, “আমি কোনো দলের না”। এই পরিচয় ছিল আরামদায়ক, নিরাপদ, সম্মানজনক। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের কৃষি আধুনিকায়ন রোডম্যাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিপত্র রূপরেখা : পর্ব -১ ও ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১১


প্রস্তাবিত রূপরেখা: কৃষিকে জীবিকানির্ভর খাত থেকে প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ু-সহনশীল
ও বৈশ্বিক বাজারমুখী বাণিজ্যিক শিল্পে রূপান্তরের জাতীয় কৌশল প্রস্তাবনা ।

বাংলার মাঠে প্রথম আলোয়
যে ছবি আসে ভেসে
কাঁধে লাঙল, ঘামে ভেজা মুখ
কৃষক দাঁড়ায় হেসে।

সবুজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি ধার্মিক না মানুষ?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

ধার্মিক হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ধার্মিক হওয়া সহজ। বিজ্ঞানী হওয়া সহজ কথা নয়। পিএইচডি করা সহজ কথা নয়। সেই তুলনায় কোরআন মূখস্ত করা সহজ। জন্মগত ভাবে আমি বাপ মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×