তথাকথিত দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষদের দারিদ্রতা পরিমাপের প্রচলিত নিয়ম আছে অনেকগুলোই। প্রত্যেক সমাজবিজ্ঞানী নিজস্ব কেতায় এই দারিদ্রের পরিসীমা নির্ধারণ করে থাকে। প্রতিদিনের আমিষ গ্রহনের মাত্রায় এমন একটি দারিদ্রতা মান নিয়ন্ত্রক সূচক, তেমনভাবেই আছে মৌলিক চাহিদা পুরণের সক্ষমতা নিয়ন্ত্রক সূচক, যেখানে যাচাই করা হয় একজন মানুষ দারিদ্রসীমার উপরে অবস্থান করছে যদি সে তার নিজস্ব মৌলিক চাহিদাগুলো পুরণ করতে পারে।
কোনো পরিবারের দারিদ্রতার সীমা পরিমাপের জন্যও এমন শিক্ষাসূচক আছে, কোনো পরিবার দারিদ্রসীমার উপরে অবস্থান করে যদি সেই পরিবার তার সন্তানকে উপার্জনের কাজে না লাগিয়ে প্রাথমিক স্কুলে পাঠায়।
তবে শেষ পর্যন্ত এই অর্থনৈতিক মাপকাঠিটা এসে সমাপ্ত হয় কাঁচা বাজারে। কাঁচা বাজারে কে কি সদাই করলো সেটাই তার দারিদ্রের পরিচায়ক। ভোক্তাক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করা যায় না কোনোভাবেই। আমাদের অর্থনৈতিক শ্রেণীবিন্যাসও আদতে ভোক্তাক্ষমতার তুলনা। আমরা পারস্পরিক ভোক্তাক্ষমতা তুলনা করে একদল মানুষকে নিম্নবিত্ত একদল মানুষকে মধ্যবিত্ত একদল মানুষকে উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে স্থাপন করি।
চাহিদা আর যোগান রেখার ঢাল নিয়ন্ত্রন করে আমরা আদতে কোন শ্রেণীতে বসবাস করি। আমাদের নিত্যনৈমিত্তিক চাহিদা পূরণেই আমাদের জীবনের অবসান হয় না কি আমরা নিত্যনৈমিত্তিক চাহিদা পুরণ করবার পরেও অবসর কাটানোর সামান্য সময়ের বিলাসিতা দেখাতে পারি।
প্রচন্ড পরিশ্রমের ক্লান্তিতে ঠিক মতো অবসরযাপন করতে না পারা মানুষেরাও আদতে দরিদ্র, সুতরাং এমনও একটা শ্রেণী বিন্যাস আছে দারিদ্রতা সূচকের। কোনো পরিবার ঠিক
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


