আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

শিশু শিক্ষা ০৮

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মানুষ অপেক্ষা করতে মোটেও আগ্রহী নয়, বহুজাতিক কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনে স্মার্ট কিড তৈরির স্বপ্ন দেখায়, একই অঙ্গে বহুরুপ, একই শরীরে একাধিক প্রতিভা খুঁজে পাওয়ার স্বপ্ন জুগিয়ে যায়।

সুমনের একটা গান আছে, সকাল বেলার রোদ্দুর যেই মাটিতে পা ফেলছে, একটা চড়াই অমনি দেখি এক্কা দোক্কা খেলছে, ছক কেটেছে গাছের পাতা এবং রোদের দ্বন্দ্ব- সঙ্গে আছে ঘুম ভাঙা সব ঘাসের সোঁদা গন্ধ, গাছ গাছালি আকাশ পানে হাত দুটোকে মেলছে- একটা চড়াই অমনি দেখি এক্কা দোক্কা খেলছে-

এই গানের মেয়েটির মতোই আধুনিক শিশুদের জীবনযাপন।

যে মেয়েটার খেলা দেখে চড়াই পাখির শেখা- সে মেয়েটাই যাবে স্কুলে রিকশা চেপে একা, খেলার সময় তার বড় কম, পড়াশোনাই মস্ত- ছোট্টো মাথা পড়ার চাপে ভীষণ বিপর্যস্ত-

তথাকথিত সুপার চাইল্ড প্রজেক্ট চাইলেই মহামানব তৈরি করে দেওয়া সম্ভব। আজকের শিশুর ভেতরেই আগামীর আগাসী আর রোনাল্ডোর বসবাস, সেই সাথে সেই ছেলেই হয়ে উঠবে বিটোভেন আর সেই ছেলেই আইনস্টাইন হয়ে বিশ্বকে চমকে দিবে।

মানুষের নিজস্ব সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করবার যাবতীয় প্রয়াস সন্তানের স্কন্ধে চাপে, আমাদের শিশুরা আমাদের অপূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সম্ভবত অসম্ভব আশার জোয়াল বইবে ভবিষ্যতে।

আবুল হাসান যখন কবিতায় লিখে যায় কে এই আবুল হাসান, স্বনামের শিরোণামে লেখা কবিতাতেই এই স্বপ্ন পুরণের দায় এবং নিজস্ব স্বপ্নহীনতার দুঃখবোধ একসাথে বাসা বাধে মনে।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন প্রিকিন্ডারগার্ডেন শিশুদের পড়তে শেখানো, অঙ্ক শেখানো কিংবা তথাকথিত স্মার্ট চাইল্ড প্রকল্পের ২৩০০ টিউটোরিয়াল তৈরি হয়েছে, সেখানে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ ঘন্টা সময় কাটালে ছেলে কিন্ডারগার্ডেনে যাওয়ার আগেই বর্ণ শিখবে, ছেলে শিখবে অঙ্ক কষতে- যোগ বিয়োগ শিখে বিদ্বান বিদ্যাদিগগজ হয়ে যাবে।

এইসব বাবা-মা বেবি আইনস্টাইন চাইছেন। যদিও কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয় নি যে যারা শৈশবে অতিদ্রুত লিখতে পড়তে শিখে তারা ভবিষ্যতে প্রতিভাবান প্রমাণিত হয়। বরং শিক্ষা ভীতিপ্রদ একটা অভিজ্ঞতাও বিবেচিত হতে পারে তাদের জন্য।
ইয়াহুদ নামের এক সঙ্গীত প্রতিভা সম্ভবত ৭ বছর বয়েসে বেহালা বাজানো শুরু করেছিলো, সেটা ব্যতিক্রম এমন ব্যতিক্রম আছে বলেই বেঁচে থাকা আনন্দের, তাই বলে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিলে যেকোনো ৭ বছর বয়েসী শিশুই অভিজ্ঞ বেহালাবাদক হয়ে উঠবে না। এমন কি কেউ যদি স্কুল শেষ করে তারুণ্যে বেহালা হাতে তুলে নেয়, সে চমৎকার সঙ্গীতকার হয়ে উঠবে না এমনটা কেউই নিশ্চিত হয়ে বলতে পারে না। বরং একটা পর্যায়ে সবারই শিখবার গতি একই রকম হয়ে যায়।

যে মানুষটা ৪ বছর বয়েসে অঙ্ক শিখেছে আর যে শিশুটা একই অঙ্ক শিখছে ৬ বছর বয়েসে তাদের শিখবার ক্ষমতা মোটামুটি ১৪তে এসে একই সমান হয়ে যায়। মেয়েরা অল্প বয়েসে কথা শিখলেও ১৬ বছর বয়েসী মেয়ে এবং ছেলে সবাই একই রকম দক্ষতার ভাষা ও কথা শিখতে পারে। একটু আগে শিখলে যে খুব বেশী উপকার হয় তাও না। তবে এই বিষয়টা বাবা মা মনে রাখতে চান না।

আমি নিয়মিতই এমন সমস্যা বোধ করি। আমার ছেলে একেবারে অশিক্ষিত হয়ে থাকলেও আমার কোনো আপত্তি নেই, সে বর্ণমালার সব কটা অক্ষর চিনে, ইংরেজি বর্ণমাল চিনে, সে ইংরেজি বর্ণমালা নিজের উদ্যোগে শিখে ফেলেছে- এইসব অর্জনের তুলনায় বড় অর্জন সে নিজের কল্পনার বিকাশ ঘটিয়েছে। এইটুকুই আমার আনন্দের বিষয়।

ও যখন নিজেই কার্টুনের অনুকরণ করে নিজের সংলাপে খেলে , যখন কোনো সাময়িক সমস্যার বুদ্ধিদৃপ্ত সমাধান নিজ উদ্যোগে নিজস্ব প্রাক্তন অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে করে ফেলে সেটাই হলো তার অর্জন। তার ধৈর্য অনেক কম। একটুতেই হাল ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে যায়, অস্থির হয়ে যায়। সম্ভবত তার জীবনে কোনো কিছুর জন্যই দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয় নি।

সীমিত সামর্থে যতটুকু সম্ভব তার চাহিদা পুরণের চেষ্টা করা হয়েছে। সে কারণেই এই অভাব বোধের অভাব তার ভেতরে। আমাদের শৈশবের এক একটা আনন্দ অনেক বেশী উজ্জল ছিলো কারণ আমাদের অভাবের ভেতরে নিজের একটা কিছু পাওয়ার জন্য অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হতো। দিনের পর দিন টাকা জমিয়ে একটা বই কিনে আনা। একটা সপ্তাহ টাকা জমিয়ে নিজের জন্য ঘুড়ি-লাটাই কিনে মাঞ্জা দিয়ে ঘুড়ি উড়ানোর বিষয়টাও ততটাই আনন্দের ছিলো, একই ভাবে একটা ঘুড়ি কেটে যাওয়ার বিষন্নতায় অন্ধকার নেমে আসতো মুখে। আমাদের শৈশবে আট আনার মূল্য ছিলো আট আনার অনেক বেশী, একটা শরৎএর বিকেলের সম্পূর্ণ নীল আকাশ আর মেঘের ফাঁকে লুকোচুড়ি খেলা একটা চাটিয়াল ঘুড়ির মুল্য ছইলো আট আনা।
আট আনার কটকটি, ৫টা সুপার বিস্কুট, কিংবা ২টা বাতাসা। এক একটা দিন একের রকম উৎসব বয়ে নিয়ে আসতো আট আনা।

সুপার কিডেরা যদি অল্প বয়েসেই শিখে ফেলে স্বরগম তাতে কি হবে? নিয়মিত শিশুতোষ গাণ শুনে আমার ছেলে যখন বিকট গলায় গান গায় তখনও আমি আনন্দিত হয়েই দেখি। আমি আশা করি না ও গাইবে এ আর রহমানের মতো নিঁখুত লয়ে- ও শব্দ চিনছে না, না চিনুক, সাদাকে সাদা বলতে শিখলেই আমি খুশী। তার নিজের আনন্দ ও বিষাদ, নিজের ক্ষোভ আর উৎসব প্রকাশের বলিষ্ঠতা পেলেই আমি আনন্দিত হয়ে যাই।

তবে আধুনিক মানুষের সব কিছুতেই তাড়া, তারা এমন প্রযুক্তি চায় যেনো ছেলে মায়ের পেটের থেকে বের হয়েই বাবা মা বলে ডাকতে পারে, শিশু প্রতিপালন, গর্ভস্থ শিশুর বিকাশ ও আসন্ন পিতা-মাতার জন্য কিছু উপকারী বই আছে। সেখানে বলা আছে গর্ভস্থ সন্তান ৫ মাস বয়েস থেকেই গান শুনে উপভোগ করতে পারে, তাদের নিয়মিত যন্ত্রসঙ্গীত শোনালে তাদের মানসিক বিকাশ হয়তো ভালো হয়। নিশ্চয়তা না দিলেও একই সাথে বাজারে সেই না ৫ মাস বয়েসী গর্ভস্থ শিশুর উপযোগী গানের সিডি বিক্রী হয়। সেইসব শিশুদের উপযোগী বই বাজারে থাকে। তাদের গল্প শোনান, গান শোনান, তারা আপনার কণ্ঠকে মনে রাখবে, সুতরাং কথা বলুন।

বিষয়টা কতটুকু বাস্তব কতটুকু অবাস্তব আমি জানি না। তবে ছেলে এখনও খিস্তি শিখে নাই এটাতেই আমি আনন্দিত। অন্তত বন্ধুদের সাথে গল্পের সময় যে পরিমাণ খিস্তি আমি করেছি তার গর্ভাবস্থায় সেইটুকু শিখলেও পরবর্তী জীবনে তার গালি শিখবার প্রয়োজন ছিলো না কোনো।

এখন অবশ্য অনেক সচেতন হয়েই কথা বলতে হয়, অনুকরণ করতে শিখছে, শুভর সাথে একদিন কথা হচ্ছিলো এই বিষয়টা নিয়ে। ছোটো ছোটো ছেলে=মেয়েরা অনুকরণ করে, তারা নিজস্ব বিবেচনা শক্তি কাজে লাগিয়ে অনেক অদ্ভুত বিশ্বাস নিয়েই জীবন যাপন করে, তাদের কাছে দৃশ্যমাণ জগতের সবকিছুই বাস্তব। পপাই যেভাবে প্যাঁচ খেয়ে পানির উপরে দিয়ে ছুটে যায় সেটাও যেমন বাস্তব তেমনই বাস্তব পাখীর আকাশে উড়ে যাওয়া। সুপার ম্যান উড়ে যাচ্ছে এটাও বিশ্বাস করছে তারা।

এখন বিজ্ঞাপনের মানুষেরা যেভাবে ছেলেদের দিয়ে ভয়ংকর সব বিজ্ঞাপনের নক্সা আকছে সেটা দেখে যদি ছোটো ছোটো ছেলেমেয়োর অনুকরণ করা শুরু করে তবে তার দায় দায়িত্ব কে নিবে?
বিষয়ট ভয়ংকর হয়ে উঠছে দিন দিন।
বাসায় সারা দিন টিভি দেখে, আর বাসায় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হলো রান্নার অনুষ্ঠান। সে হাঁড়ি, বাসন, ফ্রিজ, ওভেন নিয়ে নিজের রান্না ঘরে সারাদিন ব্যস্ত থাকে, একটু হলুদ দিলাম, একটু মরিচ দিলাম, একটু আদা বাটা। একটু মাখন, একটু পনির, একটু চিনি, এই রান্না চলতেই থাকে, একটু পানি দিয়ে প্রেসার কুকারে বসিয়ে দিলাম, তেলে ভেজে নিয়ে পরিবেশন করলাম। আহ কি চমৎকার গন্ধ,

তার প্রিয় তারকা এখন সিদ্দিকা কবির। এই রান্নার অনুকরণের পরে শুরু হয়েছে টম এন্ড জেরীর অনুকরণ, এখনও তেমন সহিংস নয়। আমি ইচ্ছা করেই ওকে কখনই বন্দুকজাতীয় খেলনা কিনে দেই নি, তবে টম এন্ড জেরী দেখে সে নিজেই কল্পিত বন্দুক বানিয়ে ঠুস ঠুস করে গুলি করে যাচ্ছে।
জেরীকে ল্যাজ ধরে ঝুলাচ্ছে আর টমকে তাড়া করছে। এই পর্যন্তই ভালো-

অনুকরণের পরবর্তী ধাপে এখন যে চিলড্রেন'স রাইম দেখে নাচের অনুকরণ করে, সেইসব নাচের চিত্রায়ন হয়েছে ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের নিয়ে, তাদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই তবে এখনও না হওয়া টলোমলো ছেলের পক্ষে এই নাচের অনুকরণ করা সম্ভবপর নয়। এই বয়েসে সে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পারবে, জোড়া পায়ে লাফ দিতে শিখবে, এবং চাইলে এক হাতে মাউস ক্লিক করতে শিখবে। এইটুকুই তার সীমানা, প্রতিটা বয়েসের শিশুদেরই নিজস্ব যোগ্যতা থাকে

৪ মাসের ছেলে পাশ ফেরার চেষ্টা করবে, সে আলো আর অন্ধকারের তফাৎ বুঝবে, সে মায়ের গলা বাবার গলা আলাদা করতে শিখবে, হয়তো মুখ ভ্যাংচাবে, তবে শিশুরা হাসতে শিখতে শিখতে মানে বুঝে হাসতে শিখতেও সময় নেয় ৭ মাসের বেশী। আনন্দিত হলে হাসতে হয় এই বোধটা শিশুদের আসে ৯ মাসের কাছাকাছি সময়ে। এই সময় থেকেই তার ব্যক্তিত্ব, তার স্বস্তি আর অসস্তির বিষয়গুলো প্রকাশিত হতে থাকে। এর আগে শিশু অনেক রকম ভাবেই হাসে, উৎফুল্ল হয়, সেইসব প্রকৃত হাসি নয়। এখন যারা এই বয়সী শিশুদের বাবা মা তারা এই কথা মানতে নারাজ। ছেলে মেয়ে আমাকে দেখে হাত পা ছুড়ে, এইটা তার আনন্দের বহিপ্রকাশ, হতে পারে, তবে খুব সম্ভবত বিষয়টা তেমন না।

৯ থেকে ১৫ মাস বয়েসে সে হাঁটতে শিখবে, নিজ থেকে উঠে দাঁড়াতে শিখবে। তবে যেই শিশু ৮ মাসে হাঁটতে শিখলো সে যে ইবনে বতুতা হয়ে যাবে এমনও না। পরিবর্তন এবং স্বাধীন ও স্বনির্ভর হয়ে উঠবার ধাপগুলো খুব দ্রুতই অতিক্রম করবে এই বয়েসের শিশুরা। ওজন বাড়বের দ্রুত, কিন্তু ২ বছর হয়ে যাওয়ার পরে যখন তার অভিধানে শব্দের মোট সংখ্যা ৫০ হলেই সেটা যথেষ্ট সে সময়ে যে তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপকের মতো সাবলীল কথা বলে যাবে এমনটা আশা করা উচিত হবে না। কিন্তু আধুনিক মানুষ এই সময়টুকুই দিতে নারাজ।
তারা ৩ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে স্কুলে পাঠাচ্ছে , প্লে গ্রুপে যাওয়া ছেলেরা, প্লে গ্রুপ শেষ করে নিয়মিত যাচ্ছে পাঠশালায়। এই বাস্তবতা কিংবা চাওয়ার বাইরে নিজের ছেলেকে রাখা সম্ভব না। এখন তাকে উৎসাহ নিয়ে নিজের জ্ঞানের প্রদর্শন করতে হয়। সে সদ্য শিশুতোষ ছড়া শিখছে, তাকে নিয়মিত পরীক্ষা দিতে হচ্ছে, বিষয়টা আমার নিজের পছন্দ হচ্ছে না, আতা গাছে তোতা পাখী ডালিম গাছে মৌ, এত ডাকি তবু কথা কও না কেনো বৌ, এই ছড়ার ডালিম গাছে মৌ না বললেও আমার তেমন কিছু ক্ষতি নেই, কিন্তু বাসার লোকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে, না হয় নাই, আবার বলো, এ বি সি ডি, ই, ডাব্লু, এক্স ওয়াই এস, এমন ব্যতিক্রম বর্ণমালা পড়লেও আমার আপত্তি নেই, তবে বাসার লোক তাকে ধারাবাহিকতা শেখাতে চাইছে।
যদিও আমি জানি এই তোতাপাখীর মতো উচ্চারণের তেমন কোনো গুরুত্ব নেই, কিন্তু এটাই বাসার প্রথম শিশুর উপরে চাপের মতো।

একটাই আনন্দের কথা, গতকাল বেশ ধকল গেছে শরীরের উপরে, জিভ বের হয়ে যাওয়ার অবস্থা, রিয়েল প্লেয়ারে একটা ভেড়া গান ছাড়লে নাচতে থাকে, সেই ভেড়ার অনুকরণে ছেলে নাচতে শুরু করলো, তবে কিছুক্ষণ পরেই সেটার সাথে আমাকে নাচতে হলো, এই বয়েসে কেনো সম্ভবত সমস্ত জীবনেই নাচকে আমি মেয়লীপনার সমর্থক মনে করি, শিবলী মোহাম্মদ আর সোহেলকে সারা জীবন যাচ্ছেতাই গালাগালি করে আসলাম, এখন এই গানের সাথে পিটি করার বয়েস না হলেও পিটি করছি, বয়েস হচ্ছে, নিয়মিত ব্যয়মের প্রয়োজন, সেই ব্যয়মের প্রয়োজনটা মিটলো গতকাল, অবশেষে দুই পা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ছেলে হঠাৎ পায়ের সামনে উবু হয়ে দাঁড়িয়ে বললো বাবা দেখো দেখো "এ"

আমি তাকিয়ে দেখলাম আমার ছড়ানো পা আর তার উবু হয়ে থাকা ভঙ্গি মিলে একটা " এ" হয়েছে, এরপরের অংশ কি, মানুষ চাইলে ইংরেজী বর্ণমালার," পি, টি, আর, ভি , সি " এর বাইরে অন্য কিছু একা শরীরে তৈরি করতে পারে না, কিন্তু যদি হঠাৎ এই শিক্ষা দিয়ে দিলে তার মনে হয় আমাকে মুচড়ে "বি" বানানো সম্ভব তবে অন্য কোনো বাবা খুঁজতে হবে তাকে।

 

 

  • ৩ টি মন্তব্য
  • ৯৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৮
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: হমম..
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: হুমম

২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
comment by: মনির হাসান বলেছেন: ... বাপরে ... সাংঘাতিক লিখছেন ।


বাবা হইনি এখন'ও ... তারপর'ও ভয়ে আছি ... আমার হবু সন্তান
দেব্দারুর বাকল ছাড়ার গন্ধে মুগ্ধ হবেনা ... আট আনার পিঠে যে বাঘের ছবিটা আছে সেটা নিয়ে গবেষনা করবেনা ... চিপ্‌সের প্যাকেটের সস্তা স্টীকার গায়ে লাগিয়ে ... বায়না ধরবে সুপার ম্যানের কস্টিউম কেনার ...

ভালো থাকুন ।

 

 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৪৯৭