নীতিমালা থাকলে বাস্তবায়নও জরুরী-
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে স্পষ্ট বলা আছে যদি কোনো নারী কিংবা শিশু যৌনলাঞ্ছিত হয় তবে তার নাম ও পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না-
খোমেনী ইসলামের লেখাটি এই আইনের স্পষ্ট বরখেলাপ এবং সেটি রাজনৈতিক নোংরামির উদাহরণ। এরপরও কেনো একজন খোমেনী ইসলামের বিরুদ্ধে ব্লগের নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হবে না-
শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোদাচ্ছের চরিত্রহীণ ও যৌন হয়রানিকারী, হাসিনার কাছে তার শাস্তি দাবি করছি
Click This Link
এই লেখাটির অভিনবত্ব এবং বক্তব্য বিষয়ে কিছু না বলে পারা গেলো না,
প্রথমতঃ শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোদাচ্ছেরের বিচার কেনো শেখ হাসিনাকে করতে হবে? শেখ হাসিনা কোনো আদালত, শেখ হাসিনা কোনো সম্রাজ্ঞী, যার মুখের কথায় আইনের কেতাব বদলে যায়?
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন আইন যথেষ্ট কঠোর এবং এই আইনের অপব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশী। তবে এই যৌনলাঞ্ছনা বিরোধী নীতিমালায় অনেক বিষয়াদি আছে যেসব পরিস্কার না হওয়া পর্যন্ত এমন বক্তব্য দেওয়া বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে অপরাধ।
এমন কি কেউ যদি এমন মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে এবং যেটা যদি ব্যক্তিগত অবমাননা চিহ্নিত হয় তবে যেই অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি ভোগ করতে হবে অভিযোগকারি কিংবা অভিযোগকারিনীকে-
এরপরেও যদি অভিযুক্ত মনে করেন তার মানসম্মান হানী হয়েছে তবে তিনি আরও শাস্তির জন্য মামলা করতে পারেন।
আমি লাঞ্ছিত হয়েছি- এই বাক্যটিই সমাজের ভেতরে পৌরুষ এবং সামাজিক নারীর ভেতরে মিশ্র আবেগ তৈরি করবার জন্য যথেষ্ট।
কোনো নারী নির্যাতিত হয়েছে কিংবা যৌনলাঞ্ছিত হয়েছে এই সংবাদ পড়ে আমাদের সংবেদন আদতে কি মর্ষকামী হয়ে উঠে? আমরা নিজের পৌরুষ এবং নারীত্বের জায়গা থেকে বিষয়টাকে যাচাই করতে শুরু করি না কি আমাদের নৈতিকতা বোধ থেকে আমরা বিষয়টা বিবেচনা করি?
পৌরুষ সম্পর্কিত ধারণা থেকে উদ্ভুত পুরুষ নারীর রক্ষক সুতরাং নারীকে রক্ষা করা এবং যৌন লাঞ্ছনা থেকে নিরাপদ রাখবার দায় বোধ করা পুরুষরাও মাঝে মাঝে শেয়াল হয়ে উঠে, যাদের কাছে মুর্গি বর্গা দেওয়া নিরাপদ বিবেচিত হতে পারে না।
নারী নিজস্ব অভিজ্ঞতা কিংবা ভীতি থেকেও যৌন নির্যাতিতের পক্ষে একটা অবস্থান গ্রহন করে, মূলত বিষয়টা চরম স্পর্শ্বকাতর একটা বিষয়- এই মূহূর্তে আমার অবস্থান কিংবা উপলব্ধি আমি যদি বলি তাতে উপমা আহমেদ, খোমেনি ইসলামের ভাষ্যমতে যে "লাঞ্ছিত" মেয়েটির খালা, সে লাঞ্ছিত বোধ করেছে, নম্রতা বিষয়টাকে কিভাবে গ্রহন করেছে এই বিষয়টা এখানে অনুপস্থিত- যৌন লাঞ্ছনা কিংবা যৌনতাড়নার জায়গা থেকে বিবেচনা করলেও তাৎক্ষণিক উপলব্ধির বিষয়টাও চলে আসে,
অনেক কিছুই ধরে নিতে হবে আলোচনার খাতিরে- মেনে নিতে হবে নম্রতা যৌন লাঞ্ছিত বোধ করেছে- ধরে নিতে হবে মোদাচ্ছের নিজের কামনা চরিতার্থ করবার জন্যই এই তথাকথিত মুখচুম্বন করেছে-
তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টা যেহেতু আবেগঘন , সুতরাং আমার অবস্থান এখানে বিতর্কিত হলেও আমার নিজের বক্তব্য এটা খোমেনী ইসলামের নিজস্ব ইতরামি, তার বক্তব্য- শেখ হাসিনাকে মোদাচ্ছেরের কর্মের দায়ভার নিতে হবে-
কেনো নিতে হবে এটাই আমার কাছে স্পষ্ট নয় আদতে- শেখ হাসিনা মোদাচ্ছেরকে এই কাজ করতে উৎসাহিত করেছে কিংবা কোনোভাবে অনুপ্রাণিত করেছে?
-
দ্বীতিয়ত: বিষয়টার অন্য দিকটা, এইখানে উপমা আহমেদ যে কাজটা করলো, সেটা কি বাংলাদেশের নারী নির্যাতন বিরোধী নীতিমালার সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে- নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনের জন্য ২০০৩ সালে যেই নীতিমালা প্রণীত হয়েছে সেখানে স্পষ্ট বলা আছে নির্যাতিতের নাম কোনো গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না- আমার জানা মতে সামহোয়্যার ইন ব্লগ একটি উন্মুক্ত গণমাধ্যম-
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের বিরোধী কোনো লেখা এখানে রাখা হবে না, এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নীতিমালায়। নীতিমালার বরখেলাপ করা এই দুইটি লেখা এখনও কেনো মুছে ফেলা হয় নি?
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
কিন্তু মূল পোষ্ট টা মুছে দিল কেনো?
পারভেজ বলেছেন:
খোমেনী সুজোগ নিয়েছে। এটা অবশ্যই মানছি।কিন্তু উপমার বিকল্প কি করার ছিল জানাবেন?
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: উপমা অন্তত যা করেছে সেটা করা উচিত ছিলো না, মোদাচ্ছের শেখ হাসিনার চিকিৎসক বলেই তার ভাগ্নীর নাম প্রকাশ করে তাকে পণ্য করাটা উচিত হয় নি-
ভাগ্নীর অনুমতি না নিয়ে তাকে এভাবে সবার সামনে খুলে ফেলানোটা উচিত হয় নি-
এমন কি ভাগ্নীর সাথে আলোচনা করে বুঝানো উচিত ছিলো মোদাচ্ছের যা করেছে সেটা সেই মেয়ে কিভাবে গ্রহন করেছে, মেয়ে যদি লাঞ্ছিত বোধ করে তবে তার উচিত ছিলো এটা সরাসরি অভিযোগ আকারে উত্থাপন করা পুলিশের কাছে, এবং অবশ্যই এইভাবে সবার সামনে ভাগ্নির নাম পরিচয় বয়েস উল্লেখ না করে নৈব্যক্তিক উপায়ে প্রকাশ করা উচিত ছিলো--
অনেক কিছুই করণীয় ছিলো হয়তো , তবে উপমা যা করেছে সেটা অন্তত তার নিজের ভাগ্নির প্রতি সুবিচারের প্রকাশ নয়।
মামু বলেছেন:
কতা হইল উক্ত পুন্টে আরো কিচু লুচ্ছা ডাকতরের নাম পরিচয় দিয়া তাকো কৃর্তি কলাপ প্রকাছ করা হইচে...ছেই ছকল ডাকতুরগো নিয়া কুনু প্রতি বাদ বা ছমর্তন কেউ করে নাই...
করর্চে ছুদু একজন রে নিয়া যে হাচিনার ব্যক্তিগত ডাকতর....
আপচুস একমাত্র হাচিনার ডাকতুর হওয়ার ছুবাদে তারে কিচু কিচু লুক নানান ভাবে লুচবছামি ছমর্তন করর্তাচে... এইটা ক্লিয়ার....
ওদের জন্য
আপচুস....
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
পারভেজ ভাই, আমি আগেও বলেছি। এখনও বলছি। ব্লগে এ ধরনের অসমর্থিত পোস্ট গ্রহনযোগ্য নয়। মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের জায়গা ব্লগ নয়। হ্যা, যদি আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় বা সে চেষ্টা করা হয়, তবে অবশ্যই আমরা ভিকটিমের পাশে দাড়াবো।
মামু বলেছেন:
আইনের কুন ধারাতে লিকা আচে জনমাদ্যমে পরিচয় প্রককাছ করা যাইব না?ধারাটা উলেখ করবেন?
তাইলে তো জাবির শিক্ষদের পরিচয়, ছেন্চুরি মানিকে পরিচয় প্রকাশ কইরা জাতি মস্ত বড় পাপ কার্চে...
আসেন সবাই তওবা করি....
আপচুস...
লেখক বলেছেন: এইটার খসরা পাওয়া যায় রাজস্ব ভবনের নীচে, ১৮ কিংবা ১৯ তম ধারায় বিষয়টা আছে। মনোযোগ দিয়ে পড়লেই খুঁজে পাওয়া যাবে-
ইদানিং পত্রিকায় কোথাও যে নির্যাতিত তার নাম প্রকাশ করা হয় না, যে নির্যাতন করেছে তার নাম পরিচয় প্রকাশেও একই রকম সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
জাবির শিক্ষকের পরিচয় প্রকাশ করা নিয়ে সমস্যা না, উল্টা চোদন বুঝলে বিপদ, মোদাচ্ছেরের নাম উল্লেখ করা নিয়ে সমস্যা না, সমস্যা যে নির্যাতিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে তার নাম প্রকাশ করা।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
নীতিমালা আমি পড়ি নাই।তবে জনাব খোমেনীর ওই পোস্টা সরিয়ে নেয়া উচিত। নিজে থেকেই।
শঙ্খচীল বলেছেন:
খোমেনীর দুষটা কি ? সে হাসিনার উপর তো দোষ চাপায় নাই। সেখালি হাসিনার কাছে বিচার চাইছে। কারন হাসিনা ই একমাত্র এই প্রভাবশালি ডাক্তারের বিচার করার ক্ষমতা রাখেন। আর কিছু পার্ভাট লোক এই ডাক্তারের পক্ষ হয়ে খোমেনির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাইতেছে।
লেখক বলেছেন: উজবুকদের সাথে যৌক্তিক আলোচনা করা অর্থহীন,
শেখ হাসিনার সালিশ ক্ষমতা তৈরি হলো কবে?
খোমেনী যা করছে সেটা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন, আলোচনা সেখানেই সীমাবদ্ধ,
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
শঙ্খচীল, আমার মনে হয় না ব্লগের মত একটা মাধ্যম, যেখানে যে কেউ যে কোন কথা বলতে পারে নাম ধাম গোপন করে, সেখানে কোন মানুষের বিরুদ্ধে এরকম বড় কোন অভিযোগকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত।
মামু বলেছেন:
একটা গল্পে কতা মনে পইরা গেচে....গরিবে এক মাইয়ারে মাতবুরের পুলা ধর্সন কর্চে..... ওইটা নিয়া শালিষ বসইচে... ধর্সিতার বাপে... গরিব মানুষ কেউ কতা সুনতে চায় না... বহুত কর্ষটে দরবার বসাইচে....
দর্বারে মাতবুর কয় " এই মাইয়া আসলে তার বাপে শিখাইয়া দেওয়া কতা কইতাচে... ওর বাপের কাচে আমি অনেক ট্যাকা পামু... ওই টেকা যাতে না দিতে হয় এইটা তার ফন্দি... "
দরবারের কিচু লুক কইল এই হইলেও হইতে পারে.... গরিবের স্বভার খারাপ তাকে...
মাতবুর আরো কয় ' এই মাইয়া ধর্ষন কারে কয় এইটা জানার কতা না... মাইয়া এই শব্দটা বাপের শিখানু তেকে শিখচে...."
কিচু লুক কইল টিক কতা... এই মাইয়া না জানারই কতা...
তকন মাতবরের এক চামচা কইল "মাইয়ারে এই ভরা মজলিসে কইতে হইব তারে ক্যামনে কি করর্চে... পুরা গটনা ছবির কত ফুটাইয়া তুইল্যা কইতে হইব..."
চামচা মনে কর্চে এইটা তো ওই কতা লজ্জায় ভরা মজলিসে কইতে পারব না... সুতরাং দরবার ডিসমিস...
মাইয়া বেক্বলের মত কইয়া ফেলল....
তকন মাতবর আর কুনু উপায় না দেইক্যা কইল .." কুন দিক দিয়া তুমারে কর্চে এই দেখাইয়া কইতে হইব... তাইল বুজা যাইব গটনা টিক..."
একন এইটা কি ছম্বব ভরা মজলিসে সবার সামনে একটা মেয়ে মানুস তার পায়জামা খুইল্যা দেকইব এই দিক দিয়া দর্ষন করা হইচে?
---------------------------------------------------------
ব্লগে একট এই দরনের কিচু মাতবর জমা হইচে....
লেখক বলেছেন: যাদের বুদ্ধিবৃত্তি নিম্নমানের তাদের সাথে কোনো আলোচনায় লিপ্ত হওয়া মোটেও আনন্দের বিষয় নয়-
অহেতুক একজনকে জ্ঞান দিয়ে দিয়ে বিতর্ক কিংবা আলোচনা অনেকটা বিতর্কের ক্লাশ নেওয়ার মতো। এই অহেতুক শিক্ষকতার ভার নেওয়ার আগ্রহ আমার নেই।
উপদেশমূলক বক্তব্য একটা দেই, যাদের বুদ্ধি একটু বেশী তারা একটু নির্বোধদের উপদেশ দেওয়ার সামাজিক অধিকার সংরক্ষণ করে-
এই লেখাটা আগে ৩ বার বানান করে পড়ে হাতে লিখে পুনরায় পড়তে হবে। চতুর্থ বার পড়বার সময় প্রতিটা বাক্য আলাদা করে সময় নিয়ে পড়তে হবে-
এইভাবে যখন ১০ বার পড়া হবে এরপরে আমরা আলোচনা করবো-
বিডি আইডল বলেছেন:
মামুর সাথে সহমত। নারী নির্যাতনের মত বিষয় নিয়ে কানাডার মত দেশে অনেক কেস দেখেছি মেয়েরা সোচ্চার হতে সাহস পায় না (আমি এখানকার ছাত্র ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করি), সেখানে আমাদের দেশে সাহস করে একজন এগিয়ে এসেছে..নীতিমালার বেড়ী তাকে পরাই। উম্মু আপনার মন্তব্যের সাথে একদমই একমত হতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: এখানে ব্লগে লেখাটা দিয়ে লাঞ্ছিত মেয়ের উপরে লাঞ্ছনার বিচারের কোন পরিস্থিতি তৈরি হলো? ব্লগ কি বিশেষ আদালতের বেঞ্চ?
বিচারের দাবি উঠেছে ভালো কথা, খোমেনী ইসলাম যদি লাঞ্ছিত মেয়েরা পক্ষে আদালতে মামলা করতে চায় তবে আমি তাকে আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত- সে আদালতে গিয়ে মামলা করে আসুক, উকিল মোক্তার যা লাগবে আমি দিবো-
সেটা না করে এখানে লাঞ্ছিত মেয়ের নাম উঠিয়ে দেওয়াটা আমি সমর্থন করছি না। অযথা ভাববাদী বিলাসের প্রয়োজন নেই, নিজের পৌরুষ জাহিরের প্রয়োজনীয়তাও নেই।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এইখানে উপমা আহমেদ যে কাজটা করলো, সেটা কি বাংলাদেশের নারী নির্যাতন বিরোধী নীতিমালার সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে- নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনের জন্য ২০০৩ সালে যেই নীতিমালা প্রণীত হয়েছে সেখানে স্পষ্ট বলা আছে নির্যাতিতের নাম কোনো গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না- আমার জানা মতে সামহোয়্যার ইন ব্লগ একটি উন্মুক্ত গণমাধ্যম- ==============================
ইনি আসছেন ওকলাতি ছাড়তে। এরাই উত্তক্ত হয়ে বিচার চাইতে আসা নারীকে আইনের কাপড়ে ঢেকে ধর্ষণ করে।
আপনার পরিবারে ১০/১২ বছরের চাইতে বড় মেয়ে, বোন বা যে কাউকে একটা প্রশ্ন করবেন। চুমু খাওয়া বাদ দিলাম, ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার ছদ্মবেশে তাদের অশ্লীল স্পর্শ তারা বুঝতে পারে কিনা???
যদি ডাক্তারের অশ্লীল উদ্দেশ্যে করা স্পর্শকে তারা নোংরামী বলে তখন তাকে বুঝিয়ে দিয়েন বয়োজোষ্ট ডাক্তারের স্নেহ ছিল।
লেখক বলেছেন: এখন যেই আলোচনা চলছে সেটা কথিত ভাগ্নি আদতে যৌনলাঞ্ছিত বোধ করেছে কি না এই বিষয়ক পুরুষতান্ত্রিক রক্ষনশীলতাবাদী আচরণ।
বিষয়টা যৌন লাঞ্ছনার অভিযোগ বিষয়ে ছিলো না, বিষয়টা যে লাঞ্ছিত হয়েছে তার নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না এই বিষয়ক আইনের বিধির- প্রচলিত আইন বিরোধী কিছু প্রকাশ করা হবে না এইসংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়ন করবার দাবি নিয়ে লেখা।
আপনি আপনার পৌরুষবোধ নিয়ে এই ধরণের আত্মতৃপ্তি বোধ করতে পারেন, আপনি চরম নারী হিতৈষি হয়ে আমাকে গালমন্দও করে ফেলতে পারেন অনায়াসে , তবে সেটাতে প্রচলিত আইনে যেটা নিষিদ্ধ সেটা বৈধ হয়ে যাবে না।
----------------------------
আমাদের নৈতিকতাবোধ সমর্থন করে না কিন্তু সেটা অপরাধ নয় এমন অনেক বিষয়াদি আছে, উডি এলেন যখন তার পালিত কন্যাকে বিবাহ করে ফেলেন সেটা আমাদের নৈতিকতাবোধ করে আহত করে কিন্তু এই সংক্রান্ত এমন কোনো বিধান নেই আইনে যেটা এই বিবাহকে অপরাধ বলবে,
হুমায়ুন আহমেদ তার মেয়ের বান্ধবীকে বিয়ে করে ফেললেও আমরা একই ধরণের নৈতিকতা সংকটে ভুগি,
তবে এখানে নৈতিকতার সংকট নেই, বিষয়টা কাগজে কলমে অপরাধ- নির্যাতিতের পরিচয় প্রকাশ না করবার বিধানটা রয়েছে যেনো নির্যাতিতা সামাজিক ভাবে লাঞ্ছিত বোধ না করে- যারা উপমার পরিচিত এবং তার ভাগ্নিকেও চিনে তারা যদি সমব্যাথী হয়ে নিয়মিত খোঁজ নেওয়া শুরু করে, তোমাকে মোদাচ্ছের কোথায় চুমি দিয়েছিলো, কিভাবে দিয়েছিলো, সেটা আরও একটা লাঞ্ছনার ধারাবাহিকতা তৈরি করবে- এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা রদ করবার জন্যই এই আইনের ধারা এবং আদালতও যথোপযুক্ত সাবধানতা অবলম্বন করবে এই বিষয়ে এমন নির্দেশনাও আছে।
এখানে উপমা এবং খোমেনী যা করেছে সেটা আইনসিদ্ধ নয়, এবং এইখানে প্রকাশ করে যে তারা বিষয়টাকে আদালতে উপস্থাপন করবার প্রথম পর্যায় পার করেছে এমনও না।
আদতে এখানে যারা এই লেখার সমর্থনে আছে তারা নিজের পৌরুষ জাহির করবার প্রচেষ্টা করছে।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
বাথিজা,ঠিক লিকছ।তবে ফেসিবাদি সুমন রহমানেরে বয় পাইও না
মামু বলেছেন:
জনাব পুন্ট দাতা,আইন করা হয় মানুছের মঙ্গলের জন্য, এই দরনের আইনের জন্য জদি জনমত তৌরিতে বাধা হয়; তাইলে এই দরনের লুচ্চামির কামের চর্চা বাড়ব।
একন এই দরনের লুচচামির "প্রতিবাদের জনমত তৌরিতে বাধা হওয়া আইন বন্দ করা উচিত কি না?"
উচিত হইৎলে
আপনি একটা কাম করেন, আর একটা পুন্ট দেন এই আইনটা সামু যেন পরিবর্তন করে.. (আইন আর মঙ্গল নিয়া যকন আপনার এতই মাতা বেতা)
লেখক বলেছেন: হাওয়ায় তাওয়া গরম করে কি লাভ, জনমত হাওয়ার উপরে তৈরি হয় না, সেইটার একটা শেকড় লাগে, এইখানে শেকড় নাই, হুদাই এইটারে জনমত তৈরির চেষ্টা না বলে রাজনৈতিক ইতরামি চিহ্নিত করাটাই ভালো, সেটাই যথার্থ বিশেষণ হবে এটার।
মেয়েটা আইনের আশ্রয় গ্রহন করতে পারছে না এমন পরিস্থিতি যদি তৈরি হয়, মেয়েটা আইনের আশ্রয় চেয়েছে এবং শেখ হাসিনার সাথে সম্পর্ক থাকবার জন্য এটার বিচার হচ্ছে না এমন পরিস্থিতি হলে সেটাকে জনমত সংগঠন বলা যেতো। এইখানে যা হচ্ছে সেটা নেহায়েত ইতরামি। এমন উপমা আহমেদের তথাকথিত অভিযোগ উত্থাপনকারী লেখায়ও এমন বিবরণ নেই যে তার ভাগ্নী আইনের আশ্রয় চাইতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে রাজনৈতিক ক্ষমতাশীলদের সাথে মোদাচ্ছেরের সম্পর্কের কারণে।
অহেতুক জল ঘোলা না করে স্পষ্ট বলতে শিখেন, অনেক সমস্যা কম হবে।
কিংবা পুনরায় এ বি সি ডি থেকে শুরু করে দেখতে পারেন, সেটাও কাজে দিতে পারে,
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
এদের দাবি শুনে হাসতে হাসতে পড়ে যাচ্ছি।
আমার বাসায় সব্জি বিক্রি করে যে লোকটা, সে তার ব্যক্তিগত জীবনে হিজড়া না লুচ্চা - সেইটা দেখা আমার দায়িত্ব হয়ে যায় তাহলে।
শাহবাগের মোড়ে এইরকম উদ্ভট আর অসংলগ্ন কথা বলা পাগল বেশ কয়েকটা আছে।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
এই লেখা আমার আগে চোখে পড়েনি। তাই আমি নিজেই একটি পোস্ট দিয়ে ফেলেছিলাম।কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনো ওই ব্লগারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। দুঃখজনক।


















