somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কখনও জীবন ভুলে থাকার অভিনয়

১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আট বছর আগের একদিন- হঠাৎ কি ভুত পেয়েছিলো, পাশে বধুটিকে রেখে সন্তর্পনে সন্তানের প্রিয়মুখ ভুলে যে মানুষটা ঝুলে পড়েছিলো গাছের ডালে- সেই কবিতা পড়ে একদিন খুব করে ভেবেছিলাম, মানুষ কিসের তাড়নার আত্মহত্যা করে?
আত্মহত্যার দৃশ্য তেমন অভুতপূর্ব ছিলো না জীবনে আসলে, প্রাককৈশোরে কিংবা তার আগেই একদিন বেলী খালার বাসায় গেলাম, তার ছোটো ভাই আত্মহত্যা করেছে, ফাঁসি দিয়েছে, সমস্ত বাসাটাই থমথমে, প্রেমের জ্বালা জুড়াতে আত্মহত্যা করেছিলো সুমন মামা। অবশ্য সেই প্রেমিকাও আলুথালু কেঁদেছিলো, অভিসম্পাত দিয়েছিলো কি না তা আমার জানা নেই। সেই বয়েসে প্রেম ভালোবাসা বুঝবার অবসর ছিলো না।

তার লিখে যাওয়া চিরকুট, প্রতিবেশীর কাছে মুখ দেখাতে না পারার লজ্জা আর বাসার একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে নানীর শোকপ্রকাশ, সব কিছুকে ছাপিয়ে যে প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছিলো, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে মানুষ আত্মহত্যা করে।

বয়ঃসন্ধিকালের অভিমানে কোনো একদিন মনে হলো যদি ঠিক এই মুহূর্তেই মরে যেতে পারতাম, যদি এই মুহূর্তেই কোনো অলৌকিক ঘটনায় জীবনের অবসান হয়, বেশ হবে। আমার অনেক কিছুই দেখবার বাকি ছিলো। জীবন তখনও ঠিকমতো শুরু হয় নি, পিছুটান ছিলো না কোনো, কারো কাছে নিজেকে অপরিহার্য করে তুলতে পারি নি তখনও, সুতরাং ছেড়ে গেলেও তেমন ক্ষতি হতো না, তবে ভয় ছিলো। আশৈশব জেনে আসা শব্দগুচ্ছের ভয়, আত্মহত্যা মহাপাপ।

আমাকে সুমন মামার মৃত্যু দৃশ্য দেখতে হয় নি, থানা পুলিশ, ইউডি আর পোস্টমর্টেম শব্দগুলোর অর্থ তখন জানা ছিলো না, অটোপসি কি জানা ছিলো না আমার। শুধু জানলাম সিভিল সার্জন অটোপসি রিপোর্ট দিলে দাফন হবে, সন্ধ্যার আগে আগে অটোপসি রিপোর্ট পেয়ে যখন হারিকেন জ্বেলে দাফন হয়ে গেলো, সবার সাথে ফিরে আসলাম বাসায়। তারপর প্রতি বছর একটা দিন সে বাসায় যাওয়া হতো।

বেলী খালার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে সে বাসায় যাওয়া থেমে গেলো। আমি তাদের বাসা এখন আর চিনি না। শুধু মনে আছে, সেখানে অনেকগুলো লিচু গাছ ছিলো, বেলী খালা প্রতি বছর নিয়ে আসতো গাছের লিচু। সেই লিচুর স্বাদও বেলী খালার বিয়ের সাথে অপরিচিত হয়ে গেছে।

তারও বছরখানেক পরে, একদিন সকালে উঠে রাস্তায় নামতে না নামতে শুনলাম কে যেনো আত্মহত্যা করেছে। আমি তাকে চিনি না, তার সাথে আমার কখনও সাক্ষাৎ হয় নি, তবু ফাঁসীর দৃশ্য দেখতে আমিও রাস্তায় নামলাম। অন্য সব মানুষের মিছিলে সামিল হয়ে ডেখলাম কাঁঠাল গাছের ডালে ঝুলছে ১৫ থেকে ১৭ বছরের এক ছেলের লাশ, ভয়ংকর বিকৃত মুখ, জিহ্বা ঝুলে আছে, মুখটা নীল আর গলার চারপাশ ফ্যাকাশে হলুদ। হাত পা সব টানটান, ঝুলছে কিংবা বাতাসে দুলছে।

দৃশ্যটা ভয়ংকর, কিন্তু মানুষ এখানেও গল্প চায়,
কারো সাথে প্রেম ছিলো?
কেউ কি রাগ করেছিলো?
সবার প্রশ্নের কোনো উত্তর ছিলো না সেখানে, ছেলেটা কোনো চিরকুট লিখে রেখে যায় নি। কেনো হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো ছেলেরা উঠতি বয়েসে তা আমার জানা হয় নি তখনও।

কলেজ থেকে ফিরে একদিন জানলাম আমার এক পরিচিত মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। মেয়েটা তখন ক্লাশ সেভেনে পড়তো। খুব অবাক হলেও সেই দৃশ্য আর দেখতে গেলাম না। ফাঁসির দৃশ্য আমাকে তাড়া করুক স্বপ্নের ভেতরে এমনটা আমি চাই না।

সে মৃত্যুর রহস্য অনুদঘাটিত রয়ে গেলো জীবনে।

কোনো গল্প নেই, হঠাৎ করেই পুর্ণচ্ছেদ ঘটে যায় কেনো? পূর্বাপর সবকিছু বিবেচনা করে কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় না কেনো? বিজ্ঞ বন্ধু জানালো আসলে সবাই মৃত্যুর ঠিক আগে বুঝতে পারে তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো। অবশ্য তার কথাকে মেনে নিতেই হয়, ফাঁসির দড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করেছিলো তার বড় ভাই। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক।

কেনো এমন করলি? এটার উত্তরও সে দেয় নি সে সময়। হঠাৎ মনে হলো বেঁচে থেকে আর লাভ কি, মরে গেলেই হয়।
আমার কৌতুহল মিটে না।

মানুষ নিজের জীবন দিয়ে উপলব্ধি করে সব কথার গুঢ়ার্থ।

মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট বিশ্বাসহীনতার কষ্ট। মানুষের স্বাভাবিক বিশ্বাসের জায়গাটা নড়ে গেলে, মরে মানুষ নিজেই ভেতরে ভেতরে মরে যায়। মানুষের মৃত্যু হয় বিশ্বাসের মৃত্যুর সাথে সাথে। নিজের ভেতরটা আতঙ্কে হিম হয়ে আসে, এমন কেউ নেই যাকে বিশ্বাস করা যায়।

একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে দীর্ঘ চর্চায়, দীর্ঘ দিনের অভ্যস্ততায়, সেখানে আশ্বাস থাকে, নিশ্চিত বিশ্বাস থাকে, এইসব মানুষেরা, যাদের বিশ্বাস করা চলে অনায়াসে, স্বার্থ কিংবা লোভ, যেকোনো প্রলোভনে তারা পিঠে ছুড়ি মারবে না। সাময়িক ভ্রম কেটে যায়, বিশ্বাসের ফানুস নিভে গেলে অন্ধকারে এলোমেলো উড়তে থাকে ঘুড়ি। গোত্তা খায় মেঘে। আর কাউকেই বিশ্বাস করা চলে না জীবনে।

হঠাৎ করেই মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে মনে হয় বুকটা ফাঁকা। কোথাও একবিন্দু নির্মল বাতাস নেই, যে বাতাসে শ্বাস নেওয়া যায়, দমবদ্ধ লাগে, ঘেমে নেয়ে উঠে বসি পরিচিত বিছানায়। এপাশ ওপাশ করে ভোরের প্রতীক্ষা করি। ভোর আসে আশ্বাস নিয়ে।

আমি সারাদিন জীবন্মৃত ঘুরি শহরে, চারপাশের ব্যস্ততা আমাকে স্পর্শ্ব করে না। প্রতিটা পথচলতি মানুষের মুখ দেখি আর ভাবি একে বিশ্বাস করা যায়?
যে মানুষটা হাসিমুখে সিগারেট এগিয়ে দিচ্ছে, মামা ভাঙতি নাই পরে দিয়ে যাবেন- সে মানুষটাও বিশ্বাস থেকেই বলছে কথাটা।তাকে কতটুকু বিশ্বাস করা যায়? নিয়মিত খদ্দের হিসেবে যে বিশ্বাস সেটাও দীর্ঘ দিনের অভ্যাস। তাকে নিজের কথা খুলে বলা যায়? বলা যায়, পৃথিবীতে কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না এখন?

যে মহিলা দেখা হলেই অভিমান করে বলে মামারা আপনারা আস আসেন না চা খেতে। ভালো করে কাপ ধুয়ে এক কাপ চা দিয়ে যায়, সেও উপলব্ধি করে আমার ভেতরে কোনো একটা গোলমাল আছে, তবে আমরা কেউই কাউকে জিজ্ঞাসা করি না,
ভালো থাকবেন, বলে সে অন্য জায়গায় নিয়ে যায় চায়ের কাপ।

তার জন্য কি আমি কিংবা আমরা গুরুত্বপূর্ণ কেউ? আমার ক্ষুব্ধ চেহারা, আমার চিৎকার তার জানা। আমার অক্ষম রাগের মুহূর্তগুলো, আমার অসহায় ক্ষোভ, যখন আমার নিজের শরীরের চামড়া জ্বলতে থাকে, যখন মনে হয় নিহের শরীরটাকে কুচিকুচি করে কেটে খুঁচিয়ে দেখি কোথায় এই যন্ত্রনা।

যন্ত্রনা আদতে তেমন নেই, শুধু একটাই সমস্যা, কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছি না, কারো উপরে নির্ভর করতে পারছি না , কাউকে বলতেও পারছি না এই কষ্টের কথা। পৃথিবীতে কেউ নেই, যাকে বিশ্বাস করা যায়, ধারাবাহিক বিশ্বাস আর আশা ভঙ্গের বেদনা আর ভালো লাগে না। আর মৌখিক আশ্বাস ভালো লাগে না, ভালো লাগে না জ্বি ভুল হয়ে গেছে, আমি দুঃখিত শব্দগুলো।

দুঃখিত শব্দটাও উপহাস উপহার নিয়ে আসে। বলেও বোঝাতে পারি না, অনুশোচনার আন্তরিকতা না থাকলে সেই দুঃখবোধ মৌখিক, যেখানে হৃদয়ের ছোঁয়া নেই, এমন দুঃখপ্রকাশ আমি চাই না। অন্তত একবার দুঃখপ্রকাশের আন্তরিক হলে ভালো লাগতো। নেহায়েত বাণিজ্যিক ফোনালাপের শেষে মানুষ যেমন বলে।আপনার সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। আমি বুঝতে পারছি আপনার সমস্যা হচ্ছে, আর একটু ধৈর্য্য ধরেন।

ধৈর্য্যের বাধ ভাঙে, আর নিয়মিত ভাঙে বিশ্বাস, ভগ্ন বিশ্বাসের সৌধ নিয়ে বসে থাকি অন্ধকারে। এক একটা দিন কাটে। এক একটা দিন কেটে সপ্তাহ, সপ্তাহ গিয়ে মাস, মাস গিয়ে বছর ফুরায়। আর আমার অবিশ্বাস বাড়তে থাকে।

একটা সময় আর এইসব ভালো লাগে না মোটেও। চারপাশের কোনো পরিচিত জন নেই, দীর্ঘপরিচিত কিংবা স্বল্প পরিচিত যাকে বিশ্বাস করা যায়। আমি বুঝি, আমার সব কিছুই উলোটপালোট হয়ে গেছে।

য়ামি সব সময় ভাবতাম মানুষ কেনো আত্মহত্যা করবে? মানুষ কেনো হঠাৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে?
মানসিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয় কিভাবে?

মানুষের নিজের কিছু বিশ্বাসের জায়গা থাকে, যা মানুষ যত্ন করে বহন করে, মানুষের নিজের বিশ্বাসের উপরে জীবনযাপনের জায়গা থাকে, সেই জীবনযাপনে যা কিছু আছে সব কিছু নিজের বিশ্বাসের পাল্লা দিয়ে মেপে মানুষ বাঁচে। সেই বেঁচে থাকবার কারণ নিজের কাছে নিজের আত্মসম্মান।

মানুষ নিজেই নিজের কাছে নিজের গুরুত্ব তৈরি করে, অনেকগুলো ভারসাম্য তৈরি করে জীবনে, যেখানে নিজেকে স্থাপন করে, এই জায়গাগুলো স্পর্শ্বকাতর। ক্রমাগত আঘাতে যখন এক এক করে এইসব স্থাপনা ভেঙে পড়ে, তখন আর কোনো বাঁচবার আগ্রহ থাকে না।

অনেক দিনের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই, কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলেও কেনো আট বছর আগের সেই পুরুষ সব ছেড়ে চলে যায় অন্ধকারে, কেনো সুমন মামা কিংবা নাম না জানা অপরিচিত ছেলেটি জীবনকে অস্বীকার করে চলে গেছে, তা বুঝতে পারি।

প্রতিশোধ কিংবা আক্ষেপ হতে পারে এইসব। কার উপরে প্রতিশোধ নিবো আমি? নিজের বিশ্বাসহীনতার প্রতিশোধ? কিংবা ক্রমশঃ তৈরি হতে থাকা অবিশ্বাসের ফাঁদ, যে ফাঁদ থেকে আমার মুক্তি নেই, সেই ফাঁদকে এড়িয়ে বাঁচা সম্ভব নয়, সুতরাং মৃত্যুই শ্রেয়।

আমিও হঠাৎ করেই উপলব্ধি করি, আদতে বাঁচবার কোনো কারণ নেই পৃথিবীতে। মানুষ বেঁচে থাকে মানুষের বিশ্বাসে, আর আমার কোনো বিশ্বাস নেই, এমন কি নিজেকেই বিশ্বাস করতে পারি না সময় সময়, স্মৃতিভ্রষ্ট মনে হয় নিজেকে, দোকানীর সামনে বোকা মুখে দাঁড়িয়ে থাকি , ভুলে যাই সওদার দাম দিয়েছিলাম কি না? দিয়ে থাকলে দোকানী ভাঙতি কি ফেরত দিয়েছে? দোকানি হাসিমুখে বলে, মামা পরে দিয়ে যায়েন, সমস্যা নাই, মনে করে দিলেই হবে।
আমি হাতের মুঠোয় ধরে থাকা টাকা দিয়ে চলে আসি, কখনও বলি কি রে ফেরত দিবি না পয়সা?
ঐটা তো কখন দিয়া দিছি , এতক্ষণ কি ঐটার জন্য খাঁড়ায়া ছিলেন, হায়রে।

আমি হাতের মুঠো খুলে দেখি সেখানে জমা আছে ভাঙতি টাকা। আমি নিয়মিত নিজেকে ভুলতে চেষ্টা করি।

কখনও মাঝ রাতে, ঘুম ভেঙে মনে হয়
...................................................................

জীবন ভুলে থাকা নয়, জীবন ভুলে থাকার অভিনয়।

আর নিয়মিত কড়িকাঠে ঝোলানো রশি হাতছানি দেয়। আমি তার দিকে তাকাই, মৃদু হাসি,

নিয়ন্ত্রনহীন এই জীবনে অন্তত একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমার এখনও আছে। যেকোনো মুহূর্তে খেলা সাঙ্গ করে আমি ফিরে যেতে পারি।

আমি রশির সম্মোহনে দিনরাত আচ্ছন্ন থাকি। আর বলি, আজ নয় তবে যেকোনো সময় দেখা হবে তোমার আমার, অন্তরঙ্গ আলাপ হবে একান্ত নির্জনে। আজ নয়, তবে যেকোনো সময় খেলা সাঙ্গ করে চলে যাওয়া যায়।


সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৫৫
১৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×