http://www.sachalayatan.com/nazrul_islam/23902
নজরুলের লেখার শুরুটাই চমকে দেওয়ার মতো,
আব্বা যেদিন মারা গেলো, সেদিন বুঝলাম নিজের বাবা জীবনে একবারই মরে। অন্যের বাবারা মরে প্রতিদিন...
টুটুলের ফোন পেয়ে যেদিন গেলাম সোহওয়ার্দি উদ্যানে, সল্প পরিচিত জিফরানের বাবার ক্যান্সারের সাথে লড়বার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে এমন সংবাদ পেয়ে, সেদিন সব আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হলো প্রথম আলোর পেছনের পাতায় যেদিন সাহায্যের আবেদন প্রকাশিত হবে, আমাদের কাজ শুরু হবে তারপর থেকে।
৪ দিন অপেক্ষার পরে সে সাহায্যের আবেদন প্রকাশিত হলো। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ভাষা দেখে এরপর থেকেই মেজাজ খিঁচরে আছে প্রচন্ড রকম।
" মুক্তিযোদ্ধা খালেদের শেষ লড়াইয়ে শামিল হোন"
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সীতাকুন্ড অঞ্চলে বীরদর্পে লড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এস এম খালেদ, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা এখন দুরারোগ্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়ছেন। এ লড়াইয়ে শুধু শক্তি আর সাহস হলেই চলে না, চাই যথাযোগ্য সামর্থ্য, সেখানেই খালেদ নিরুপায়।
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলতেই থাকে, কোনো লড়াই শেষ লড়াই নয়। অথচ বিজ্ঞপ্তি পড়লেই খিঁচরে যাওয়া মেজাজ ঠিক করতে সমস্যা হচ্ছে। বেঁচে থাকা নিরন্তর যুদ্ধ, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই তার একটা সামান্য অংশ মাত্র। এরপরও এস এম খালেদ আরও লড়াই করবেন। তাঁরা লড়াইয়ে হাল ছেড়ে দিলে আমরা কাদের দিকে তাকিয়ে থাকবো প্রত্যাশার বেলুন উড়িয়ে।
ব্লগে ব্লগে ক্যাম্পেইন চলছে, সবাই যার যথাসাধ্য সীমিত সামর্থ নিয়ে জিফরানের বাবাকে বাঁচানোর লড়াইয়ে সংযুক্ত হচ্ছে। যদিও সম্পূর্ন চিকিৎসার ব্যয়টা প্রায় অকল্পনীয়, কিন্তু অলঙ্ঘনীয় নয়। প্রতিটা মানুষের বিন্দু বিন্দু উপঢৌকন মিলে এই অকল্পনীয় অর্থ আমরা সংগ্রহ করে ফেলতে পারি। অর্থের অঙ্ক যত বড়ই হোক না কেনো। একদল মানুষ একাট্টা হলে সে অঙ্ক কোনো সময়ই অসম্ভব হয়ে উঠবে না।
সুতরাং আশাবাদী হয়ে তাকাই আমাদের অতিক্রান্ত পথের দিকে। সেখানেও আশাবাদী হওয়ার কারণ খুঁজে পাই।
http://www.saveafreedomfighter.org/
এখানে অন লাইনে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ দেওয়া আছে। হয়তো সেটা যথেষ্ট নয়, কিন্তু আমাদের লড়াই এই মাত্রই শুরু হলো। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো। যত উঁচুই হোক না কেনো চাহিদা, সামর্থ্যের শেষ বিন্দু ঢেলে দিলে কোনো বাধাই অলঙ্ঘনীয় থাকে না।
কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





