০১.
কবিরাজ বাইরে থেকে ফিরে এসে দেখলো তার সাগরেদের সামনে একজন দেয়াল ধরে বসে আছে।
কি হয়েছে ওর?
ওর ঠান্ডা লেগে বুকে কফ জমেছে, ও এসেছিলো কাশির ঔষধ নিতে, তো আমার কাছে ছিলো না, আমি ওকে জামালগোটা দিয়েছি।
কিন্তু জামালগোটায় তো ঠান্ডা ভালো হয় না, ওর কাশি কি কমবে?
কমবে, দেখেন ও এখন কাশতেও ভয় পাচ্ছে।
০২.
ফার্মেসীতে দোকান বন্ধ হওয়ার আগে আগে এক মহিলা এসে বললো, আচ্ছা আপনাদের এখানে কি বড় মাপের কন্ডোম পাওয়া যায়?
দোকানী বললো, আছে আপা, আপনার কি লাগবে?
না আমি তাহলে বাইরে অপেক্ষা করি, যদি কেউ কিনতে আসে।
০৩.
সন্ধ্যার একটু আগে বল্টু গাছতলায় এসে দেখলো তার দাদা বসে আছে।
শীতের সন্ধ্যা, আবছা অন্ধকার।
বল্টু এসে বললো, দাদা কি হয়েছে তুমি লুঙ্গি তুলে এভাবে বসে আছো কেনো?
দাদা আস্তে আস্তে ঘাড় ঘুরিয়ে বললো, বুঝলি গতকাল ভুলে মাফলার না এনেই এখানে বসে ছিলাম সন্ধ্যা বেলা। ঠান্ডা লেগে ঘাড় শক্ত হয়ে গেলো।
আজকেরটা তোর দাদীর আব্দার।
০৪.
কলু মোর্শেদ ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, ডাক্তার আমার বীচি নীল হয়ে গেছে।
অনেকক্ষণ পরীক্ষা করে ডাক্তার বললো, তাহলে তো সর্বনাশ, বীচি ফেলে না দিলে তো তুমিই মারা যাবে।
কিন্তু বীচি ফেলে দিলে আমার বিবাহিত জীবন?
তুমি বাঁচতে চাও না মরতে চাও?
ঠিক আছে ডাক্তার।
পরের সপ্তাহে আবার কলু হাজির হলো ডাক্তারের কাছে, ডাক্তার ডাক্তার আমার ধন নীল হয়ে গেছে।
তাহলে তো সেটাও কেটে ফেলতে হবে।
কিন্তু তাহলে আমি পেশাপ করবো কিভাবে?
আমি একটা পাইপ লাগিয়ে দিবো-
পরের সপ্তাহে আবার হাজির হলো কলু, ডাক্তার আমার পাইপটাও নীল হয়ে গেছে।
ডাক্তার কিছুক্ষণ মাথা চুলকে বললো, কিছুই তো বুঝতে পারতেছি না, সমস্যাটা কি? আচ্ছা তুমি কি জিন্সের প্যান্ট পড়ো?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


