বাংলাদেশের পাসপোর্ট অর্ডন্যান্স ০৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
বাংলাদেশের পাসপোর্ট অর্ডিন্যান্স কিংবা পাসপোর্ট আইন প্রণয়ন হয় ৮ই ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩ সালে। সেখানে বলা হয় বাংলাদেশী কোনো নাগরিকই এই সনদ ব্যতীত বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিসীমার বাইরে যেতে পারবেন না।
বাংলাদেশ সরকার নির্ধারণ করে দিবে এই পাসপোর্ট দিয়ে কোন কোন দেশে যাওয়া যাবে এবং কোন কোন দেশে যাওয়া যাবে না। তবে বৈধ পাসপোর্ট ব্যতিত বাইরে যাওয়ার প্রচেষ্টা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বিবেচিত হবে।
যদি কেউ দালাল আইনে অভিযুক্ত প্রমাণিত হয় তবে তাদের পাসপোর্ট দেওয়া হবে না। কেউ যদি বৈদেশিক অর্থ পাচার কিংবা অবৈধ মাদক এবং অবৈধ ঔষধ পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হয় তবে বাংলাদেশ সরকার তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। এটা বাংলাদেশ সরকারের এখতিয়ার।
এমন কি পাসপোর্ট আবেদনকালীন সময়ের ৫ বছরের ভেতরে যদি কেউ ফৌজদারী অপরাধে ন্যুনতম ২ বছর কারাদন্ড ভোগ করে কিংবা যদি সে বাংলাদেশের কোনো আইন ভঙ্গের অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং বাংলাদেশের প্রশাসনের সন্দেহ হয় বিচার এড়াতে সে বাংলাদেশ থেকে পালাতে চাইছে তবে তাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া হবে না।
সরকার যদি ধারণা করে কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বাইরে প্রচারণা চালাতে পারে, তবে সরকার তাকে পাসপোর্ট প্রদানের অনুমতি প্রদান নাও করতে পারে।
Click This Link
পাসপোর্ট অর্ডিন্যান্স খুঁজে দেখলাম, কোথাও পাসপোর্টের রং নির্ধারণ করে দেওয়া নেই। এমন কি বলাও নেই বাংলাদেশের পাসপোর্টের রং আবশ্যিক ভাবেই সবুজ হতে হবে।
তবে পাসপোর্টের রং পরিবর্তন করা নিয়ে যে হাহাকার দেখে যাচ্ছে তাতে আশ্চর্য হচ্ছি।
মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা বোধের কমতি আছে এটা নতুন কোনো তথ্য নয়, তবে কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে এটাই নতুন উপলব্ধি।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বাঙ্গালীই বলেছেন:
আরে ভাই, দিন বদলাইছে না. . .
লেখক বলেছেন: সময়ও বদলাইছে। এখন অন্য দেশের ভৌগলিক সময়ে বসবাস করতেছি। এইটা নিয়াও সংগ্রাম সংগ্রামী সম্পাদকীয় লিখছে।
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
হুমমম..... ভাল বলেছেন
শয়তান বলেছেন:
শেষ লাইনে একমত ।
এডভোকেট বলেছেন:
ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
ঠিক্তাই! নৈলে বাংলাদেশের পাসপোর্ট লৈয়া এক বৈহারির এতো রঙতামাশার্কারন্কি!!
লেখক বলেছেন: এইটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। জাতির বিবেকের কাছে উত্তর চাওয়া উচিত।
_তানজীর_ বলেছেন:
মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা বোধের কমতি আছে এটা নতুন কোনো তথ্য নয়, তবে কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে এটাই নতুন উপলব্ধি। বুঝলাম না.. আপনি কার কথা বললেন। সবুজ থেকে নীল করার দরকারটা কি? তাতে কি লাভ? আজাইরা মানুষকে কনফিউজড করার কি দরকার? যাই হোক আপনার বিচার বিবেচনা বোধ সম্পর্কে জানা গেল।
লেখক বলেছেন: পাসপোর্টের কাজ আন্তঃদেশীয় ভ্রমণ, তা যেই উদ্দেশ্যেই হোক না কেনো, সেটাকে সহায়তা করা।
এখানে ব্যক্তির নাগরিকত্ব, জন্ম তারিখ এবং সাকিন লেখা থাকে। সেটা দেশের বাইরে তার পরিচয়পত্র, যেখানে রাষ্ট্র তার পরিচয় লিপিবদ্ধ করে এবং রাষ্ট্র এই পাসপোর্ট দেওয়ার মাধ্যমে একটা ঘোষণা দেয় যে এই ব্যক্তি দেশের কোনো আইন ভঙ্গ করে নি, সে কোনো জোচ্চুরির সাথে যুক্ত নয়, সে ফেরারী আসামী নয়-
এই প্রত্যয়নটুকু বাদ দিলে অন্য কোনো গুরুত্ব নেই পাসপোর্টে।
রাষ্ট্র প্রদত্ত এই সনদের ভিত্তিতে অন্য দেশের কনস্যুলেট অফিস সেই ব্যক্তিকে তার দেশ ভ্রমনের অনুমতি দেয়, সেই অনুমতি পত্র কিংবা ভিসায় ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ব্যক্তি সাথে করে যে পরিমাণ অর্থ নিয়ে যাবেন তার একটা বর্ণনা থাকে-
এর বাইরে পাসপোর্ট কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে না।
ভিসার জন্য নির্ধারিত পাতা এবং ব্যক্তি বিষয়ক তথ্যের বাইরে অঙ্গসৌষ্ঠব তেমন প্রয়োজনীয় নয়। পাসপোর্টের চামড়ার রং সাদা, কালো, লাল, নীল, বেগুনী, হলুদ, যেই হোক না কেনো, তার মুল উদ্দেশ্য তাতে ব্যহত হয় না।
সবুজ থেকে নীল করবার সাময়িক প্রয়োজন হয়তো ম্যাশিন রিডেবল পাসপোর্টকে বিদ্যমান ম্যানুয়াল পাসপোর্ট থেকে পৃথক করা, তাতে ব্যক্তি কিভাবে বিভ্রান্ত হবে এই পয়েন্ট বুঝি নি।
ব্যক্তি কি পাসপোর্টের উপরের রং দেখে ভিসা না নিয়েই যেসব দেশের পাসপোর্ট নীল সেসব দেশে রওনা দিয়ে দিবে?
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন:
দারুন হইছে , তবে শেষ লাইনটায় অংশত একমত মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা বোধের কমতি আছে এটা নতুন কোনো তথ্য নয়, তবে কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে এটাই নতুন উপলব্ধি।
এই জায়গায় বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা বোধের কমতি আছে এটা নতুন কোনো তথ্য নয়, তবে কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে এটাই নতুন উপলব্ধি - হইলে পুরাপুরি একমত হইতে পারতাম।
লেখক বলেছেন: সংযোজনের জন্য ধন্যবাদ।
প্রজন্ম বলেছেন:
কেউ যদি বিদেশ ভ্রমন করেন তাহলে বুঝবেন। পাসপোর্টের কালার লাল বা খয়েরী হলে ইমিগ্রেশন কর্মীদের ফার্স্ট ইমপ্রেশন টা ভালো আসে। সবুজ পাসপোর্ট দেখলে অপরাধীর মত আচরন করে, বিশেষত মিডল ইস্টে।
_তানজীর_ বলেছেন:
আমি ঠিক বুঝলাম না। ভিন্ন রঙ ব্যবহার করে ম্যাশিন রিডেবল অথবা মেশিন রিডেবল না এটা বুঝানোর দরকার কি? এবং সত্যি কথা বলতে কে বাংলাদেশের পাসপোর্টের রঙ নিয়ে এত মাথা ঘামাবে?কিছু পরিবর্তন আমরা সহজে মেনে নিতে পারিনা; কারণ ঐ পরিবর্তন-এর কোনো দরকার নাই। আপনাকে ধরেন বলা হলো আমেরিকা পাঠায় দিয়ে আপনার নাম পরিবর্তন করতে, ঐখানে আপনাকে কেউ চিনেনা, তাই আবুল হলেই কি আর মকবুল হলেই কি? করবেন? আজাইরা রঙ পরিবর্তনের কথা আনাই হচ্ছে মানুষের নজর অন্যদিকে সরানোর জন্য। এর কোনো লজিকেল কারণ নাই। আমি এই কথাই বলতে চাইছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















