সমকামী পশুদের অধিকার চাই-
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৮
বিশ্বের অন্তত ২০টা দেশ আছে যেখানে সমকামিতার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। অর্থ্যাৎ কেউ যদি এমন কোনো কাজ করে ধরা পড়ে তবে তাকে কতল করা হবে-
এই সম্পূর্ণ নৈতিকতা বোধের উৎস ধর্ম। ধর্মীয় কারণে এটার উদ্ভব। কিন্তু এটা কি অনৈতিক কোনো সম্পর্ক?
একজন ছেলের যদি অন্য একটি ছেলের সাথে শাররীক এবং মানসিক সম্পর্ক নির্মাণের আগ্রহ থাকে এবং সেই জুটি যদি অন্য কারো ক্ষতির কারণ না হয়ে নিজেদের এই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখে, এবং সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার দুঃখে আত্মহত্যা করে সেটা অমর প্রেমের দৃষ্টান্ত হিসেবে স্বীকৃত হবে না কেনো?
প্রেমবোধ এবং প্রেমের সাথে জড়িত কামজ আবেগ নিয়ে কারো আপত্তি নেই। যখন বিষমকামী কোনো সম্পর্কে এমন কামজ আবেগ ও আকুতি প্রকাশিত হয় তখন সেটা উঁচুদরের শিল্প হিসেবে গণ্য হচ্ছে, সেটা নৈতিকতাবোধে আঘাত করছে না। কিন্তু যখন বিষয়টা একলৈঙ্গিক তখনই মানুষের নিজস্ব ধর্মীয় জড়তা চলে আসছে বিবেচনায়। সেখানে নৈতিকতা এবং পূর্বতন বিবেচনার অবকাশ নেই।
আদালত সমকামী দম্পত্তির অস্তিত্ব মেনে নিয়েছে, সমাজও বিষয়টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। মানুষের নিজস্ব নৈতিকতাবোধ গবেষণায় অদ্ভুত একটা বৈষম্য কিংবা বিকৃতি নিয়ে আসে, তাই যখন জীববিজ্ঞানী কিংবা নৃতাত্ত্বিক, যারা পশু-পাখীর আচরণ নিয়ে গবেষণা করে মানবআচরণের হদিশ খুঁজবার চেষ্টা করছেন, তারা দেখলেন শুধু মানুষ নয়, বরং জীব জগতের অনেক প্রাণীই এমন সমকামিতা প্রদর্শন করে তখন তারা পুরুষ নারীর সম্পর্ককে বললেন এটা জীবের স্বাভাবিক যৌনতা, জীব শুধুমাত্র বংশবৃদ্ধির কারণেই সঙ্গমলিপ্ত হয় এবং সেটার কারণেই তারা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এবং সমলৈঙ্গিক যৌনসম্পর্কগুলোকে তারা নির্ধারণ করলেন গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ হিসেবে।
জাপানের এক চিরিয়াখানায় একজোড়া ফ্লেমিঙ্গো পাখি, উভয়েই পুরুষ , যখন এমন শাররীক সম্পর্ক শুরু করলো তখন তাদের একজনকে পৃথক করবার চেষ্টা ভালো ফল বয়ে নিয়ে আসে নি।
তাদের স্বাভাবিক যৌনাচারে মানুষের নৈতিকতার হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে তারা উভয়েই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তাদের এক সাথেই রাখা হয়েছিলো। প্রেমের কাছে পরাজিত হয়েছিলো মানুষের জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নৈতিকতাবোধ।
মানুষ নিজের রুচির সাথে খাপ খায় না বলে যেসব বিষয়ে আপত্তি জানায়, তার সবগুলোই অনৈতিক হয় না। আদালত যখন সমকামী দম্পতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যখন অনেক সমকামী আদালতের প্রত্যক্ষ আদেশ কিংবা নির্দেশনা ছাড়াই একত্রবাস করছে তখন তাদের দাম্পত্ব্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে ১০টি দেশের আদালত। সেসব দেশে সমকামী দম্পতির একজন মারা গেলে তার সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে তার পার্টনার।
এই আইনের বিরুদ্ধে ভোট হয়েছে , এবং এই গণতান্ত্রিক নির্বাচনে যদিও সমকামী দম্পতিদের আইনী অধিকার রদ হয়েছে, কিন্তু গণতন্ত্র বলেই বলছি, অনেক মানুষই সমকামী দম্পতির আইনী অধিকারের পক্ষে, তাদের ঢালাও ভাবে অনৈতিক বলে ফেলা অযৌক্তিক বিবেচিত হবে।
অনৈতিকতা কিংবা নিজস্ব অরুচি সবার ভেতরে চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই কোনো।
প্রাণীজগতে যা যা ঘটে , মানুষও তাই করে। মানুষের প্রাণীত্ব এটে প্রকাশিত হয়, মানুষের অলৌকিকত্ব কখনই প্রকাশিত হয় না । প্রাণী হস্তমৌথুন করে, নিজের যৌনচাহিদা বস্তুগত উপাদান দিয়ে প্রশমন করে, সুযোগ পেলে নিজের পার্টনারের বাইরে অন্য পার্টনারের সাথে সঙ্গম করে, তারা সমকামী।
একটা বিষয়েই তারা পিছিয়ে, তাদের প্রাযুক্তিক অগ্রগতি হয় নি, সুতরাং তারা নিজেদের সঙ্গমের দৃশ্য নিজেরা ধারণ করে অন্য কাউকে দেখাতে পারে না। প্রাযুক্তিক এই পিছিয়ে থাকাতেই তাদের তেমন বড় ক্ষতি হয় নি। কারণ সামাজিক ফোরামে এমন অনেক জীবই দেখা যাচ্ছে ইদানিং।
প্রকাশ করা হয়েছে: অগভীর ভাবনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রিয়সখা বলেছেন:
ভাললেগেছে।+++
লেখক বলেছেন: আপ্নে কি আগ্রহী?
দেশী পোলা বলেছেন:
গড মেড এ্যাডাম এন্ড ঈভ, নট এ্যাডাম এন্ড স্টিভ।
লেখক বলেছেন: ভগবানের লীলা বুঝা যায় না। এ্যাডাম এন্ড স্টিভের একটা ভার্সন রান কইরা দেখতে পারে। পরে স্টিভরে এলিমিনেট করছে, কিন্তু এ্যাডামের বদভ্যাস যায় নাই।
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
প্রাণীজগতে দেখা যায় ইনসেস্টও আছে। তাহলে কি আমাদের উচিৎ মায়ের সাথে ছেলের বা ভায়ের সাথে বোনের যৌনসম্পর্কের আইনসম্মত অনুমোদন দেওয়া?
লেখক বলেছেন: পারিবারিক সম্পর্ক এবং এই সংক্রান্ত নৈতিকতা বোধ না থাকলে এটা তেমন বড় অপরাধ নয়, বরং এটার চর্চা অন্তত ৬ হাজার বছর হয়েছে পৃথিবীতে এবং মানুষেরাই এটা করেছে।
ঝাড়ুদার বলেছেন:
কে কার সাথে- কি ভাবে বিছানায় যাবেন সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার তাই এই ব্যাপারে কিছু বলার নেই। কিন্তু সেই ব্যাক্তিগত বিষয়টাকে পুঁজি করে ১ম/২য় অথবা ৩য় যে কোন একজন ব্যাক্তি যদি ব্যাবসায়িক ধান্দা করে তবে সেটাকে আপ্নি কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন?
লেখক বলেছেন: যেখানকার আলোচনা, সেখানেই সীমিত রাখা ভালো। সব জায়গায় একই আলোচনার জের টানার মানে হয় না।
প্রেমের কবিতার পোষ্ট কিংবা কিছক কৌতুকের পোষ্টেও এটার ধারাবাহিকতা থাকবে ভবিষ্যতে এমনটাই আমি আশা করবো, তবে এখানে আমি আলোচনা করবো না।
আপনি যা যা মেনে চলতে পারেন না, তা আমার জানা,
তবে আমি যা মেনে চলি, অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়ে নিতান্ত বাধ্য না হলে আমি মন্তব্য করি না।
এটুকু মেনে চলতে পারলে ভালো।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
দেশী পোলা বলেছেন: গড মেড এ্যাডাম এন্ড ঈভ, নট এ্যাডাম এন্ড স্টিভ। তবে সমকামীদের নিয়ে আমার কোন অ্যালার্জি নেই। খালি আমার দিকে বদনজরে না তাকাইলেই হইল
লেখক বলেছেন: সবাই পাছা বাচাইতে চায়-
লেখক বলেছেন: আমারও একটা প্রশ্ন ছিলো আসলে, সমকামী শব্দটা শুনলেই কিছু মানুষের কেনো মনে হয় এক জোড়া মাসলম্যান ন্যাংটা হইয়া জাবরাজাবরি করতেছে।
লেসবিয়ানদের নিয়ে পোলাগো কোনো সমস্যা নাই দেখলাম, সমস্যা শুধু সমকামী পোলাগো নিয়া। এইটা কেনো?
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: পারিবারিক সম্পর্ক এবং এই সংক্রান্ত নৈতিকতা বোধ না থাকলে এটা তেমন বড় অপরাধ নয়, বরং এটার চর্চা অন্তত ৬ হাজার বছর হয়েছে পৃথিবীতে এবং মানুষেরাই এটা করেছে।
কিন্তু এইটা বন্ধ হইল কেন?? এবং আপনি সেটা আবার চালু করার জন্য রেকমেন্ড করবেননা? সমাকামীতা অনেক পশুপাখির মধ্যে দেখা যায় সেইযুক্তিতে যদি মানুষও সমকামীতার লিগালিটি দিতে চায়, তাহলে ইনসেস্টকে লিগালিটি দেওয়ার কথা বলছেননা কেন? আর তাছাড়া পশুপাখির আচার-আচরনই কি মানুষের আচার-আচরনের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করবে? ইনডিস্ক্রমিনেইট প্রমিসকুইটিকে কি আপনি ভাল মনে করেন?
(এখানে একটা কথা মনে হয় স্পষ্টতার জন্য বলা দরকার যে, আমার সবার পরিচিত একটা নিক আছে, কিন্তু ব্লগে আমার ছোটবোন এবং ছোটভাইও আছে। তাদের সামনে এরকম বিষয় নিয়ে কথা বলা লজ্জাকর ব্যাপার, কিন্তু আপনার যুক্তি অনুসারে এ বিষয়ে কথা বলাটা মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ তাই ছদ্মনাম নিয়ে বলতে হচ্ছে, এজন্য ক্ষমা করবেন। আর আপনাকে খাট করার জন্য তর্ক করছিনা, যা উপরে অনেকেই মনে হচ্ছে করতেছে।)
লেখক বলেছেন: সম্পদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে এর বিকল্প ছিলো না। সম্পদ ছিলো সীমিত কিন্তু প্রতিযোগিতা বেশী ছিলো তাই পারিবারিক সম্পর্কের ভেতরেই এইসব যৌনসঙ্গী বেছে নেওয়ার চল শুরু হয়েছিলো।
এটা আলোচনার কথা, বাস্তবতা হতে পারে একটা গোত্রে প্রজননক্ষম যথেষ্ট নারী পুরুষের অভাব, এবং প্রত্যেকের নিজস্ব যৌনচাহিদা পুরণের এর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা ছিলো না।
সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি কিংবা অসংখ্য যৌনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ায় এই প্রথা একদা বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে এর বিকল্প প্রথা কিংবা আচরণগুলো রয়েই যায়, মৃত ভাইয়ের স্ত্রীকে বিয়ে করা কিংবা তাকে ফলবতী করবার গোত্রীয় রীতি এখনও চর্চিত হয়।
যেহেতু কনে পন বেশী তাই এখনও ভারত এবং তিব্বতে কিছু কিছু উপজাতী কিংবা আদিবাসী পারিবারিক ভাবে বিবাহ করে, তাদের সকল ভাইয়ের একজন বৌ থাকে কিংবা সকল বোনের একটা জামাই থাকে।
এই প্রথাটাও ধর্মীয় বিধান অনুসারে অনৈতিক, কিন্তু প্রয়োজনীয়তাই সকল নিয়মের সৃষ্টি করে এবং বিলোপসাধন করে।
যদি কখনও প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়, মানুষ এ কাজটা শুরু করবে, প্রয়োজনটা যৌনচাহিদা পুরণের, সেটা যদি অন্য উপায়ে পরিপূর্ণ হয় তবে সামাজিক নৈতিকতা বিবেচনায় কেউ মা বোনের দিকে হাত বাড়াবে না। কিন্তু যদি সেটা অন্য কোন উপায়ে পরিপূর্ণ না হয় তবে এই ঘটনা ঘটবে, এটা এড়ানো যাবে না। মানুষের পশুত্ব যৌনতার সবচেয়ে বেশী প্রকাশিত হয়।
সমকামীদের রাষ্ট্রীয় অধিকারের পাশাপাশি আপনি কি ইনসেস্টেরও রাষ্ট্রীয় অধিকার দাবী করেন?
লেখক বলেছেন: আমার দাবি করার উপরে কিছু রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের তালিকায় পৌঁছাবে না,
নির্ভর করবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার উপরে।
যদি সমাজের ৩০ শতাংশ মানুষ ইনসেস্ট করে তবে রাষ্ট্র এবং সমাজ সেটাকে স্বীকৃতি দিয়ে দিবে, সেটা আমার কিংবা আপনার পছন্দ, রুচি এবং মতামতের তোয়াক্কা না করেই ঘটবে।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
যা সব নৈতিকতার নামে সৃষ্টি করা হয়েছে তার সবই এই বিশ্বে মানুষ নামের প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য... এই সমস্ত লাগামহীন অনাচার বিশ্ব থেকে মানব প্রাজাতিকে বিলুপ্তির পথে নিয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: প্রাণী জগত এখনও টিকে আছে, তারা মানুষের প্রকৃতির উপরে হস্তক্ষেপের আগে বহাল তবিয়তেই টিকে ছিলো, আশা করা যায় মানুষও লাগামহীন অনাচারের পরেও টিকে থাকবে।
সমকামীতা সব সময়ই উপস্থিত ছিলো মানুষের ভেতরে, এটা নতুন কোনো নৈতিকতা বিচ্যুতি নয়। মানুষতো এরপরও টিকে থাকলো, পিরামিড বানালো- আপনার আশংকা অমূলক এটুকুই বলা যায়।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
সমকামীতা দুই ধরণের হয়, মানসিক কারণ আর শারীরিক কারণ।কোন কারণই একটার থেকে আরেকটা ছোট না। কারণ, সব কারণেরই ফলাফল একই।
ধর্মীয় বাধানিষেধ রাখা হয়েছে ই মানসিক কারণটা ঠেকানোর জন্য।
আমি ব্যাপারটা একটা সত্য কাহিনীর মাধ্যমে পরিষ্কার করছি।
---------------------------------
কিছু বিকৃত রুচির লোক ছোট শিশুকেও ধর্ষণ করে। তবে, আরও কিছু লোক আছে, যারা ছোট ছেলেদেরও ছাড় দেয় না। কিন্তু, এটা প্রচার পায় না। কারণ, ঐ ক্ষেত্রে ধর্ষণ শব্দটা খাটে না।
মজার ব্যপার হল, ছোট ছেলেদের উপর এই প্ত্যাচার কিন্তু অনেক সময়ই চলমান থাকে।
এভাবে, অনেক সমস্যই ছেলেটা কিছুটা বড় হয়ে উঠলে এসবে আর জড়ায় না। যদিও তার মন মানসিকতা পরিবর্তিত হয়ে গেছে। সে আর মেয়েদের প্রতি কোন আগ্রহ পায় না।
খেয়াল করবেন, ছেলেটার সাথে যারা জোর করেছে, ওরা মেয়ে সঙ্গীকে না পেয়ে করেছে। কিন্তু, তাদের কাজের ফলশ্রুতিতে ছেলেটা প্রথম থেকেই ছেলেটা মেয়েদের প্রতি আগ্রহ বোধ করে না। আর, এমনকি ছেলেদের প্রতিও তার একটা ভয় রয়ে যায়।
আমার পরিচিত এক ভদ্রলোক এই সমস্যার স্বীকার। তাকে বিয়ে দেয়া হয়, কিন্তু তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। ভদ্রলোক খুবই অমায়িক ছিলেন আর প্রচুর বই পড়তেন।
সমকামী দম্পতিরা যেই বাচ্চাকে দত্তক নেয়, তার মন্মানসিকতা কী হয় ??? খেয়াল রাখবেন, সেই শিশুর মা অথবা বাবা নেই। তার দুটো মা বা দুটো বাবা।
প্রথমটা হলে স্বাভাবিক ভাবেই ছেলেদেরকে তার বিরক্তিকর লাগবে। আর, দ্বিতীয়টা হলে মেয়েদেরকে সে স্বাভাবিক ভাবে নেবে না।
আর, একটা সন্তান লালন পালনের জন্য মা আর বাবা দুজনেরই ত দরকার আছে তাই না?
----------------------------------------------
আরেকটা কথা, ছেলেদের আর মেয়েদের কিন্তু হোস্টেলে এক রুমে রাখা হয় না। সমকামীতা বৈধ হলে বা সংখ্যা বেশী হলে, হোস্টেলে কী কয়েকটা ছেলেকেও পাশাপাশি হোস্টেলে রাখা যাবে?? তখন সিস্টেমটা কী হবে??? একই কথা মেয়েদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আপনি আপনার ৫ জন দোস্তদের সাথে পিকনিকে যেতেও ভয় পাবেন। একটা ছেলে একা আরেকটা ছেলের বাসাতেও যাবে না।
--------------------
মোদ্দাকথা হল, যেই কারণে ইন্সেস্টকে বাতিল করা হয়, একই কারণে অর্থাৎ সামাজিক বিশৃংখলার কথা চিন্তা করেই সমকামীতাকেও বাতিল করা হয়।
আশা করি, আমার এত্ত বড়ো কমেন্ট (আলাদা পোস্ট হিসেবে চালিয়ে দেয়া যায়) আপনার পয়েন্ট অব ভিউটা কিছুটা হলেও পরিবর্তন করতে পারবে।
লেখক বলেছেন: সামাজিক বিশৃঙ্খলার বিষয়টা পরিস্কার হইলো না। সমকামী সমাজ কি বিশৃঙ্খল সমাজ?
ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য।
+++++++++++++++++++
আমি বলছি এখনকার কথা ... খুব কম হলেও ইনসেস্টের ঘটনা ঘটছে ... গত বছরও অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নরওয়েতে খবরে এসেছে ... যদিও প্রত্যেক ক্ষেত্রেই রাষ্ট্র এতে বাঁধা দিয়েছে
এ নিয়ে আপনার মত কি? রাষ্ট্রের কি উচিত ইনসেস্টকে নিষিদ্ধ করে রাখা, নাকি কারো যদি ইচ্ছে হয় তাহলে ইনসেস্ট করতে পারবে সে অধিকারটা দেয়া?
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র সামষ্টিক নৈতিকতা মেনে চলে, এখনও পর্যন্ত পিতা কন্যা শাররীক সম্পর্কের যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা মানুষের সাধারণ মূল্যবোধে আঘাত করেছে, এখনও মানুষ ঠিক নিজের যৌনসঙ্গী হিসেবে আপন সন্তান কিংবা ভাইবোনকে গ্রহন করতে পারছে না,
এরপরও কিছু ঘটনা ঘটছে, এবং সেসব ঘটনার কোনোটাই পারস্পরিক সম্মতিতে ঘটেছে এমন নজির নেই। বিষয়টা একপাক্ষিক ধর্ষণের বিষয়।
রাষ্ট্র পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টা ওয়াকিবহাল হলে রাষ্ট্রের অবস্থান কি রকম হবে সেটা জানা যাচ্ছে না, অন্তত মুসলিম দেশগুলোর শরিয়তী আইনে একটা স্পষ্ট নির্দেশনা আছে, এটা সে আইনে নিষিদ্ধ। অন্য সব দেশে যেখানে এমন ধর্মীয় আইনের প্রচলন নেই, সেখানে সামষ্টিক নৈতিকতাই হয়তো নির্ধারণ করবে, যদি এমন সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায় তখন রাষ্ট্রের বিবেচনা কেমন হবে।
এবং সব শেষে বিষয়টা আসলে আদালতের কাঠগড়ায় উঠলে, বিচারকের নিজস্ব নৈতিকতাবোধটাই প্রকাশিত হবে, তিনি যদি ভাবেন এটা অপরাধ, তবে এটা অপরাধ স্বীকৃত হবে।
এটা নিয়ে বিতর্ক চলবে, তবে আমার মনে হয় সমকামীতার ব্যপকতা যতটা, ইনসেস্টের ব্যপকতা ততটা নেই বর্তমানে। কিংবা সমকামীতা সব সময়ই চর্চিত হয়েছে, সুতরাং এটার সাথে মানুষের অভ্যস্ততা কম নয়।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। সমকামিতা নিয়ে যত ভীতি এবং ট্যাবু আমাদের সমাজে কাজ করে, সেটা মনে হয় ধর্ষণকারী, বা খুনীদের নিয়েও কাজ করে না। "নৈতিক" অন্যায় বলে সমাজ যেগুলোকে চিহ্নিত করে দেয়, সেগুলোকে আমরা ঘৃণা করলেও "পরিচিত" ভাবতে পারি, অথচ এই বিশেষ ব্যক্তিগত প্রকরণটাকে (যেটি স্বাভাবিকভাবেই কোন র্যান্ডম মানুষের ক্ষতির কারণ হবে না) নিয়ে কী পরিমাণ ভয়, তা আমাকে অবাক করে!
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
মানুষ ছাড়া অন্য কোন প্রানী এরকম উল্লেখযোগ্যভাবে সমকামী একথা আমি কস্মিনকালেও শুনিনি বা কোথাও পড়িনি। তাই অন্যান প্রানী টিকে আছে যেভাবে মানুষও সেভাবে সমকামিতা নিয়ে টিকে থাকবে এ যুক্তি হাস্যকর।এখানে যে প্রানিটির কথা বলেছেন সেটা নিশ্চয়ই ব্যতিক্রম। প্রকৃতির কিছু অদ্ভুত খেয়ালের একটা, যদিও তারা একে অপরের সংগপ্রিয় না শারীরিক ভাবেই মিলিত হচ্ছে সেটা কনফার্ম না।
সমকামিতা মানুষের একটা জিন গত ত্রুটি, কিছু মানুষের মানসিক বিকৃতিও বটে। তবে জিন গত ত্রুটিপুর্ন মানুষদের প্রতি আমার পুর্ন সহানুভুতি আছে। কিন্তু তাই বলে শিশুদেরকে এই সব মানুষেরা যখন শিকারে পরিনত করে সেটা কোনভাবে সমর্থন যোগ্য নয়।
আচ্ছা বলুনতো সব প্রানীকুল যদি সমকামি হয়ে যায় কিভাবে বংশবিস্তার হবে কিভাবে টিকে থাকবে প্রানিকুল?
লেখক বলেছেন: বিষয়টা ব্যতিক্রম কিছু নয়, পক্ষীকূল, প্রানীকুল, বাঁদর, বাঘ, সিংহ, ইঁদুর গিনিপিগ, সবাই এই আচরণ দেখাচ্ছে। সেটা ল্যাবেরটরিতে, কিংবা চিড়িয়াখানায় কিংবা জঙ্গলে সব খানেই ঘটছে, সুতরাং এটা আরোপিত কিছু না।
:) বলেছেন:
বাংলাদেশের গে কম্যুনিটি নিয়ে প্রাথমিক ধারনা পেতে ২০০৬-এ লেখা Richard Ammon - এর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিংClick This Link
আরো পড়া যেতে পারে Tanveer Reza Rouf এর Comfortable in the virtual closet
Click This Link
আর বাংলাদেশের গে-এক্টিভিস্ট ব্লগ
http://lgbtbangladesh.wordpress.com/
রাসেলকে ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করার জন্য।
অফ টপিক: আমি গে না।
লেখক বলেছেন: হাসিমুখের পকেটে এত লিংক কিভাবে আসে?
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:
গর্ধব!
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
+
:) বলেছেন:
বাংলাদেশে এলজিবিটি(লেসবিয়ান-গে-বাই-ট্রান্স) এর পরিমান কেমন সেটা আমরা জানি না। ১০% হলে প্রায় ১৮ লক্ষ। এ সাক্ষাৎকারে পারাবারিক-সমাজিক-চাপের-কারনে-বিবাহিত-গে-অথবা-বাইসেক্সুয়াল বিষয়টি উঠে এসেছে।Ashok Deb: I think Bangladesh has a higher percentage of Homosexuals than other countries. Some studies have indicated that about 10 percent of the total population may belong to the category of SEXUAL MINORITY taking their count to about 18 million. Still the gay and lesbian community is virtually visible, as people rarely comes out.
Tanvir: No idea about the statistics, but I feel in Dhaka the rate of Bisexual people is increasing. Secondly there is a significant category [I am not aware if there is a suitable term for them. If not, we should make one J] who are gay and later they get married succumbing to social pressures. After marriage still they claim themselves as gay and not bisexuals. These two categories were not identified in the statistics I presume.
উৎস: Click This Link
রাসেল ( ........) বলেছেন:
এই ছবির গে ফ্লেমিঙ্গো দম্পতি এক জোড়া সন্তান আডোপ্ট করেছে, তারা দুজনেই সন্তানের দেখাশোনা করছে, বিষয়টা খুব একটা খারাপ না।গে পেঙ্গুইন একটা পাথরকে ডিম ভেবে তা দিচ্ছে, এটাও খারাপ বিষয় না আসলে।
:) বলেছেন:
টাইপো, ১০% হলে ১কোটি ৮০ লক্ষবিবিধ কারনে এ বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া দুরুহ
Click This Link
কাঙাল মামা বলেছেন:
ভাললেগেছে।+++
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বস, আমি আমার কমেন্টে যেই পয়েন্ট গুলা দিছি, সেইটা বিচার করলে ত সমকামীতা যখন সমাজের স্বীকৃত বিষইয় হবে, তখন একটা বিশৃংখলা ত দেখা দেবেই।আমি সেই অর্থেই বুঝাইছি।
আরাফাত৫২৯ বলেছেন:
+ দিলাম
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















