somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাঁটুলের আবেগ- আমাগো পেট চলে বেতনের টাকায়, বোকাচোদা বিডিআরগো পেট কি অন্য কারো বেতনে চলে

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে আর্মি নামানো হয়েছে রাস্তায়, তবে এই উদ্যোগে যানজট পরিস্থিতির উন্নতি হয় নি তেমন, বরং ক্ষেত্রবিশেষে অবনতি হয়েছে। বহুরূপি মহাজন নিজস্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা লিখা দিয়েছে, এবং সেখানে উপসংহারে বলেছে

" মিলিটারি দিয়া সব কাম খুব সোন্দর ভাবে করান যায় - আমগো দ্যাশে কার মাথাত থিকা যে এই মহান তত্ত্ব খানা বাইর হইছে আল্লায় জানে!! "

Click This Link

ট্রাফিক আইন মান্য না করা একটা সমস্যা হতে পারে, ট্রাফিক আইন অমান্য করলে কিছু যানজট তৈরি হয় এটাও সত্য, মিলিটারি নামালে তাদের ডান্ডার ভয়ে সবাই হয়তো বাধ্য হয়েই ট্রাফিক আইন মান্য করে, কিন্তু ট্রাফিক আইন অমান্য করাই যানজটের একমাত্র কারণ নয়। বরং সেটা মূল সমস্যার চতুর্থ কিংবা পঞ্চম কারণ হতে পারে।

প্রধান কারণ সম্ভবত আমাদের শহরে জনসংখ্যা অনুপাতে রাস্তার পরিমাণ কম। ঢাকা শহর অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠেছে এখানে মানুষজন সৈন্দর্য্য এবং উপযোগিতা বিবেচনা না করে নিজের জমির শেষ দাগ পর্যন্ত বাড়ী তুলেছে, রাস্তার জন্য সামান্য ছাড় দেয় নি, সুতরাং বাসার গ্যারেজ থেকে গাড়ী বের করলেও একটা জ্যাম তৈরি হয়ে যায়।

দ্বিতীয় কারণ সম্ভবত আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাটা ততটা উন্নত নয়, এমন কি শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাও এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছে যে মানুষ নিজের জন্য একটা গাড়ী কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

ব্যাংকগুলো মানুষের এই তাগিদ নিয়ে ব্যবসা করছে, এবং প্রায় সকল ব্যাংকই নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদের বিনিময়ে গাড়ী কিনবার ব্যবস্থা করে দিয়েছে, এই ঋণপ্রকল্প তাদের ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত উপযোগী একটি সিদ্ধান্ত, কিন্তু সব মিলিয়ে ঢাকা শহরে প্রতি মাসে নতুন করে আরও ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার গাড়ী চলে আসা শহরের ট্রাফিক পরিস্থিতিকে আরও ন্ব্যুজ করছে।

সুতরাং সমস্যাটা ট্রাফিক আইন অমান্য করা বললে কিংবা ভাবলে সেটা নিতান্তই ভ্রান্ত একটি ধারণা। শহরে রাস্তার পরিমাণ বাড়ানো, ঢাকা শহর থেকে জনসংখ্যার চাপ কমানোর কোনো বিকল্প উদ্যোগ না নিলে এইসব ট্রাফিক আইন মান্য করানোর জোরজুলুমে যানজট পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

ঢাকা শহরে ট্রাফিকের স্বাভাবিক গতি ঘন্টার ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার। সেটা যেকোনো কর্মব্যস্ত দিনের হিসাব, গভীর রাতে এমন কি ছুটির দিনে ঢাকা শহরে যখন ট্রাফিক কম থাকে তখন সেটা অনায়াসে ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার হয়ে যায়।

বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের অফিস সরিয়ে নিয়েছিলো শহরের পরিধির দিকে, কিন্তু তাতে পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয় নি, নতুন গড়ে উঠা স্যাটেলাইট টাউনগুলোও একই রকম অপরিকল্পিত বিষফোঁড়া হয়েছে, সেখানেও যানজট বেড়েছে, এবং সমস্ত শহরটাই স্থবির হয়ে পড়ে কোনো কোনো সময়ে।

বহুরূপী মহাজনের প্রশ্ন মূলত এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করে, মিলিটারি নামিয়ে সবাইকে ট্রাফিক আইন মানতে বাধ্য করায় যানজট পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয় নি, হওয়ার সম্ভবনাও কম , এখানেও হাঁটুলের নিজেদের হাঁটুলত্বের প্রমাণ রেখেছে, সেখানে পুনরায় ক্যাডেট কলেজ ব্লগের ঠিকানা দিয়ে বিডিআর বিদ্রোহ এবং আর্মি অফিসারদের মৃত্যু এবং তাদের করুণ সৎ জীবনযাপনের গল্প ফাঁদা হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে আমি ক'জন সেনা কর্মকর্তাকে চিনি? তবে যাদেরই চিনি, তাদের দুবৃত্বপনাসমেতই চিনি, কথা হলো আমার স্যাম্পলিং সমস্যা থাকতে পারে, আমি সদ্য পরিচিত ২জন মিলিটারি মেজরের দুর্নীতি দেখে অনুমাণ করতে পারি মেজর র‌্যাংকের যতজন মেজর আছে তারা সবাই দুর্নীতিপরায়ন, কারণ আমার স্যাম্পলিং তাই বলছে।

অসৎ মানুষের সংখ্যা হয়তো কম, কিন্তু সমস্যা হলো কমান্ডিং পোষ্টে সব সময়ই অসৎ অফিসারের সংখ্যা আশংকাজনক ভাবে বেশী, কিংবা মানুষের হাতে ক্ষমতা থাকলে সেটার অনৈতিক ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যায়। জুনিয়র অফিসারগণ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সৎ ভাবে পরিশ্রম করলেও দেখা যায় উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন রকম অনৈতিক আচরণে যুক্ত হয়ে আছেন। এর দায় পড়ছে সার্বিক ভাবে সবার কাঁধেই।

সচেতন সাঈফ নামের একজন বলেছে বিডিআর এ যারা যাচ্ছে তারা যাচ্ছে ডেপুটেশনে, তারা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে যেখানে যাচ্ছে না, তাদের সেখানে কৃত দুর্নীতিকে সেনাবাহিনীর দুর্নীতি হিসেবে চিহ্নিত করা অনুচিত হবে

http://www.cadetcollegeblog.com/saif/4500

আমিও সেই ভাষ্য মেনে নিলাম, তারা বিডিআরের কর্মকর্তা, কিন্তু তাদের জন্য তুমি বোকাচোদা সেনাবাহিনীর সদস্য হইয়া মায়াকান্না কানতেছো কেনো? তাদের আভ্যন্তরীণ কোন্দলে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য মারা গেছে বইলা তোমাগো কান্নাকাটির কি আছে? তোমরা কেনো বিডিআরদের মারতে চাও, ধরতে চাও? তোমাগো কেনো উর্দি নিয়া সমস্যা হইলো?

তারা মারা গেছে যেখানে সেটার দুর্নীতির দায়টা তুমি নিজের কান্ধে ফেলবা না, কিন্তু ক্যান্টমেন্টের সকল সৈনিক আর অফিসার নিয়া তুমি বিডিআর কতল অভিযানে যাইবা কেনো? একটা ক্ষেত্রে তওমার মনে হবে সেটা ভিন্ন একটা বাহিনীর নিজস্ব সমস্যা অন্য একই ঘটনার ফলাফলে তোমার মনে হবে তোমার সহযোদ্ধা আক্রান্ত তাই তাদের উদ্ধার করতে যাওয়া প্রয়োজন, দেশের বুদ্ধিজীবিরা সব খারাপ, এইসব চোদনামির মানে কি?

এখনও তাই করতেছে সেনাবাহিনী, তারা বিডিআরের কতৃত্ব নিতে চাইতেছে, বিডিআরের প্রাক্তন সদস্যদের ছাটাই করতেছে, তাদের একটা বড় অংশকে সাম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের হোতা ভাবতেছে, তাদের নিয়মশৃঙ্খলা ডেকোরাম বদলাইতাছে, আমাদের বোকাচোদা বাণিজ্যমন্ত্রী, যেই শালার লেফট রাইট লেফট রাইট করতে করতে মাথার সব ঘিলুই উপচায়া পড়ছে, সে কখন কি বলে ঠিক নাই, সেও চাইতেছে বিডিআর বিদ্রোহীদের বিচার হোক সেনাআইনে,

কথা হইলো তুমি যখন বলো একজন আর্মি অফিসারের বেতনে তার পরিবার চলে এমন কথা সেই বিডিআর জাওয়ানের জন্যও সত্য। তার আয়ে তার পরিবার চলে, তুমি তারে চাকুরি থেইক্যা বরখাস্ত করলে তার পরিবার চলবো কেমনে? না কি তোমাগো পেট আছে ওগো পেট নাই,

মিলিটারি ছাগলের বাচ্চাগো সেন্স অফ হিউমার কম, তাগো বুদ্ধির পরিমাণ আরও কম, এগো নিয়া কোনো কথা লিখাটা ঠিক না,
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
১৬টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×