লেখক বলেছেন: ক্ষেত্র বিষেশ আমিও আপনার সাথে সহমত পোষন করি। আপনার মতই পঞ্চাশোর্ধ আমি, আমার স্ত্রী, আমার দুই ছেলে সন্তান একই সমস্যায় আক্রান্ত হই। সব খারাপই বন্ধ হওয়া বাঞ্চনীয়।
শহর-গ্রাম-গঞ্জে-মফস্বলে-হাট-বাজারে এখন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও অস্বস্তিকর যে ব্যাধি তার নাম "ইভটিজিং"।
কাল পুরুষ বলেছেন: দারুন পোস্ট। সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাক- সকলে মিলে এতসাথে প্রতিহত করুক এই মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি।
আইরিন সুলতানা বলেছেন: যারা ইভটিজিং করে তাদের এক বিশাল অংশ তরুণ। তবে অনেক মধ্যবয়সী পুরুষও ইভটিজিং করেন।
==============
জ্বি! ঠিক বলেছেন, মধ্যবয়সীরাও কম যায় না মহিলাদের সম্পর্কে "অশালীন, অভদ্র, কুরুচিপূর্ণ,নোংরা" কথা বলতে।
নুশেরা বলেছেন:
"মুষ্টিমেয় তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা, অরুচিশীল পোশাক এসবও অনেক সময় ইভটিজিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
হা হা হা হা! আমরা অন্যায় করে নির্দ্বিধায় অস্বীকার করবো। আর ধরা পড়ে গেলে সাফাই দেয়ার জন্য অজুহাত খুঁজবো। যেন ঐ অজুহাতের কারণটি না ঘটলে অপরাধটি ঘটতোইনা। এসব নতুন কিছু না। লালসালুর মজিদও খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী আমেনা বিবির পেটে বেড়ি দেখেছিলেন।
পারতপক্ষে মাইনাস রেটিং দেয়া হয়না; উদ্ধৃত অংশের মনোভাব পোষণের জন্য এই পোস্টে সজ্ঞানে মাইনাস।
মারুফের রহমান বলেছেন: আশা রাখছি লেখক নুশেরার কথার যূতসই একটা জবাব দেবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার উল্যেখিত ব্লগার আমার কাছে কোন বিষেশ গুরুত্ব বহন করেনা-যে তাঁর মন্তব্যের জবাব আমাকে দিতেই হবে!
ইভ টিজিং মুলত নারীর প্রতি অবমাননার প্রকাশ,
সামাজিক ক্ষমতা প্রকাশের জন্য যারা নিজেদের ক্ষমতাবান মনে করে তারা যাদের তাদের তুলনায় হীন মনে করে তাদের প্রতি যেকোনো অবজ্ঞা কিংবা অপমানসূচক উক্তি কিংবা অঙ্গভঙ্গি কিংবা এমন যেকোনো আচরণই মূলত টিজিং।
বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে যেহেতু নারীদের সবাই অক্ষম এবং হীন জ্ঞান করে এবং তাদের নিরাপত্তা এবং সম্মান রক্ষার দায়িত্বে রবাহুত পুরুষ উপস্থিত হয়ে যায় সুতরাং তারাই তাদের অধিনস্তদের হীন জ্ঞান করে বিভিন্ন বক্রোক্তি করে এবং সেটাই ইভ টিজিং।
কথিত জুলভার্ণ, যিনি মাঝে মাঝেই অনেক মজাদার লেখা লিখেন, তিনি সম্পূর্ন মন্তব্যের খাতায় নিজের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার প্রমাণ রেখে চলছেন, এবং একই সাথে তিনি নারীর প্রতি সহানুভুতিশীল একটা ভাবমুর্তি প্রকাশের চেষ্টা করছেন। এবং এই আইওয়াশ যথারীতি পাবলিক পেচ্ছাবের মতো গিলছেও। বিষয়টা বেশ আমোদের।
পুরুষ সব সময়ই নারীর উপরে বর্বরতাকে তার নিজস্ব অপরাধ বিবেচনা করে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই খুব সহজেই একজন নারীর চরিত্রকে বিতর্কিত করে ফেলা সম্ভব, আলোকিত মানুষেরাও এই প্রবণতার বাইরে নয়, জুলভার্নও ব্যক্তিগত জীবনে এমনই মানসিকতা ধারণ করেন।
যে মেয়েটা জুলভার্ণের বৌকে উত্যাক্ত করছে সেই মেয়ের নিন্দা জানাই। এটা যে মেয়ের মোটেও উচিত হয় নি। এর বাইরে তারা যে জুলভার্ণের বীর্যজাত দুই সন্তান যাদের পারিবারিক সংস্কৃতিতেই এই পুরুষতান্ত্রিক বিকৃতি রয়েছে তাদেরও উত্যাক্ত করছে এজন্য সেইসব মেয়েদের সাধুবাদ জানাই।
বীজ খারাপ হলে ফলও খারাপ হবে, যদি জুনভার্ণ নামক ব্লগারের নিজস্ব পারিবারিক শিক্ষা তাকে এইসব আচরণে প্ররোচিত করে, তবে জুলভার্ণের উচিত নিজস্ব পারিবারিক শিক্ষার স্বরূপ সবাইকে জানানো, তাহলে প্রত্যেকটি পরিবার পারিবারিক শিক্ষাপ্রদানের এই ফর্মাকে অগ্রাহ্য করে ইভ টিজিং মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে।
আপাতত জেনারেল আছি, তবে ভোর হইতে হইতে ওয়াচে কিংবা ব্যান হইয়া যাইতে পারি, দরদী ভাইয়েরা একটু সামলায়া রাইখেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


