জামায়াতের নেতাদের পূত্র-কন্যা যারা এখন অনলাইন ফোরামে লিখেন তাদের প্রতি আহ্বান
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
গত ৪ বছরে বিভিন্ন শিবিরকর্মী এবং জামায়াতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সন্তান-সন্ততিদের ভাষ্যে এ সত্যটা আমাদের জানা ছিলো, ২০০৬ সালে কামরুজ্জামান পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য কিংবা সামহোয়্যারে এখনও অবিরাম লিখে যাওয়া ফারজানা মাহবুব কিংবা সলিমুল্লাহ হলের প্রাক্তন প্রোভোস্ট কন্যা সাদিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য থেকে আমরা জানতাম নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের বাবারা ১৯৭১এ মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থানকে ব্যখ্যা করেছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে।
বাবা হিসেবে তারা ১৯৭১ এ নিজের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত বলেই সম্ভবত সরাসরি বলতে পারেন নি তাদের কৃত অপরাধের কথা। কাদের মোল্লার ছেলে কি নিজের পিতার অপরাধের প্রতিরোধে তার মুখোমুখি দাঁড়াতে পারবে? আমি জানি না, তবে কাদের মোল্লা যখন প্রেসক্লাবে বললো মুক্তিযোদ্ধাদের নারীদের লোভে যুদ্ধ করেছে তখন সেই ছেলে কি বাবার কথার প্রতিবাদ করেছিলো? আমি জানি না। আমার সাথে তার দেখা হয় নি এরপর।
কামরুজ্জামানের ছেলে অভিমান করেছিলো, তার বাবাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ধাওয়া করায়। নিজের ক্ষোভ সে প্রকাশ করেছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের কুত্তার বাচ্চা বলে, বিষয়টা আলোড়ণ সৃষ্টি করলেও কতিপয় ডানপন্থি অনলাইন বুদ্ধিজীবি তাদের সমর্থন করেছিলো। ফারজানা মাহবুব সেদিন ওয়ামীর সমর্থনে বলেছিলো পিতার অপমানে ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ আবেগান্ধ হয়ে এমন কিছু বলে ফেলতেই পারে।
আরিল কিংবা জানা'র অবশ্য এতে সমস্যা হয় নি। তার ব্যবসা টিকে আছে বহাল তবিয়তে। সামহোয়্যার কলেবরে বেড়েছে, সামহোয়্যারে বেড়েছে জামাতএর প্রচারণা, শুয়োরের সাথে সহবাসের ফতোয়া অস্বীকার করেছে কেউ কেউ। সামহোয়্যারের নিজস্ব নীতি কিংবা সুযোগসন্ধানী নীতিপরিবর্তনকে মেনে নেওয়ার আগ্রহ আমার নেই।
যে সত্য আমরা এতদিন জানতাম, জামায়াত এত দিন সে সত্য প্রকাশ করে নি। তারা বিভিন্ন পর্যালোচনা করছিলো কিংবা তাদের মজলিশে সুরার সুরাসক্ত নেতাগণ বিভিন্ন বিষয়াদি পর্যালোচনা করে অবশেষে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন ১৯৭১ এ রাজনৈতিক কারণে জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। সে রাজনৈতিক কারণটা অবশ্য উল্লেখ করে নি তারা। তবে মুসলিম উম্মাহ এবং পাকিস্তানের অখন্ডতা বিষয়ে কোনো বক্তব্য জড়িত থাকবে এর সাথে।
পাকিস্তানকে ইসলামিক ইডিওলজিক্যাল রাষ্ট্র বিবেচনা করে পাকিস্তানী অসাম্প্রদায়িক জাতিয়তাবাদের বদলে মুসলীম জাতীয়তাবাদ এবং ইসলামী রাষ্ট্রের ধারণাটা ব্যর্থ হয়েছে বলেই বাংলাদেশের জন্মটা অবসম্ভাবী হয়ে উঠেছিলো। পাকিস্তানের একদল রাজনীতিবিদ বলেছিলেন পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার পুরাতন খান্দানী মুসলিম রাষ্ট্র সমুহ ইসলাম রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আল্লাহ এই কাজে পাকিস্তানকে সৃষ্টি করেছেন এবং এই বিবেচনায় পাকিস্তানই মুসলিম দুনিয়ার একমাত্র যোগ্য নেতা। সুতরাং তারা করাচিতে " মোতেমারে- আলমে ইসলাম ডাকিয়া সারা বিশ্বের মুসলিম রাষ্ট্রসমুহকে সরকারী লেভেলে সম্মিলনী প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ করেছিলেন। তবে সে আহ্বানে সাড়া দেয় নি উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রসমুহ। তারা তুর্কী সাম্রাজ্যের পতনের সাথে সাথে নিজেদের স্থানীয় জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে নিজেদের স্বাধীন ভুখন্ড সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও মিশর-সিরিয়া- ইরাক- জর্ডান- সৈদি আরব- সকল স্থানের যুবকনেতারা একই লক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়বার জন্য প্যান আরব ঐক্য গড়েছিলেন, তবে পরবর্তী সময়ে, বিশেষত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তাদের নিজস্ব স্বদেশী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন তারা। সুতরাং মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে অখন্ড মুসলিম রাষ্ট্র গঠিত হয় নি, বরং স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক বিকাশের সাথে সাথে নিজস্ব জাতিয়তাবোধের উপলব্ধি স্পষ্ট হওয়ায় তারা মুসলিম ভাতৃত্ব স্বীকার করলেও নিজেদের রাষ্ট্রীয় পরিধিতে ইসলামিক জাতিয়তাবোধ নয় বরং অসাম্প্রদায়িক স্বদেশী জাতিয়তাবোধের চর্চায় মনোযোগী ছিলেন।
সে কারণেই যখন পাকিস্তান সরকারী প্রতিনিধি পাঠিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে আরব জাতিয়তাবাদ ও তুর্কি জাতীয়তাবাদ জাতীয় স্থানীয় ও অনৈসলামিক জাতিয়তাবাদ পরিত্যাগ করে পাকিস্তানের মডেলে ইসলামী জাতিয়তাবাদ গ্রহনের উপদেশ দিলেন তখন মধ্যপ্রাচ্যের কোনো রাষ্ট্রই এই মতবাদ গ্রহন করে নি।
সরকারী পর্যায়ে কোনো দেশই এই মোতামারে আলমে ইসলাম সম্মেলনে প্রতিনিধি পাঠায় নি, বরং পাকিস্তানের এই সর্দারিতে বিরক্ত হয়ে তারা পাকিস্তানের প্রতি বিরুপ ধারণাই পোষণ করেছেন।
পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধের চর্চাটাও যদি মুসলমি ভাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হতো তাহলেও বাংলাদেশের স্বাধীকারের লড়াই হতো না। বরং লাহোর প্রস্তাবের স্পষ্ট বিরোধি একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিলো। বাংলাদেশের নেতৃবৃন্ধ কখনই বিভাজন চায় নি। বরং তারা স্বাধিকার চেয়েছে।
আয়ুব পতনের আগে বাংলায় তথা পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীকার আন্দোলন জোরদার হয়ে উঠে। ততদিনে পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শোষণের স্বরূপ উন্মোচিত হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু আইয়ুব লাহোর প্রস্তাবের দু'টি পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে স্বাধীকার আন্দোলনরত রাজনৈতিকদের এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, যদি পূর্ব পাকিস্তানীরা পাকিস্তান হতে বিচ্ছিন্ন হতে চায় তবে গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে অস্ত্রের ভাষায় সে বিদ্রোহ দমন করা হবে।
ইয়াহিয়া আয়ুব খানকে সরিয়ে যখন রাষ্ট্রপতি হয়ে নির্বাচন আহ্বান করলেন তারপর পূ্ব পাকিস্তানে সাইক্লোনে নিহত হয় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ, তবে এই ব্যপক মানুষের প্রাণহানী ও সম্পদহানীর তোয়াক্কা না করে পূর্বঘোষিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবং ৬ দফার প্রবক্তা আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের ব্যপক সমর্থন প্রকাশিত হয় এই নির্বাচনে।
আওয়ামী লীগে পশ্চিম পাকিস্তানে একটি আসনও পায় নি, সত্যিকার অর্থেই প্রাদেশিক একটি দল হয়েও আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। স্বাধীকার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকায় এবং প্রাদেশিক স্বাধীকারের দাবিতে বেলুচ এবং সিন্ধকে সমর্থন করবার জন্য পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে স্বাধীকার ও ফেডারেল রাষ্ট্র নির্মাণের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কোনো সংকট হতো না। এই পরিণতি সম্ভবত পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়াদিতে পশ্চিমা শোষণের চিরস্থায়ী বিলোপ ঘটাতো।
সেটা মেনে না নিয়ে বরং ঔপনিবেশিক শোষণে পূর্বপাকিস্তানকে নিঃস্ব করা এবং বেলুচ সিন্ধ ও ওয়াজিরিস্তানে উদ্ভুত জাতীয়তাবাদীতাকে দমনের জন্য পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালান।
আমরা সাদিয়া( তৎকালীন আস্তমেয়ে)র কল্যানে জানি গোলাম আজম তার জীবনিতে বলেছেন ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তিনি ঢাকায় কয়েকটি লাশ দেখেছেন, ১৯৭১ এ ঢাকায় গণহত্যা হয় নি। পিতার বীর্যে হয়তো অন্ধ চোখ তার, সুতরাং গুগলের যুগেও পিতার বয়ান আর গোলাম আজমের জীবনি হয়েছে তার স্বাধীনতা সম্পর্কে জানবার একমাত্র গ্রহনযোগ্য উপায়।
যাদের বাবা জামায়াতের নেতা, যারা জন্মসূত্রে ইসলামী জাতিয়তাবাদে বিশ্বাসী, যাদের পিতা-মাতার শীৎকারে এক ওয়াতন এক ভুমি পাকিস্তান আমার জন্মভুমি চিৎকার এখনও ধ্বন্বিত হয় তাদের শিওশব যৌবন সবই পাকিস্তানের লেহনে নষ্ট হয়েছে। তারা হয়তো চোখ খুলে দেখবে না কোনো দিনই।
তবে মুজাহিদের বক্তব্যের প্রতিবাদ না করে পারছি না। ছাত্রমজলিসের কর্মী হিসেবে তারা ৬ দফার পক্ষে মিছিল করেছেন একদা, ২১শে মার্চ পর্যন্ত তারা বাংলার স্বাধীকারের সপক্ষে আওয়ামী লীগ থাকায় তাদের সমর্থন করেছেন, এবং হঠাৎ করেই ২৫শে মার্চের গণহত্যার পরে তারা রাজনৈতিক বিবেচনা কেনো পাকিস্তানবাদী হয়ে উঠলেন?
কেনো তারা এবং তাদের নেতৃবৃন্ধ ১৯৭১ এ যেখানে গনহত্যা চলছে সে মুহূর্তে নির্বাচনে মনোনয়ন নিলেন, কেনো তাদের কেউ কেউ বিনা প্রতিদন্ডিতায় নির্বাচিত হলেও তারা গণহত্যার প্রতিবাদ না করে বরং গণহত্যার সপক্ষে কাজ করে গেলেন। তাদের মুখপত্রে দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত সংবাদগুলো মিথ্যা এমনটাই দাবি মুজাহিদের। সাংবাদিকেরা অনেক উল্টা পাল্টা লিখে থাকে।
মুজাহিদ আমাদের সত্য কথা জানান, তিনি জানান কাউকে জবাই করবার জন্য নিশ্চিত ভাবেই তাকে চড় মারতে হয় না। কুয়ায় ঝুলিয়ে অত্যাচারে অজ্ঞান করে ফেলবার জন্য হাতের ব্যবহার করতে হয় না, জনাব কামরুজ্জামান এসে জানান শেরপুরে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে তা ভ্রান্ত-
সামহোয়্যারের শীর্ষে বিশেষ পোষ্টে ঝুলে আছে শর্মীর নাম- সেও ৩ লক্ষ না ৩০ লক্ষ মৃতদেহের বিনিময়ে বাংলা স্বাধীন হয়েছে এই প্রশ্নে বিভ্রান্ত ছিলো। সেও এত দিনের এত তথ্য উপাত্ত জেনেও আত্মীয়তার বন্ধনে লজ্জিত হয় নি? না কি অতীত যা ঘটে গেছে ঘটে গেছে- আপনারা শুধু অতীত নিয়ে মাতামাতি করেন এমন জামায়াতী নেতাদের অনুযোগের মতো তারও বিশ্বাস অতীতে যে হত্যা হয়ে গেছে তার বিচারের প্রয়োজন নেই?
আহ্বান জামায়াতী নেতাদের সন্তান-সন্ততিদের কাছে- যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তাদের ঘৃণা অপরিসীম, তারা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত সকল মানুষকে ঘৃণা করে। কিন্তু আপনাদের পিতাদের অনেকেই ৭১এ মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিলো। এসবের প্রমাণ ছড়িয়ে আছে সব দিকে, সেসব দেখে তাদের ঘৃণা করুন। শুধু একবার বলুন
"বাবা ১৯৭১ এ তোমার কাজের জন্য তোমাকে বাবা ডাকতে আমার লজ্জা হয়"
দেশের আদালত যে রায়ই দিক না কেনো আপনার বিবেকের রায় যদি এভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠে তাহলেই আপনাদের আমরা পুনরায় কাছে টেনে নিতে পারবো। যার যা কাজ তার প্রাপ্ত সম্মান ও ঘৃণা তাদের দিতে হয়। এটাই সামাজিক বিধি
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিউল রায়হান বলেছেন:
জন্ম হোক যথা তথা - কর্ম হোক ভাল কথাটা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে এই জামাতী সন্তানগুলির কাছেআমি চাই, আমি মন থেকে চাই এদের(জামাতী বাপের দোষ না দেখা সন্তানগুলি) সাথেও ঠিক সেরকম নির্যাতন হোক যেরকম পাকি বাহিনী এদেশে করেছে রাজাকার কুকুরগুলির সহায়তায়......
অচেনাসময় বলেছেন:
সিউল রায়হান বলেছেন:আমি চাই, আমি মন থেকে চাই এদের(জামাতী বাপের দোষ না দেখা সন্তানগুলি) সাথেও ঠিক সেরকম নির্যাতন হোক যেরকম পাকি বাহিনী এদেশে করেছে রাজাকার কুকুরগুলির সহায়তায়......
রুবাইয়্যাত বলেছেন:
উহারা বারবার ফিরিয়া আসে......
রাগ ইমন বলেছেন:
মানবতার প্রশ্নে উল্লেখিত ব্লগারদের প্রাণ কেঁদে ওঠার ধরণ দেখে মাঝে মাঝে তব্ধা লেগে যায় যারা একজন প্রাপ্তির চিকিৎসার জন্য টাকা যোগাড় করে তারাই আবার কি করে লাখ লাখ শিশুর হত্যার ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে রাখে? আমার ধারণা বাপ মা'রা এই হত্যা, ধর্ষণ , লুটপাটের সমস্ত তথ্য " বানোয়াট" বলে ব্রেইন ওয়াশ করেছে এদের। নিতান্ত রোবট না হলে এত গুলো মানুষের প্রাণহানী ও ধর্ষণের পক্ষে কোন " যুক্তি" কিছুতেই কোন সুস্থ মস্তিষ্কে " গ্রহনযোগ্য" হওয়ার কথা না ।
পশ্চিম পাকিস্তানকে সমর্থন করা যদি ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও হয়ে থাকে , তারপরেও , নিরস্ত্র সিভিলিয়ান হত্যা ও ধর্ষণ , দেশের নাগরিকের সম্পদ লুট কি করে "গ্রহনযোগ্য" হয়?
তাদের ছেলেমেয়েদের চক্ষু খোলার জন্য ( যদি আসলেই বন্ধ থাকে) এই বিচার প্রকাশ্যে হওয়া দরকার । এলাকার মানুষ সাক্ষী দিলে টের পাওয়া যাবে এই সব তথাকথিত ইসলামী নেতারা আসলে কি করেছে।
তবে আমার মনে হয় না এদের পরিবর্তন হবে । এরা জেনে শুনেই জামাতের পক্ষ নিয়ে প্রচার চালাচ্ছে । ঠিক কি ভাবে এত গুলা হত্যা তাদের কাছে জায়েজ হইলো কিংবা কেমন করে এই সব হত্যা , ধর্ষণ হয়নি বলে বিশ্বাস করলো এইটা বুঝতে পারলে ভালো হইত।
১৯৭১ এর জেনোসাইডকে বিশ্বে প্রচার ও রেকর্ড সংরক্ষণে আমরা সে ভাবে সফল হতে পারিনি। বিশ্বের মানুষ কিন্তু তেমন ভাবে জানে না । আমাদের উচিত জানানো।
১ম দায়িত্ব সরকারের । তারপর আমাদের।
ওরাকল বলেছেন:
জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভাল
ভাবনাবিহীন বলেছেন:
কাদের মোল্লার পোলা মৌদুত কয়দিন আগে পাকিস্তানী এক মেয়েরে নিয়া বেড়ায়া আসছে আইল্যান্ড থেকে, প্রতিশোধ নিতাছে। বিয়ার সেবনে ওস্তাদ। আব্বাজানের যোগ্য পোলা সে।
লেখক বলেছেন: কিয়ের প্রতিশোধ লয়? পাকিস্তানীরা কি ওর বাপের হোগা মারছিলো?
এইটাই হইল বাস্তবতা। মানুষ তার জন্মের জন্যে দায়ী না, কারো বাবা যদি জামাতী কিংবা যুদ্ধাপরাধী হয়ে থাকে সেইটা তার দোষ না। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়েও কিংবা চোখের সামনে শত শত প্রমাণ থাকার পরেও যারা তাদের ঐ কুলাঙ্গার পিতার অপরাধকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করে তারাও যুদ্ধাপরাধীদের মতই ঘৃণ্য।
কৃষ্ণনগর বলেছেন:
ভালো লেগেছে।দারুন লেখা
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ওয়েলকাম ব্যাক ব্রো! আপনাদেরকেই এসময় বড়ো দরকার। আশা করি নিয়মিত হবেন।
অবাঞ্চিত বলেছেন:
+++
রাসেল ( ........) বলেছেন:
একটু স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য মূলতমোহাম্মদ ইউনুস, ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘ পাকিস্তানের সেক্রেটারী জেনারেল, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তিনি পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার বাহিনীর নির্বাহী প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
মওলানা এ কে এম ইউসুফ, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ছিলেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা।
গোলাম আজম, , রাজাকার বাহিনী ও শান্তিবাহিনীর পরিকল্পনা ও সংগঠক, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমীর ছিলেন।
আব্বাস আলী খান, রাজাকার বাহিনী ও শান্তি কমিটির প্রধান সংগঠক ছিলেন। তিনি ভারপ্রাপ্ত আমীরের দায়িত্ব পালন করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের।
মতিউর রহমান নিজামী, ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন, তিনি সর্বাধিনায়ক, আল বদর বাহিনী দায়িত্ব পালন করেছেন, বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমীর??
মওলানা নুরুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামী পূর্ব পাকিস্তানের প্রচার সম্পাদক ছিলেন, তিনিও রাজাকার বাহিনীর সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইসলামী ব্যংকের পরিচালক
কামরুজ্জামান, ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ জেলার রাজাকার বাহিনীর সংঠক এবং ইসলামী ছাত্র সংঘের নির্বাহী প্রধান।
আলী আহসান মুজাহিদ, বর্তমানে সাময়িক স্মৃতিভ্রষ্ট্রতায় ভুগছেন, অনেক ছোটো বেলায় মানে ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময়ে তিনি আল বদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের জেনেরাল সেক্রেটারী।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
'এই সময়ে' এইটাই একমাত্র স্টিকি হাওয়ার মত পোস্ট। কিন্তু সামু ব্লগ কর্তৃপক্ষের সে তাকৎ, সৎসাহস অবশিষ্ট নাই
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন:
ভালো লেগেছে, দারুন লেখা ..........+++++++
ফাগুল বলেছেন:
ওয়েলকাম ব্যাক... লেখায় কিছু বলার নাই... যাদের বাবা জামায়াতের নেতা, যারা জন্মসূত্রে ইসলামী জাতিয়তাবাদে বিশ্বাসী, যাদের পিতা-মাতার শীৎকারে এক ওয়াতন এক ভুমি পাকিস্তান আমার জন্মভুমি চিৎকার এখনও ধ্বন্বিত হয় তাদের শিওশব যৌবন সবই পাকিস্তানের লেহনে নষ্ট হয়েছে। তারা হয়তো চোখ খুলে দেখবে না কোনো দিনই।
এগো নাইলে জন্মদোষে চোখ কানা, সামু অথরিটির যে কুন দোষে চোখ কানা হইয়া আছে কে জানে...
রাজীব মিটার বলেছেন:
ওয়েলকাম ব্যাক!
লেখক বলেছেন: তুই কি ঢাকায়?
জগন্নাথে আইয়া পড় বিকালে, মুন আইবো।
অসময়ের আমি বলেছেন:
৮ টা মাইনাস...বড়ই আজিব..যারা মাইনাস দিলো ওগোরে গালি দিতে মন চায়..থাক দিমু না..পোস্টে পেলাচ..
হাসিব মীর বলেছেন:
আপনার লেখাটা খুবই ভালো লাগলো। কয়েকটা পয়েন্টে আমি খোলামেলা আলোচনা করতে চাচ্ছি। দুইটা অনুরোধ, যুক্তি এবং ফ্যাক্টস নিয়ে আলোচনা হবে। আর আলোচনা টা আপনার আমার মদ্ধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্য কারো মন্তব্য আপনি এলাউ করবেন না।
লেখক বলেছেন: খোলা মেলা আলোচনায় সমস্যা নাই, তবে আলোচনা আমার তোমার মধ্যে সীমাবদ্ধ জাতীয় কোনো কিছু মনে হয় না এখানে সম্ভব। সেটা করতে হলে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আলোচনা করতে হবে। এখানে আলোচনা হলে যারা আসবে তারা মন্তব্য করবে, সেটা অবজ্ঞা আর উপেক্ষা করে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এইটা একটু কঠিন তবে মন্তব্যের নীচে মন্তব্য দেখে বাকিসব ভুলে আলোচনা করা যায়।
আপনি আলোচনা করেন, যদি আলোচনায় তেমন সারবস্তু থাকে তাহলে বিষয়টা অন্য কেউ কিছু করবে না,
হাসিব মীর বলেছেন:
বেশ, আমার প্রথম বুঝতে চাওয়ার জায়গা হল, মুক্তিযুদ্ধের যারা বিরোধিতা করছে তার মদ্ধ্যে কি কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শিক অবস্থান ছিল? নাকি পুরোটাই নীচু মানের কোলাবোরেশন টাইপের জঘন্য অপরাধ। ততকালীন কোনো ইসলাম পন্থীদলই বা পীর আলেম যারা ছিলেন তাদের অধিকাংশই পাকিস্থানের পক্ষে ছিলেন, এইটার কি মতাদর্শিক অবস্থান গত ব্যাখ্যা হয়? পাকিস্তানের অমানবিক নির্যাতনের পর ও ফররুখ আহমেদের মত কবি পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন মানসিক ভাবে। চীন পন্থি কমুনিস্ট পার্টির যে অংশ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল তারা কি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল পাকিস্তানের গনহত্যার প্রতিবাদে?
লেখক বলেছেন: চীনা কম্যুনিস্ট পার্টির সদস্যরা যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো, তারা মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহন করা শুরু করেছিলো।
কোলাবোরেশন কিংবা দালালীর উঁচু কিংবা নীচু শ্রেণী বলে কিছু কি আদৌ থাকা সম্ভব? ক্ষমতাসীনদের তাবেদারী করা এবং ১৯৭১ এ যে মাত্রায় কোলাবোরেশনের নামে স্বজাতিহত্যায় উস্কানি দেওয়া এবং গোয়েন্দাতথ্য দিয়ে সহায়তা করা কিংবা তালিকা ধরে নিধনে অংশ নেওয়ার বিষয়টাকে ঠিক দালালীর পর্যায়ভুক্ত করাটা আপত্তিকর হলেও যেহেতু আইনের কেতাবে তাদের দালাল আখ্যা দেওয়া হয়েছে সুতরাং আমরা তাদের দালাল চিহ্নিত করছি,
রাজনৈতিক মতাদর্শের বিষয়টা পরিস্কার হলো না মোটেও। জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটলে ভাষা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে যখন একদল মানুষ উপলব্ধি করলো[ সেই একদল মানুষ শুধুমাত্র গুটিকয় ব্যক্তি নয় বরং দেশের অধিকাংশ জনগণ] তারা বঞ্চিত ও শোষিত হচ্ছে, তাদের ভাতের থালা টেনে নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষমতাসীনেরা সেনাবাহিনীর সহায়তায় কিংবা সেনাশাসনের নামে এই অধিকারকে লুণ্ঠন করছে, তখন দেশের জনগণের রাজনৈতিক আণতি স্বাধীকারের পক্ষে।
২৫শে মার্চের গণহত্যার আগে সম্ভবত অতিক্ষুদ্র একদল মানুষের বাইরে সবাই আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসনের পক্ষে ছিলো। তবে পশ্চিম পাকিস্তানের কাছে আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসনের বিষয়টা গ্রহনযোগ্য ছিলো না কারণ আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসনের অর্থ পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উপার্জনের সিংহভাগই মূলত পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষমতাসীনদের নিজস্ব বিবেচনায় বন্টিত হবে এবং এই অর্থনৈতিক বিচ্ছেদে পশ্চিম পাকিস্তানের তেমন কোনো অর্থনৈতিক লাভ নেই। ঔপনিবেশিকটার চুড়ান্ত একটা অবস্থান এটা। রাজনৈতিক আদর্শ দিয়ে ঔপনিবেশিকতাকে সমর্থন করার বিষয়টা যদি আপনার কাছে আপত্তিকর মনে হয় তবে আরও একটা তথ্য হলো পূর্ব পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামিও আঞ্চলিক স্বায়ত্ব শাসনের পক্ষে ছিলো ২৫শে মার্চের গণহত্যার আগে।
মুসলিম লীগ নেজামে ইসলামি কিংবা অন্য যে কয়টা দল পাকিস্তানের দখলদারিত্বের পক্ষে কাজ করেছে তাদের কয়জন অখন্ড পাকিস্তানে আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসনের বিরোধী ছিলো সেটা খুঁজতে আতশি কাঁচ লাগবে।
পাকিস্তানের প্রতি মোহগ্রস্ত একটা প্রজন্ম ছিলো পুর্ব পাকিস্তানে, তারা তাদের যৌবনে পাকিস্তান আন্দোলন করেছে, লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিলো ভারতের দুই পার্শ্বে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট অঞ্চলে দুটো স্বায়ত্বশাসিত স্বাধীন ভূখন্ড থাকবে, সেটার নামও পাকিস্তান ছিলো না, কিন্তু ১৯৪৬ এ এসে দুই পাশে দুটো স্বাধীন ভূখন্ডের ধারণাটা ধামাচাপা পড়লো, এক দেশ পাকিস্তান জিকির উঠলো, এবং এভাবেই দুটো স্বাধীন ভুখন্ড নয় ভৌগলিক ভাবে ও সাংস্কৃতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন একটা দেশ তৈরি হলো যাদের ভেতরে উর্দুভাষী বাসিন্দারা স্বাধীকার ও সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নটাকে উপলব্ধি করে নি, এবং তারা উর্দুর মোহে কিংবা অন্য যেকোনো লাভে-লোভে পশ্চিম পাকিস্তানের সমর্থন করেছে। যখন স্পষ্ট হয়েছে ঔপনিবেশিক শোষণের স্বরূপ, তাদের একাংশ রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়েছে অন্য অংশ ক্ষমতাসীনের তাবেদাবী করেচে।
১৯৭০ এর নির্বাচন মূলত লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ স্বায়ত্বশাসিত রাষ্ট্রের দাবি নয় বরং পররাষ্ট্র, অভিন্ন মুদ্রা এবং সীমিত অর্থনৈতিক যোগাযোগের ভিত্তিতে দুটো স্বায়ত্বশাসিত ইউনিট তৈরির আন্দোলনে সাধারণ মানুষের জনসমর্থন।
ফররুখ আহমেদ পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন না মানসিক ভাবে, তিনি অনেক আগে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, তিনি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ব্যঙ্গ কবিতা লিখেছেন, সুতরাং পেশাগত জীবনে তার অবস্থান কিংবা ১৯৭১ সালে তার বাংলাদেশে উপস্থিতি দিয়ে তাকে পাকিস্তানপন্থী ঘোষণা করা যায় না।
লেখক বলেছেন: ঋক
দ্বীতিয়ত, যদি রাজনৈতিক ক্ষমতার লোভের বাইরে অন্য কোনো আদর্শিক তাগিদ থাকতো এই পাকিস্তানী নিষ্পেষণ সমর্থণের তবে যখন দেশে গণহত্যা চলছে তখন জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহন করতেন না। ঠিক রাজনৈতিক আদর্শগত কারণে নয় বরং ক্ষমতায় থাকতেই বাংলাদেশের কতিপয় কুলাঙ্গার এবং কতিপয় লোভী মানুষ পাকিস্তানের গণহত্যকে সমর্থন করেছে এবং সেটাতে সহায়তা করেছে।
দেশে গণহত্যা চলছে , দেশের ১ কোটি মানুষ উদ্বাস্তু, প্রতিদিন সেনাআগ্রাসনে সাধারণ মানুষ নিহত হচ্ছে , ঠিক এই পরিপ্রেক্ষিতকে পেছনে রেখে ৩টি রাজনৈতিক দল এবং কয়েকজন সাধারণ মানুষ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে বয়কট না করে তাতে অংশগ্রহন করছে বিষয়টায় পাকিস্তানের প্রতি কিংবা পাকিস্তান রাষ্ট্রীয় আদর্শের আনতি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কিন্তু আপনি চাইলে খুঁজে পেতে পারেন।
পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ইসলামিক হয়ে উঠবার কারণটা মোটেও পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির আদর্শ থেকে নয়, বরং শাসকদের শোষণে সহায়ক হয়ে উঠে বলেই পাকিস্তান ইসলামীর জাতীয়তাবাদকে ধারণ করেছিলো। পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থ হয়ে উঠবার অন্যতম একটি কারণ এর সাম্প্রদায়িক মনোভাব এবং মূলত পূর্বপাকিস্তানের নাগরিকদের অবিশুদ্ধ মুসলিম মনে করবার মতো উচ্চমন্যতা।
নিজের দেশের জনগনের বিরোধিতা করে , তাদের অবমাননাকে সমর্থন করে কোনো রাজনৈতিক আদর্শ পূষ্ট হলে বলা যেতে পারে জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের বলে বলীয়ান হয়ে, দেশের নাগরিকের সর্বোচ্চ ক্ষতি করে, তাদের হত্যা করে, ধর্ষণ করে লুণ্ঠন করে একটি আদর্শিক অবস্থান নেওয়া। এই হত্যা ধর্ষণ লুণ্ঠনে সহায়তা করা এবং এতে সক্রিয় অংশগ্রহন করা যদি কোনো রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচিত হয় তবে অবশ্যই আপনি সঠিক, অবশ্যই ১৯৭১ এর বিরোধিতা যারা করেছিলো তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ছিলো।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
সামুতে এখনো কিছু লেখক আছে যার জন্য ..বারবার ফিরে আসতে হয়.. প্রিয়তে নিলাম, ভালো থাকবেন
হাসিব মীর বলেছেন:
আপনার অবস্থান বোঝা গেল আমার প্রথম ইস্যুতে। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধঅপ্রাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে জামাত-শিবিরের বর্তমান প্রজন্মের সাথে রিকন্সিলেশানের সম্ভাবনা কতটুকু বলে আপনি মনে করেন?
এ.জে. মিন্টু বলেছেন:
এরকম লেখা এখানে খুবই মিস করি। ওয়েলকাম ব্যাক।
কোর আই সেভেন বলেছেন:
পিলাচ পিলাচ এন্ড পিলাচ।
অসময়ের আমি বলেছেন:
comment by: কোর আই সেভেন বলেছেন: পিলাচ পিলাচ এন্ড পিলাচ
Neelpoddo বলেছেন:
ভাল লাগলো।
Neelpoddo বলেছেন:
আবার অনেকক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে আমাদের মধ্যে কিছু অতি উৎসাহীও দায়ী।আমার এক বন্ধু ছিল ছোটবেলায়।ক্লাস এইটে থাকতে হঠাৎ পুরো ক্লাসে প্রচার হয়ে গেলো যে তার বাবা রাজাকার ছিল।কিছু ছেলেপেলে শান্ত ভদ্র ছেলেটিকে সবসময় ক্ষেপাতো।কিছুদিন পর দেখলাম সে পাল্টা যুক্তি দেওয়া শুরু করলো।অথচ কিছুদিন আগেও সে মুখবু্যে এসব সহ্য করতো এবং তার বাবার এহেন কর্মকান্ডে সে লজ্জিত ছিল।আমার মনে হয় তারা ঠিকি জানে যে তারা ভুলের উপর দাঁড়িয়ে আছে।কিন্তু বেপারটা এডমিট করতে এখন ওদের গায়ে লাগে।
আর এসব নব্য রাজাকাররা আরো বেশী ভয়ংকর।কারণ তারা আমাদের ভেতরে জীবাণুর মত মিশে গেছে ।এবং এরা সংখ্যায় পূর্বের তুলনায় অনেক বেশী।
জেনারেলিসিমো বলেছেন:
জনস্বার্থে ঠেলা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















+