আজ শুক্রুবার, দোষরা বৈশাখ ১৪০৮ বঙ্গাব্দ। আজ আমরা সামু ব্লগের স্বরুপ বিশ্লেষন করব। যেখানে আমাদের প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে থাকবে, সামু ব্লগারদের পরিচিতি, প্রকারভেদ, সাধারণ আচরণ, এবং ব্লগে তাদের প্রয়োজনীয়োতা/গুরুত্ত।
*আলুচোনা একঃ
সামু ব্লগার কি/ কাহারাঃ যা/যাহারা সামু ব্লগে শুদ্ধ/আশুদ্ধ রুপে লিখিতে পড়িতে এবং মন্তব্য করিতে পারে কিন্তু বলিতে পারেনা, এবং রাগিয়া গেলে অন্য ব্লগারের কানের নীচে মারার ইচ্ছা পোষন করে কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরনে অক্ষম, তা/তাহারাই সামু ব্লগার।
আলুচোনা দুইঃ
সামুব্লগারদের প্রকার ভেদঃ একবিংশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ বেগিয়ানি এবং ব্লগবিদ হুন চোয়া ফু ফু ফু এর পত্নি বেগম কোরিয়া সামু ব্লগারদের সাধারণ আচরণ বিবেচনা করে এদেরকে প্রধানত ১০ ভাগে ভাগ করেছেন, সেগুলি হলঃ
কবি ব্লগার
ছবি ব্লগার
আত্নজীবনী লেখক ব্লগার
সাংবাদিক ব্লগার
আস্তিক/নাস্তিক ব্লগার
হুম/ভালো হইছে ব্লগার
বাবুর্চি ব্লগার
ঝগরাইটা ব্লগার
কামের ব্লগার
মাইয়া ব্লগার
বেগম কোরিয়া আরো বলেছেন উল্লেখিত প্রকার ব্যতিত অন্য কোন বিশেষ প্রকার অথবা প্রজাতি সম্পর্কে জানা থাকলে যেনো আওয়াজ দেওয়া হয়।
আলুচোনা তিনঃ
সাধারণ আচরণঃ উল্লেখিত ব্লগারসূমুহের সাধারণ আচরন বর্ননা করে নিন্মঅঞ্চল ভাসিয়ে দেওয়া হলঃ
কবি ব্লগারঃ এইসমস্ত ব্লগারগন খান দান আর কবিতা লিখে বেড়ান, আকাষের চাঁন, ফুটি মাছের কাটা, গোপাল বিড়ি এমনকি বাথরুমের দুর্গন্ধও এদের কবিতার বিষয়গুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
মাঝে মধ্যে এরা গল্প উপন্যাস্ও রচনা করেন। আচরনের দিক দিয়ে এদের মধ্যে বেশির ভাগই নীরিহ প্রজাতির।
ছবি ব্লগারঃ এই প্রজাতির ব্লগারগন আগানে বাগানে ফুটোক তুলিয়া বেড়ান (মাঝে মধ্যে নেট থেকেও ধার করেন) ব্লগে পুষ্টান এবং প্রতিক্ষায় থাকেন কখন একটি মাইয়া ব্লগার এসে বলবে “ ভাল হৈছে”
আত্নজীবনী লেখক ব্লগারঃ এরা বেশির ভাগ লেখাই নিজেকে নিয়ে লেখেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই মাইয়া প্রজাতির হয়ে থাকে (যেহেতু মাইয়ারা নিজেদের ব্যাতিত অন্য কোন চিজ সম্পর্কে আগ্রহী নয়) অনেকে আবার একেবারে দিনলিপি নিয়েই ব্লগে হাজির হন। এই সমস্ত ব্লগার বেগম কোরিয়ার দুই চোখে তিমি মাছের কাটার মতন।
সাংবাদিক ব্লগারঃ এরাও আগান বাগান থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এনে পুষ্টায়। যার মধ্যে বেশির ভাগ সংবাদই পূনাম পান্ডে অথবা চৈতি সম্পর্কিত হয়ে থাকে।
আস্তিক/নাস্তিক ব্লগারঃ এই প্রজাতির ব্লগারগন হতে বিশেষ সতর্কতার সাথে সাবধান থাকার অনুরোধ জানিয়েছে বেগম কোরিয়া। তিনি বলেছেন, এরা অত্যান্ত ন্যঠা উতপাদন কারি। কোথয়াও কোন ধর্ষিতার আত্নহত্যার খবর শুনে এরা বলে “ আত্নহত্যার কি দরকার মোল্লারাতো এমনিতেই পাথর মেরে, মেরে ফেলত” কোন এক হিন্দু যুবকের হাতে নয় বছরের কিশোরির ধর্ষন হওয়ার ঘটনা শুনে এরা বলে, “এখানে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ আছে”। এরা বুঝে যে, হিন্দু মুসলমান যাই হোক যে ধর্ষক তার পরিচয় জানোয়ার, যাদের ভেতর হিন্দু মুসলমান নাই। তারপরেও…… ।
পহেলা বৈশাখের উতসব হীন্দুয়ানি কিনা, এই নিয়েও তাদের ভেতর ন্যঠার শেষ নেই।
এরা সাধারনত অত্যান্ত হিংস্র প্রজাতির।
হুম/ভালো হৈছে ব্লগারঃ সামু ব্লগে এই প্রজাতির ব্লগারদের মন্তব্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। লেখার বিষয় যাই হোক না কেন এরা হুম/ভালো হৈছে-তে সিমাবদ্ধ থেকে, না পড়েই আন্দাজে কমেন্ট করে। যদি লেখার বিষয় অনেক করুন কিছু হয় তাহলে হয়ত বলে, খারাপ লাগলো অথবা কি জঘন্য। বেগম কোরিয়া এদের কমেন্ট কে ক্লাস 9/10 এর অটো প্যারাগ্রাফ এর সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন এই প্রজাতির ব্লগারগন বেশির ভাগই মেয়ে বর্নের হয়ে থাকেন।
বাবুর্চি ব্লগারঃ এরা ব্লগে রান্না বান্না করে বেড়াতে পছন্দ করেন, সাপের চড়চড়ি, খরগোসের খিচুড়ি, শুয়োপোকার হালুয়া, আঙ্গুর ফল আর ডাইলের জিলাপি ইত্যাদি রেসিপির জন্মদাতা/দাত্রি।
এরা কেউ ভালো কেউ বেশি ভালো।
ঝগরাইটা ব্লগারঃ এদের মতের বীপরিতে গেলেই এরা কানের নিচে মারার ইচ্ছা পোষন করে বসে। কেমন কেমন যেনো ভাব, কিছুই মানেনা। নিজে শেখ ছাদি, আর সব ছাগলের লেদি। এইসব ব্লগারদের গায়ে সকালে ঘুম থেকে ওঠা বাসি থু থু।
মাইয়া ব্লগারঃ সমস্ত প্রজাতির ব্লগার থেকে এই প্রজাতির ব্লগারদিগকে আলাদা করা হয়েছে। বেগম কোরিয়া এদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, “এরা এক বিশেষ প্রজাতি এবং সংজ্ঞাহীন।
আলুচোনা চারঃ
ব্লগারপদের প্রয়োজনীয়োতা/গুরুত্তঃ এই ব্লগে সমস্ত প্রকারের ব্লগারদের প্রয়োজনীয়োতা/গুরুত্ত অপরিসীম।
আমাদের আজকের আলুচোনা এখানেই শেষ। সবাইকে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ, এবং যাদের আজকের এই আলুচোনা ভালো লাগেনাই তাদেরকে ব্যাপক তীরস্কারবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


