পারি দাও স্রোত,কঠিন প্রয়াসে অকুতোভয়, এ নিশীথের তীরে, হবে ফের সূর্যোদয় !

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকের মুক্তি ও অতপর একটি কথা!!!!

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১

শেয়ার করুন:                   Facebook

জাতিকে গড়ার কারিগর হল এই শিক্ষকরা। ড. আনোয়ার হোসেন স্যার যখন গ্রেফতার হন , তার কিছুদিন পর তিনি মিডিয়ার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আমরা যদি কোন ভুল করে থাকি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী। কিন্তু মুক্ত হবার পরই ঐ শিক্ষক ই আবার সাংবাদিকদের সামনে বললেন, ক্ষমা চাওয়া র প্রশ্নই উঠেনা।কেন ক্ষমা চাইব? এটিএন এর সাক্ষাতকারে দেখা গেছ। অতএব এক মূখে দু কথা।
আমার মনে হয় এটি কোন কারিগরের কথা নয়।
অতএব ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের আর কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেনা, এটা আজ সমগ্র জাতির একান্ত প্রত্যাশা। আর সব সময়ই শিক্ষকরা ছাত্রদের ত্রাণকর্তা হিসেবে থাকবেন। কোন উসম্কানি দাতা হিসেব নয়।

 

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ১৫০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
comment by: আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন: কি বললেন বা বল্লতে চাইলেন বুঝতেই পারলাম না। আপনি যদি উনার পুরো কথা শুনে থাকেন আর নিগের কিছু চিন্তা ভাবনা কাজে লাগান, তাহলে দেখবেন আসলে কোনই contradiction নেই। আগের কথা যে forced ছিল সে তো পরিস্কার। এখন মুক্তি পেয়ে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষক/ছাত্রদের আন্দোলন দেখে শাহস করে আসল কথা বলেছেন... আমার তো মনে হচ্ছে - সবই বেশ পরিস্কার!
২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
comment by: লাবণ্য বলেছেন: জাতির বিবেকের যদি এ অবস্থা হয় তবে আর কারিগর হিসেবে তারা সফল হবেন?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: হ্যা তাই! আপনি কি আমার সাথে একমত?

৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: গাগারাম বলেছেন: ধুর মি্য়া !!! এতো সত্য কতা কইবেন না। বুজেন না, দেশের তন্‌ বেশ্যবেদ্যালয় বরো, বেশ্যবেদ্যালয় এর চেয়ে নেতা বড়। পুলাপান এডি লিহা পৈরো না, বেশ্যবেদালয় এ পরো, তাইলে বড় হৈয়া শিকখক্‌ হৈবা, হোইয়া দেশেরে পোংগা মাইরা নেতা হৈবা। চিন্তা নাই বেশ্যবেদালয় শিক্কিৎ পুলাপান তুমগো সাপোট দিবো..হিরু বানাইবো।
৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
comment by: সুপ্ত সবুজ বলেছেন: ভাইজান, এবার আমি একটা লবনের মত সত্য কথা বলি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কি আপনার কাছে মানুষ গড়ার কারিগর মনে হয়। দু'একজন হয়তো আছে। কিন্তু যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ মানুষ গড়ার কারিগর হয়ে থাকেন, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আমাদের মত সাধারণ জনগণ রাতে চলতে ভয় পায় কেন? কেন প্রতিনিয়ত ঐ এলাকাতে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটে। কেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্ররা চাদাবাজীতে লিপ্ত হয়? কেন ছাত্রদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহৃত হয়? আবার সেই অস্ত্রধারী ছাত্রদের সাথে একই ব্যানারে আমাদের সেই চরম পবিত্র শিক্ষকগণ বিভিন্ন সেমিনার, মিটিং এ অংশ নিয়ে থাকেন। কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিত ছাত্রর হাতে অনেক ছাত্রী লাঞ্ছিত হয়? আমি কি বলতে পারি না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই এসব ছাত্রদের আদর্শ? যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এরকম শিক্ষকদের দ্বারা বহুমুখী নীতিতে কথা বলা দোষের কিছু নয়।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য যথার্থ।

৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: সনটে বলেছেন: সুপ্ত সবুজ ভাল বলেছেন। তবে আমি আইকোনাস এর সাথেও একমত। ডঃ আনোয়ার হোসেনকে দিয়ে সেদিন জোর করে ওসব কথা বলিয়ে নিয়েছিল। আমার বিশ্বাস ঊনি এখন প্রকাশ্যে বলবেন যে সেদিন মিডিয়াতে যা বলেছিলেন সবই তাকে দিয়ে বলানো হয়েছিল, না হলে আমাদের দ্বিধা থেকে যাবে।

 

 


সুস্থ মনের সকল ব্লগারদের এই ব্লগে স্বাগতম । লেখার উপর কোন বাজে মন্তব্য গ্রহনীয় নয়। আশকরি সকলেই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৫৬০০