পৃথিবী জ্ঞান বিজ্ঞাণে এগিয়ে গেলেও দেশ নেত্রী কিছুতেই তা হতে দিবেন না। এর পূর্বেও তিনি দেশের সকল তথ্য বিদেশীদের হাতে চলে যাবে এই ঠুনকো অযুহাতে সাইবার যুগে প্রবেশের জন্য সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে প্রথমবারে যুক্ত না হওয়ার কারণে দেশ পিছিয়েছে অন্ততঃ ৫০ বছর।
তিনি বাংলাদেশে নতুন বিমান বন্দর করার চেষ্টা প্রতিহত করেছেন। তার জন্য গাড়ি ভাংচুর, পুলিশের জীবন নিয়ে হলেও। এবার তিনি ঘো্ষণা দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলও মানবেন না এবং নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতির ব্যবহার কোন ভাবেই হতে দিবেন না। ইতিমেধ্যে আমাদের দেশে চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একটি ওয়ার্ডে সফল ভাবে ই-ভোটিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রমাণ হয়েছে এই পদ্ধতি স্বল্প সময়ে ভোট প্রদান করা সম্ভব এবং ফলাফল ও নিভূলভাবে গননা করা সম্ভব।
বিশ্বের অনেক দেশে ই-ভোটিং অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি। তা হলে প্রশ্ন দাড়ায় কেন বিরোধী দলীয় নেত্রী ই-ভোটিং পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে দিবেন না? এতে কী তার সেই একই মনোভাব প্রকাশ পাচ্ছেনা যে সরকারী দল যা ই করবে তাতে বাধা দিতেই হবে। কোন ইস্যু নাই তাই যে কোন অযুহাতে একটি হরতাল, তার পর একটি লাশ। পর্যায়ক্রমে একটি লাশের রাজনীতি- লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়ে দেশকে পিছিয়ে দেয়া? কেন এই মতিভ্রম ?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


