বিএনপির আজকের জনসভা থেকে জন স্বার্থে (!) কি ঘোষণা আসতে ? বলে আপনাদের ধারনা। বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারেন জনগণের স্বার্থে। দীর্ঘ ৩ বছর পর এক মঞ্চে উঠছেন চারদলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে চারদলীয় জোট ও অন্যান্য সমমনা দলের জনসভা থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষণা করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সূত্র মতে, এখনই জামায়াতের সঙ্গে কর্মসূচী দেয়ার ব্যাপারে দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীর আপত্তি থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা করার স্বার্থে বিএনপি হাইকমান্ড জোটগতভাবে জনসভা পালন করতে সম্মত হয়।
আমার মতে ৩৬ ঘন্টা কিংবা ৪৮ ঘন্টার হরতালের পাশা পাশি রোড মার্চ, বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচী থাকা অস্বাভাবিক নয়। কারণ বিএনপির অন্যতম দোশর জামায়াত গত ১৯ সেপ্টেম্বরের অপমানের প্রতিশোধ নিতে বিএনপির মাথায় কাঠাল ভাঙ্গতে জোর চাপ সৃষ্টি করবে তাতে অবাক হবার কিছু নাই। আর এ লক্ষ্যে নানামুখী টার্গেট নিয়ে আজ মাঠে থাকবে জামায়াত-শিবির। জামায়াতের আবদার আজকের হরতাল থেকে হরতাল আহ্বান করার। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা করতে চাই।
জনসভা থেকে রোডমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচী আসতে পারে। তবে জনসভায় বাধা দিলে লাগাতার হরতাল কর্মসূচী দেয়া হবে।সে ক্ষেতে আগামী ৩ ও ৪ অক্টবর ২দিন ও এক রাতের টানা ৩৬ ঘন্টার হরতাল আহ্বান করা হতে পারে। তবে তাদের হরতাল পালন করা কালে সরকার দমন পীড়ন চালালে সেই থাক হরতাল আরও এক দিন বাড়েতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর একটানা হরতাল চলবে। পরের দিন ৬ অক্টোবর দূর্গাপূজার ছুটি, আর ৭ ও ৮ অক্টোবর শুক্র শনি সরকারী ছুটি। সে ক্ষেত্রে আকটা ছুটির আমেজ পেতে যাচ্ছে ঢাকাবাসী। সরকার বিরোধী আন্দোলন বেগবান করতে ত্রেচারদলীয় জোটের ডাকা আজকের সমাবেশের সময়েও পুলিশের ওপর আক্রমণ, হামলা, যানবাহন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের মতো নাশকতা চালানো বিচিত্র নয়। এর আগে জামায়াত-শিবির গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলির ভেতর থেকে পথচারীর বেশে এসে পুলিশের ওপর আচমকা আক্রমণ করেছে। তারা পুলিশের ওপর আক্রমণ করে পুলিশের গাড়িসহ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনে অগি্নসংযোগ, ভাংচুর করে শক্তি প্রদর্শনের মহড়া দিয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে জামায়াত-শিবির এখন মরিয়া হয়ে মাঠে নামার নীলনকশা হিসেবে পুলিশ সদস্যদের বেছে নিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জামায়াত-শিবির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে জামায়াত শিবিরের টার্গেটের প্রথম সারিতে রয়েছে পুলিশ। পুলিশ প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

