পূঁজি বাজারের ব্যাপক ধ্বসের মতো সামুতেও বেশ কিছুদিন কবিদের আনাগোনা উদ্বেগজনক হারে কমে গেলেও বসন্তের আগমনি বার্তায় ধসের পর ইদানিং সামুতে আবার কবিদের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যাব্ছে।তাদের অনেক কাব্য চর্চা সামুতে পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই নিজেকে ও কবি ভাবতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু বিগত দিনে যে তিমিরে ছিলাম বর্তমানেও তাই। কাব্য প্রতিভা আমাকে চিরদিনই হতাশ করেছে; রয়েগেছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে; কিছুই প্রসব করতে পারেনাই আমার উর্ব্বর (!) মস্তিস্ক। তাই খেদ যেমন রয়েছে আগের মতো, আশাও আছে পূর্বের অবস্থানে। পুরানো সেই খেদ আর পুরানো সেই হতাশা, সাথে আসা জাগানিয়া সেই আশার বানী আরও একবার আপনাদের করকমলে নৈবদ্য দিলামঃ খারাপ লাগলে, বা কেউ কষ্ট পেলে তার সম্পূর্ণ দ্বায় ভার আমার, আর কারো যদি একান্ত ভালো্ লেগেই যায় তা শুধু আপনাদের উদারতা ও মহানূভবতার জন্য। কৃতজ্ঞতা তাই জানিয়ে রাখলাম অগ্রিম। যদি না পরে আবার দেমাগে সেই কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলে যাই। শুভেচ্ছা সকলের জন্য যাদের ভালো মন্দ লাগায় আমার কবিতা শিক্ত
কবি হবো !
ভাবছি একটা কবিতা লিখব, লিখতে কেন পারছিনা?
হবেই হবে এই ভাবনায় খাতা কলমও ছারছিনা।
সকাল থেকে সন্ধ্যা নিশি চেষ্টা করে যাচ্ছি তাই,
সুধী জনে বললো দেখে কবিতা না- যাচ্ছে তাই।
মনে বড় কষ্ট আমার, ভাবছি কী করা যায়,
নেট ঘেটে সামুর সাথে বন্ধুত্বটা হয়ে যায়।
সামুতে দেখি পাতি পুতি অনেক কবির সমাহার,
মনটাকে কই হতাশা তুই করনা এবার পরিহার।
কবিতা লেখা সামুর কাছে এমন কোন ব্যপার না,
ডানে বামে না তাকিয়ে যা ইচ্ছা তা লেখে যা।
তোর কবিতা স্মরণীয় থাকবে হয়ে এখানে,
দেমাগে তোর পা দু’খানি নামবেনা আর জমিনে।
ছন্দ মিলের বালাই নাই, না থাকুক মিল অন্তরায়,
সবাই তোকে নোবেল দিবে যদিও তা কাজের নয়।
তাই বলি মন লিখতে হলে পড় আরো বেশী পড়,
তা নাহলে কবি তোমার পা হবে যে নড় বড়।
নড় বড় কাঁচা হাতে যায়না হওয়া ইচ্ছা যাই,
তাইতো আমি কবিতাকে জানিয়েছি গুড বাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

