আমার প্রিয় পোস্ট

ভোরের তারা হয়ে একাকি পথ খুজি

পিপড়ার মত মারা পরতে যাচ্ছি সবাই

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২

শেয়ারঃ
0 1 0


হয়ে গেল বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন। বেশ একটা সাজ সাজ রব পড়েছিল চারিদিকে। পত্র পত্রিকা ইন্টারনেটে খুব প্রচার অভিযান চলছিল। সংগ্রামী বিদেশী ভাই বোনেরা দেখি অনেক আন্দোলন করল কিন্তু ফলাফল কি? ঘোড়ার আন্ডা! কারন প্রচার পাওয়া ছাড়া এ সম্মেলন থেকে কোন আউটপুট কি এসেছে? মনে হয় উত্তরটি "না"।

যা বুঝলাম এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল টাকা পয়সা। যেন অনেকটা আমাদের দেশের বিয়ে বাড়ীর গেট ধরার মত অবস্হা। আমরা গরীব দেশরা হলাম পাত্রী পক্ষ আর ধনী দেশগুলো হল পাত্র পক্ষ। এখন পাত্রী পক্ষের চেষ্টা ছিল যত বেশী আদায় করতে পারি আর পাত্র পক্ষের চেষ্টা ছিল যতটা কম দিয়ে পারা যায়। এই দর কষাকষিতে তাও যা কিছু লাভ হয় পাত্রী পক্ষের। মাগার এই সম্মেলন থেকে একটা ফুটি কড়িও আয় করতে পারে নাই গরীব দেশ গুলো। খালি থালিটা নিয়া গেছিল আবার খালি হাতেই প্রত্যাবর্তন করিল। ধনীরা মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল।

টাকা পয়সার ব্যপার অস্বীকার করা যাবে না। কারন ক্ষতি যা হবার তা হয়েছে গরীব দেশ গুলোরই। বহু দিন থেকেই শুনে আসছি বাংলাদেশ সহ নিচু এলাকার দেশ সমূহ এবং দ্বীপ রাষ্ট্র গুলোর সিংহভাগ তলিয়ে যাবে। পত্রিকার পাতায় ছবি দেখলাম অশ্রুসজল হিমালয় পর্বতের। বরফের রুপালি মুকুট পরা যে হিমালয় দেখার আমার ছোটবেলার স্বপ্ন। সেই হিমালয়ের বরফ সব গলে যাচ্ছে ফলে হ্রদ বিস্ফোরনের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে, নদী গুলোতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাইতো আমাদের মত দেশ গুলোতে ঘন ঘন বন্যা হচ্ছে। কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ সুনামির কারনও কিন্তু এটাই। এখন আমাদের তলিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যপার মাত্র। আফসোস পিপড়ার মত মারা যাবে আমাদের দেশের ভুখা নাঙ্গা নিরপরাধ মানুষ গুলো।

আমরা অনেকেই এই ভেবে আশ্বস্ত হই "এত দিনতো আর আমরা বাচব না তাই আমাদের এসব দেখতে হবে না" কিংবা অনেকে ছেলেমানুষের মত মনে করেন "আমরা উচু কোন দেশে চলে যাব যেখানে পানি আমাদের ছুতে পারবে না"। কিন্তু তা কি সবার পক্ষে সম্ভব হবে আর ধনী দেশগুলোও কি মুখিয়ে আছে আমাদের নেবার জন্য, তার উপর আমরা হলাম সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীভুক্ত দেশ, পারলে এখনই ঘাড় ধরে বের করে দেয়। এমন কি পাশের দেশ ভারতইতো শুনতাম কয়েক দিন পর পর বাংলা ভাষাভাষীদের পুশব্যাক করত। আর যারা যেতে পারবে তারাও কি বাচবে? বায়ুমন্ডলের বিরাট ফাকা স্হান দিয়ে প্রবেশ করছে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি,মানুষ সৃষ্ট কার্বন ডাই অক্সাইড ঘিরে রেখেছে পুরো পৃথিবী তাইতো বিশাল এন্টার্টিকা মহাদেশের বরফ গলছে অত্যন্ত দ্রুত । ইতিমধ্যেই সাগর মহাসাগরের উচ্চতা অনেক বেড়েছে। দুই দিন আগে হোক আর পরে হোক নিস্তার পাবে না কেউই।

তবে ভাল লেগেছে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যাগ। তিনি উন্নত বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষন করতে এবং সবাইকে সচেতন করতে পানিতে দাড়িয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন, সর্বোপরি পানির নীচে মন্ত্রী পরিষদের সাথে আলোচনা করে আলোড়ন তুলেছেন। তার পথ অনুসরন করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিমালয়ের চূড়ায় মন্ত্রী সভার বৈঠক করে আলোচনায় এসেছেন। এই মানুষ গুলোর সাথে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই এই জলবায়ু সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছিল সবাইকে সচেতন করা বিশেষ করে উন্নত বিশ্বকে। তাদের কাছ থেকে যদি এই প্রতিশ্রুতি আদায় করা যেত যে তারা কার্বনের ব্যবহার বহুলাংশে কমিয়ে দিবে অর্থাৎ কলকারখানা, গাড়ী উৎপাদন অনেকটাই কমিয়ে দিবে এবং পারমানবিক চুক্তির মত করে একেকটা দেশ এই ব্যপারে চুক্তিবদ্ধ হবে। যে শর্ত ভঙ্গ করবে তার জন্য থাকবে কঠোর শাস্তি। কিন্তু আমাদের দরিদ্র বিশ্বনেতারা এই ব্যপারে পুরোপুরি ফেল। তাদের প্রধানতম লক্ষ্য ছিল টাকা পয়সা আদায় করা। আর ধনীরা জেনে গেছে গরীবগুলাকে টাকা পয়সা দিয়ে কোন লাভ নাই, এদের দূর্নিতীগ্রস্ত নেতারা সব টাকা পয়সা খেয়ে ফেলে। আর টাকা পয়সা দিয়ে কি নিজেদের আদৌ রক্ষা করা সম্ভব হতো? ধরলাম ধনীরা কিছু টাকা দিল তারপর কয়েকটা উচু বাধ নির্মান করে কি দেশ বাচানো সম্ভব হবে? বাধ কয়দিন এই বিশাল জলরাশির ধ্বংস ঠেকিয়ে রাখবে?

পত্রিকা খুললে আমি খুব আশা করতাম হয়তো এমন কোন নিউজ দেখব যে "সব গুলো দেশ গ্লোবাল ওয়ার্মিং মোকাবিলা করার জন্য একত্র হয়েছে। কার্বনডাই অক্সাইডের উৎপাদন কিভাবে বন্ধ করা যায় সেই ব্যপারে সবাই চুক্তিবদ্ধ হবে। কিন্তু না পত্রিকা গুলো সব সময়ই আমাকে হতাশ করে। পানির তলে ডুবে মরা ছাড়া আর মনে হয় কোন উপায় নাই!!!

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৯
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো ব্যবস্থা করে দেবেন।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আমিন।
তবে নিজেদের ধ্বংস যদি নিজেরাই ডেকে আনি....।

২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৯
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: জ্বি। তা ঠিক। দেখা যাক কী হয়। সবাইকে হয়ত মাইগ্রেশন করে অন্য কোথাও চলে যেতে হবে। :(
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: এই কথা আমি পোষ্টে উল্লেখ করেছি। সচ্ছলরা হয়তো পারবে তবে গরীবদের নিয়ে সন্দেহ আছে। আসলে বিশ্বব্যপী একটা গনজাগরন দরকার যার ধাক্কা যেয়ে পশ্চিমাওয়ালাদের গায়ে লাগবে, তখন যদি কিছু হয়। নিজেদের ঘর থেকেই এই জাগরন শুরু হতে পারে।

৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪০
পল্লী বাউল বলেছেন: @ হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা : দোষ করবে মানুষ আর ব্যবস্থা করবে আল্লাহ ???? তারচেয়ে চলেন সময় থাকতে মাইগ্রেশন এর ব্যবস্থা করি।


পোস্টে +++

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পল্লী বাউলকে।

৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
হেলথ ভিশন ০০৭ বলেছেন: দেশের দলীয় রাজনীতির কোন্দল নিয়ে মানুষের যত আগ্রহ,সর্বোচ্চ গুরুত্বের দাবিদার এই বিষয়টি নিয়ে তত মাথাব্যথা দেখি না।মনে হয় আল্লাহর উপর দায়-দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে সবাই বসে আছে অথবা মন বিষণ্ণ করা সমস্যা নিয়ে কথা বলার আগ্রহ জাগে না।তবে অন্ধ হলেই তো আর প্রলয় বন্ধ হবে না।প্রাকৃতিক দূর্যোগ/মনুষ্য সৃষ্ট দূর্যোগ ইত্যাদি সমস্যার মোকাবিলায় মানুষকেই উদ্যোগ নিতে হবে।আল্লাহ ফেরেশতা পাঠিয়ে দিবেন না।কারণ,তাহলে মানুষকে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমত্তা দান করা হত না।লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।এধরণের বিষয় নিয়ে আরো বেশি বেশি লেখা নিয়মিত হওয়া উচিত,মানুষের ভালো লাগুক বা না লাগুক।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: অতি সত্য কথা বলেছেন ভাইয়া। আমাদের যেন "আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান" টাইপ অবস্হা।

৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১
চতুষ্কোণ বলেছেন: এসব নিয়া আর ভাবিনা। আল্লা আল্লা কইরা জীবনডা পার করতে পারলেই বাঁচি।:)

পোস্টে প্লাস।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: যে অবস্হা আসতেছে তাতে জীবনটা পার করতে পারব কিনা সন্দেহ আছে।

৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন: ব্যাপারটা খুবই উদ্বেগজনক, কিন্তু আমাদের দেশের লোভী ও মূর্খ নেতাদের বুজাবে কে?? X( X(( :|
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: আমি খুব হতাশ। সবাই মিলে কিছু যদি না করি দেশটা অথই জলে তলিয়ে যাবে। কিন্তু ভাইয়া লন্ডন আমেরিকার শিক্ষিত নেতারাও যে কিছু করছে না। আর মজার বিষয় দেখেন আমাদের একটু পয়সা হলেই ছুটছি গাড়ির শোরুমে, বন্দরে হাজার হাজার গাড়ী আটকে আছে খালাসের অপেক্ষায়। অথচ আমরাই আছি কিনা সবচেয়ে ঝুকির মধ্যে।
সত্যিই সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ!

৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯
ফিরোজ-২ বলেছেন: আমরা নিজেদের ধ্বংস যদি নিজেরাই ডেকে আনি....।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: জী তাহলে কার কি করার আছে:(

৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭
ভাঙ্গন বলেছেন: হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো ব্যবস্থা করে দেবেন।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: তাহলেতো ভালই হয়

৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: আমার হিসেবে পৃথিবীর বয়স আর খুব বেশি হলে ১০০ বছর।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: হয়তবা। এসব ভাবলে মনটা খারাপ হয়ে যায়।

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১০
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: আসলেই আপু, এ সম্মেলন আমাদের কিছুই দেইনি।

তবে একটা বিষয়, কার্বন নি:স্বরণ কমাতে আমরা গরীব দেশ গুলিই চেষ্টা করছি। সবার জন্য একটা সচেতনতামূলক তথ্য "আমরা যদি আমাদের টিভিটি রিমোট দিয়ে অফ করে স্ট্যান্ডবাই মুডে না রেখে পাওয়ার অফ করে রাখি তাহেলে বছরে প্রতিটি পরিবার ১০০ কেজি কার্বন সাশ্রয় করতে পারি। কারন টিভিটি স্ট্যান্ডবাই মুডে ও কার্বন নি:স্বরন করে"।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: বেশ গুরুত্বপূর্ন একটি তথ্য জানলাম। সবাই এভাবে চেষ্টা করলে পৃথিবীটা আরো কিছু দিন টিকে থাকবে।

১১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭
কাব্য বলেছেন: বাঁচা গেলু,বাঁদরের পিঁপড়া হওনের কুনো ভয় নাইক্কা 8-|:-B
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: সবকিছু পানিতে ভাইসা গেলে বাদর ঝুলাঝুলি করব কই =p~

১২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬
পুরাতন বলেছেন: হুমম..... বড়ই চিন্তার বিষয়.....
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: চিন্তা করতে করতে একটা কিছু আবিষ্কার করে ফেললে দারুন হয়, কি বলেন:)

১৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৭
নীল ভোমরা বলেছেন: গুরুতর বিষয়! এমন একটা বিষয় নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন...জনসচেনতা বাড়বে। কার্বন ইমিশন কমাতে আমরাও হয়তো যার যার অবস্থান থেকে সামান্য হলেও অবদান রাখতে উৎসাহী হবো। ভাল লাগলো।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। সবাই মিলে চেষ্টা করে ধনী দেশ গুলোকে এর গুরুত্ব বোঝাতে পারলে অনেকটা কাজ হোত বলে মনে করি।

১৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
রাজিয়েল বলেছেন: পোস্টে প্লাস। এখন মনে হয় কার্বন এমিশনে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে চীন, অ্যামেরিকা, আর ভারত। এদের কারনেই জলবায়ু সন্মেলন ব্যর্থ হয়েছে। হারামী শালারা! X( X( X(( X((
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: হুম। এরা করে উন্নতি আর আমরা হবো ওদের বলির পাঠা X( X( X(

১৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৯
অসীম বলেছেন: দিদি গো , আমরা মরলে ওদের কি ?

কাব্বন কার বোন নিলো , কার বন, তাতে কি থামবে রাবণ?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: না রাবন থামবে না, বিশাল জলরাশির হাত বাড়িয়ে আমাদের গিলে ফেলতে ছুটে আসছে:(

১৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১১
আরিয়ানা বলেছেন: অসাধারন পোস্ট। আমিতো গত তিন মাস ধরে মৃত্যুর প্রহর গুনছি। যে কোন সময় আমরা তলিয়া যাব। হায়াতির ঘটনার পরে মনে কোন আশা পাচ্ছিনা।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: সত্যিই খুব ভয়ংকর ব্যপার। এমন খারাপ ভাবে মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ভাল থাকবেন, সুস্হ থাকবেন। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

১৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
যন্ত্রনা বলেছেন: আমার মনে হয়,এসব নিয়ে আলোচনা করার সময় অনেক আগেই চলে গেছে।এখন আর আলোচনা নয় বরং প্রতিকারের ব্যবস্থার দিকে তাকানো উচিৎ।কোনো দেশের দিকে তাকিয়ে থেকে নয় বরং নিজেরাই আগে শুধরে নেই :)
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। তবে একটা দিক নির্দেশনা প্রয়োজন এবং ব্যপক প্রচার অভিযানও দরকার। সবাই সবার অবস্হান থেকে কিভাবে চেষ্টা করতে পারে তা নিয়ে আপনার কোন ভাবনা থাকলে তা একটা পোষ্টের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন।

ধন্যবাদ।

১৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫
তীরান্দাজ বলেছেন: আমার মতে- এদেশের অনেকেই জানে না পরিবেশ বিপর্যয় কি, জলবায়ু সম্মেলন কি? বিশ্ব মিডিয়াতে এ ব্যপারে ব্যাপক মাতামাতি হলেও আমরা এ ব্যপারে রহস্যজনকভাবে নিরব। অথচ! পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রথম শিকার বাংলাদেশ। সময় যাপন না করে এ ব্যপারে গণসচেতনতা তৈরী করা প্রয়োজন। আমার মতে- জানা জানে তারা না জানাদের মধ্যে সচেতনা তৈরীর পদপে নিতে পারে।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: সহমত। ব্লগে হোক আর পত্র পত্রিকায় হোক এই ব্যপারে মত প্রকাশের সুযোগ থাকলে, তা ব্যবহার করা উচিত। তাছাড়া ব্যানার, পোষ্টারিং, টিভিতে এবং বিলবোর্ডে এ্যাড... এগুলোও করা যেতে পারে। মোট কথা সবাই যে যেভাবে পারেন এগিয়ে আসুন

১৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
এন১২৩ বলেছেন: + + +
অসাধারন পোস্ট
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
তাজা কলম বলেছেন: +++++++++++++++
+++++++++++++++

আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে বিষয়টিতে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: আপনার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে এই বিষয়ে ভাল ভাবে আলোকপাত করবেন আশা করছি।
ধন্যবাদ।

২১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৩
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
++
+++
++++
সচেতনতা মূলক পোষ্ট।
আসুন আমরা সবাই সোচ্চার হই। আর নিজেদের ধ্বংস থেকে নিজেরাই .............................!!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই বিষয়ে আরো আরো লেখা চাই

২২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৭
সাকিরা জাননাত বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট।+++++
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

২৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৩
সামিউর বলেছেন: হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো ব্যবস্থা করে দেবেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: তাহলেতো সবাই বেচে যাই।

২৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১
কাব্য বলেছেন: ভাইজানরে ভ্যালেনটাইন'স ডে'র শুভেচ্ছা :)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: ভাইজানের তরফ থেকে আপনাকেও ভ্যালেনটাইন'স ডে'র শুভেচ্ছা :)

২৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
রথে চেপে এলাম বলেছেন: আমরা তো চিল্লাইলেও কেউ শুনে না... লিখলেও কেউ দেখে না। :(
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম। তবুও আমরা আমাদের জায়গা থেকে চেষ্টা করে যাব।

২৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬
একা মন বলেছেন: একদিন দেখবেন- কিচ্ছু হবেনা। নতুন এক প্রাকৃতিক শক্তির বলেই দেখবেন সবাই বেঁচে যাবো আমরা। আসলে আল্লাহ একটা ব্যাবস্থা ঠিকই করে দেবেন... বলে রাখছি মনে রাখবেন।

( ব্লগে এটা আমার দ্বিতীয় কমেন্ট। আমার নিকটা দেখেই ভালো লেগেছিলো, তাই পড়তে এসেছিলাম। )
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: আমরা সবাইই বেচে থাকতে চাই। অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৭৩৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বিদগ্ধ অন্তরে বেদনার্ত আর্তনাদ কাদে। জমানো সুখটুকু নিঃশেষ হয়েছে বহুকাল। ভস্মটুকু তার পড়ে আছে অবহেলায়। কানামাছি দিনগুলো মনে পড়ে, মনে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ