আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জার্নী টু মতিঝিল বাই বাসঃ

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

শেয়ারঃ
0 0 0

নাগরিক যন্ত্রনা-১

মতিঝিল যাচ্ছি-বাসে।আমার গন্তব্য কলাবাগান থেকে মতিঝিল।কলাবাগান বাস স্টান্ড থেকে মতিঝিলের উদ্দেশ্যে অনেকগুল বাস পাওয়া যায়।সরাসরি কলাবাগান থেকে মেঘলা ট্রান্সপোর্ট নামক একটা বাস ছাড়ে কিছুক্ষণ পরপর।সেই বাসের চেহারা সুরত ভালোনা-তাই অন্য বাসের অপেক্ষা।এই লাইনে আরো অনেক বাস আছে যেমন- ট্রান্স সিল্ভা, রাজধানী একপ্রেস, অলকা ট্রান্সপোর্ট, পুবালী পরিবহন এবং আরো......।এই বাসগুলোর কোনটার গন্তব্য মতিঝিল, কোনটার যাত্রাবাড়ি কিম্বা ভুলতা। এই বাসগুলোতে টিকেট করে উঠতে হয়-তাই বাসগুলোকে বলা হয় কাউন্টার বাস। বাসের কাউন্টারগুলো অদ্ভুত! দুই ফুট বাই এক ফুট টেবিল। সেই টেবিলে ড্রয়ার আছে। পেছনে ছয় ইঞ্চি বাই ছয় ইঞ্চি টুল। সেই টুলের উপড় বসে যুবকেরা টিকিট বিক্রি করে-সেজন্যই এবাসের নাম কাউন্টার বাস।

সকাল পৌনে নয়টায় উঠেপরি ট্রান্স সিলভা নামক বাসে-ঠেলে ঠুলে একদম পিছনে গিয়ে দাড়িয়েছি মাথার উপড়ের রড ধরে।বাসে তিল ধারনের যায়গা নেই। ড্রাইভারের পিছনে তিন জনের বসার সীট ওয়ালা পর পর তিন সারি সীটের উপড় স্টীকার সাটানো-মহিলা/ শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত"।আমি ঐ তিনটার একটাও নই। অনেক তরতাজা পুরুষ বসে আছে সেই নির্ধারিত সীটে কিন্তু ১০/১২ জন অফিস যাত্রী মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। একজন মহিলা কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললেন-"আপনারা মহিলাদের সীটগুলো ছেড়ে দিন..."। কেউ রা করছেনা! আবারো মহিলা যেইনা রিকোয়েস্ট করলেন-তখনই বয়স্ক একজন বললেন(ঘেউ ঘেউ করে)"পাব্লিক বাসে উঠলেই আপনাদের মনে হয়-আপনারা মহিলা... বাসের ভিতর মহিলা-পুরুষ নেই। যে যেখানে পারে বসে যাবে-যদি দাঁড়িয়ে না যেতে পারেন-তাহলে একটা প্রাইভেট কিন্না লন"! পাঁজি বেটার কথা শুনে আমি পিছন থেকে বললাম-"ভাই মহিলাদের সীটগুলো ছেড়ে দিননা, দেখতেই পাচ্ছেন-কি অবস্থায় ওনারা কস্ট করছেন"! অমনি এক সাথে ৪/৫ জন বলে উঠলেন-"ইশ! নিজে বসতে পারেননি বলেই-অন্যদের উঠে যেতে বলছেন"!অসহায় আমি চুপ করে গেলাম।

বাসে বসে আছি-কিন্তু বাস নড়ছেনা। বাম্পার টু বাম্পার জ্যাম। গাড়ি এগুচ্ছে ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে।বাসের ভিতরে প্রচন্ড গড়মে যাত্রীরা হাসপাস করছে।বাসের পিছনে যদিও দাড়ানোর জন্য অনেক যায়গা আছে তবুও সব ভীড় সামনের দিকে-যেখানে মহিলারা ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে আছেন! কেউ পিছনে যাবেননা।বাস চলার সময় যদিও কিছুটা বাতাস লাগে কিন্তু থেমে থাকা বাসে বাতাস নেই।কলাবাগান থেকে ধান্মন্ডি ৫ নম্বর রোড পর্যন্ত আসতেই ৩০ মিনিট লেগে গেলো। যাত্রীরা চিল্লাচিল্লি করছে-অফিস টাইম বলে। কেউ কেউ শেখ হাসিনার চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করছে, কেউবা আগের সরকারের।এক যাত্রী শুদ্ধ ভাষায় বলছেন-"ছোট্ট একটুকরা বাংলাদেশ, রিকশা চলাচলের যেখানে যায়গা নেই-সেখানে শুধু প্রাইভেট আর প্রাইভেট(গাড়ি)"! অন্য জন বলছেনঃ-"আরে ভাই, বাঙ্গালী আর বাংলাদেশের উন্নতি জিন্দেগীতেও হবেনা, বিদেশে দেখি কত্ত বড় বড় রোড, যেনো ফুটবল খেলার মাঠ"! একজন টিপ্পনী কেটে জানতে চায়ঃ-"ভাইজান আপনি পৃথিবীর কোন কোন দেশ ঘুড়ছেন"? উত্তরঃ-"ইন্ডিয়া"। "ইন্ডিয়ার কোথায়"? উত্তরঃ-"কলকাতা"! অন্য একজনঃ-"কোলকাতাও আবার বিদেশ হইল"!

বাস ৬ নম্বর রোডের কাছে আসতেই কয়েকজন যাত্রী চিতকার করে বলছেন-"এই ড্রাইভার, বাম দিকে ঢূইক্কা পরো, গ্রীণ রোড দিয়া বাইরাইয়া যাও"। অন্য একদল বলছে-"এই ড্রাইভার, ঝামেলা করবানা, যেমন যাইতাছো তেমন সোজা যাও"। কেউ একজন বলছেন-"মেইন রোডের জ্যাম ছাড়ানোর জন্য সার্জেন্ট আছে, ঘুপচি-গলির মধ্যে আটকা পরলে আর বাইরাইতে পারবানা"। কয়েকজন গলার সব জোড় খাটিয়ে ড্রাইভারকে অর্ডার করলো-"ঐ ব্যাটা তরে কইছি গ্রীণ রোড হইয়া যা"। ড্রাইভার বলছে-"গ্রীণ রোডে গেলে ছারজেন কেচ কইররা দিবে-তহনতো আপনারা ঠেকাইবেননা"! কয়েকজন যাত্রীঃ-"আমরা দেখমু-কোন সার্জেন্ট তোমারে আটকায়-তুমি গ্রীণ রোড হইয়া যাও"। এত্ত সব নির্দেশনার মাঝে ড্রাইভার বাম দিকে টার্ণ নিয়ে গ্রীণ রোড হয়ে চলছে সাইন্স ল্যাবোরেটরীর দিকে।কয়েকজন যাত্রী চিতকার করে বলছে-"ঐ বেডা ড্রাইভারের বাচ্চা, তোরেনা কইলাম-সোজা যা, যদি টাইমমত অফিসে না যাইতে পারি-তাইলে তরে আইজ পিডাইয়া তক্তা বানাইয়া ফালামু"! একজন বললেনঃ-"ড্রাইভার শালারা মানুষনা"। অন্য একজনঃ-"এইজন্যইতো তোমরা মাঝে মধ্যে পাব্লিকের কিল খাও"! উত্তেজিত ড্রাইভার বললোঃ-"বেশী চিল্লাইবেননা, গাড়ি হালাইয়া নাইম্মা যামু-হেরপর হাইট্টা হাইট্টা অফিসে যাইয়েন"! অন্য একজনঃ-"এই ব্যাটা ফাইজলামী পাইছোস-গাড়ি থুইয়া নাইম্মা যাবি? কেন পয়শা দিয়া গাড়িতে উঠিনাই"?

ল্যাব এইডের সামনে এসে আবার চিরন্তন মহা জ্যাম(এর জন্য ব্লগার মেজবা য়াযাদ ভাই দায়ী, কারন উনি ল্যাব এইডের সিনিয়র কর্মকর্তা)। সিটি কলেজের সামনে গাড়ি আসতেই কন্ডাক্টর বলল-"ওস্তাদ ছারজেন হালায় ছিংগাল দেচে-গাড়ি থামাইতে কয়"। ড্রাইভারঃ-"যা তুই কতা কইয়া আয়"। কন্ডাকটরঃ-"ওস্তাদ এইডা বোউজলা(সার্জেন্ট বজলু) হালায়-ও ছারবেনা। টাহা খায়না"। সার্জেন্ট গাড়ির কাছে এসে জানতে চাইলো-গাড়ি কেনো অবৈধ ভাবে গ্রীণ রোডে ঢুকাইছস? যাত্রীরা চিতকার করছে-সার্জেন্ট নির্বিকার! সার্জেন্ট ড্রাইভারের কাগজপত্র রেখে টিকিট ধরিয়ে দিল...। এবার ড্রাইভার মা-বোন তুলে গালাগাল করছে-যারা গাড়ী ঘুড়িয়ে গ্রীণ রোড হয়ে যেতে বলছিল...তাদের উদ্দেশ্য করে।কিন্তু এখোন সব যাত্রী স্পীক্টি নট!

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
অন্তিম বলেছেন: এটা ঢাকা শহরের বাসের নিত্যদিনের কাহিনী ভাইয়া।

আমি আগে মেয়ে কিংবা মহিলাদের নাদেন পক্ষে সীট দিতাম না। হঠাৎ একদিন আমার আম্মাকে নিয়ে ধানমন্ডিতে যাচ্ছিলাম বেভকো বাসে করে। আম্মা বাসে ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারছিল না বারবার পড়ে যাচ্ছিল। এমন সময় একটি মেয়ে উঠে আম্মাকে সিট দিল।

সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত কোনদিন কোন মহিলা দাঁড়িয়ে থাকলে আমি সীটে বসে থাকতে পারি না। প্রচন্ড খারাপ লাগে এই ভেবে যে এরকম কোনদিন আবার আমার আম্মারও হতে পারে।

তাই দাঁড়িয়ে মহিলাদের আমার সীটে বসাই।
ভাবি একটু সময় কষ্ট করলে-তো আর মারা যাব না! তবে কষ্ট করতে ক্ষতি কি?
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: বাসের ভিতর সহ বিভিন্ন যায়গায় মেয়েদের নাজেহাল অবস্থা থেকে তোমাদের মত শিক্ষিত, রুচী শীল তরুনেরাই একমাত্র সহায়। তোমরা সচেতন হলে তোমাদের দেখা দেখি বেয়াদব যাত্রীরাও সংশোধন হবে।

২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
কঁাকন বলেছেন: দারুন

এই ঘটনা নিয় ভালো কমেডি বানাইতে পারতো ভানু বেঁচে থাকলে
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: বাসে বসা নিয়ে ভানুর একটা চমতকার কৌতুক শুমেছিলাম.........

৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
ডুমরু বলেছেন: যেই লোকগুলো বাসে মহিলা সিটে বশে থাকে হয় তারা পড়তে পারেনা আথবা তারা প্রতিবন্ধী।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: তারা কু-রুচীপুর্ণ এবং "মানষিক" ভাবে অসুস্থ্য। অনেক জ্ঞান পাপীও আছে-তারাই বেশী ভয়ংকর!

৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
ঘাসফুল বলেছেন:
অন্তিম্রে আন্তরিক শুভেচ্ছা :)... কে কি কৈলো আমি তা ভাবিনা- সিট ছাইড়া দিই।



১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: সুন্দর মানষিকতার জন্য ধন্যবাদ অন্তিম এবং ঘাস ফুল।

৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
মামু২ বলেছেন: বাছে আর টিকিট কাউন্টারে নারী পুরুচের বৈশম্য তাকা উচিৎ না।
সবাই মানুস সবাই সমান।
কুনু বেধাবেদ না তাকা দরকার।

আমি নারী পুরুচের সমঅধিকারে বিশ্বাসী।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আব্দুল্লা আবু সাঈদ স্যার একদিন বলেছিলেন-"সিনেমায় প্রেমিকা নায়িকাকে নিয়ে যখন পাড়ার বখাটে ছেলেটা (নায়ক)পালিয়ে যায়-তখন কেমন লাগে"?

আমরা তাঁর ছাত্ররা প্রায় সবাই সোতসাহে বলেছিলাম-"খুব ভালো, হেব্বী এক্সাইটিং.........!

স্যার তখন জিজ্ঞেশা করলেন-"যদি তোমার বোনকে কেউ অমন করে নিয়ে যায়-তখন কেমন লাগবে"?

৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
মামু২ বলেছেন: লিকা সুন্দর হইচে, একদম বাছতব চিত্র তুইল্যা দরচেন।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: মামু, আসুননা আমরা সবাই আমাদের মাতৃ ভাষাকে যথা সম্ভব সুন্দর করে উপ্সথাপন করি।

৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০০
দাইয়ান সাকিব বলেছেন: হ জটিল কইরাই লিখছি
কিন্তু ইমো দিতে পারছি না
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: অমন সমস্যা আমারো............ তোমার ছবিটা খুব সুইট!

৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: মাশাল্লাহ ! ভালা লিখেছেন, আপনার মঙ্গল হোক। তা ভাইজান, এই নির্দোষ আমারে আবার দোষী বানানোর চেষ্টা কেনো...???
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: আপনারা আপনাদের ফ্রন্ট সাইডের রাস্তাটা পুরো দখল করে রেখেছেন বলেইতো ওখানে অমন যান জট!

"যত্ত দোষ, নন্দ ঘোষ"-আপনার জন্যও এখন প্রজোয্য......
আমতো ওখান থেকে যতবার আসা যাওয়া করি-তখন আপনাকে মিস করি।

৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২১
মুহিব বলেছেন: সহজ ভাষায় প্রতিদিনের ঝক্কি ঝামেলার কথা লিখলেন। আপনি কি ঐ রুটের নিয়মিত যাত্রী?
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আমিতো শুধু সাইন্স ল্যাবরেটরী পর্যন্ত লিখেছি.........

হ্যা ভাইজান, এই অধমকে প্রতি দিন ঐ পথ ধরে আসা যাওয়া করতে হয়......

১০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৬
মামু২ বলেছেন: আমার বুড়া বাপটা যাাকন দাড়াইয়া তাকে আর জোয়ান মাইয়াগুলা যাকন ছিটে বইস্যা ঠুটে লিপষ্টিক মাকে তকন আপনার কিমুন লাগে?

জিবনের চলার পতে বহুত জোয়ান ছেলেকে দেকচি মহিলা দেকলে ছিট ছাইড়্যা দিচে। তয় কুনু মাইয়ারে দেকি নাই বুড়া দাদুর লাইগ্যা ছিট ছাড়তে।

নারীপুরুষের সমাতার নীতিতে যদি আমার বোনকে দাড়িয়ে বাসে যেতে হয় তাতে নারীপুরুষের সমতারই জয় হয়।

তাতে কুনু নারির কি অপমান করা হয়?
নারীপুরুষের অধিকার কি সমান হওয়া উচিৎ না?
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: নারী পুরুষের সমান অধিকারের বিশয়ে আমিও আপনার সাথে একমত। আপনার পর্য্যবেক্ষন মিথ্যা নয়। যেসব বিশয়ে আপনার খারাপ লাগে-আমারো সেই সব বিশয়ে খারাপ লাগে। তাইতো নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমি-আপনি সকলের আগে সচেতন হবো। আমাদের দেখা দেখি অসচেতন যারা তারাও এক সময় সচেতন হবে।

১১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আমি এই টপিকে একটা লেখা ড্রাফট করছি। দিব দিব কর্তাছি, আপনে আগেই দিয়া দিলেন :(
থাউক্গা.. আপাতত, আমার শিরোনামটা আপনেরে গিফট করি.. "ওস্তাদ, বামে প্লাস্টিক!! ;)"

আপনারে ১ নং মাইনাসটা দিতে চাইছিলাম। :) কিন্তু কে যেন আগেই দিয়া গেছে। তাই আপাতত + দিলাম। :(
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ইউ আর ভেরী ফানি! ইমোশোনগুলো খুব সুন্দর হয়েছে।

অনেকের মত আমারো মনে হয় বিদ্রোহী কবি যদি বিদ্রোহী কবিতাটা না লিখতেন-তাহলে আমিই লিখতাম!

১২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: মতিঝিল যাওয়ার জন্য ট্রান্সসিলভায় উঠেছেন কেন? ট্রান্সসিলভা যাত্রাবাড়ি যায় বলে ভিড় বেশি থাকে। যেসব বাস শুধু মতিঝিল যায়, সেগুলোতে উঠলে আরাম করে যাওয়া যায়। আর ট্রান্সসিলভার মত এত বড় বাস কিভাবে গ্রীনরোডে ঢুকল, সেটা আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হচ্ছে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আমি অবশ্য পুরোপুরি মতিঝিলে যাইনি-জিপিও পর্যন্ত। আমি ঐ রুটে একদিনের বাস যাত্রী ছিলাম-সঠিক জানা ছিলনা কোনটা আমার জন্য সুইটাবল হবে।

যাত্রীদের "বামে যাও-সোজা যাও" চিতকার এর জন্য ড্রাইভার গ্রীণ রোডে অত্তবড় গাড়িটা ঢুকাতে বাধ্য হয়েছিল।

মনপুরা সিনেমা নয়.........

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি মুলত এই রুটের নিয়মিত বাস যাত্রী নই-তাই সঠিক ধারনা ছিলনা-কোন বাসে চড়লে আমার জন্য সুবিধা হবে। তাছাড়া আমার গন্তব্য ছিল জিপিও।

যাত্রীদের বিভিন্ন নির্দেশনায় ড্রাইভার বেচারা গ্রীণ রোড হতে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

১৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ইমোগুলা তো সামুতেই আছে!! আমি আবার ফানি ক্যামনে দিলাম!!
নতুন ইমো চিন্তা করি.. দিতারি না।
বুকটা ফাইট্টা যায়!!! :((
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমিও জানি সামুতেই আছে-কিন্তু আমিতো আপনার মত যায়গামত দিতে পারিনা।

বুকটা ফাইট্টা গেলে মমতাজের কাছে যান-জোড়া লাগাইয়া দিব।

১৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
সাইফ আহেমদ বলেছেন: সিটি বাস নাটকটি দেখতে পারেন........
এখন অনেক মেয়েরা বাসে যাতায়াত করে .... অতি আনন্দের খবর
৯টি সিট সংরক্ষিত সহ অন্য সিটেও বসতে তাদের বাধা নেই,
তাই মেয়েদের একটা বুদ্ধি দেই প্রথম দিকে যারা উঠবেন তারা এই ৯টি সিট রেখে অন্য সিটে বসে পড়বেন, পরে যারা উঠবে তারা ছেলেদেরকে তুলেও সংরক্ষিত সিটে বসতে পারবেন.......
কাপুরুষরা রাগ করিয়েন না.........
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: নাটক দেখা সম্ভব নয়!

বুদ্ধিটা ভালো কিন্তু এই পদ্ধতি কাজে আসবে মনে হয়না।

১৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
জরিণা বলেছেন: ইদানিং একটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি আর সেটা হলো অনেক ড্রাইভার মহিলা সিটে না বসার অনুরোধ করে। তারপরও কিছু মফিজ চুপিসারে বসে পড়ে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ঐসব মফিজদের নিয়েইতো সমস্যাটা!

১৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
জেরী বলেছেন: বাসায় ফেরার সময় অনেক তাড়া থাকে তাই তখন সামনে যে বাস পাই সেটাই উঠি। মহিলাদের সিট দেওয়া নিয়ে ক্যাচাল হয় বলে এখন আর বলি ও না সিট ছেড়ে দিতে। অনেকসময় সুফল এটাই হয় কিছু না বলে চুপ করে দাড়িয়ে থাকলে অনেকে এমনিতেই সিট ছেড়ে দেয়.....
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: সবাই যদি মিনিমাম মহিলাদের সীট ছেড়ে দেবার মানষিকতা নিয়ে বাসে উঠত-তাহলেতো সব ফকফকা হইয়া যাইত!

১৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
মিলটন বলেছেন: আপনার বর্ণনা চমৎকার হয়েছ। এটাই ঢাকা শহরের প্রতিদিনের চিত্র। আমাদের কিছুই করার নেই। +
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: অবশ্যই আমাদের অনেক কিছু করার আছে। আমরা যদি সম্মিলিত ভাবে প্রতিবাদ জানাই-তাহলে ঐ সব "মফিজেরা" নির্ধারিত সীট ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে।

১৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: বাসে মেয়েদের দাঁড়িয়ে যেতে কোন সমস্যা ছিল না, যদি ছেলেরা ভাল আচরন করত। ছেলেদের বাজে আচরনের কারনেই মেয়েদের পক্ষে দাঁড়িয়ে যাওয়াটা সমস্যা। তবে সব ছেলেই এক নয়। অনেক ভাল ছেলেও আছে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে অনেক কস্ট করে ছেলে মেয়েরা একসাথে জার্ণী করে। কিন্তু সেখানে কোন অপ্রীতিকর ঝামেলা হয়না।
হ্যা অনেক ভালো মানুষ সব ক্ষেত্রেই আছে বলেইতো আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে এবং থাকবে। গুটিকয়েক খারাপ মানুষের জন্য আমরা সাময়ীক কিছু কস্ট পাচ্ছি-যা শুধুই সাময়ীক।

১৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @মামু২-
আইজ্কার কাহিনীই কৈ। একুশে বাসে সাম্নের তিন সিটে মেয়েরা/মহিলারা বসা।শেওড়াপাড়া থিকা উইঠা দু'জন বৃদ্ধ দাড়ায়া আছেন। চাইর পাচজন মেয়ে/মহিলাও দাড়ায়া রৈছে, আরো আগের্থিকা। তাল্তলায় দুইজন মহিলা নাইমা গ্যালেন, হের্পর দাড়ায়া থাকা "মহিলারা" ঐ বৃদ্ধ 'পুরুষ' দুইজন্রে বৈতে দিলো।

আপ্নের বুড়া বাপ্টা যখন দাড়ায়া থাকে তখন্কি সোন্দর জামা পরা ফিট্ফাট যুবক পুলা গুলা খাড়ায়া আপ্নের বাপ্রে বৈতে দেয়?

এইবার কাইল্কার এক্টু কাহিনী কৈ। মহিলা সিটে দুইডা ব্যাডা বৈয়া রৈছে। দুইডা মহিলা আইসা হেগোরে উঠ্বার কয়। এক ব্যাডা কানেই হোনে না। হেয় জান্লা দিয়া বাইরের পরিবেশের শোভা, নিজের হাতে কয়টা লুম আছে হেডি গুনাগুনি শুরু কর্ছে। খাড়ানি লুক গুলা যখন হেরে উঠ্বার কয়, হেয় কয় এডি কি মহিলা সিট? কৈ লেখাতো দেখি না? হের্পর কয় ঐহানে তো লেখা আছে ###/শিশু/প্রতিবন্ধী। কেডা যানি মহিলা লেখাডি কাইট্যা দিসে। অহন কতা হৈলো হেয় তো হালার শিশু কিংবা পতিবন্দী না, তৈলে বৈলো ক্যা? দুইন্যা :(

এইবার আপ্নেরে এক্টা কুচ্চেন- ধরেন আপ্নে মা বৈন লয়া বাসে যাইতেছেন। মহিলা সিটে ব্যাডা পুলারা বৈয়া রৈছে। আপ্নের মা বৈনের গায়ে গায়ে ঘেইষা অইন্য ব্যাডারা খাড়ায়া আছে, আপ্নের কেরাম লাগ্বো?
_________________________________________

সবাই বাসের সিটের টাইমে সমঅধিকার বৈলা নর্তন কুর্দন করে। আসলে কি কয়? শ্লার মহিলাগো কি দর্কার এতো চাক্রী বাক্রী করনের? নিজ কানে শুন্ছি যারা বাসের মৈদ্যে খাড়ায়া সমঅধিকার লৈয়া বুলি কপচাইতেছিলো হেগোর মুখেই।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: সহমত।

২০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: জ্যাম আর ঢাকা একসাথে গাথা !
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।

২১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
রোহান বলেছেন: লেখা ভালো হয়েছে। বাসে চড়ার এই অভিজ্ঞতা কমবেশী সবারই। আহারে ট্রাফিক জ্যাম। মাঝে মাঝে এই শহর ছেড়ে যেতে মন চায়, কিন্তু কিছু করার নেই, জীবিকার টানে পড়ে থাকি।

তবে আজকাল মহিলা সিট নিয়া কথাবার্তা অনেক হয় বলেই অনেক বাসে মহিলাদের সিট ছেড়ে দেয়ার প্রবনতা কিছুটা হলেও বেড়েছে। তবে কিছু লোকজন থাকবে যাদের বোধদয় কোনকালেই হবে না।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ঢাকা এখোন নিঃসন্দেহে প্রব্লেমের সিটি! তারপরও ঢাকা আমার প্রিয় ঢাকা!

আমি আশাবাদী, যাদের এখনো বোধদয় হয়নি-তাদেরও বোধদয় হবে অন্য সকলের ভালো দিক দেখতে দেখতে।

২২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: @কাক ভুষুন্ডি : পুরাই ঢিন্চাক....ভালো লাগছে ।

@লেখক: দৈনন্দিন বিষয়ে চমৎকার উপস্থাপনা ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:২১
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: আমি একবার মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে বাসে, মনোরেলে দাঁড়িয়ে গিয়েছি। সেখানে মেয়েদের কোন সংরক্ষিত আসনও ছিল না। কিন্তু তারপরও খারাপ লাগেনি। কারন সেখানে দাঁড়ানো যাত্রীদের জন্য প্রচুর জায়গা থাকে। ধাক্কাধাক্কি থাকে না। আর ছেলেরাও বাজে আচরন করেনা।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: অনেক উন্নত আর ধনী দেশের কথা বাদই দিলাম-আমাদের পাশের দেশ ভারতে বলতে গেলে সকল যানবাহনেই আমাদের থেকে অনেক বেশী ভীড় বাট্টা লেগেই থাকে। পথে কোন স্কুল-কলেজ ছুটি হলে ছেলে মেয়েরা অনেক হৈ হুল্লোর করে বাস, ট্রাম এবং ট্রেনে ওঠে-কিন্তু কোন পুরুষ যাত্রী আমাদের দেশের মত মহিলা যাত্রীদের প্রতি হ্যাংলামো করেনা, অসম্মান করেনা-যা একটা দৃস্টান্ত। যারা বনগাঁ থেকে শিয়ালদাহ ট্রেনে জার্ণী করেছেন-তা নিশচই লক্ষ করে থাকবেন পুরুষ যাত্রীরা স্কুল কলেজের মেয়েদের কতটা সহযোগীতা এবং সম্মান করনে।

২৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: "মামু২ বলেছেন: আমার বুড়া বাপটা যাাকন দাড়াইয়া তাকে আর জোয়ান মাইয়াগুলা যাকন ছিটে বইস্যা ঠুটে লিপষ্টিক মাকে তকন আপনার কিমুন লাগে?

জিবনের চলার পতে বহুত জোয়ান ছেলেকে দেকচি মহিলা দেকলে ছিট ছাইড়্যা দিচে। তয় কুনু মাইয়ারে দেকি নাই বুড়া দাদুর লাইগ্যা ছিট ছাড়তে।"-

আপনার কথা ঠিক। আমারও মনে পড়েনা কখনো কোন মেয়েকে দেখেছি পুরুষের জন্য সিট ছেড়ে দিতে। কিন্তু বিষয়টা সেটা নয় যে পুরুষ মহিলাদের জন্য সিট ছেড়ে দেয়না তারা যেমন অধম তেমনি যেই মেয়েগুলো বয়ষ্ক পুরুষের জন্য সিট ছাড়েনা তারাও সমঅপরাধী। তাই বলে আমরা তো আর তাদের মত অধম হতে পারি না। "তুমি অধম তাই বলে আমি উত্তম না হইব কেন?"

আমি অন্ততঃ সিট ছেড়ে দেই, সে মহিলা হউক আর বয়স্ক পুরুষ হউক।

সমাজটাকে পাল্টাতে হলে আমাদের নিজেদেরকে পাল্টাতে হবে, তাহলে অন্যরা আপনা আপনি পাল্টে যাবে।

চতৎকার লেখার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।

আর হ্যাঁ -আসুননা আমরা সবাই আমাদের মাতৃ ভাষাকে যথা সম্ভব সুন্দর করে উপ্সথাপন করি
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক, অনেক ধন্যবাদ মামুনুর রহমান খাঁন খুব সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আপনার মানষিকতাকে স্যলুট জানাই।

২৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
প্রজন্ম বলেছেন: ভাইজান লেখাটা চরম ফানি হইছে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন: নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তদের নিত্যদিনের ভোগান্তির এক বাস্তব চিত্র... চমৎকার প্রাঞ্জল বর্ণনা...

আসলে আমরা যতই বুলি কপচাই না কেন, আমাদের মানসিকতা এখনও মধ্যযুগেই রয়ে গেছে...বাসে মহিলাদের নিয়ে এ ধরনের ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে...আমরা সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করি...নিজে সচেতন হয়ে মহিলা সহযাত্রীটিকে সীট ছেড়ে দেই তাহলে হয়ত একদিন পরিবর্তন আসবে...যেদিন অন্যান্য সভ্য দেশের নাগরিকের মত আমার মা অথবা বোনটিকে শ্লেষাত্বক কথা শুনতে হবে না, আমরা সে সুদিনের প্রতীক্ষায় আছি।

অবাক লাগে যখন কতিপয় জ্ঞানী(!!) বিষয়টার সপক্ষে খেলো যুক্তি উপস্থাপন করে...সত্যি সেলুকাস...
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: চমতকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আমিও আশা করি একসময় আমাদের নৈতিক পরিবর্তন আসবে।যেদিন আমাদের মা-বোনদের পথে ঘাটে অফিসে কতিপয় লোলুপ পুরুষের শ্লেষাত্মক কথা শুনতে হবেনা।

২৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আমিও আশা করি একসময় আমাদের নৈতিক পরিবর্তন আসবে।যেদিন আমাদের মা-বোনদের পথে ঘাটে অফিসে কতিপয় ললুপ পুরুষের শ্লেষাত্মক কথা শুনতে হবেনা।
২৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন: লেখা নয়-যেন নিত্য দিনের বাস্তব চিত্র!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
ফাহমিদুল হক বলেছেন: এই সিরিজটা আইডিয়া হিসেবে খুব পছন্দ হয়েছে। প্লিজ ক্যারি অন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার। আমি চেস্টা করছি...............

৩০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৮
বিতর্কিত বিতার্কিক বলেছেন: আড়াই বছরে অবস্থার সামান্য বিবর্তন হয়নাই ।
আবর্তনের চক্রেই আছে ।
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: আমার ধারনা জটিলতা আরো বেড়েছে।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: আমার ধারনা জটিলতা আরো বেড়েছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই