আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

মনপুরা সিনেমা নয়ঃ-

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬

শেয়ারঃ
0 0 0

মনপুরা সিনেমা নয়ঃ-

ইদানীং মনপুরা নামক সিনেমা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে সর্বত্র। ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমি সময় করে সিনেনেমাটা দেখতে পারিনি। সত্যি কথা বলতে কী- আমি কস্ট করে সিনেমা দেখিনা। না দেখার কারন-যেসব সিনেমা আমি আগে দেখেছি তার বেশীর ভাগ সিনেমার সারমর্ম-"তারপর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিল" টাইপের। এখন সিনেমা দেখার সময় হয়না। তাই নতুন কোন সিনেমা নিয়ে ব্যপক আলোচনা সমালোচনা শুনলে কাউকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নেই-সিনামার সংক্ষিপ্ত বিশয়বস্তু। তারপর বাকীটুকু মনে মনে নিজের মত আন্দাজ করে নেই। আমি আজ মনপুরা সিনেমা নিয়ে কিছু লিখছিনা। আমি মনপুরা দ্বীপের পরিচিতি নিয়ে লিখছিঃ-

"যতদুর চোখ যায় ঐ দূর নীলিমায় চোখ দুটি ভরে যায় সবুজের বন্যায়........."-শিল্পীর গাওয়া এই গানের বাস্তবতা খুঁজে পেতে হলে আপনাকে যেতে হবে সবুজ দ্বীপ মনপুরায়।মনপুরা মুলত ভোলা জেলার একটি বিচ্ছিন্ন উপজেলার নাম।এযেনো দ্বীপের ভিতরে আর একটা দ্বীপ।ভোলা সদর থেকে ৮০ কিলোমিটার দক্ষিন পুর্ব দিকে বঙ্গোপ্সাগরের কোল ঘেঁষে মেঘনা নদীর মোহনায় মনপুরার অবস্থান।চারিদিকে জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত প্রমত্তা মেঘনার উত্তাল ঢেউয়ে সর্বদা শিক্ত মনপুরার পলিমাটি।এই দ্বীপের ইতিহাস বহু প্রাচীন।প্রায় ৭০০ বছর পুর্বে এই মনপুরা দ্বীপ পর্তুগীজ জলদস্যুদের আস্তানা ছিল। মনপুরার প্রধান আকর্ষন হচ্ছে হাজার হাজার একর জমিতে ম্যানগ্রোভ বনায়ন।মনপুরার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল যেমন চরতজাম্মুল, চরপাতিলা, চরজামশেদ, চরপিয়াল, চরনিজাম, লালচর, বালুয়ারচর, চরগোয়ালীয়া সহ প্রায় ১০ টি চরে বনবিভাগের সহায়তায় গড়ে উঠেছে নীরব সবুজ বিপ্লব।মাইলের পর মাইল বৃক্ষ্ররাজির বিশাল ক্যানভাস মনপুরাকে সাজিয়েছে সবুজের সমারোহে।

১৩০০ শতাব্দীতে মনপুরা দ্বীপের উতপত্তি। তবে সেখানে মানুষের বসবাস শুরু হয় ষোড়শ শতাব্ধীতে। দ্বীপটি বাকলা চন্দ্রদ্বীপের(বাখেরগঞ্জ-বরিশালের আদী নাম) জমিদারীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।সেই সময় ইউরোপীয় পর্যটক মউনরিক, ডারথেমা লী ব্রাংক এবং সিজার ফেড্রিক এই দ্বীপ ভ্রমনে আসেন। এ সময় মিঃ মউনরিক এই দ্বীপকে উদ্ভিদবৈচিত্রপুর্ণ দ্বীপ হিসেবে চিনহিত করেন।তিনি এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, পশুসম্পদ, মতস্য সম্পদ দেখে অভিভুত হয়ে পরেন। স্থানীয়দের সেকথা জানালে-স্থানীয় বাসিন্দারা সবাইকে বলে বেড়ান মউনরিক সাহেবের "মন" পুরা হইছে অর্থাৎ মন ভরে গেছে দ্বীপের সৌন্দর্য্য দেখে...। পরবর্তীতে মিঃ মউনরিকের নামানুসারে দ্বীপের পুর্নাংগ নাম করন করা হয় মনপুরা।
প্রায় ৩৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মনপুরা দ্বীপের লোক সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। পরিবারের সংখ্যা ১,৫৬০ টি। ৩ টি ইউনিয়নে গড়া ৩৮ টি গ্রামে ২ টি কলেজ, ২০ টি স্কুল মাদ্রাসা আছে।এখানে শিক্ষিতের হার তুলনা মুলক ভাবে অনেক ভালো-যা প্রায় ৪০%।সাইক্লোন সেন্টার আছে ৩০ টি। দ্বীপের আভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হলেও দ্বীপের সাথে বাহিরের লোকের যাতায়ত ব্যবস্থা খুবই খারাপ।ঢাকা থেকে সরাসরি লঞ্চ যোগে মনপুরা যাওয়া যায়।ঢাকা সদর ঘাট থেকে হাতিয়া গামী লঞ্চ মনপুরার রাম্ নেওয়াজ ঘাটে যাত্রা বিরতি করে।এছারাও ঢাকা এবং বরিশাল থেকে ভোলা হয়ে তজুমদ্দিন ঘাটের সি ট্রাক যোগে মনপুরা যাওয়া যায়।অন্যদিকে চরফ্যাশন থেকে মনপুরার জনতা বাজার রুটেও দৈনিক দুইবার লঞ্চ যাতায়ত করে।মনপুরাতে মেঘনা নদীর বিশাল সাইজের পাঙ্গাস মাছ খাবারের অনেক সুব্যবস্থা থাকলেও থাকার জন্য তেমন কোন ভালো আবাসিক সুবিধা নেই। তবে মনপুরা প্রেস ক্লাব ওখানে মধ্যম মানের একটা হোটেল তৈরী করেছে-যেখানে নিরাপদে থাকা যায়।

শীত মৌসুমে হাজার হাজার অতিথি পাখির কলকাকলীতে মুখর থাকে মনপুরার চরাঞ্চল।মনপুরার দক্ষিন পুর্ব প্রান্ত ঘেঁষে প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২১০ একর জমিতে গড় উঠেছে অনেকগুলো ফিশারিজ কারখানা। তারমধ্যে সরকারি মনপুরা ফিশারিজ লিঃ অন্যতম।সরকারি সহায়তায় অবকাঠামোগত উন্নতি করা হলে এই এলাকাটা দর্শনার্থীদের কাছে স্পেশাল ভিউ হিসেবে আকর্ষন করবে।মনপুরার বিভিন্ন বনাঞ্চলে চিত্রল হরিণ সহ অন্য কয়েক প্রজাতির হরিন অহরহ দেখা যায়।চোর শিকারীরা হরিন জবাই করে বিভিন্ন হোটেলে হরিণের মাংশ সরবরাহ করে। এছারাও বিভিন্ন প্রকার অতিথি পাখীদের মাংশ নিয়মিত পাওয়া যায়-যা ভ্রমন পিপাসুদের বাড়তি আকর্ষন যোগায়।এখানে বাথানে হাজার হাজার মহিষ দেখতে পাবেন।এখানে মহিষের ঘন দুধ, দৈ খুব জনপ্রিয়।নারিকেল, তরমুজ আর বাংগী উতপন্ন হয় প্রচুর পরিমান। মনপুরাতে একধরনে বিশাল সাইজের কুকুর আছে-যা দেখতে খুবই ভয়ংকর। অনেকটা সিংহের কেশরের মত লম্বা লম্বা লোমে আবৃত।যানাযায়-এই দ্বীপে যখন পর্তুগীজ জলদস্যুরা থাকতো-তারাই তাদের দেশ থেকে এই বিরল প্রজাতির কুকুর এখানে নিয়ে এসেছিল-যার বংশধরদের বিচরণ এখনো বিদ্যমান।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
সবাক বলেছেন:
গুড পোস্ট....


মনপুরায় যাবোই যাবো।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: অনেকজন মিলে একবার ওখানে গেলে খুব মজা হতো........................

২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২২
নাজিম উদদীন বলেছেন: আগেরবার চরফ্যাশন পর্যন্ত গিয়ে ফেরত এসেছি, অনেক ইচ্ছা থাকার পরেও মনপুরায় যাওয়া হয়নি।

এবার অবশ্যই যাব।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ইশ! আর একটু সময় নিয়ে ওখানে একবার বেড়িয়ে এলে সত্যি "মনপুরা" হয়ে যেত। এপ্রিল-আগস্ট মাস পর্যন্ত ট্যুরিস্টদের জন্য কিন্তু ডেঞ্জার প্রিয়ড! ঐ সময়টা এভয়েড করাই ভালো।

৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
কৌশিক বলেছেন: এইটা তো অনেক সিনেমেটিক হইছে!
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: কিন্তু ইহা সিনেমা নয়!

৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪০
সিফাতরক্‌স বলেছেন: দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হইতে দু পা ফেলিয়া......ভোলাতে জন্ম ভোলাতেই বেড়ে ওঠা তবুও মনপুরা যাওয়া হইনি।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ......ধানের শীষে ক'ফোটা শিশির বিন্দু".........দেখে আসুন-সত্যি "মনপুরা" হইবে!

৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০২
মুহিব বলেছেন: এত্ত এত্ত ইতিহাস কিভাবে জানেন?
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: "জানার কোন শেষ নাই"- কিন্তু জেনেও কোন লাভ নাই!

৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০২
যীশূ বলেছেন: মনপুরা নি্যে কৌতুহল ছিলো। ধন্যবাদ এমন তথ্য বহুল একটা লেখার জন্য।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার সামান্য কৌতুহল মিটাতে সহায়ক হতে পেরে ভালো লাগছে।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
সেতূ বলেছেন: ভাই জান thanks মনপুরা তথ্য বহুল একটা লেখার জন্য। ফুটো থাকলে দেন,বিরল প্রজাতির কুকুর ও চিত্রল হরিণ এর....
যাওয়ার ইচ্ছা আছে....
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: আমি ছবি এড করতে পারিনা।
যদি কুকুর পোষার শখ থাকে তবে ওখান থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।আমি নিশ্চিত মনপুরা আপনার মনকে "পুরা" করে দিবে।

৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
পরশমনি বলেছেন: ভাই মনপুরা গিয়েছিলাম ২০০৭ এর এপ্রিলে। এবং ফেরার পথে সন্ধ্যায় ট্রলারে আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ কিছু সময় পার করেছি। আপনি আমাকে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন ভাই।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: অমন একট ভয়াবহ সময় আমিও পার করেছিলাম।আল্লাহর কাছে জীবন তখন যত দোয়া দুরুদ জানি সব এলোমেলো ভাবে পড়েছিলাম............ওখানে যারা নাগিয়েছে-তারা ভাবতেও পারবেনা মেঘনা নদী কত ভয়ংকর হতে পারে!

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংক উ ভেরী মাচ।

১০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
কালপুরুষ বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। ভাল লাগলো। আরেকবার যাবার ইচ্ছে আছে। আশির দশকের শেষ দিকে বিআইডাব্লিউটিএ-তে চাকরী করার সুবাদে সেই সংস্থার নৌ-সার্ভে টিমের সাথে জাহাজ করে "মনপুরা" সহ ছোট ছোট অনেকগুলো দ্বীপ দেখার সুযোগ হয়েছিল। সেই দ্বীপগুলো এখনো চোখে ভাসে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: চমতকার যায়গা!
তবে এখনো যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং থাকার জন্য ভালো ব্যবস্থা নেই।

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
মুক্ত বয়ান বলেছেন: উরি সাংঘাতিক!! আপনে তো জ্ঞানগর্ভ পোস্টাইলেন। আমি তো ভাবলাম সিনেমার রিভ্যু কিনা!!
অনেক তথ্যবহুল লেখা। +++
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: আমি সিনেমা ভক্ত নই-তাই সিনেমা নিয়ে লিখিনা। লেখাটার শিরোনাম প্রথম দিয়েছিলাম শুধু 'মনপুরা'।দেখলাম কেউ পড়েনা। সবাই মনপুরা সিনেমা ভেবে পড়তোনা। তাই এডিট করে "মনপুরা সিনেমা নয়" লিখে দিলাম। এখন আপনাদের মত অনেকেই পড়ছেন-দেখে আমার ভালো লাগছে।

১৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
লাল দরজা বলেছেন: পড়ে ভালো লাগছে। আমার দাদার বাড়ী কোন এক কালে সন্দীপ ছিল। এখন সাগরের অতলে। আমি ভাবতাম মন পুরা সন্দীপের আশেপাশে কোথাও। আপনার লেখা পড়ে মন পুড়াতে এক বার মনপুরাতে যাবার ইচ্ছে হলো। ধন্যবাদ।

সে দিন এক আড্ডায় সিরাজগঞ্জের এক ছেলের মুখে শুনলাম মনপুরা ছবির পুরা শুটিং নাকি সিরাজগঞ্জে হইছে। ;)
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: আমার পুর্ব পুরুষও নদী ভাঙ্গা অঞ্চলের মানুষ। নাড়ীর টানে আমিও সময় সুযোগ পেলে ঐসব অঞ্চলে যাই। আমি নিশ্চিত যে কেউ একবার মনপুরায় বেড়িয়ে এলে ২য় বার যাবার জন্য তাদের মন পোড়াবে। যারা তাজা মাছ, হরিণ,(যদিও হরিণ শিকার নিষিদ্ধ কিন্তু চোর শিকারীদের বদান্যতায় হরিণের মাংশ খুব পাওয়া যায়) পাখির মাংশ এবং টাটকা দৈ(মহিষের) খেতে পছন্দ করেন-তাদের জন্য মনপুরা হবে স্বর্গবাস!
আমিও জেনেছি মনপুরা সিনেমার শুটিং মনপুরায় হয়নি।

১৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
আজনবী বলেছেন: চরফ্যাসন পর্যন্ত গিয়েছি দু'বার, বেশ ভাল লেগেছে। মনপুরা নিয়ে লেখাটা খুব ভাল লাগল। যাবার সুযোগ কোনদিন হবে কিনা জানি না।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ভ্রমনের জন্য প্রথমেই চাই-মানষিক ইচ্ছা শক্তি। নিশচই যেতে পারবে। আহোয়জন করো-কয়েকজন একসাথে চলে যাবো। অনেক বেশী মজা হবে।

১৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১৭
সবুজ বলেছেন:
এপ্রিল-আগস্ট মাস পর্যন্ত ট্যুরিস্টদের জন্য কিন্তু ডেঞ্জার প্রিয়ড! ঐ সময়টা এভয়েড করাই ভালো।

এসময়ের সমস্যা কি প্রাকৃতিক না অন্য কোন ব্যপার?

আপনার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগল। সুন্দর কোন কথা বলে প্রসংসা করতে চাচ্ছি, কিন্তু কিছু আসছেনা ভাই।

কিন্তু সুন্দর কথা বলি আর না বলি, আপনার তথ্যবহুল দরদী পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: এপ্রিল-আগস্ট মাস পর্যন্ত ওখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে-অত্ন্য কোন ব্যাপার নেই।

আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে আরো লেখার উতসাহ পাচ্ছি।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে............ চিকন মিয়া আমার ব্লগে পদধুলি দিয়েছে!

আসুননা আপনাদের মত কয়েকজন সাহসী মানুষ-আমিও আপনাদের সংগী হতে চাই।

১৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট!
মনপুরা নামটা আমার খুব পছন্দ!
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

মনপুরা নামটা যেমন সুন্দর-যায়গাটা আরোবেশী সুন্দর।

১৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: গুড পোষ্ট ..++

যাওয়ার লোভ জেগেছে .. কিন্তু সাধ আর সাধ্যে মধ্যে ব্যবধান দুরস্ত।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কী-আমাদের দেশের যেকোন যায়গায় বেড়ানো, থাকা খাওয়া অনেক বেশী সস্তা। সময় সুযোগ করে সাহস করে বেড়িয়ে পরুন কয়েকজন মিলে-দেখবেন খুব অল্প খরচে অনেক বেশী ভ্রমন করতে পারছেন......।

১৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
স্কাউট বলেছেন: লেখাটা পড়ে আমার মনপুরা হইছে!
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
অবয়ব বলেছেন: বরিশালে থাকি বলে অনেক নাম শুনেছি এই জায়গার। আপনার বর্ণনা শুনে এখন যেতে ইচ্ছা করছে। ভবিষ্যতে যাওয়ার চেষ্টা করব।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: নিশ্চই যাবেন। আশা করি ভ্রমন স্বার্থক হবে।

২২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট, তথ্য বহুল। এশীতে যাবার ইচ্ছে আছে।+, প্রিয়তে।

আচ্ছা, ওখানে হাই কোমোড ওয়ালা হোটেল আছে কি?
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, ওখানে একটি ১২ বেডের ছোট্ট হোটেল এবং প্রেস ক্লাবের ৬ বেডের গেস্ট হাউজ দু যায়গাতেই হাই কমোড আছে।

২৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: হরিন সম্পর্কে আরেকটু বলুন।

চিত্রল হরিন সুন্দর বনের, যা বিভিন্ন সময় নতুন জেগে ওঠা চরে ছাড়া হয়েছে। হালুয়া ঘাটে পাওয়া যায়, ছোট্ট লালচে barking deer, পার্বত্য চট্রগ্রামে বিশাল সাম্বার পাওয়া যায়। মনপুরায় কোনগুলো পাওয়া যায়, একটু আলোকপাত করুন।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: মনপুরাতে পাওয়া যায় চিত্রল হরিন-যা সুন্দর বনের অন্যতম আকর্ষন। ১৯৭৯ সনে ততকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাত্র ৪ জোড়া চিত্রল হরিন মনপুরার বনে ছেরেছিলেন। এখন সেখানে হাজার হাজার হরিনের অভায়ণ্যে পরিনত হয়েছে।

২৪. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: মনপুরা যাওয়ার প্লান ছিল অনেক দিন ধরে , পারছিনা। বন্ধুদের সঙ্গে সময় সহজে মেলেনা। সবারই ব্যস্ত জীবন। ভাবছে একাই যেতে হবে। আপনার পোস্টটা কাজে লাগবে। ওখানে হরিন নাকি এত বেশী হয়ে গেছে যে পরিবেশের ভারসাম্য নস্ট হচ্ছে।
পোস্টে প্লাস।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: তুমি ঠিক শুনেছো-ওখানে হরিন এখন কর্তিপক্ষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে! ওখানে গেলে অবশ্যই নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে যেও। ঐ সময়টা আবহাওয়া ভালো থাকে।

০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: নাটকের একটা "ভার" চরিত্র আপনি পেতে পারেন।

২৬. ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
সুবিদ্ বলেছেন: অনেক পরে চোখে পড়লো........

আমি ২০০৪-এ গিয়েছিলাম মনপুরায়........চমৎকার জায়গাটা........
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার অনেক পুরোনো পোস্টগুলো খুঁজে পড়ার জন্য আরো বেশী বেশী ধন্যবাদ জানাতে চাই।

২৭. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১২
র হাসান বলেছেন: দেমে আসলে এইবার সব জায়গায় বউ নেয়ে ঘুরতে যাব। মনপুরা লিস্টে রইলো।





পুরনো সাদা-কালো বাংলা সিনেমা, গান, সিনেমার রিভিউ নিয়ে সম্প্রতি একটি সাইট বানালাম। কেমন হলো জানাবেন।
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: aponader vromon shuvo hok......

২৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪০
ভজঘট বলেছেন: ভাল লাগলো।+
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৪
মৈত্রী বলেছেন: ঈদের পরদিনই ব্লগার অর্ফিয়াস মনপুরা গেছিলো......

আমিও যেতে চাইছিলাম সাথে কিন্তু সময়ের অভাবে পারিনি......

:| :|
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: আশা করি ভবিষ্যতে সময় করে যাবেন-ভালো লাগবে।

৩০. ১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৩৭
নষ্ট কবি বলেছেন: যেতে চাই

সময় করে
১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: আশা করি ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ "ভালো কবি"।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৪৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই