আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

খুব অল্প খরচে বেড়িয়ে আসুন মিয়ানমারের মংডু শহরঃ-

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

শেয়ারঃ
0 0 0



মংডু। মিয়ানমারের(বার্মা) একটি জেলা শহরের নাম। যা আমাদের টেকনাফ সীমান্তের ঠিক ওপারেই অবস্থিত। কয়েক বছর আগে আমি একবার মংড়ু ভ্রমনে গিয়েছিলাম।আমার অন্য ভ্রমন পিয়াসী বন্ধুরা বলে-"ভিন্ন দেশের রাজধানীতে না গেলে সেই দেশ ভ্রমনের তালিকায় স্থান দেয়া ঠিকনা"। আমি ওদের কথার সাথে একমত নই।আমি আমার ভ্রমনের তালিকায় মংডুকেও একটা দেশের মর্যাদা দিয়ে রেখেছি।পরবর্তীতে আমি অবশ্য ব্যবসায়ীক কারনে মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াংগুন(রেংগুন) ভ্রমন করেছি ৩ বার।

নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন(পুর্বের নাম আরাকান)রাজ্যের একটি জেলা শহরের নাম মংডু।পাঁচ লক্ষাধিক জনসংখ্যার মধ্যে ৭৫% মুসলিম, বাকিরা বৌদ্ধ ধর্মামবলী মগ জাতির বসবাস।মংডু প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি নাহলেও শাল-শেগুন-চন্দন গাছের অত্যন্ত সুন্দর বাগান ঘেড়া শহর, অত্যন্য আকর্ষনীয় স্থান। যদিও মিয়ানমারের সামরিক সরকার পর্যটকদের তেমন ভাবে মিয়ানমার ভ্রমনের আগ্রহ দেখায়না তবে বানিজ্যিক উদ্ধেশ্যকে সাধুবাদ জানায় জান্তা সরকার।মিয়ানমার নিদেন পক্ষে মংডু ভ্রমন করতে অনেক সাহসের দরকার। সেই হিসাবে আমাকে একজন সাহসী মানুষ ভাবতে পারেন। কারন, আমি একবার নয় তিন বার মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন এবং একবার মংডু ভ্রমন করেছি।

মংডু ভ্রমনের জন্য একধরনের বিশেষ ভিসা(পাস) প্রয়োজন। বাংলাদেশ সরকারের স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে মংডু ভ্রমনের জন্য একটা পাস বই নিতে হবে।যাতে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার ইমেগ্রেশন কর্মকর্তাদের অনুমোদন এবং স্বাক্ষর রয়েছে। বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্তে স্থল বন্দর কর্তিপক্ষের নিকট থেকে ৩ দিনের এনট্রি পাস(শুধু মাত্র মংডু শহরের জন্য) নেবার পর কাস্টমস কর্মকর্তা এবং বি ডি আর'র তল্লাশী শেষে ট্রলারের মংডু পৌঁছবেন। মংডু পৌঁছতে জোয়ারের সময় খরস্রোতা নাফ নদী পার হতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিট এবং ভাটীর সময় দেড় ঘন্টার মত।

মংডু শহরটি অত্যাধুনিক শহর নয়। অনেকটা আমাদের বরিশাল কিম্বা ময়মনসিং'র মত অনেক পুরনো শহর। নৃতাত্তিক জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে অনেক কিছু জানার জন্য এই শহরের ঐতিয্য রয়েছে। শুনেছি বাংলাদেশ থেকে নৃবিজ্ঞানের শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা সফরে মংডুতে আসেন বাস্তব জ্ঞান এবং তথ্যানুসন্ধানের জন্য। মিয়ানমারের সরকারের প্ররোচনায় সর্বত্রই মুসলিম খেদাও প্রচলিত থাকলেও শুধু মাত্র মংডুতে ইসলাম এবং বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদেরে মধ্যে চমতকার সহাবস্থান বজায় আছে যুগ যুগ ধরে। হতে পারে-এখানকার মুসলমানেরা মিয়ানমারের অন্যান্য স্থানের মুসল্মানদের চাইতে বেশী সংগঠিত-তাই এখানকার মুসলমানদের ঘাটাতে সাহস পাচ্ছেনা নাসাকা বাহিনী।

মংডুর লোকেরা তান্ত্রিকতায় খুব বিশ্বাসী। এরা এখনো মুমুর্ষ অবস্থা নাহলে ডাক্তারের কাছে সহজে যায়না। এরা ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজে বিশ্বাসী মানুষ।এখানকার বাড়ি ঘরগুলো সব শেগুন কাঠের তৈরী-দোচালা, তিন চালা টিনের ঘরগুলো দেখতে অনেকটাই ক্যাং ঘরের(বৌদ্ধদের উপাশনালয়) মত। কোনটা যে ক্যাং ঘর আর কোনটা মানুষের বসত বাড়ি দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই। বিশাল আকৃতির প্যাগোডা আছে ১২ টি। আছে অসংখ্য ভাঙ্গাচোরা মাদ্রাসা মসজিদ।জান্তা সরকার এখানে মসজিদ, মাদ্রাসার সংস্কার করতে দেয়না।বরং সুযোগ পেলেই ভেঙ্গে দেয়। চারিদিকে শুধু বিশাল বিশাল শাল-শেগুন আর চন্দন গাছের বাগান। এখানে এখনো মক্তব, মাদ্রাসা এবং মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে। মংডুবাসীরা রাখাইন এবং আদী চাটগাঁইয়া ভাষায় এবং কিছু কিছু উর্দু ভাষায় কথা বলে। এখানে চা'র দোকানকে বলে ইয়ং নী, ভাতের হোটেলকে বলে বাতং নী। মুসল্মানদের হোটেলে ভাত, ভর্তা, মাছ মাংশ সবই পাওয়া যায়। তবে এরা সবাই শুঁকটী খেতে অভ্যস্ত। মগরা স্থানীয় ভাবে তৈরী মদ পানে অভ্যস্থ। এখানে মদের দাম পানির দামের চাইতে শস্তা। টেকনাফ এলাকায় বার্মীজ মদের বিশাল বাজার। জেলা শহরে উল্ল্যেখ যোগ্য সরকারী অফিসের মধ্যে আছে মিয়ানমার বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের জেলা অফিস, বর্ডার চেম্বার অব কমার্স অফিস এবং মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এন্ড পপুলেশন ডিপার্ট্মেন্ট অফিস। মংডু মুলত শেগুন এবং অন্যান্য উন্নতমানের কাঠের বিশাল মার্কেট। বাংলাদেশী কাঠ ব্যবসায়ীরা এখান থেকেই কাঠ এবং মাছ ইম্পোর্ট করে থাকে। মিয়ানমার রত্ন পাথরের জন্য প্রসিদ্ধ।বিদেশী দেখলেই স্থানীয় মগরা রত্ন পাথড় বিক্রয়ের জন্য পিছনে পিছনে ঘুড়ঘুড় করবে। আপনি ইচ্ছে মত আপনার পছন্দের পাথর খুব কম দামে(ডলারে)কিনতে পারবেন।

মংডুতে প্রবেশের পুর্বে নাসাকা বাহিনী এবং মংডুর ইমিগ্রেশন বিভাগে লিখিত অংগীকার নামা দিয়ে ঢুকতে হবে-যে আপনার সাথে কোন ইলেক্ট্রনিকাস দ্রব্য বিশেষ করে সেল ফোন এবং ক্যামেরা নেই।ওখানে বিদেশীদের জন্য এইসব জিনিষ বহন নিষিদ্ধ। যদিও ফোন করা নিয়ে তেমন সমস্যা নেই-কারন ওখানে বাংলাদেশের গ্রামীন এবং এক্টেল সেল ফোনের নেটওয়ার্ক আছে। আপনি ইচ্ছে করলেই লুকিয়ে নেয়া ফোনে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারবেন।ওখানকার সকল চোরা কারবারীদের কাছে আমাদের ফোনের সীম কার্ড আছে।

মংডু থেকে আপনার পারমিশান থাকলে আকিয়াব যেতে পারবেন।আকিয়াব যাবার কারন হতে হবে অবশ্যই ব্যবসায়ীক। সাথে থাকতে হবে ট্রেড লাইসেন্স, চেম্বার অব কমার্সের মেম্বারশীপ ইম্পোর্ট লাইসেন্স।আকিয়াব যেতে জাহাজে সময় লাগে ১২ ঘন্টা। যাদের মিয়ানমার যাবার ভিসা আছে-তারা জাহাজে করেই ইয়াঙ্গুন যেতে পারবেন-সময় লাগবে ৪ দিন।

মংডু যাবার খরচপাতি এবং করনীয়ঃ আমাদের স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের পাশ বই ফি (সোনালী ব্যাংকে চালানের মাধ্যমে জমা দেয়া) ৫০০ টাকা। ভ্রমন কর ৫০০ টাকা। বন্দর শুল্ক ৫০ টাকা। ট্রলার ভাড়া ১০০x২=২০০টাকা(আসা যাওয়া)। মংডুতে প্রতিদিন থাকা খাওয়া সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা। ওখানে থাকার জন্য আছে-কেন্নাহ, সুওই, ওহো ইত্যাদি রেস্ট হাউজ।আমাদের এক টাকার সমান মিয়ানমারের ১৬ টাকা।সংস্কৃতি প্রেমীদের জন্য মংডু সত্যিকারের উপভোগ্য ভ্রমনের এলাকা।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: ভালো বুদ্ধি........আনুষাঙ্গিক বিষয় আশয় বললেন না তো।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: আনুষাঙ্গিক লিখলে লেখার আকার-আয়তন আরো বড় হয়ে যেত-তাই যথা সম্ভব ছোট করে লিখেছি। কারো কোন প্রশ্ন থাকলে রিপ্লাই দেব।

২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
সাইফুর বলেছেন: পড়েই ভালো ভালো লাগলো..
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: স্বাগতম সাইফুর আমার ব্লগ ভুবনে।

৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
অনুপ্রবেশ বলেছেন: ক্যামেরা না নিলে ভ্রমণ করে আমার কোন লাভ নাই। তবে এমন একটি ভ্রমণ পোষ্ট পড়ে ভাল লাগলো
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: মিয়ানমারকে এখনো নিষিদ্ধ নগরী বলা হয়। জান্তা সরকার বিদেশীদের কম পছন্দ করে। ক্যামেরা ডিক্লার দিয়ে নেয়া যায়না সত্য। কিন্তু না জানিয়ে নেয়া যায়। আমি তাই করেছিলাম।

৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
সহেলী বলেছেন: জানিনা যেতে পারবো কিনা ; তবে ভ্রমন ইচ্ছুকদের জন্য এটি সাধু প্রয়াস ।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: ইনশআল্লাহ যেতে পারবেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: ভাল পোস্ট। প্রিয়তে রাখলাম। সময় পেলে ঘুরে আসব। ধন্যবাদ।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আমার পঁচা লেখা কেউ প্রিয়তে রাখেনা। আপনি অমন কাজ করেছেন-সেজন্য ডাবল ধন্যবাদ।

৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০১
আরিফ ঢাকা বলেছেন: বস স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের পাশ বই কিভাবে পাব তার বিস্তারিত একটু খুলে বললে খুবি ভাল হত। ঘুষ দিতে হবে কিনা সেটা জানালে ভাল হয়।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: সোনালী ব্যাঙ্ক'এ ৫০০ টাকার জমার রশিদ নিয়ে স্বরাস্ট্র মন্ত্রানলয়ের রাজনৈতিক শাখায় কিম্বা টেকনাফের ইমিগ্রেশন কাউন্টারের দেখালেই পাশ বই দিয়ে দিবে।

ঘুষ দিতে হবেনা।

৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১০
চাঙ্কু বলেছেন: ক্যামেরা নিতে দেয় না কেন ?? :(
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন:
ওদের সিক্রেসী বজায় রাখার জন্য।
জান্তারা মনে করে ক্যামেরা নিলেই-ওদের সব খবর ফাঁস হয়ে যাবে।

৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১০
সেতূ বলেছেন: হা আমিও গিয়ে ছিলাম ৮ ঘন্টার পাস নিয়ে মংডু পর্যন্ত ১৯৯৮ ছদ্দ ভাবে রোহিগা হিসাবে. আন্তিয়ের বাড়ী বরানোর নামে
তখন নাসাকা বাহিনী নিয়ম ছিলো শহরের ৫ কি.মি এর বাহিরে যওয়া নিষেধ ছিলো. তবে শহর ঘুরে ভালই লেগে ছিলো.

আইকাব যাওয়ার ইচ্ছা কি ভাবে যাবো জানালে খুশি হব.
ধন্যবাদ আপনর লেখার জন্য.
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: আকিয়াব যেতে এখন তেমন কোন রেস্ট্রিকশান নেই। মংডু গিয়ে মায়ানমার ইমিগ্রেশন এন্ড পপুলেশন ডিপার্টমেন্টের পার্মিশান নিয়ে যেতে হবে। সাথে ব্যবসায়ীক কাগজপত্র থাকতে হবে।

৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
রাব্বি ! বলেছেন: কিভাবে পাস পাওয়া যাবে যানাবেন। কি ধরনের ব্যাবসায়িক কাগজ পত্র লাগবে?
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: সোনালী ব্যাঙ্ক'এ ৫০০ টাকার জমার রশিদ নিয়ে স্বরাস্ট্র মন্ত্রানলয়ের রাজনৈতিক শাখায় কিম্বা টেকনাফের ইমিগ্রেশন কাউন্টারের দেখালেই পাশ বই দিয়ে দিবে।

১০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
ঘাসফুল বলেছেন: পাব্লিকের কি হৈলো- খালি বেড়ানি পোষ্ট দেয়.... আমার যাইতে মন্চায় :(

লেখা পৈড়াই অর্ধেক দেখা হৈয়া গেছে... পার্লে ছবি দিয়েন...

মাইনাস (+)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আমি ছবি এড করতে পারিনা।
আমি বেড়াতে লাইক করি। আপনাদেরকেও বেরাতে উতসাহি করছি......

১১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
mehedi বলেছেন: ভাই আমি ফোনেটিকে রেফ দিটে পারি না
একটু হেল্প করলে.........


মংডু তো মনে হয় সেই রকম জায়গা
ও ভাল কথা স্মাইলি ও দিতে পারি না
প্লীজ একটু........।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: ;) ভাই আমিও আপনার শিষ্য! গুরু হতে পারবোনা।
আমি অভ্রতে টাইপ করি..................

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: মেহেদী সাহেব, আপনার কথা মত ছবি দেবার চেস্টা করেছি-দেখুন ছবি এসেছে কিনা............।

১২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
মুহিব বলেছেন: মিয়ানমার যাওয়ার একটা ইচ্ছা আছে। কিন্তু আমি তো ব্যবসায়ী না। আবার অফিসিয়াল কোন কাজও আমার নাই।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে-আমরা একসাথে একবার যাব..................

১৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
ফারহান দাউদ বলেছেন: যেতে ইচ্ছা করছে,ভালো জিনিস জানালেন,একবার প্ল্যান নিতে হবে:)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: সেই প্লানে আমিও যেনো থাকি...............

১৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
জ্বীন বলেছেন: আবার গেলে আওয়াজ দিয়েন ।

অনেক আগে একবার ভাবছিলাম যাবো । তখন যদি আপনার লেখা পেতাম ।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: বর্তমান আবহাওয়ায় ওখানে যাওয়া খুব রিস্কি। তবে নেক্সট নভেম্বরের দিকে কয়েক জনের একটা গ্রুপ করে যাবার আয়োজন করা যেতে পারে......... আয়োজন করার ব্যপারে কালপুরুষ ভাইয়ের জুড়ি মেলা ভার! তাকে উদ্ভুদ্ধ করা যেতে পারে।

১৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
জ্বীন বলেছেন: অবশ্যই । কালপুরুষ ভাইয়ের মতামত কি ??
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: কালপুরুষ ভাই লা জবাব!

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ

১৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
যীশূ বলেছেন: লেখাটা সংগ্রহে রাখলাম। পরে ট্রাই করবো।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: চেস্টা চালান

১৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
মুহিব বলেছেন: চলেন আমরা জামাতের সাথে মিয়ানমার বা মংডু যাই।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: এই বিশয়ে আমার কাছে "না" শুনবেননা!

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: জাস্ট এন্তেজাম করুন-আমি আছি............ ভ্রমনে আমার "না" নেই!

২০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: একেবারে ফেভারিটে ,
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
বৈকুনঠ বলেছেন: মংডু যামু। অইখানে থাকনের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করন যায় না? যেইখানে মদের দাম পানির চে' কম..এইডাতো অরজিনিয়াল সগ্গো!!!!!!!!!!!!
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর অনেক দেশেই পানির দামের চাইতে মদের দাম কম-নিকট প্রতিবেশী তেমন আরেকটা দেশের নাম চীন.........।

২২. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
মুকুট বলেছেন: ধন্যবাদ, মাথায় থাকলো কখনও সময় সুযোগ হলে.....
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুট। আমি ...............

২৩. ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
পারভেজ বলেছেন: বার্মাতে আমাদের কিছু আত্মীয় স্বজন এখনো আছেন। একসময় দাদার প্রচুর জমি ছিল আকিয়াবে; কয়েকশ একরের মতো। সরকার অধিগ্রহন করে নিয়েছে বিশ্বযুদ্ধের সময়। দলিলগুলি আব্বার কাছে এখনো আছে। ইচ্ছা আছে যাবার। আমার বড় ভাই ঘুরে আসলো কিছু দিন আগে।
২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার এ-মেইল এড্রেস পেতে পারি?

০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
সুবিদ্ বলেছেন: ভাইয়া.....শুধু পাস নিলেই হবে, পাসপোর্ট লাগবেনা???

আর শুনেছি, মিয়ানমারের ভিসা থাকলে পশ্চিমা অনেক দেশ এমনকি সিঙ্গাপুর/থাইল্যান্ডও ভিসা দেয়না......এটা কি সত্যি???

০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: প্রিয় সুবিদ, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এর "শুধু মাত্র মংডু যেতে" পাসপোর্ট থাকলেও পাস লাগবে। যেহেতু সল্প কালীন ভ্রমনের জন্য প্রযজ্য। ওটাকে বর্ডার পাস বলে। কিন্তু মুল মায়ানমার ভ্রমনের জন্য অবশ্যই পাসপোর্ট লাগবে।

"মিয়ানমারের ভিসা থাকলে পশ্চিমা অনেক দেশ এমনকি সিঙ্গাপুর/থাইল্যান্ডও ভিসা দেয়না......" কথাটা সঠিক নয়। প্রতিটা দেশের ভিসা প্রক্রিয়া আলাদা আলাদা নিয়মে হয়ে থাকে। আপনার বৈধ কাগজপত্র এবং দুতাবাসের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাগজপত্র থাকলে যে কোন দেশের ভিসাই পেতে পারেন।

ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে আমাকে মাঝে মাঝে পাকিস্তান যেতে হয়। পাকিস্তান ভ্রমন করার পর অনেক সময় আমাকে আমেরিকান ভিসা পেতে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। যদিও আমি আগেও আমেরিকা ভ্রমন করেছি অনেক বার। তারপরও এই হয়রানী।

২৬. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: saint martins theke ferar path e local ekjon amader bolchilen mong du er kotha. proti week ei naki tini jan . nodir opashei sposto vabe burmese boshoti dekha jay , nasaka der office tao sposto . Tokhon khub icche hoyechilo jabar .

Future e try korbo
০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, আমিও সেন্ট মার্টিন থেকে ফেরার পথে মংডু এবং নাসাকাদের অফিস থেকেছি।

২৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০০
সৌম্য বলেছেন: হুম। অনেকবার শুনেছি ব্যাপারটা টেকনাফ সেন্টমার্টিনের ওদিকে।সময় সুযোগ হয়নি আর কেউ ডিটেইলস কিছু দিতে পারে নাই। আপনার পোস্টটা তৃষ্ণা মিটাইলো। ফেভারিটএ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সৌম্য।

২৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
নুরুল বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
২৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৩০. ১৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪১
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: একবার যাওয়ার পদক্ষেপ নিয়ে আবার স্ট করেছি। যেখানে মুসলমান খেদাচ্ছে সেখানে গিয়ে ঝামেলায় পড়ব কি না এই ভয়ে। পোস্ট পড়ে মোটা মোটি একটা ধারণা পেলাম।
৩১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩২
যুবাইর বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ২.৬৯৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই