somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ ইতিহাসের আলোয় সত্যের সন্ধান।

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ ইতিহাসের আলোয় সত্যের সন্ধান।

"এই জাদুঘর বিশ্বের মুক্তিকামী জনগণ এবং ধর্ম-জাতিসত্তা ও সার্বভৌমত্বের নামে নৃশংসতার শিকার সকল মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আদর্শিক ভিত্তিসমূহ অর্জনের জন্য দেশবাসীর ত্যাগ ও বীরত্বের ঘটনাবলি হৃদয়ঙ্গম করতে উৎসাহিত করে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এই ইতিহাসের আলোকে চলমান সামাজিক সমস্যা ও মানবাধিকারের বিষয় বিবেচনায় সচেষ্ট রয়েছে।"

দ্বাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বাধীনতা উৎসবের ব্রুসিয়ারে এভাবেই মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের লক্ষ্যসমূহ সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে। রাজধানীর ৫ সেগুনবাগিচায় ছিমছাম ছোট্ট একটি তিনতলা বাড়ি। কিন্তু আকর্ষণ চুম্বকের চেয়েও শক্তিশালী। বাঙালির ঐতিহ্য, বীরত্ব, সংগ্রাম আর ত্যাগের সাক্ষ্য বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে দীপ্ত চেতনায়। বাড়ির একটি কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরতে ঘুরতে মুছে যাবে বর্তমানের গ্লানি। মন চলে যাবে ঐতিহ্যসমৃদ্ধ প্রাচীন বাংলায়। এরপর মনের মধ্যে ক্রমশ প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে বাঙালির এগিয়ে চলার ইতিহাস। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা, তিতুমীর, ক্ষুদিরাম, গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের ছবি ও ইতিহাস মনকে আন্দোলিত করবে। ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন কিংবা স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস মনকে সাময়িক ব্যথিত করলেও, গর্বে ভরে উঠবে মন। এই জাদুঘরটি ভালো করে দেখলে জীবন পাল্টে যাবে। ঠিক ওয়াশিংটনের হলোকাস্ট মিউজিয়ামের প্রবেশ দ্বারে লেখা "গভীর বিষাদের স্থানে এ যেন উজ্জ্বল আশাবাদের আশ্রয়" বাণীটির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ট্রাস্ট জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা। এখানে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র, বই, আলোকচিত্র, চলচ্চিত্র, তথ্য, স্মৃতি সংরক্ষণসহ মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় অর্জন। বিশ্বের মুক্তিকামী জনগণ এবং ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়গত বিভেদের নামে নৃশংসতার শিকার সকল মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গিত হয়েছে এ জাদুঘর। মুক্তি ও স্বাধীনতার স্পৃহায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মানুষই যে পারে সকল বাধা বিপত্তি দূর করে এগিয়ে যেতে তারই প্রমাণ মেলে ধরেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও দলিলপত্রাদি সযত্নে সংরক্ষণ করা হয়েছে। যা দেশে নতুন প্রজন্ম পূর্ব পুরুষদের সংগ্রাম এবং দেশের জন্য তাদের মহৎ আত্মত্যাগ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করবে। দেশ ও জাতি সম্পর্কে তাদের চেতনাকে শাণিত করার প্রয়াস পাবে। জাদুঘরের প্রবেশ পথেই রয়েছে শিখা চিরন্তন। এ শিখা জ্বলছে পৃথিবীর সেই সব মানবদের উদ্দেশে যারা আত্মোৎসর্গ করেছেন স্বাধীনতার জন্য। এ শিখা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পৌঁছে দেবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাঙালির অতীত, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে ছয়টি গ্যালারিতে উপস্থাপন করেছে।

প্রথম ও ২য় গ্যালারিতে বাংলার অতীত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা থেকে স্বাধীনতার জন্য বাঙালিদের সংগ্রামের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আছে মহৎ বাঙালি অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের একটি মূর্তি। ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে বিক্রমপুর পরগনার বজ্রযোগিনী গ্রামে রাজা কল্যাণ শ্রী ও রাণী প্রভাবতীর মধ্যমপুত্র চন্দ্রগর্ভ জন্মগ্রহণ করেন। ভিক্ষু হওয়ার পর তার নাম হয় অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান। ভারতবর্ষে বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার ও দন্তপুরী, সামপুরী ও বিক্রমশীল বিহারে অধ্যাপনা ও পরিচালনা করার সময় তিনি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে অতীশ দীপঙ্কর দেহভস্ম ও রচিত গ্রন্থের পান্ডুলিপি চীন থেকে ঢাকায় ধর্মরাজিক বিহারে আনা হয়। সেই পান্ডুলিপির একটি সংরক্ষিত আছে জাদুঘরে।

তৃতীয় গ্যালারিটি উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ, ১৯৭১ এর উদাত্ত আহ্বানের উদ্দেশে। এ আহ্বান ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য সংগ্রামের ডাক। এর মাধ্যমে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে জনতার অভূতপূর্ব অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। এখানে ২৫ মার্চ কালরাত্রি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার উপস্থাপন রয়েছে। ছবি, পেপার কাটিং এবং অন্যান্য তথ্যাদির মাধ্যমে লাখ লাখ শরণার্থীর দুর্গতির চিত্রও রয়েছে। তাদের ভারতে আশ্রয় গ্রহণ এবং শরণার্থী শিবিরগুলোতে অবর্ণনীয় দুর্দশার চিত্রও প্রতিফলিত হয়েছে। ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেরও কয়েকটি ছবি আছে। সিঁড়ি দিয়ে উপরতলায় উঠার সময় দর্শকরা মুক্তিযুদ্ধের সূচনাকালীন কিছু ছবি দেখতে পারবেন। এর মধ্যে আছে মুক্তিযোদ্ধাদের সদস্যভুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং প্রাথমিক প্রতিরোধ। পাকবাহিনীর সংগঠিত নৃশংস গণহত্যাযজ্ঞের প্রমাণাদি বারান্দায় বিভিন্ন পেপার কাটিং এর মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছে। রয়েছে অসংখ্য গলিত বিকৃত লাশের ছবি। এ গ্যালারিতে প্রদর্শিত ভাগ্যক্রমে পাকসেনাদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের আর্তি মনকে ভীষণভাবে নাড়া দেবে। বালুঘাটের পাকসেনাদের ধ্বংসযজ্ঞের পাশে দুটি শিশু বসে আছে। তারা জানে না তাদের বাবা-মা বেঁচে আছে কি-না কিংবা কিছুক্ষণ পর তারা নিজেরাও বেঁচে থাকবে কি-না। এ ছবির কথা ভোলার নয়!

চতুর্থ গ্যালারিতে আছে কয়েকজন বিশিষ্ট বাঙালির ব্যবহৃত জিনিস। এরা পাকবাহিনীর দ্বারা নৃশংসভাবে নিহত হয়েছেন। অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভা ও প্রশাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন জিনিসপত্র ও দলিলাদি রয়েছে এতে। রয়েছে বিভিন্ন সেক্টর কমান্ডারদের ব্যবহৃত সামগ্রী। ব্যালকনিতে আছে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত বাংলাদেশের বিশাল মানচিত্র। সেক্টর কমান্ডার এবং আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান যোদ্ধাদের ছবি সম্বলিত বিস্তারিত বিতরণ দেয়া হয়েছে। এখানে রয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন পতাকা, যা ঊর্ধ্বে তুলে ধরে স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালিত হয়েছে। ৫নং গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষের অবদানের সাক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্বাধীন বাংলা বেতার, নৌকমান্ডো, বিমান বাহিনী, নারী সমাজ, বৈদেশিক সমর্থ বিশেষ করে ভারতীয় জনসাধারণের সমর্থনের প্রতিচ্ছবি। ৬নং গ্যালারি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সর্বশেষ কক্ষ। দর্শক এখানে একাত্তরের পরম ত্যাগ ও বেদনার দংশন অনুভব করবে। স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ পর্যায়ে হারানো দেশপ্রেমিকদের আত্মত্যাগের চিত্র এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। আরও রয়েছে যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্বে আমাদের সাথে ভারতীয় বাহিনীর ব্যাপক অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের পরিচয়।

সবশেষে রয়েছে আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকার বাহিনীসহ পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের চিত্র এবং তাদের কাপুরুষোচিত জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞের নিদর্শন। ১৯৯৯ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে মিরপুর ১২নং সেকশনের ডি ব্লকে নূরী মসজিদ সংলগ্ন মুসলিম বাজার বধ্যভূমির একটি পরিত্যক্ত কুয়া থেকে মাথার খুলিসহ পাঁচ শতাধিক হাড় উদ্ধার করা হয়। একই বছর মিরপুর ১০নং সেকশনের ডি ব্লকের ১নং এভিনিউতে জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে ৭০টি মাথার খুলি এবং ৫৩৯২টি ছোট-বড় হাড় পাওয়া যায়। এসব হাড় এ গ্যালারিতে রাখা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বেশিরভাগ স্মৃতিচিহ্ন দিয়েছেন শহীদদের স্ত্রী কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ। শহীদ ড. আলীম চৌধুরীর ব্যবহৃত কিছু সামগ্রী মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে দান করেছেন তার স্ত্রী শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। রোকাইয়া হাসিনা তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শহীদ রাশিদুল হাসানের ব্যবহৃত কলম সীল, স্যুট ও আলোকচিত্র জাদুঘরে জমা দেন। শহীদ ডাক্তার আতিকুর রহমানের মেয়ে মিমি রহমান তার বাবার ব্যবহৃত একটি কোর্ট ও একটি টুপি জাদুঘর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। এভাবে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংগৃহীত উপকরণ নিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

বর্তমানে জাদুঘরে সংগৃহীত স্মারক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪১৭টি। এর মধ্যে ৮০০টি আলোকচিত্র, ৫০৬টি দলিলপত্র, ৫০০টি পত্রিকা কাটিং, ৬৬৫টি অন্যান্য স্মারক। এগুলোর মধ্যে ৩১০ আলোকচিত্র, ৮৪টি দলিলপত্র, ২২৭ পত্রিকার কাটিং এবং ৪৭০টি বিভিন্ন স্মারক গ্যালারিতে প্রদর্শিত হচ্ছে। বাকিগুলো সংরক্ষণাগারে সযতেœ রক্ষিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই জাদুঘরটি সম্মানজনক আন্তর্জাতিক জাদুঘর সংস্থা আমেরিকান এসোসিয়েশন অব মিউজিয়ামের সদস্য পদ লাভ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের একটি লিফলেটের শিরোনামে লেখা হয়েছে "সত্যের মুখোমুখি হোন ইতিহাসকে জানুন"। হ্যাঁ, বর্তমানের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা সময় বের করে বাঙালির বীরত্বগাঁথা দেখে আসুন। জানুন বাঙালির আত্মত্যাগ ও বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত মহান মুক্তির ইতিহাস।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৪ দুপুর ২:২৬
২০টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×