আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
ঢাকা শহরে চাই উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থাঃ
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
ঢাকা শহরে চাই উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থাঃ
বহুদিন পর একটু ভাল বৃষ্টি হল। ঢাকা শহরের চাইতে এ বৃষ্টি গ্রামে হলে ভাল হতো। রোয়া ধান লাগানো শুরু করতে পারত কৃষকগণ। সময়মত রোয়া লাগাতে পারলে গত ইরির লোকসান কিছুটা পুষিয়ে যেত। কিন্তু বৃষ্টি মানুষের হাতে নেই। প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। যাকে আমরা নিয়তি বলতে পারি। এই নিয়তিকেও মানুষ অনেক ক্ষেত্রে জয় করে নিয়েছে এবং একের পর এক বিজ্ঞান মানব কল্যাণে অবদান রাখছে; নিয়তিকে পরাস্ত করছে একটু একটু করে। বন্যা এলো বাঁধ ভেঙ্গে গেল। সবাই চুপচাপ। বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়াই যে স্বাভাবিক। বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় না, হয় না- হঠাৎ রাত্রে ভারী বৃষ্টি হলো। রাস্তা-ঘাট, দোকান-পাট পানিতে সয়লাব হলো। সবাই চুপচাপ, অনেকেই অফিস-আদালতে যেতে পারলেন না ছুটির আমেজে বাসায় বসে রইলেন। ভাবখানা এই যে কী আর করা। আবার একদিন হয়তো হাইরাইজ বিল্ডিংগুলো হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়তে থাকবে। বহু প্রাণহানি ঘটবে। সবাই তখন নিয়তি ভেবে হা হুতাশ করবে হয়তো। আমরা কিছু পাবলিক ঐ হা হুতাশের দলে নেই।
মাত্র ঘন্টা খানেক বৃস্টিতে এখন মতিঝিল অফিস পাড়া রাস্তায় নৌকা চলাচলের উপযোগী হয়েছে! পানি বন্দী হয়ে এই লেখা লিখছি! আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই পাবলিক মানি খরচ করে ঢাকা শহরে ড্রেনেজ সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। এখন পানি জমে থাকবে কেন? এটা একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ, সব কিছুর হিসাব নিকাশ করেই ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন করে তবে ড্রেন নির্মাণ করা হয়। তাতে পানি কাটবে না কেন? অনুরূপ বাঁধ যখন নির্মাণ করলামই তখন তা ভেঙ্গে যাবে কেন? একই কথা হাইরাইজ বিল্ডিং (যদিও এখনও ভেঙ্গে পড়ে নাই, পড়তে কতক্ষণ!) এর বেলায় প্রযোজ্য। এসব ইঞ্জিনিয়ারিং কাজগুলো করলামই যখন তখন অকার্যকর কেন হবে? কার দোষে? এটা বের করা কী খুবই কঠিন? কেউ কী আছেন জনস্বার্থ বিষয়ক এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবেন!
আমাদের নিকট প্রতিবেশী সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, তাইওয়ানে অনেকেই শহরের ভিতর দিয়ে অপ্রশস্ত খাল প্রবাহিত হতে দেখেছেন। একবার স্মৃতিভ্রম হয়ে হোটেলের ঠিকানা হারিয়ে ছিল আমাদের এক বাংলাদেশী। ব্যাংকক শহরে তিনি হঠাৎ খালটি পেয়ে যান। পরে খালের ধার দিয়ে যেতে যেতে শেষতক হোটেলটি পেয়েছিলেন। এ গল্প সেই ভ্রমণকারী অনেকের কাছে অনেক দিনই বলেছেন। আমরা কতিপয় মানুষ দিনেরপর দিন ঢাকা শহরের ড্রেনেজ সমস্যা নিয়ে কিছু কিছু লেখা লেখি করছি। কেউ কেউ অনেক সেমিনার সিম্পোজিয়াম করেছেন ঢাকা শহরের পুকুর, নালা, খাল ভরাট না করতে। ছেলে বেলায় দেখেছি-বর্তমানে মাননীয় হাইকোর্টের বিচারপতিদের বাসভবন যেখানে নির্মিত হয়েছে সেখানে একটি মস্তবড় পুকুর ছিল। সেটা ভরাট না করতেও তখন অনেক সিনিয়র ঢাকাবাসী বলেছিলেন। বুদ্ধিজীবী মহল দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও দায়িত্বশীল কেউ শুনেছেন বলে মনে হয় না। মাত্র ২৫-৩০ বছরের মধ্যেই তাদের সেই কথা হুবহু ফলে যাবে বলে আমরা কেউ বিশ্বাস করিনি। এখনও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যাদের কার্যক্রম, সুনাম মানুষ পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করে। এদের একটি হল বুয়েট। আপনারা এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসে দয়া করে পরামর্শ দিন। সরকার তথা দেশবাসীর কী করণীয়!
চোখ রাঙানি দিলে কোনো কোনো মানুষ ভয় পায়। কাউকে খারাপ কিছু বলেও ফেরানো যায় না। গরুকে আবার মানুষের মত কথা বলে খুব একটা কাজ হয় না। পান্টি দিয়ে পিটাতে হয়। একই ব্যবস্থা আবার ঘোড়ার বেলায় খাটে না। ঘোড়াকে চালাতে চাবুক মারতে হয়। হাতিকে চালাতে চাবুকেও কাজ হয় না। লোহার শুলপি দিয়ে হাতিকে গুতা মারতে হয় -তবেই না হাতি বুঝে তাকে কিছু একটা বলা হচ্ছে। কিন্তু জনপ্রশাসন মানবদের কী দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় বুঝতে পারছি না! আত্মাহুতি দেয়া লাগবে কিনা?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: মিল্টন, মাঝে মাঝে ভাবি-আমাদের সেই সব বরণীয় কবিরা বেঁচে থাকলে এখন কি নিয়ে কবিতা লিখতেন!
বুদ্ধি জীবি! ওই পরজীবিদের কথা নাইবা বললাম!
এই দেশে টাকা হলে দিনকে রাত বলে চালানো যায় আর জমি দখল করে ইমারত নির্মান করে যাবে না এটা কোন কথা হলো।
ড্রেনেজ ব্যাবস্থা কি ভাবে উন্নত করবেন?? সবাই তো নিজের টুকু দেখে । আমার পানি গেলেই হলো এই পানি আমার বাড়ির বাইরে আটকালে আমার কি ? আমার বাড়িতে তো পানি আটকায় নাই। এই করে আজ এই অবস্থা। এখন তো তাও শুধু বৃষ্টির পানি আটকায় এর পর কবে যে সব পানি আটকায়///??
লেখক বলেছেন: মুলত দখলদারদের যত্রতত্র দখলের কারনে এবং অপরিকল্পিত নগরায়নের কারনেই আজ আমাদের এই সমস্যা!
হ্যা, আমাদের ব্যাক্তি স্বার্থে বৃহত্তর জনস্বার্থ ব্যহত হচ্ছে।
মুহিব বলেছেন:
কতটা অসুস্থ আমরা তা তো নগরের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়।
লেখক বলেছেন: প্রত্যক্ষ প্রমান ভুক্ত ভুগী সাধারন জনগন।
লেখক বলেছেন: শুধুই কি শহর তলিয়ে যায়? যানজটের কারনে তলিয়ে যাচ্ছে কর্মীদের কর্ম ঘন্টা! অর্থনৈতিক ভাবে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশ!
রঞ্জু ভাই, যা ওয়েদার-তাতে আজ বোধহয় আমাদের প্রগ্রামটা হচ্ছেনা!
কালপুরুষ বলেছেন:
ঢাকা শহরের একটা বড় সমস্যার দিক তুলে ধরেছেন। ঢাকা মহানগরীয় মহাপরিকল্পনায় ড্রেইনেজ একটা গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট ছিল। ড্রেইনেজ সিস্টেমের উপর বিশেষজ্ঞগণ দুই খন্ডের বিশাল রিপোর্ট পেশ করেন বিভিন্ন প্রস্তাব সম্বলিত। যে সকল প্রস্তাব ঐ রিপোর্টে দেয়া হয়েছিল তার একটাও বাস্তবায়িত হয়নি বরং সেগুলো ডেভিয়েশন করে ইচ্ছেমতো প্রাইভেট ডেভেলপার ও হাউজিং এস্টেটগুলো নীচু জমি দখল করে ইচ্ছেমতো হাউজিং প্রজেক্ট করে যাচ্ছে। ফলে ঢাকার ড্রেইনেজ সিস্টেম আজ রীতিমত হুমকির সম্মূখীন। ভাল লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: বাদসা ভাই, সাধারন মানুষ রাজউক পর্যন্ত যেতে না পারলেও একদিন কিন্তু আমরা, যারা আপনাকে চিনি-তাঁকেই ধরবো.........(জড়িয়ে ধরার ইমো হইবে)!
চমতকার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
সহমত..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আকাশ প্রদীপ বলেছেন:
@ অচেনা বাঙালিতুমি দেখি এখনও বাবুয়া সিনড্রোমে ভুগতাছো। বাবুয়া তুমারে কি করসিলো? অহনও কি ব্যথাডা চাগা দিয়া উঠে? মান্ডার ত্যাল লাগাইয়া দেখতে পারো।
লেখক বলেছেন: পোস্ট বহির্ভুত মন্তব্যের জন্যও আপনাকে ধন্যবাদ।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন তবে ঢাকার কোন আশা নেই। একে বাঁচাতে হলে অর্ধেক জনসংখ্যাকে এখনই ঢাকার বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এত লোকের পুরান একটা শহরকে উন্নত করার মত অবস্থা আমাদের দেশের নেই।
লেখক বলেছেন: সহমত।
ঢাকাকে বাঁচাতে হলে অচিরেই ক্ষমতার বিকেনদ্রীকরন করা অতি আবশ্যক। ৩৪ টি মন্ত্রনালয় কে ৬৪ টি জেলায় স্থাননন্তর করতে হবে।
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন:
সবার আগে চাই নিজেকে বদলাবার মানসিকতা। রাস্তা দিয়ে যাবার সময় আমরা যা খাই তার অবশিস্ঠ ফেলতে দ্বিধা করি না, এমনকি থুতু ফেলতেও কিছু মনে করি না। এসব খাবারের অবশিস্ঠ গুলোই আমাদের সমস্যার কারণ মূলত। অথচ আমরা যারা বাইরের দেশে থাকেন তারা এসে বলেন ওদের দেশ কত পরিছন্ন, কিন্তু ইনারাই দেখবেন নিজের দেশে এসে এসব পরিছন্নতার বিষয় বেমালুম ভুলে যান। নিজের দেশকে দোষারোপ করতে আমরা ছাড়ি না, অথচ নাকি আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি। এসব নোংরামি বন্ধ না হলে কখনোই আমরা পরিজন্ন এবং উন্নত জাতি হতে পারব না।
লেখক বলেছেন: চমতকার মন্তব্য। অপুর্ব সুন্দর রিয়ালাইজেশন! আপনার সাথে সম্পুর্ণ সহমত।
লুকোচুরি বলেছেন:
অচেনা বাংগালী একটা ফাউল ব্লগার! বলধটায় নিজে ভালো এক লাইন লিখতে পারেনা-অথচ বিভিন্ন ভাল ব্লগারের বিরুদ্ধে সব সময় উল্টা-পাল্টা মন্তব্য করে। ঐ ব্যাটারে পার্মানেন্ট ব্যাণ করা উচিত।শোন অচেনা --- তোমার ঠোটের উপড় যা আছে তা সব মানুষের নাভীর কয়েক ইঞ্চি নীচেও আছে!
লেখক বলেছেন: লুকোচুরি, এধরনের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। কে ক্যামন ব্লগার তা বিবেচনা করবেন সাধারন ব্লগারগণ।
এখানে মুচুয়া চশমা পড়া চশমখোর অচেনা ভাঙ্গালী নামের একজন পোষ্ট বহির্ভুত প্রসঙ্গ নিয়া প্রশ্ন তুলচে। এই অচেনা ভাঙ্গালী আবার বাবুয়া নাম কইতাচে ক্যা? ইহা তো জুল ভার্ন এর ব্লগ। তাইলে কি আচেনা ভাঙ্গালীর জন্মের টাইমে কি চোখে কুনু পবলেম হইচিল? অচেনার মাকে জিঘ্ঘাসা করিতে হইবেক।
রাজীব বলেছেন:
ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে এখন অনেক কিছুই করা হবে। যেমনঃ মাটির নীচে স্থাপিত ২ ফুট ব্যাসার্ধের পাইপ তুলে ফেলে নতুনকরে ২৪" ব্যাসার্ধের পাইপ বসানো হবে। সব করবে সোনার বাংলার সোনার ছেলেরা। ফলাফলঃ আগামী ৩ বছর পর পানি আরও ২ গুনবেশী জমবে।
লেখক বলেছেন: সহমত রাজীব।
সোনার ছেলেরা যাতে শুধু পেপার ওয়ার্ক করেই ফিল্ড ওয়ার্কের বিল তুলে নিতে পারে সেই ব্যবস্থা পাকা করার জন্য পাব্লিক পারসেজ পদ্ধতি(সরকারের ক্রয় এবং টেন্ডার নীতি) পরিবর্তন করে বিনা অভিজ্ঞতায় এবং বিনা জামানতে কোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান না থাকলে ব্যক্তি নামেই ৮ কোটি টাকার কাজ দেবার সুপারিশ করে পারসেজ পদ্ধতি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে!
আই আনাম বলেছেন:
একদম সত্য কথা। কিন্তু নিজেদের বড় অসহায় লাগে যখন দেখি লেখালেখি করেও কোন লাভ হচ্ছে না। আমাদের লেখা পৌঁছায় না রাজার কান পর্যন্ত অথবা রাজা শুনেও শুনেন না। ঢাকা শহরের বিকেন্দ্রিকরণ করা যায় কী করে সেটাও চিন্তার বিষয়। একে তো ড্রেনেজ সিস্টেমের তোয়াক্কা না করে খালবিল ভরাট কর বাড়ি বানানো হচ্ছে অন্যদিকে দলে দলে ঢাকায় এসে লোক জড়ো হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ে আমি বড়ই চিন্তিত। এবার বোধহয় কঠোর হবার সময় এসেছে।
অসাধারণ লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সুন্দর গঠন মুলক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন:
খুব সুন্দর গোছানো এবং পরিশ্রমী লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি জুলভার্ণ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
রাজীব বলেছেন:
সোনার ছেলেরা যাতে শুধু পেপার ওয়ার্ক করেই ফিল্ড ওয়ার্কের বিল তুলে নিতে পারেমজার কথা বলেছেন।
কিন্তু পরে এটি কি বললেন?
"সেই ব্যবস্থা পাকা করার জন্য পাব্লিক পারসেজ পদ্ধতি(সরকারের ক্রয় এবং টেন্ডার নীতি) পরিবর্তন করে বিনা অভিজ্ঞতায় এবং বিনা জামানতে কোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান না থাকলে ব্যক্তি নামেই ৮ কোটি টাকার কাজ দেবার সুপারিশ করে পারসেজ পদ্ধতি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে!""
ঘটনা কি সত্যি নাকি? তাহলে তো ব্যবসায়ীদের আর বাচার রাস্তা থাকবে না।
লেখক বলেছেন: রাজীব, বিষয়টা সত্যি। এ বিষয়ক ফাইল(সংশোধিত ক্রয় সংক্রান্ত নীতিমালা-২০০৯) চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে গত ১২ সেপ্টেম্বর।
সংবাদ সুত্রঃ টিভি নিউজ, দৈনিক আমার দেশ, আমাদের সময়, প্রথম আলো এবং ইত্তেফাক।
তুমি ওখানে কি কাজ করো জানিও। আমার কোম্পানীও ওখানে সাপ্লাইয়ের কাজ করে......। আমাকে কল করো-০১৭১৩ ০৪৬৩৯৩
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















এবার আসি, আমাদের নগর বুদ্ধিজীবি কথায়। এরা কি করে আমি বুঝি না। সব সরকারই এসে হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা। কিন্তু কামের বেলায় কেউ নেই। আগের দিনে শুনেছি, বৃষ্টি না হলে বা খরা হলে মানব শিশুকে হত্যা করে ঈশ্বরের দৃষ্টি আকর্ষন করা হতো।
আর এখন এই নগর বুদ্ধিজীবিদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে হলে আত্মাহুতিই দিতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন।