আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
পাথরে স্বাধীনতা সংগ্রামঃ ভাস্কর্য্যে মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।-১
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
পাথরে স্বাধীনতা সংগ্রামঃ ভাস্কর্য্যে মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ, কালজয়ী ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি সময় ও কালের বিপরীত স্রোতে টিকিয়ে রাখার জন্য যুগে যুগে ভাস্কর্য এবং স্থাপত্য শিল্পের সাহায্য নিয়ে সৌধ, স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। মহান স্বাধীনতার গৌরবোজ্বল ভূমিকার অসামান্য চেতনার অনুষঙ্গ এ সৌধগুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরার চেস্টা করছিঃ-
জাতীয় স্মৃতিসৌধ
অবস্থান: ঢাকার অদূরে সাভারের নবীনগরে।
স্থপতি: মাইনুল হোসেন।
স্থাপনাঃ ১০৯ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এ স্মৃতিসৌধটি। যার অপর নাম "সম্মিলিত প্রয়াস"। এর উচ্চতা ১৫০ ফুট। ১০টি গণকবর রয়েছে এর প্রাঙ্গনে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর এটার উদ্বোধন করা হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২ সালে।
প্রতিপাদ্যঃ স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি পযার্যের নিদর্শন স্বরূপ এ স্মৃতিসৌধে রয়েছে ৭টি ফলক। পর্যায় সাতটি হচ্ছে ৫২ এর ভাষা আন্দোলন ,৫৪ এর নির্বাচন, ৫৮ এর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ৬২ এর শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন, ৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুথান ও ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ। ৭টি ফলকের ব্যাপারে এর স্থপতি মাইনুল হোসেনের ভাষ্য, ৫২ তে হলো ভাষা আন্দোলন, তাতে পাঁচ আর দুই সাত। ১৬ ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস; এখানেও পাচ্ছি ছয় আর একে সাত। তারপর আমাদের বীরশ্রেষ্ঠর সংখ্যাও সাত। সেজন্যই সাতটি স্তম্ভ রাখা হয়েছে স্মৃতিসৌধে।
রায়েরবাজার বধ্যভূমিঃ
অবস্থানঃ মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিমপাশের বেড়িবাধে এর অবস্থান
স্থপতিঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ ও মো: জামি-আল শফি।
স্থাপনাঃ ৩.১৫ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে এ সৌধটি। এ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৯৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর। ১৯৯৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর এটির দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়।
প্রতিপাদ্যঃ স্মৃতিসৌধটি রাযেরবাজার আদি ইটখোলার প্রতীক, যেখানে বুদ্ধিজীবিদের মৃতদেহগুলো পড়েছিল। দেয়ালটির দুদিক ভাঙ্গা; যা ঘটনার দুঃখ ও শোকের গভীরতা নির্দেশ করে। বাঁকা দেয়ালের সম্মুখভাগে একটি স্থির জলাধার আছে। এর ভিতর কালো গ্রানাইট পাথরের পলেস্তারা উঠে এসেছে। এটি শোকের প্রতীক। স্মৃতিসৌধের প্রবেশপথের ধারে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম বটগাছ। '৭১ সালে এখানে একটি বটগাছ ছিল। যার নিচে বুদ্ধিজীবিদের প্রথম ধরে এনে শারীরিক নির্যাতন করে পরে ইটখোলায় হত্যা করে। চিরসবুজ এ গাছটি ছাড়া , চত্বরে আর যে সব গাছ লাগানো হয়েছে সেগুলোর পাতা শীতে ঝরে পড়ে মনে করিয়ে দেয় দেশের জন্য ঝরে পড়া অকুতোভয় বীরমুক্তিযোদ্ধাদেরকে।
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধঃ
অবস্থানঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরের ভবেরপাড়া গ্রামে
স্থপতিঃ তানভীর কবির।
স্থাপনাঃ মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে রয়েছে মোট ২৩টি স্তম্ভ। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নান্দনিক স্থাপত্যকর্ম ও নির্মানশৈলীতে নির্মিত হয়েছে এ সৌধটি।
প্রতিপাদ্যঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ঐতিহাসিক স্থান মুজিবনগর। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এখানে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিষ্ঠা ঘটে। এ স্মৃতিকে সমুন্নত রাখতেই নির্মিত হয়েছে এ স্মৃতিসৗধটি।
শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধঃ
অবস্থানঃ ঢাকার মিরপুর ১ নম্বরে
স্থপতিঃ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি
স্থাপনাঃ শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর। ১৯৮৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর এটি সম্প্রসারিত ও নবরূপে উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিপাদ্যঃ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চক্রান্তে দেশের সেরা সন্তানদেরকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী। মহান এ বীর সন্তানের স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে নির্মিত হয়েছে এ স্মৃতিস্তম্ভটি। যেটি সগর্বে জানান দিচ্ছে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অসামান্য আত্মত্যাগের কথাকে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ
অবস্থান: সেগুনবাগিচা, ঢাকা
স্থাপনাঃ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর এটি। সর্ম্পূন বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ।
প্রতিপাদ্যঃ "ফিরে দেখ একাত্তর ; ঘুরে দাড়াঁক বাংলাদেশ" শ্লোগানকে সঙ্গীকে করে সফল পদচারনা এর। এতে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধোদের ব্যবহত সামগ্রী, ডায়েরি, মুক্তিযুদ্ধোদের রোজনামচাসহ অনেক কিছু। রয়েছে যুদ্ধের ছবি, তৎকালীন পত্রপত্রিকা আর মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক দূর্লভ সামগ্রী।
প্রর্দশনীর সময়ঃ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। রবিবার বন্ধ।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (রেসকোর্স ময়দান)ঃ
৭ই মার্চ, ১৯৭১। রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। সকাল থেকেই ভেসে যাচ্ছিল জনস্রোতে। সকলের গন্তব্যই মিলেছে একস্থান-রেসকোর্স ময়দানে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের উজ্জ্বলতম মাইলফলক রমনার রেসকোর্স ময়দান। "এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম; এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"-এমনিভাবে একাত্তরের ৭ই মার্চ এখান থেকেই পরাধীনতার শৃংখল ভাঙ্গার আহবান জানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বসন্তের পাতাঝরা দিনশেষে বৃক্ষশোভিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও শিশুপার্কের যে জায়গায় গাছে গাছে নতুন কুড়িঁ উঁকি দিচ্ছে একাত্তরের এই দিনে সেখানে অংকুরিত হয়েছিল আজকের বাংলাদেশের। এ স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতেই বর্তমানে সেই স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে স্মৃতিসৌধ "শিখা অর্নিবান"। অবশ্য এটির নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। তাই সাধারণর জন্য উন্মুক্ত নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই। আপনার প্রেরণামুলক মন্তব্য সব সময়ই আমাকে লিখতে উতসাহ যোগায়।
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন:
ছবি চাই।
লেখক বলেছেন: ভাই, আমি যখন যা কিছু দেখি-তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমি নোট করে রাখি। ছবিও তোলা হয়। কিন্তু যথাযথ ভাবে আমি ছবি এড করতে পারিনা। এখানে উল্যেখিত স্থাপনাগুলো আমাদের সকলের অত্যন্ত কমন, সকলের খুব বেশী পরিচিত-তাই আমার তোলা পঁচা ছবি দিয়ে স্বাধীনতা বিষয়ক স্থাপনার ক্ষুত ঘটাতে চাইনা।
আপনাকে ধন্যবাদ।
দারাশিকো বলেছেন:
আরও কিছু তথ্য যোগ করলে ভালো হয়, যেমন রায়েরবাজার বধ্যভূমি, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি-র ভিত্তি প্রস্থর কে স্থাপন করেন, কে উদ্বোধন করেন ... তাছাড়া প্রত্যেকটির ছবি যোগ করলে আরও সুন্দর হতো।ধন্যবাদ, এরকম একটি পোস্টের জন্য
লেখক বলেছেন: আসলে আমার সীমাবদ্ধতার জন্য ছবি দিতে পারলামনা ভাই। তবে নেক্সট লেখায় চেস্টা করবো বেশী বেশী তথ্য সংযোজন করতে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
মিলটন বলেছেন:
আপনার উল্লেখিত জায়গাগুলোর একটি বাদে সব জায়গাতেই গিয়েছি। কলেজ পড়ার সময় গিয়েছিলাম মুজিবনগর। কিন্তু ওখানে সৃত্মিসৌধের সামনে দাঁড়িয়ে কেমন যেন গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে গিয়েছিল। হয়ত স্বাধীনতার সেইসব দিনগুলোর কথা ভেবে। রোমাঞ্চিত হই আর আশ্চর্য হই, আমাদের সেই পূর্বপূরুষরা যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিল তারা কতটাই না, আত্মত্যাগী ছিল। আর কতটা আত্মত্যাগী হলে একটা মানুষ তার সব প্রিয়জনকে ফেলে এভাবে যুদ্ধে যেতে পারে? আর একটা কথা সত্য যে মানুষটি এমন মহান একটি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল, যে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিল, সে কোনদিনই তার এ কাজের জন্য বস্তুজগতের কোন সীকৃতি চাইবে না।সৃত্মিসৌধের সামনে দাঁড়িয়ে আবারো জানাই স্যালুট। মা আর দেশ তোমাকে যেন আমি অক্ষত রাখতে পারি।
ভালো লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: তোমার চমতকার মন্তব্যটা পড়েই আমার শরিরের লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছে! সত্যি কতটা দেশ প্রেম থাকলেই ধন-সম্পদ, আত্মীয়-স্বজন এমন কি নিজের জীবন তুচ্ছ করে দেশের জন্য অকাতরে জীবন উতসর্গ করতে পারেন-তার প্রমান রেখে গিয়েছেন আমাদের বীর শহীদ মুক্তি যোদ্ধারা! তাঁদের প্রতি আবারো জানাই হাজার সালাম।
আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি-সব কিছুর বিনিময়ে আমরা আমাদের মা-মাটি-মানুষ তথা আমাদের দেশের স্বাধীনতা এবং স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
চমৎকার একটা কাজ করেছেন। লেখাটা ধারাবাহিকভাবে লিখলে ভালো হবে। অনেক কাজে আসবে। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি। তুমি এখনো ঘুমাওনি!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর। ১১ তারিখ আসছি। কয়েকদিন থাকা হবে। আশা করি- তোমার এবং নাঈমের সাথে দেখা হবে ১৩ তারিখ।
ধীবর বলেছেন:
সব সময়ের মতই, ইতিহাসকে সব প্রজন্মের সাথে আবারও পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য জুলভার্ন ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানেই তো আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস, আত্মত্যাগের ইতিহাস, বিজয়ের ইতিহাস। তাই এই ইতিহাস বিস্মিত হলে, জাতি হিসেবে আমার অস্তিত্ব থাকবে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধীবর ভাই।
দীর্ঘ দিন যাবত বিদেশে থেকেও আপনি দেশ নিয়ে যত ভাবেন, দেশের স্বার্থ নিয়ে যত লিখেন-আমি তারতুলনায় কিছুই লিখতে পারিনা-এটা আমার অক্ষমতা। বিশ্বাস করুন-আমি আপনার লেখার একজন পাঠক হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ব করি।
শুভ কামনা।
নীল ভোমরা বলেছেন:
চমৎকার!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
মুজিব নগর যাওয়া হয় নাই। ভাল লিখছেন।
লেখক বলেছেন: সময় এবং সুযোগ করে একবার ওখানে ঘুড়ে আসতে চেস্তা করুন। আশা করি ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ।
শিবপ্রিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য, প্রিয়তে নিলাম।
তবে একটি কথা এখানে বলে রাখি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সম্প্রীতির কথা কিন্তু আমাদের ভাষ্কর্য্য বলি কি চিত্রকলা বা মিনেমা অথবা শিল্পকলার যে কোন মাধ্যমেই ওভাবে আসেনি।
লেখক বলেছেন: মুক্তি যুদ্ধের উপর লেখা বেশীর ভাগ বইতেই ভারতে ট্রেনিং, অস্র সাহায্য, অথা লজিস্টিক সাহায্যের কথা ভালো ভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে।
চলচিত্রের মধ্যে 'কার হাসি কে হাসে', 'শ্লোগান', 'অরুনোদয়ের অগ্ণীস্বাক্ষী', 'সুর্য্য স্নান' ছবি সমুহে অতি সামান্যকিছু আভাষ দেয়া আছে মাত্র।
আপনাকে ধন্যবাদ।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
মানূষ হিসাবে বেচে থাকতে হলে যেমন মনুষ্যত্য থাকা বাঞ্চণীয় তেমনি জাতি হিসাবে বেচে থাকার জন্য একটি জাতির স্বাধীনতা অবশ্যই প্রয়োজন। স্বাধীনতা ছাড়া কোন জাতি বেশী দিন বিশ্বের বুকে ঠিকে থাকতে পারেনি পারবেওনা। সেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ যে সকল বীর মূক্তিযোদ্বারা আমাদেরকে এনে দিয়েছেন, স্বাধীন ভাবে বেচে থাকার অধিকার যারা এনে দিয়েছেন, তাদের কে জানাই আমার স্বশ্রদ্ব সালাম। আমার জন্ম মক্তিযুদ্বের তিন বছর পর। আমি মক্তিযুদ্ব দেখিনি। মা চাচীদের মুখে শুনে বড় হয়েছি ও আন্দোলিত হয়েছি। কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করলে একজন মানুষ পরিবার পরিজন ছেড়ে মৃত্যুকে তোয়াক্কা না করে শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতার জন্য, দেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র হাতে নিতে পারে, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারে তা চোখে না দেখলেও কল্পনা করলেই গা শিউরে উঠে। আমাদের সেই সব বীর মূক্তিযোদ্বারা কোন কিছুর বিনিময়ে বা কোন কিছু পাওয়ার জন্য যুদ্ব করেনি। তারা শুধুমাত্র দেশ ও দেশের মানুষকে স্বাধীন দেখতে চেয়েছিলেন। তাদেরকে কোন কিছুর বিনিময়েই সম্মান জানানো সম্ভব না এরপরও তাদের সেই সব মহান কীর্তিকে স্মরন করিয়ে দেওয়ার জন্য ঐ সব স্হাপনা গুলো তৈরী করা হয়েছে, তা আজীবন জাগুরুক থাকুক এই কামনাই করি। জাতি হিসাবে আমরা বাংলাদেশীরা বিশ্বের বুকে যতদিন বেচে থাকব ততদিনই তাদের সেই সব অম্লান কীর্তি প্রবাহমান থাকবে এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু দু:খ পাই যখন দেখি তাদেরকে নিয়ে কেউ কেউ ব্যবসা খুলে বসে, মুক্তিযুদ্ব এবং মূক্তিযোদ্বাদেরকে নিজস্ব সম্পদ বলে মনে করে। তখণ আর নিজের অস্তিত্ব খুজে পাই না।
কীর্তিময় স্হাপনা নিয়ে আপনার এই সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আমরা আরও সুন্দর সুন্দর লেখা আপনার কাছ থেকে আসবে এবং নিশ্চয় তা পাব। ভাল থাকবেন। আশা করি ডেঙ্গু জ্বর থেকে আপনি এখন পুরোপুরি মুক্ত।
লেখক বলেছেন: আপনার এমন সুন্দর মন্তব্যটাই ব্লগে একটা অসাধারন পোস্ট হতে পারত। মুক্তি যুদ্ধের সময় আমার বয়স প্রায় ১২ বছর। একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে আমার জন্ম। মুক্তি যুদ্ধে আমি আমার এক চাচা, একজন চাচাত ভাই এবং আমার মামাকে হারিয়েছি। আমার এক ভাই মুক্তি যুদ্ধে অসীম সাহসীকতার জন্য বীর বিক্রম খেতাব অর্জন করেছেন। মুক্তি যুদ্ধ খুব কাছ থেকে দেখেছি। দেখেছি মুক্তি যোদ্ধাদের দেশের জন্য জীবন উতসর্গ করার নিদারুণ উন্মাদনা। দেখেছি তাঁদের অমিত তেজ আর অসীম সাহসের পরিচয়! তাঁদেরকে যেনো আমরা কোন দিন ভুলে নাযাই-তাঁদেরকে যেনো কোন দিন অসম্মান না করি-এটাই হোক বর্তমান প্রজন্মের অংগীকার। আমরা যার যার অবস্থানে থেকেই যেনো- চেস্টা করি মুক্তি যোদ্ধাদের বীরত্তগাঁথা বর্ত্মান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে।
খুব সংক্ষিতপ ভাবে হলেও আপনাদের প্রত্যাশা পুরনের চেস্টা করবো।
আমি এখন সম্পুর্ণ সুস্থ্য।
শুভ কামনা আপনার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামসীর।
জানা বলেছেন:
পড়ে খুব ভাল লাগলো। 'চিটি'র সাথে আমিও এই লেখার ধারাবাহিক আশা করছি। আর তার সাথে সম্ভব হলে ছবিও চাই।
অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সবসময়।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি চেস্টা করছি ছবি এড করতে।
শুভ কামনা।
নাঈম বলেছেন:
ভাইয়া এসে ফোন দিয়েন ইনশাল্লাহ্ দেখা হবে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই কথা/ দেখা হবে নাঈম।
সুবিদ্ বলেছেন:
ভাইয়া.....আপনার ছেলেকে ঘাটাঘাটি করতে বসিয়ে দেন, আশা করি কিভাবে ছবি লোড করতে হয় তা দ্রুত ও আপনাকে জানিয়ে দিতে পারবে......ধন্যবাদ......শুভকামনা
লেখক বলেছেন: সুবিদ, আমার ছেলেরা হলো "ঐতিহাসিক" ব্যাস্ত!!! তার পরো-যদি ছোট ছেলে কে কাছে পেয়ে বলি-বাবা, আমাকে এটা একটু শিখিয়ে দাওতো......। ছেলে বলে-আব্বু, তুমি এই জিনিষ্টাও জানোনা! তখন আমি অফ হয়ে যাই...... নিজের মতই চেস্টা করি!
শুভ কমামনা।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
সারাদেশে ছড়িয়ে আছে কত স্মৃতিময় জায়গা।
আশাকরি সব জানাবেন।
সবাই মিলে দেশে আসলে তখন বেড়াবো আশাকরি।
শুভকামনা থাকলো।
লেখা চলুক।
লেখক বলেছেন: মুক্তি যুদ্ধে ভাষ্কর্য্য সম্পর্কে আমার যতসামান্য জানাশোনার উপড় ভড় করে কয়েকটা পর্ব লিখতে চেস্তা করছি মাত্র। এমন ঐতিহাসিক ভাষ্কর্য্যা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে-যা আমার দেখে হয়নি। অথবা অনেক কিছু দেখেছি-কিন্তু যথাযথ তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনি-তাই সেই সব বিষয় অবশ্যই বাদ পরে যাবে।
নেক্সট টাইম দেশে এলে সময় নিয়ে এসো-ইনশ আল্লাহ আমরা দলবদ্ধ ভাবে সেই সব যায়গায় ঘুড়ে বেড়াবো।
ভালো থেকো।
পোস্টে প্লাস।
লেখক বলেছেন: আমি ছবি সংযোযন করতে চেস্টা করছি।
শুভ কামনা।
তাজা কলম বলেছেন:
আরো একটি তথ্য নির্ভর নিবন্ধ। প্রিয়তে রাখলাম। ধন্যবাদ লেখক।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ এতো ভাল একটা পোস্টের জন্য। +
লেখক বলেছেন: পড়া এবং মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রঞ্জু ভাই। খুব অল্পতেই শেষ করতে চাই-সময়াভাবে।
আজনবী বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জহির।
রাজীব বলেছেন:
ছেলে বলে-আব্বু, তুমি এই জিনিষ্টাও জানোনা! তখন আমি অফ হয়ে যাই......আসলে আমরা মনে হয় দিনে দিনে শুধু পিছিয়ে পড়ছি।
তবে সান্তনা এই যে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্ম এগিয়ে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: আমি তোমার সাথে একমত। আমি অবাক হয়ে যাই-আমাদের বর্তমান প্রজন্ম তথা আমাদের সন্তানদের জানার পরিধি দেখে! সত্যি ওরা এই বয়সে যা জানে-তা অনেক অনেক বেশী। যা আমাদের কল্পনারও অতীত!
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
তথ্যবহুল। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















