আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

টিএসসিতে একদিনঃ

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0

টিএসসিতে একদিনঃ

ঢাকায় বসবাসরত শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে, আড্ডার জন্য কোন জায়গা সবচেয়ে প্রিয় তবে অধিকাংশই উত্তর দেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র। টিএসসি নামেই যার পরিচিতি। ঢাকার বাইরের তরুণ-তরুণীদের অনেকেই ঢাকায় আসলে ঢুঁ মারেন টিএসসিতে। এখানে আড্ডা দেয়া মানুষগুলো সবাই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী তা নয়। টিএসসিতে আড্ডা দিতে আসেন প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, লেখক, আঁকিয়েসহ সর্বস্তরের মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এখনও টিএসসিতে আসেন স্মৃতির টানে। আমরাও জনাকয়েক বন্ধু সেদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গিয়েছিলাম-টিএসসি তে আড্ডা দিতে। আমরা সবাই ১৯৮৪ পুর্ব সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম।

সকাল ১০টা। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা টিএসসির আশপাশের ফুটপাত ঝাড়ু দিচ্ছে। রিকশা, গাড়ি চলছে বিরতিহীন। তখনও টিএসসিতে তরুণ তরুণীদের ভিড় বাড়েনি। ডাসের আশপাশে বিচ্ছিন্নভাবে বসে আছে তিন জোড়া তরুণ-তরুণী। ডাসের পশ্চিম পাশের গেটে মোবাইল ফোনের দোকান। সাড়ে ১০টার দিকে দোকান খুললেন মাহমুদ। দোকান বলতে একটি টেবিল, একটি চেয়ার আর শেকলবদ্ধ দুটি মোবাইল ফোন। দোকান খোলা মাত্রই দুইজন তরুণী এসে দাঁড়িয়ে গেল ফোন করার জন্য। মনে হচ্ছিল তারা যেন অপেক্ষা করছিলেন। একজন ফোন করেই ধমকের সুরে বললেন, তোমার জন্য একঘণ্টা ধরে বসে আছি টিএসসিতে। তাড়াতাড়ি আস। বলেই ফোন কেটে দিলেন। বোঝা গেল তিনি বন্ধুর জন্য প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন। আরেকজন ফোন করে বললেন, হ্যাঁ, আমি মুনা। বাবা ভালো আছ? এইমাত্র হল থেকে বের হলাম। ক্লাসে যাচ্ছি.........

হঠাৎ চোখ পড়ল রাজু ভাস্কর্যের ওপর। একটি ছেলে একা একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে রাজু ভাস্কর্যের দিকে। যেন স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর ভাস্কর্যের দিকে তাকিয়ে স্বাধীনতা খুঁজছে। গিয়ে জিজ্ঞেস করতেই বলল, আংকেল, স্বাধীনতা দেখিনি। গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করছি। প্রশ্ন করলাম ভাস্কর্যে কেন? উত্তর দিল, বর্তমান ইতিহাস পড়ে আর রাজনৈতিক অবস্থা দেখে তো আর স্বাধীনতা উপলব্ধি করা সম্ভব না। তাই ভাস্কর্যগুলোই ভরসা।

কিছুক্ষণ পর দেখলাম একদল ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরাম্যান গিয়ে দাঁড়াল রাজু ভাস্কর্যের ওপর। প্রথমে কিছুই বোঝা গেল না। একটু পরেই বিষয়টা পরিষ্কার হলো। একটি পতাকা মিছিল এগিয়ে আসছে চার নেতার মাজার থেকে টিএসসির দিকে। সামনে বিশাল একটি বাংলাদেশের পতাকা। মিছিলের সবার হাতেও লাল আর সবুজের সমারোহ। কী মোহনীয় দৃশ্য! না দেখলে বিশ্বাস করার নয়। যেন পুরো বাংলাদেশ। স্লোগান কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। স্লোগানটি এরকম গণতন্ত্রের চেতনায় এক হও এক হও, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, দেশবাসী এক হও। ক্রমেই মিছিলটি টিএসসি অতিক্রম করে শাহবাগের দিকে চলে গেল। একটি শর্ট ফ্লিমের শুটিং দৃশ্য ছিল ওটি।

খানিক পরেই একদল তরুণ-তরুণী সেই রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হলো। খেয়াল করে দেখা গেল তাদের সাথে রঙের বালতি, রঙ, ব্রাশ ইত্যাদি। তারা এসেছেন টিএসসির মোড়ে আল্পনা করতে। প্রথমে কতক্ষণ চলল রঙ গোলানোর পালা। তারপর এক পাশের রাস্তা দড়ি দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হলো। তরুণ-তরুণীদের প্রায় সবাই চারুকলার। অন্যরা দাঁড়িয়ে দেখছেন সেই শিল্পকর্ম। দর্শকদের মধ্যে একদল পুলিশও আছেন।

ইতিমধ্যেই তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে টিএসসি ও তার আশপাশ। এবার টিএসসির ভেতরে। ঢুকতেই এলোপাতাড়িভাবে বসে থাকা কতকগুলো গ্রুপ চোখে পড়ল। সবাই আড্ডা দিচ্ছেন। প্রচন্ড রোদের মধ্যেও অনেককে মাঠের মধ্যেই বসে থাকতে দেখা গেছে। একেক আড্ডার আলাপের বিষয় ভিন্ন। কেউ পড়াশোনা নিয়ে আলাপ করছেন। কেউ তাদের প্রেমিক-প্রেমিকা নিয়ে গবেষণা করছেন। কেউবা তাদের রাজনৈতিক মতবাদ ব্যক্ত করছেন। মিলনায়তনে চলছে কোন একটি অনুষ্ঠান। তবে ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই বাইরে বসে আড্ডায় মশগুল। তেমনই এক গ্রুপের সাথে কথা হলো। তারা জানালেন, টিএসসিতে আসেন স্রেফ আড্ডা দিতে। ক্লাস না থাকলেও সবাই মিলে আড্ডা দেয়ার জন্য টিএসসিতে আসি। প্রশ্ন করলাম, এটির নাম টিএসসি অর্থাৎ টিচার্স স্টুডেন্টস সেন্টার। কিন্তু আপনারাতো সারাক্ষণ ছাত্রছাত্রীরাই আড্ডা দেন। বলতেই সবাই হো হো করে হেসে উঠল। তবে কোনো উত্তর দিল না।

সূর্যিমামা মাথার উপর উঠে খানিক হেলেও পড়েছে। ঘড়ির কাঁটায় পৌনে দুইটা। সবার চোখেমুখেই ক্ষুধার্ত ভাব। কেউ ছুটছেন মধুর ক্যান্টিনের দিকে। কেউ ডাকসুর ক্যান্টিনে। তবে অনেকেই গেলেন নীলক্ষেতের তেহারি খেতে। বোঝা গেল নীলক্ষেতের তেহারি এখনও দারুণ জনপ্রিয়। বলতে গেলে ওখানের খাবার খেয়েই আমরাও বড় হয়েছিলাম!

দুপুর বেলাতে টিএসসি একটু খালিমতো হলেও তিনটার পর থেকে তরুণ তরুণীদের ঢল নামে টিএসসিতে। ডাস সংলগ্ন জায়গা, টিএসসির সামনের অংশ আড্ডারত তরুণ-তরুণীতে ভরপুর। তবে ডাস সংলগ্ন জায়গাটিতে অধিকাংশই কপোত-কপোতী। তাদের মধ্যে অনেকে লজ্জাহীন। তাদের আচরণ দেখার মতো নয়। তবে যারা নিয়মিত টিএসসিতে আসা-যাওয়া করেন তাদের চোখে সয়ে গেছে ওই দৃশ্য। বিকেল থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন নাট্যদল, আবৃত্তি দলের মহড়া। অর্থাৎ টিএসসি শুধু ছাত্র শিক্ষক না, পরিণত হয় সর্বস্তরের মানুষের আড্ডাস্থলে। একজন বলেই ফেলল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারিনি। কিন্তু নাট্যদলের সুবাদে সন্ধ্যায় টিএসসিতে আড্ডা দিতে পারি। তাইবা কম কিসে!

সূর্য ঘরে ফিরে যাচ্ছে। কিন্তু তখনও টিএসসিতে তরুণ-তরুণীরা আসছে-যাচ্ছে। একে একে দলে দলে। যেন তরুণ-তরুণীদের এক মহা মিলনস্থল। আমরা ফিরে যাচ্ছি-যার যার স্থায়ী অবস্থানে।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
সুবিদ্ বলেছেন: দারুণ বর্ণনা, ভাইয়া......টি.এস.সি. আমারও খুব প্রিয় একটা জায়গা.......
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হয়েছে ২৫ বছর হতে চলছে। ঢাকা শহরের স্থায়ী বাসিন্দা হবার সুবাদের সেই ছেলেবেলা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিভিন্ন ভাবে বিচরণ। আমার জীববনের শ্রেষ্ঠ সময় কাটিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ে-যা এখনো আমাকে নস্টালজিক করে। তাই সময় সুযোগ পেলেই চলে যাই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। আমি প্রায় প্রতিদিন অফিস থেকে হেটে বাড়ি ফিরি। অনেকটা অবচেতন মনেই আমার হেটে যাওয়ার রুট বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আহ! টিএসসি ! নিজে হয়ত পলাশীতেই থাকি বেশি, তবুও উৎসবে /আনন্দে প্রায়শই টিএস সি তে চলে যাই ।
চমৎকার বর্ননা ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: আমার ধারনা এখনো এক্মাত্র টি এস সি'তেই আছে মুক্ত প্রানের উচ্ছাস স্পন্দন!

৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
চাচামিঞা বলেছেন: সুন্দর বর্ননা.....মনে হয় নিজের চোখেই দেখছিলাম....
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চাচা।

৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩০
মুহিব বলেছেন: আপনি তাদের সাংবাদিকের মত জেরা করেন নাকি? যা চোখেই দেখি তার যখন এত প্রাজ্ঞল বর্ননা শুনি মনে হয় অনেক কিছুই দেখি নাই।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি সাংবাদিকদের মত সাংঘাতিক নই। যেখানেই যাই-সবার সাথে একাত্ত হয়ে মিশে যাই। ভুলে যাই বর্তমান প্রজন্মের সাথে চিন্তা-চেতনা আর বয়সের ফারাক। ওদের আপন হয়েই আলাপ জুড়ে দেই সহজাত স্বভাব মত। বেড়িয়ে আসে ছোট্ট ছোট্ট কথকপথন-যা আপনাদের সাথে শেয়ার করি মন খুলে।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: তো... তোর মাথা!

৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
ওপেল বলেছেন: অনেকদিন ধরে যাই না, এখনো হলে থাকি,কিন্তু অফিস করে এসে আর বের হতে ভাল লাগে না।

চমৎকার বর্ননা ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
এমিল বলেছেন: আমরাও জনাকয়েক বন্ধু সেদিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গিয়েছিলাম-টিএসসি তে আড্ডা দিতে। ............................
...............................................
..........বোঝা গেল তিনি বন্ধুর জন্য প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন। আরেকজন ফোন করে বললেন, হ্যাঁ, আমি মুনা। বাবা ভালো আছ? এইমাত্র হল থেকে বের হলাম। ক্লাসে যাচ্ছি.........


ঢাকা ভার্সিটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ক্লাস হয়? আগে জানতাম না তো!
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: মি; ছিদ্রান্বেসী, আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলে জানতেন ওখানে শনিবার কোন কোন বিষয়ের ক্লাশ হয়। এমনকি শুক্র বারেও এক্সিকিউটিভ এম বি এ এবং আধুনিক ভাষাতত্ব বিভাগের ক্লাশ হয়।

৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
দারাশিকো বলেছেন: টিএসসি ভালো লাগে না ...
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: সবার সব কিছু ভালো লাগার কথা নয়। কেউ খুব নিরিবিলি থাকতে পছন্দ করেন, কেউ কোলাহল। যারা এই দুটোই পছন্দ করেননা-তাঁদের টি এস সি আসলেই ভালো লাগার কথা নয়।

৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
মিলটন বলেছেন: যদিও "আড্ডা" জিনিসটা জীবন থেকে কমে গেছে। সময় কই? তবুও যারা এখনও প্রাণ খুলে এই টিএসসির মত জায়গায় আড্ডায় সময় কাটাতে পারে তারা সত্যিই প্রাঞ্জল আর ভাগ্যবান।

সুন্দর বর্ণনা।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আমি সব সময় মনে রাখি-আমার বয়স বেড়েছে, কিন্তু আমি বুড়ো হয়ে যাইনি, আমার প্রান চাঞ্চল্য কমেনি। আমি অন্য সকল মানুষের মতই কান্না করে এই পৃথিবীতে এসেছিলাম। কিন্তু আমি "সুস্থ্য আনন্দ" করে মরে যেতে চাই।

শুভ কামনা।

১০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
লুকোচুরি বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। আমার দুঃখ আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতে পারিনি।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: সকলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চলবে কি করে? আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতে পারেননি-কিন্তু জাতির সব চাইতে মর্যাদাসম্পন্ন পেশার একজন শিক্ষক হয়েছেন-এটাইবা কম কিসের! আপনার অনেক ছাত্র এখন ঐ বিশ্ববিদ্যাল্যের ছাত্র-এটাই আপনার অনেক বড় সম্মান।

১১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১০
আবু সালেহ বলেছেন:
সুন্দর বর্ণনা...এখনও সময় পেলেই বন্ধুদের নিয়ে টিএসসি তে মাঝে মাঝে আড্ডা দেই...
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হয়ত একদিন আমাদের দেখা হয়ে যাবে।

১২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
এমিল বলেছেন: টলারেন্স এত কম কেনো? একটা প্রশ্নেই ছিদ্রান্বেষী হয়ে গেলাম?
আপনি ইজিলি বলে দিতে পারতেন শনিবার আড্ডা দিতে গেছিলেন, তা না করে ছিদ্রান্বেষী বললেন।
আমার জানা মতে এক্সিকিউটিভ এমবিএ এর ছাত্ররা হলে থাকেন না। এটা স্পেশালি যারা জব করেন তাদের জন্য।
আধুনিক ভাষাতত্ত্ব এর ব্যাপারটা জানা নেই বলে বলতে পারছিনা।

আর শনিবার যে প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে, এবং কিছু কিছু অফিস বন্ধ থাকে সেটা আমি ঢাকা ভার্সিটির ছাত্র না হয়েও জানি।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: আপনি আমার লেখার স্ক্রীন সট ছেপে দিয়ে মন্তব্যটা কোট করেছিলেন-তাই কিছুটা খারাপ লেগেছিল। যেহেতু আমি কনফার্ম হয়েই লিখেছিলাম। ছিদ্রান্বষী বলার জন্য লজ্জিত। ক্ষমা করবেন প্লীজ।

জ্বী, আপনি ঠিক বলেছেন। যারা এক্সজিকিউটিভ এম বি এ করেন তারা সবাই পেশাজিবী-তাঁরা হলে থাকেননা। হলে থাকার কথা আমি কোথাও উল্লেখ করিনি।

আপনাকে ধন্যবাদ।

১৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
নকীবুল বারী বলেছেন: টি এস সি ভালো জায়গা, তবে ভীড় বেশী মনে হয়....................এর চেয়ে বুয়েটের ক্যাফে অনেক নিরিবিলি...ভীড় ভাট্টা কম। পরিচিত মুখ বেশি
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: স্টুডেন্ট লাইফের পর থেকে বুয়েট ক্যাফেতে ২/১ বারের বেশী যাওয়া হয়নি। যায়গাটার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ভালোই করেছেন শীঘ্রই একবার হানা দেয়া যাবে ওখানে।

১৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
শেরজা তপন বলেছেন: দারুন পর্যবেক্ষন-
ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ হয়নি-তাই টি এস সির আড্ডা দেখে হিংসে হয়!
খুব ভাল লাগল
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর আমার ব্লগ ঊঠোনে এলেন। প্রীত হলাম। আপনাকে খুব মিস করি।

ভালো থাকুন।

১৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
তাজা কলম বলেছেন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের হৃদয়ে টি.এস.সির অধিস্থান হৃদয়ের গভীরে। বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছি সেই কতো বছর, এখনো টিএসসিতে কাটানো সেই সময়গুলো, মুখর আড্ডা, কবিতা, গান আমাকে স্মৃতিকাতর করে তোলে ।

ধন্যবাদ আপনাকে পোষ্টটির জন্য।+++++

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও।

একদিন সময় করে পরিচিতজনদের জানিয়ে ওখানে আসুন-অনেক্ষন স্মৃতির জাবর কেটে সময় কাটানো যাবে।

১৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: মাঝে মাঝে টিএসসিতে যাওয়া হয়। আগেই বেশি ভালোলাগতো যখন ভার্সিটিতে পড়া শুরু করিনাই। এখন কেন জানি আগের মত আর ভাল্লাগেনা :(

টিএসসির চেয়ে পাশের পার্ক (নাম ভুলে গেছি) আর বৃটিশ কাউন্সিলের রাস্তায় ঘুরাঘুরিই মজার বেশি!
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি-ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় এলাকায় আমারও সব চাইতে প্রিয় জায়গাছিল বৃটিশ কাউন্সিল এলাকা। ওখানেও গিয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে এখন আগের মত অনেক বড় বড় দেব্দারু আর রেইন্ট্রি (গাছ) নেই-তাই বেশ রদ্দুর মনে হলো।

১৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
কালপুরুষ বলেছেন: টিএসসি চত্ত্বর মানেই একঝাঁক তরুণ-তরুণী ও একঝাঁক যুবক-যুবতীর আড্ডা ও মিলন কেন্দ্র। উচ্ছল ও প্রাণবন্তু একটা জায়গার নাম। আজকে বিকালে ওদিকেই থাকবো।

ভাল লাগলো। শুভ কামনা রইলো।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: বাদসা ভাই, আমারো ইচ্ছা আছে-অফিস থেকে ফেরার পথে ছবির হাট হয়ে যাবার.........। আওয়াজ দিয়েন। কিম্বা কল করে অফিসে চলে আসেন। এখন যদি বাসার বাইরে থেকে থাকেন -তাহলে ঝটপট চলে আসুন আমার অফিসে। আজ আমি অনেক নিরিবিলি কাজ করছি......... এখান থেকেই শুরু হবে জম্পেস আড্ডা!

১৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: টিএসসিতে বসে থাকতে ভালো লাগেনা, আশেপাশের রাস্তাগুলোতে ঘুরতেই বেশি ভালো লাগে। হয়তো এটা আমার অস্থির স্বভাবের জন্য!

তবে ওখানকার গতিময়তা দেখতে ভালো লাগে। রিক্সা দিয়ে কোথা্ও যাবার সময় মামুকে বলি টিএসসির সামনে দিয়া যাও :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: আমিও কিন্তু ভীষন রকম অস্থির স্বভাবের মানুষ। একজায়গায় বেশীক্ষণ বসে থাকতে পারিনা-তাই হাটাহাটি করেই বেশী সময় কাটাই.........

১৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: চমৎকার। কাউকে নষ্টালজিক করার জন্য যথেষ্ট। ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ তো পাইনি। তবে অনুভব করতে পারি পুরনো ছাত্রদের অন্তরে টি এস সি আর মধুর ক্যান্টিনের অবস্থান কতোটুকু।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: কামাল ভাই, আমি বেশ কদিন ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলাম-তাইয়াপনার লেখা মিস করেছি। স্বভাবমত আমি একদিন আপনার নিক প্রফাইলের ছবি দেখেই আপনার ব্লগে ঢুকেছি। আপনি হঠাত নিকের ছবি চেঞ্জ করায় আপনাকে চিনতে পারছিলামনা!

ঐতিয্যবাহী মধুর ক্যান্টিনের আড্ডাটা আবার কিছুটা রাজনৈতিক। তাই ওখানে আমাদের গ্রুপটা বেশী আডডা দিতাম্না। আমরা টি এস সি, লাইব্রেরী চত্তর, হাকিম চত্তর আর বৃটিশ কাউন্সিলের সামনেই বেশী আড্ডা দিতাম।

শুভকামনা আপনার জন্য।

২০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
নিশাচর বলেছেন: পিলাচ...............+

বান্দ্রামী করে কে ??

ইমেইল ইনবক্স এ বাঢ়ি মারেন।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: তুমি কি জীবিত আছো? আমার পোস্ট পড়াতো ছেড়েই দিয়েছো!

দেখতাছি.........

২১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
সাইফুর বলেছেন: অনেক সুন্দর বর্ননা
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাইফুর।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

লিঙ্কটা পড়েছি।

২৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
নাঈম বলেছেন: দারুন লিখেছেন ভাইয়া..........
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম।

২৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: নিক এ Son captured the father's sit. তাই চিনতে ভুল হয়েছে আপনার।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: চিনতে আর ভুল হবেনা। ফাদার "দেব শিশু"কে আমার শুভাশীষ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
শ।মসীর বলেছেন: টিএসসি আড্ডার জন্য অনেক চমৎকার একটা যায়গা, যদিও অনেকদিন ব্যস্ততার জন্য যাওয়া হয়না।

আমরা মাঝে মাঝে ফেসবুকে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ব্যাচের পোলাপান এক হয়ে আড্ডা দিই। নিজের ভার্সিটি অনেক দূরে তাই এখানেই যাই।

মনে পড়ে প্রথম যেদিন কার্জন হলের সামনে যায়, এপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবে এমনিতেই ঢুকে পড়ি প্রিয় বন্ধু জামিল সহ, অনেকক্ষন ঘুরে ওকে বলেছিলাম দোস্ত এইখানে পড়তে না পারলে জীবন ই বৃথা। পছন্দের সাবজেক্ট না পাওয়ায় সে ইচ্ছা ত্যাগ করেছিলাম। এখনও ইচ্ছা আছে একবার ঢাবিতে ভর্তি হব যে কোন সাবজেক্টে :)

কপোত কপোতিদের কথা আর কি বলব, সর্বত্রই আজ আমাদের লজ্জাহীনতা।টিএসসি আড্ডার জন্য অনেক চমৎকার একটা যায়গা, যদিও অনেকদিন ব্যস্ততার জন্য যাওয়া হয়না।

আমরা মাঝে মাঝে ফেসবুকে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ব্যাচের পোলাপান এক হয়ে আড্ডা দিই। নিজের ভার্সিটি অনেক দূরে তাই এখানেই যাই।

মনে পড়ে প্রথম যেদিন কার্জন হলের সামনে যায়, এপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবে এমনিতেই ঢুকে পড়ি প্রিয় বন্ধু জামিল সহ, অনেকক্ষন ঘুরে ওকে বলেছিলাম দোস্ত এইখানে পড়তে না পারলে জীবন ই বৃথা। পছন্দের সাবজেক্ট না পাওয়ায় সে ইচ্ছা ত্যাগ করেছিলাম। এখনও ইচ্ছা আছে একবার ঢাবিতে ভর্তি হব যে কোন সাবজেক্টে :)

কপোত কপোতিদের কথা আর কি বলব, সর্বত্রই আজ আমাদের লজ্জাহীনতা।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামসীর।

তুমি প্রতিযোগীতার মাধ্যমে ঢাবি'র এক্সিকিউটিভ এম বি এ প্রগ্রামে কিম্বা ভাষা বিজ্ঞানে এডমিশান নিতে পারো। অন্যদিকে শুধু মাত্র ঢাবি'র ছাত্রত্বের জন্য (যেহেতু এই সাব্জেক্টে পড়ে তোমার পেশাগত কোন উপকার হবেনা)'আদু ভাই' ছাত্র নেতাদের মত লাইব্রেরী সাইন্স'এ এডমিশন নিতে পারো।

২৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
রাজিব শাহরিয়ার বলেছেন: ভালো লাগল।
আসলেই .. বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা মারার চমৎকার জায়গা টি.এস.সি.
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি মনে করি টি এস সি এলাকাটা আড্ডার জন্য "কসমোপলিটান আড্ডা স্থল" বলা যেতে পারে।

২৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: সাড়ে ৪ বছরের সেশন জ্যামসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় ছেড়েছি ১৮ বছরের বেশি আগে। টিএসসি,হাকিমচত্বর,মধুর ক্যান্টিন (আমরা বলতাম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় কক্ষ),ব্রিটিশ কাউন্সিল,নীলক্ষেত,নীরব হোটেল ছিলো আমাদের জীবনাচরণের অংশ,আমাদের প্যাশন ! আপনি আবার মনে করিয়ে দিলেন। অফিস থেকে ফেরার পথে সপ্তাহে ৫দিন বাসায় ফিরি টিএসসির পাশ দিয়ে গত দু'বছর ধরে।
ভালো লাগলো লেখা।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।

জানিনা কী এক অদৃশ্য টানে আমিও বলতেগেলে প্রতি দিন বাড়ি ফিরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর থেকেই। মাঝে মাঝে এখনো ঢাবি লাইব্রেরীর পাশের গ্রীলের ফাঁক দিয়ে একটা পেঁয়াজু আর এক কাপ চা খেয়েই বাড়ি ফিরি.........। ঐ একটি পেঁয়াজু এক কাপ চায়ের মজা তাবত দুনিয়ার সব কিছুর চাইতেই আলাদা!

২৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: পড়ে বার বার ফিরে গেছি সেই সব দিন গুলোতে। এরকম একটি নষ্টালজিয়া পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ।

৩০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৯
আই আনাম বলেছেন: কীভাবে কীভাবে যেন ব্লগে আসা কমে গিয়েছে আমার। আপনার লেখাটি এবং মন্তব্যগুলো পড়ে লগইন না করে আর পারলাম না। আপনার এই লেখাটি আমার মনের আবেগের জায়গাটিতে গিয়ে আঘাত হানল। সত্যিই অসাধারণ লিখেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সত্যেও যেহেতু আমাদেরটা আলাদা ইনস্টিটিউট সেহেতু আমরা অনেকটাই ইনস্টিটিউটের ভেতরে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের শিক্ষকগণ অবশ্য বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করতে। মল চতৃ এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাশে আমাদের আড্ডাটা হয় বেশি। মধুর কেন্টিন আমার কাছে বিপদজনক জায়গা মনে হয়। রাজু ভাস্কর্যের ওখানে নিয়মিত যাওয়া-আসা হয়।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আনাম।

তোমাকে ব্লগে নাদেখে আমি তোমার কন্টাক্ট নাম্বার পেতে চেস্টা করছি...... নম্বর জানিও।

৩১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৬
পারভীন রহমান বলেছেন: গত বছর শেষবার গিয়েছিলাম টি এস সি তে............আপনার লেখায় আবার দেখলাম টি আস সি কে, সারাদিন ছিলেন নাকি ভাইয়া?

ব্লগের আড্ডা করা যায় না ওখানে? ভাল হতো কিন্তু !!
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: হ্যা, বলাযায় সারা দিন ছিলাম।

ব্লগের আড্ডা অর্গানাইজ করার ব্যাপারে রঞ্জু ভাই(ক্যামেরাম্যান) আর কালপুরুষ ভাই পারফেক্ট ম্যান। তাঁদের কাছে তোমার প্রস্তাবটা উপস্থাপন করবো।

৩২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: আমাদের হল থেকে টিএসসির দূরত্ব খুব বেশি নয়; তবুও খুব বেশি যাওয়া হয়নি সেখানে।।। যে কয়েকবার গিয়েছি বেশ ভাল লেগেছিল।।। টিএসসির সঙ্গে সঙ্গে পারিপার্শ্বিক বর্ণনাগুলোও বেশ সুন্দরভাবে উঠে এসেছে; এই ইঠে আসাটাও উপভোগ্য।।।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হিমু।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২২৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই