somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জার্ণী টু চায়নাঃ(হংকং)-২

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জার্ণী টু চায়নাঃ(হংকং)-২

চার বছর পর আবার ড্রাগন এয়ার'এ আমার জার্ণী। ঢাকা হংকং রুটে ৭৯ সন থেকে শুরু করে এই এয়ার লাইন্স বেশ ব্যাবসায়ীক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আমি আগেই জেনেছিলাম ড্রাগন এয়ার'এ বাংলাদেশ বিমানের প্রাক্তন সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন সাঈদ জয়েন করেছেন-যার সাথে আমার অনেকদিনের পরিচয়। কয়েক মাস পুর্বে ড্রাগন এয়ার কর্তিপক্ষ বিভিন্ন কর্পোরেট ব্যবসায়ীদের এবং তাঁদের কর্পোরেট ক্লায়ান্টদের নিয়ে বিজনেস ডেভলপমেন্ট পার্টির আয়োজন করেছিল হোটেল রেডিসনে। ক্যাপ্টেন সাঈদ এবং বাংলাদেশে ড্রাগন এয়ারের জি এস এ লংকা-বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাহাবুবুল আনাম(মাহাবুব আনাম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট)আমন্ত্রনে আমি এবং আমার কোম্পানীর অন্য ২ জন পরিচালক অংশ নিয়ে কর্তিপক্ষের বিভিন্ন আলোচনায় জানতে পারলাম-ড্রাগন এয়ার'র সবকটা উড়োজাহাজ নতুন প্রজন্মের। ইতোমধ্যেই ১৬ টি উড়োজাহাজ নিজস্ব মালিকানায় এবং ১৪ টি লং টার্মস লীজে চালিয়েও শুধুমাত্র প্রফেশনালিজমের কারনে একটা ভালো অবস্থানে চলে এসেছে। ক্যাপ্টেন সাঈদ জানালেন-মার্চ ২০০৯ থেকে ড্রাগন এয়ারের নাম পরিবর্তিত হয়ে ক্যাথে-প্যাসিফিক ড্রাগন এয়ার হবে। কারন মার্চ মাস থেকে ক্যাথে প্যসাসিফিক এয়ার লাইন্স এবং ড্রাগন এয়ার একত্রিভুত হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই হংকং এয়ার ক্যাথে প্যাসিফিক এর সাথে মার্জ করেছে।এই তিনটি এয়ার লাইন্সের সমন্বয়ে ক্যাথে প্যাসেফিক এয়ার লাইন্স পৃথিবীর ৪র্থ বৃহত্তম এয়ার লাইনে পরিনত হবে। এদের মোট এয়ারক্রাপ্টের সংখ্যা যথাক্রমে- ক্যাথে প্যাসেফিক ১৪০ টি, হংকং এয়ার ৫২ টি এবং ড্রাগন এয়ার ৩০ টি= ২২২ টি! বর্তমানে ড্রাগন এয়ারের ঢাকা-হংকং রুটে সপ্তাহে ৫ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করে। একত্রিভুত হবার পর প্রতি দিন ঢাকা-হংকং ক্যাথে-ড্রাগন এয়ারের ফ্লাইট পরিচালিত হবে। বর্তমান বৈশ্বয়ীক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পরেছে এয়ার লাইন্স ব্যাবসাতেও। তাই এখোন অনেক বড় বড় এয়ার লাইন্স খরচ সংকুলান এবং ব্যাবসা টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্নতর ব্যাবস্থা নিতে বাধ্য হচ্ছে।

ড্রাগন এয়ারের মার্কেটিং পলিসি আমার খুব ভালো লেগেছে। ৩/৪ মাস পুর্বে ক্যাপ্টেন সাঈদ ব্যক্তিগত ভাবে ড্রাগন এয়ারের হয়ে আমাকে একটা চিঠি দিয়েছিলেন-এই এয়ার লাইন্সে তাঁর জয়েন করার বিশয়ে এবং আমি সহ আমার কোম্পানীর এবং পরিচিত জনেরা যারা রুটে বিমান ভ্রমন করবেন-তারা যেনো তাঁদের আতিথিয়তা গ্রহন করেন-সেই অনুরোধ জানিয়ে!ক্যাপ্টেন সাঈদের মত অন্যান্য সকল পর্যায়ের অফিসিয়ালগনই অমন করে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ করেন-তাদের সার্ভিস নেবার জন্য। এবারের ড্রাগন এয়ারে ভ্রমন ক্যাপ্টেন সাঈদের সেই সুন্দর চিঠির ফলশ্রুতি। আমার ছেলে উড়োজাহাজের ককপিটে বসে কিছুটা সময় কাটাতে চায়-তা ক্যাপ্টেন সাঈদকে বলেছিলাম। ফ্লাই করার কয়েকদিন পুর্বেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম-যেদিন ক্যাপ্টেন সাঈদ ফ্লাইট পরিচালনা করবেন-সেই দিনই আমার ছেলেকে নিয়ে জার্ণী করব। ক্যাপ্টেন সাঈদ এই এয়ারক্রাফটের পাইলট, তিনি আমার ছেলের ইচ্ছে পুর্ণ করেছিলেন। ককপিট থেকে বেড়িয়ে ক্যাপ্টেন সাঈদ মাঝে মাঝে নিজেই যাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন, যাত্রীদের কথা শুনছেন-যা সকলের প্রশংসা পেয়েছে। ফ্লাইট পরিচালনা টীমের সকলেরই আন্তরিকতা সকল যাত্রীদের মুগ্ধ করেছে।

এই ফ্লাইটের বেশীরভাগ যাত্রী ব্যাবসায়ী। কিছু টুরিস্টও আছেন। আমার সীট পরেছে তিন জনের সারিতে। আমার ছেলের পাশে বসেছেন একজন কুচকুচে কালো কিন্তু অত্যন্ত রুপ সচেতন শ্রীলংকান মহিলা। যার বয়স ষাট উর্ধ। তিনি কতক্ষণ পর পরই তার ব্যাগ থেকে ছোট্ট আয়না বের করে লিপিস্টিক সহ অন্যান্য প্রসাধনী লাগাচ্ছিলেন! সাজিদের সাথে তার বেশ ভাব জমেছে। ওরা বিরামহীন কথা বলে চলছে। জানতে পারলাম-তার নাম কৃপাল ফার্নেডো(শুধু নাম শুনে বোঝার উপায় নেই-নামধারী পুরুষ না মহিলা)। হংকং এ তাদের পারিবারিক রেস্টূরেন্ট ব্যাবসা। তিনি সাজিদের অনেকগুলো ছবি তুলে নিলেন একক এবং যৌথ ভাবে। আমাদেরকে তার নেম কার্ড দিলেন খুব আন্তরিকতার সাথে। এই ফ্লাইটে অনেকজন আফ্রিকা অঞ্চলের যাত্রী। একজন "মিঃ খেমা আবাচা" নামের বিশালদেহী(দেখতে জনাথন সুইপ্টের সেই গালিভার'র মত)নাইজেরিয়ান যাত্রী বেশ কয়েকবার আমার সাথে যেচে কথা বললেন। আমাকে তার বিগ সাইজের ফোল্ডিং নেম কার্ড দিলেন এবং আমার সাথে হ্যান্ড শেক করলেন। আমার হাতে হাত মিলানোর সময় মনে হল আমি কোন মানুষের হাত ধরিনি-যেনো একটা ট্রাকের টায়ার ধরেছি! অমন শক্ত আর মোটা হাত আমি জীবনে দেখিনি। আমি নেম কার্ডে দেখলাম তাতে তার লন্ডন, দুবাই, সিংগাপুর এবং হংকং অফিসের ঠিকানা দেয়া আছে। আমি কি করি, হংকং গিয়ে কোথায় থাকব-ইত্যাদি জানতে চাইলেন মিঃ খেমা। আমি কৌশলে তার বেশ কিছু অপ্রসাংগীক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছিলাম।

আমি অনেকগুলো কারনে নাইজেরিয়ানদের অপছন্দ করি। '৯৮ সনে হজ্বের সময় দেখেছি ওরা দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করে। তবে দলবদ্ধ হয়ে চলার সময় ওরা হেটে যায়না, কিছুটা দৌড়ে চলে। চলার সময় দুই হাত আড়াআড়ি ভাবে বুকের কাছে ছড়িয়ে দিয়ে বিশেষ একটা স্টাইলে দুলে দুলে এবং গন্ডারের মত খুব দ্রুত "ভোশ! ভোশ!!" করে একধরনের শব্ধ করে। অনেকটা রাশান, প্রাক্তন পুর্ব জার্মানী, পোল্যান্ডের সৈন্যদের মত মুভিং প্যারেড স্টাইলে চলে। আমিসহ আরো কয়েকজন ওদের কনুইর গুতোয় মাটিতে পরে যাই, তখন আমাদেরকে পায়ে মাড়িয়েই ঐ নাইজেরিয়ানগুলো ভোশ! ভোশ!! শব্ধ করে চলে গিয়েছিল!

সারে তিন ঘন্টায় আমরা পৌছে যাই হংকং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট(HKIA)। HKIA অত্যাধুনিক এবং বিশ্বের মাত্র কয়েকটা অত্যাধুনিক এয়ারপোর্টের সমতুল্য করে পুণঃনির্মান করে ১৯৯৮ সালে উদ্ববোধন করা হয়। পুর্বে এই এয়ারপোর্টের নাম ছিল কাই টাক এয়ারপোর্ট। এই এয়ারপোর্ট সমগ্র চীন, পুর্ব এশিয়া এবং দক্ষিন পুর্ব এশিয়ার মেইন গেটওয়ে বললে ভুল হবেনা। এই এয়ারপোর্ট প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে এ পর্যন্ত তিন বার সারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সার্ভিস এয়ারপোর্ট হবার গৌরব লাভ করেছে। HKIA বিশ্বের অন্যতম ব্যাস্ততম এবং ২য় বৃহততম বিজনেস এয়ারপোর্ট। সন্দেহজনক কারনে বাংলাদেশী সবুজ পাসপোর্টধারীদের মোটামুটি হয়রাণীর শিকার হতে হয় এখানকার ইমিগ্রেশনে। আমার পাশেই লাইনে দাড়িয়েছেন মিঃ খেমা আবাচা। তিনি জান্তে চাইলেন-আমি কোথায় থাকবো? তাঁর জন্য অপেক্ষমান গাড়িতে লিফট নেবো কিনা? আমি ধন্যবাদ জানিয়ে বললাম-আমার জন্য গাড়ি অপেক্ষা করছে।

জানুয়ারী মাসে হংকং'র আবহাওয়া আমাদের দেশের জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী মাসের চাইতে কিছুটা বেশী ঠান্ডা। অর্থাৎ ১১-১৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আজ তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। চমতকার আবহাওয়া। আমাদের জন্য এয়ারপোর্টের বাইরে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছিল আমার মাদার বিজনেস কোম্পানীর হংকং অফিসের পক্ষে মিজ সুকসুক।পুরো নাম সুখসুখ সাতুরিয়া। সুকসুক থাই নাগরিক-যার সাথে হংকং'এ লাস্ট ৪ বছর আগেও কয়েকবার দেখা হয়েছে। ওদের পরিবার সম্পর্কেও অল্প বিস্তর জানা হয়েছিল। আমার এখনো মনে আছে-সুকসুকের পিতার নাম সুরাসাক সাতুরিয়া। ওর আরেকজন বোনের নাম পইপই। এই ৪ বছরে সুকসুক অনেক মুটিয়ে গিয়েছে এবং অত্যাধিক চুরুট পানে এবড়োথেবড়ো বড় বড় দাঁতগুলো আধা পাকা জাম রঙ হয়ে গিয়েছে। আগের মত সেই চঞ্চলতাও এখোন আর নেই। এয়ারপোর্ট থেকে হংকং সিটির দুরত্ব ৩১ কিলোমিটার। মিজ সুকসুক আমাদের নিয়ে সোজা চলে যায় আমাদের জন্য নির্দিস্ট হোটেলে।

(আপডেটঃ আমি আগেই লিখেছিলাম-এই ভ্রমন সিরিজ গত বছরের লেখা।বর্তমানে হংকং এয়ার লাইন্স, ড্রাগন এয়ার এবং ক্যাথে পায়সিফিক এয়ার লাইন্স এক্ত্রিভুত হয়েগিয়েছে। এখন সপ্তাহের প্রতি দিনই ঢাকা-হংকং ফ্লাইট আছে। এছারাও ওরা ঢাকা-কাঠমুন্ডু ফ্লাইট চালু করেছে সপ্তাহে ৫ দিন।)

পরের কিস্তির জন্য অপেক্ষা করুনঃ
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৪ সকাল ৯:৫৭
৩৩টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×