আমার প্রিয় পোস্ট

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জ্যামময় এই নগরী!

২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0

জ্যামময় এই নগরী

ঘটনা - ১

মোয়াজ্জেম সাহেব একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করেন। উত্তরা তিন নম্বর সেক্টর থেকে পল্টন-প্রতিদিন এই পথে যাতায়াত করেই অফিস করতে হয় মোয়াজ্জেম সাহেবকে। দুরত্ব সর্বসাকুল্যে ২১ থেকে ২২ কিলোমিটার সেই পথটুকু পড়ি দিতেই রোজ দেড় থেকে দু’ঘন্টা সময় হাতে রেখে বাড়ি থেকে বেরুতে হয় তাকে। তার উপর বর্ষার দিনে বাড়তি ঝামেলা তো আছেই। পথের নানা জায়গায় যখন বৃষ্টির পানি জমে তখন অফিসে আসাটা রীতিমতো দূর্ভোগে পরিণত হয়। এছাড়া দূরের পথ হওয়া স্বত্বেও সিএনজি চালকদের বাড়তি ভাড়া দাবী করা, কিংবা সিটিং বাসে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করার মতো অভিজ্ঞতা তো আছেই। মোয়াজ্জেম সাহেব জানান, আগে সরকারী ছুটির দিন কিংবা শুক্র-শনিবারে রাস্তার যানজট পরিস্থিতি কিছুটা ভাল থাকলেও ইদানিং ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এই দিনগুলোতেও।

ঘটনা - ২

একই কোম্পানীর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মামুন সাহেব। বনশ্রী প্রজেক্ট থেকে কর্মস্থল পৌঁছুতে রোজই যানজটের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। বিশেষ করে মৌচাক-মালিবাগ-কাকরাইল-বিজয়নগর থেকে পল্টন সিগন্যাল অবদি প্রতিদিনই দীর্ঘ জ্যামে আটকে থাকতে হয় তাকে। মামুন সাহেব জানান, এই জ্যামের চিত্রটি এতোটাই বিচিত্র যে কোনদিন কখন বাসা থেকে বেরুলে কখন অফিসে পৌঁছুনো যাবে এটি আগে থেকে অনুমান করাটা একেবারেই অসম্ভব। বিশেষ করে মৌচাক-মালিবাগে দীর্ঘ সময় গাড়ি আটকে থাকা এবং অত্যন্ত কম সময়ের জন্য সিগন্যাল ছাড়ার মতো কারণে তাকে প্রায়ই আগে বাসা থেকে বেরিয়েও দেরীতে অফিসে পৌঁছুতে হয় বলে প্রায় দিনই ই ডি সাহেবের ঝাড়ি খেতে হয়। তার আশঙ্কা, এই জ্যামের কারণ যেমন তার কাছে অজ্ঞাত তেমনি দিনের পর দিন অবস্থার উন্নতির পরিবর্তে ধারাবাহিক অবণতিও এই শহরের বাসিন্দাদের জন্য ভীতিকর।

তিলোত্তমা এই ঢাকা নগরীতে যাদেরকে প্রতিদিনই কোনো না কোনো কাজে বেরুতে হয় উপরের ঘটনাগুলো তাদের জন্য বাস্তবের চাইতেও অনেক বেশী রূঢ়। তবে অজানা কারণে সমাধান না হওয়া এই জানা সমস্যাটির শিকার হয়ে রোজই যাদের পথে নামতে হচ্ছে- তাদের দুর্ভোগ আর দুর্দশার যেন কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে গত বছর থেকে ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থা যেভাবে স্থবির হয়ে পড়ছে তাতে করে সহসাই আশাবাদী হবার মতো কোনো সুখবরও কানে আসছে না নগরবাসীর। এক্ষেত্রে নানা সময়ে ঢাকা শহরের যানজটের নানাবিধ কারণের কথা বলা হলেও এগুলোর স্থায়ী সমাধান বা কার্যকর কোনো বিকল্প খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন রাস্তায় পরিবহন জট কমানোর জন্য যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেগুলো আদৌ সাফল্যের মুখ দেখেনি। আর এসবকিছু মিলিয়ে ক্রমেই আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে শহর ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ঢাকা সিটির পরিকল্পনায় গেল ক’ বছরে যে পরিমাণ সড়ক পথ বেড়েছে তার চাইতে বহুগুনে বেড়েছে এইসব সড়ক ব্যবহার করা যানবাহনের সংখ্যা। ফলে প্রতিটি রাস্তাতে ট্র্যাফিক জ্যাম এখন নিত্য নৈমত্তিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে দেখা যায়, বর্তমানে ঢাকা শহরের যানজটের জন্য অধিকাংশ মানুষই দায়ী করেছেন অপরিকল্পিতভাবে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, অ-যান্ত্রিক যানবাহন, সড়কের সংখ্যা ও পরিমাণ বৃদ্ধি না পাওয়া এবং ক্ষেত্রবিশেষে রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং এর মতো বিষয়গুলোকে। নানা সময়ে বেশ কিছু সড়ক থেকে রিক্সার মতো অযান্ত্রিক যানবাহন উঠিয়ে নেয়া হলেও এর সুফল ভোগ করতে পারেনি সাধারণ মানুষ। আর এর পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যক্তিমালিকানাধীন গাড়ি ও সিএনজি’র মতো বাহনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। একটি গাড়ি সিএনজি’তে রূপান্তরিত করবার পর সেটির পরিচলন ব্যয় হাতের নাগালে চলে আসে বলে বর্তমানে ঢাকার সড়কে গাড়ির সংখ্যা অতীতের যেকোনো সময়ের চাইতেই অনেক বেশি। এছাড়া ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি কিংবা ঢাকায় চলাচল করা সিএনজিগুলোর জন্য আলাদা কোনো রুট নেই বলে এসব গাড়ি কিংবা সিএনজি চলতে পারে পুরো শহর জুড়ে। আবার একটি প্রাইভেট গাড়ি কিংবা সিএনজি একটি সড়কের যতোটা স্থান দখল করে সেই তুলনায় এদের যাত্রী পরিবহনের ক্ষমতা কম। অথচ একটি বাসে একসাথে অনেক মানুষ পরিবহনের সুযোগ গ্রহণ করতে পারলেও ঢাকা শহরের মোট জনসংখ্যার তুলনায় তা এখনো অপ্রতুল। এছাড়া বিভিন্ন সড়কে চলাচল করা লোকাল ও কাউন্টার বাস সার্ভিসগুলোর সেবার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো স্বতন্ত্র ব্যবস্থা না থাকার কারণেও স্বচ্ছল মানুষেরা এইসব পরিবহন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

বর্তমানে ঢাকা শহরে যে প্রধান প্রধান সড়কগুলোর উপর মানুষ নির্ভরশীল সেগুলোর দু’পাশেই এমনভাবে আবাসন কিংবা অফিস আদালত গড়ে উঠেছে যে এসব রাস্তার পরিধি বাড়ানো প্রায় অসম্ভব। অন্যদিকে নতুন রাস্তা করার জন্য খুব বেশি ভূমিও এই নগরে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে গেল ক’বছরে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থায় যে কয়টি নতুন সড়ক যুক্ত হয়েছে সেগুলো এলাকা বিশেষে যানজট নিরসনে কিছুটা ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বর্তমানে একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি নতুন সড়ক নির্মাণের কাজও চলছে। এসব সড়ক একসাথে চালু হলে ঢাকার যানজট কিছুটা কমবার সম্ভাবনা যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে নতুন কিছু শঙ্কাও। প্রথমত, প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট এর পাশাপাশি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এর সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে বাড়ানো না গেলে কোটি মানুষের বাসস্থান এই ঢাকায় যানজট কখনোই পুরোপুরি দূর করা যাবে না। বরং যানজটের স্থানটাই শুধু পাল্টাবে। দ্বিতীয়ত, সমন্বিত পরিকল্পনার বাইরে জলাশয় বা নিচুভূমি ভরাট করে নতুন রাস্তা নির্মাণ করলে সেটি বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার পরিমাণ আরো বাড়িয়ে তুলবে। ফলে জনমানুষের ভোগান্তিও বাড়বে।

ঢাকা শহরের যানজট নিয়ন্ত্রনে এর অবকাঠামো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার দিকে নজর দেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও নানাসময়ে বলে এসেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বাস্তবে আমাদের দেশে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং সিস্টেমের কার্যকর প্রয়োগ এখন দশভাগও গড়ে ওঠেনি। নানা স্থানে ট্রাফিক পুলিশের প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবও ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। এছাড়া আবাসিক এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, শহর ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ না হওয়া এবং অফিস এলাকায় যথেচ্ছ পার্কিং এর মতো সমস্যাগুলোও সার্বিকভাবে দূর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাবার জন্য বিকল্প পথ বা ফ্লাইওভার নির্মাণ করা যেমন জরুরী তেমনি ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজন রয়েছে নাগরিকদের সচেতনতাও। বিশেষ করে গাড়ি পার্কিং এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে নাগরিকদের যথাযথ ভূমিকা পালন যানজটের বিশাল সমস্যাটিকে সামান্য পরিমাণে হলেও কমাতে পারে।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:২৮
রুচি বলেছেন: অতি বাস্তব অভিজ্ঞতা। জ্যামের মত বিরক্তিকর কিছু আর হতে পারে না।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: একমত। জ্যাম কতটা বিরক্তিকর-তা ভুক্তভোগীরাই জানেন!

২. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪১
রাগিব বলেছেন: ঢাকায় বাস দিয়ে আসলে যাতায়াত সমস্যা দূর করা যাবে না। কার স্বার্থে রেল ব্যবস্থাকে অচল করে রাখা আছে কে জানে, অথচ বনানী, বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চালু করাটা অনেক কম খরচে করা সম্ভব। কোথায় যেন পড়েছিলাম, বাস মালিকদের চাপে পড়েই কম্যুটার রেল এর উন্নয়ন বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: রাগিব, তোমার সাথে আমার সামান্য একটু অমিল আছে-তা হচ্ছে, পরিকাঠামোগত কারনেই ঢাকা শহরে গণপরিবহনের জন্য বড় বাসের বিকল্প 'আপাতত' নেই।

অবশ্যই রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যাবশকীয়। যান যট সমস্যার সহজ সমাধানের জন্য টংগী থেকে কমলাপুর পর্যন্ত কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস অপরিহার্য্য। বাস মালিকদের চাপের কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস উন্নয়ন পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে। বর্তমান নৌ পরিবহন মন্ত্রী নিজেই একজন পরিবহন ব্যবসায়ী এবং প্রাক্তন প্রখ্যাত মাস্তান চাঁদাবাজ। উনার নেতৃত্বেই আন্দোলন হয়েছিল-ঢাকা শহর কমুটার ট্রেন সার্ভিস পরিকল্পনার বিরুদ্ধে।

২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: সাথে জেলী হলেই সুবিধা হতো!

৪. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
নাইট গার্ড বলেছেন: ঢাকা সিটির নাগরিক যন্ত্রনার একটা বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
জ্বীন বলেছেন: খুবই সময়পোযগি লেখা ।
যানজটে আমাদের কত সময় যে কেড়ে নিচ্ছে,, তার হিসাব নাই। আপনার পর্যবেক্ষণ খুবই বাস্তব ভিত্তিক ।

আন্ডার গ্রাউন্ড/ মেট্রো রেল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চালু করা প্রয়োজন ।

আপাতত সিটি ট্রেন চালু করা যেতে পারে । মানে রেলপথ ব্যবহার করে টঙ্গী, নারায়নগঞ্জ, মিরপুর, সাভার থেকে ঢাকা শহরে পৌছানের মত ব্যবস্থা করা যায় এখনই ।
যে পয়েন্টগুলতে রেলক্রসিং আছে সেখানে শর্ট ওভার ব্রিজ দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে ।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: আমরা সব ক্ষমতাসীন সরকারের মুখে "পাতাল রেল", "মনো রেল", উড়াল রেল"-ইত্যাসি চমকপ্রদ নাম শুনতে শুনতে কান পঁচিয়ে ফেলেছি। ঐগুলো নিতান্তই সাধারন পাব্লিকদের বিভ্রান্ত এবং চমক সৃস্টির জন্য বলা হয়েথাকে! বাস্তব অনেক ভিন্ন! অবকাঠামোগত কারন এবং বিপুল অর্থনৈতিক ব্যয় বহুল হবার কারনেই ওসব আমাদের দেশে অদুর ভবিষ্যতেই নয়-সুদুর ভবিষ্যতেও সম্ভব হবেনা। তবে টঙ্গী, নারায়নগঞ্জ, মিরপুর, সাভার থেকে ঢাকা শহরে সিটি ট্রেন সারভিস অল্প সময়েই চালু করা সম্ভব।

৬. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৭
মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: সব গাড়ি (বাস/প্রাইভেটকার) উঠায়ে দিয়া সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে সাইকেল বা মটারবাইক ব্যাবহার করতে হবে..........। আর এগুলা অনেক সহজ লভ্য বা লাইসেন্স টাইসেন্সের কোন ভ্যাজাল থাকবেনা...........তাইলে দেখবেন যানজট বলতে কোন জিনিষ এ শহরে থাকবেনা......।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার ধারনাটা নিছকই আবেগ নির্ভর। বাস/প্রাইভেট কার সম্পুর্ণ উঠিয়ে দেয়া সম্ভব নয়-তবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং অপরিহার্য্য। সাইকেল/বাইক অত্যন্ত ভাল বাহন। কিন্তু ঐ ধরনের যান মাত্র ১/২ জনের জন্য-পরিবারের জন্য নয়। দেখে অবাক হয়েছি-মোটর সাইকেল আর বাই সাইকেলেও ট্রাফিক জ্যাম লাগে ভিয়েত নাম, বেজিং সিটিতে!

৭. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫১
চেম্বার জজ বলেছেন: পুরো লেখাটাই ঢাকা শহরের দৈনন্দিন চিত্র ফুটে ঊঠেছে। আমার ধারনা, ঢাকা সিটির যানজটের মুল কারন লক্ষ লক্ষ রিকশা এবং প্রাইভেট কার। রিকশা সম্পুর্ণ বন্ধ করে দেয়া উচিত। জীপ, প্রাইভেট কারে বশেষ করে ছোট যানবাহন নিরুতসাহিত করার জন্য জীপ, প্রাইভেট কার আমদানীতে আমদানী ট্যাক্স আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়া এবং সি এন জি গ্যাসের মুল্য কমপক্ষে দ্বিগুণ করা উচিত।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে সম্পুর্ণ একমত। তবে রিকশা তুলে দেবার পুর্বে রিকশা চালকদের জন্য বিকল্প কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকা শহরে কম পক্ষে দশ লক্ষ রিকশা চালক আছে!

জীপ, প্রাইভেট কারে বিশেষ করে ছোট যানবাহন নিরুতসাহিত করার জন্য জীপ, প্রাইভেট কার আমদানীতে আমদানী ট্যাক্স আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়া এবং সি এন জি গ্যাসের মুল্য কমপক্ষে দ্বিগুণ করা উচিত।

৮. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫২
মিজানুর রহমান বলেছেন: আন্ডার গ্রাউন্ড রেল এর চেয়ে লোকাল ট্রেন জয়দেবপুর টু নারায়গন্জ চালু করা জরুরী, কিন্তু কোন রাজনৈতিক সরকার এটা করবে না, কারন বাস মালিক সমিতির লোকেরা তো কোনো না কোনো দলের।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: যানযট বিষয়ে আপনার চমতকার ধারনার সাথে একমত পোষন করছি।

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০২
আমি বীরবল বলেছেন: কী বাস্তবতা তুলে ধরলেন! কাল ছুটির দিনেও যে জ্যাম দেখেছি-তাতে মনে হচ্ছিল-ঢাকা শহর শুধুই রিকশাময়! মগ বাজার মোড়েই ঠায় দাড়িয়েছিলাম মাত্র আড়াই ঘন্টা!!!
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: কাল আমিও টের পেয়েছি-জ্যাম কী জিনিষ! আমি পল্টন থেকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোড যাবার জন্য স্টার্ট করি-তিন ঘন্টায় আমি বাড়ি পৌঁছি! অথচ, কাল ছুটির দিন ছিল।

১০. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০২
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: যানজট বা জ্যাম এটা বিশেষ করে ঢাকা শহরের জন্য প্রথম এবং প্রধানতম সমস্যা। তবে এর সমাধান কল্পে নাই কোন ব্যবস্হা বা পরিকল্পনা। এই সমস্যা আমাদের একদিনের কোন সমস্যা নয়। এটা বহুদিন ধরে চলে আসছে কিন্তু নগর পরিকল্পনাবীদরা যে পরিকল্পনা করেন সেটা অনেকটা মাথা ব্যাথার কারনে পা কেটে ফেলার মতই। সবাই ব্যস্ত থাকে নিজের আখের গুছানোর জন্যে। আর পরিকল্পনাও হয় সাময়িক সময়ের জন্যে যা পরবর্তীতে আর প্রকট হয়ে দেখা দেয়।

এছাড়া অব্যবস্হাপনাও আরেকটি প্রধান সমস্যা। যত্রতত্র পার্কিং এবং একটু পর পরই রাস্তা ক্রসিং, ইউটার্ন যা জটকে আরো প্রকট করে তুলে। আমার মতে একটু পর পর ক্রসিং, ইউটার্ন আর অব্যবস্হাপনাকে যদি আয়ত্বে আনা যায় তবে কিছুটা হলেও যানজট কমে আসতে পারে।

এই দেশে দিন দিন আইন না মানাই যেন একটা আইনে পরিনত হয়েছে এবং হচ্ছে। সিগনাল কেউ মানেনা, রাস্তা পারাপারে কেউ নিয়মনীতি মানছে না। পুলিশের নাকের ডগায় গাড়ি পার্কিং করছে অথচ পুলিশ কিছুই বলছেনা। সিএনজি, ট্যাক্সি তাদের মনের মত টিপ নেওয়ার জন্যে বহু সময় ধরে রাস্তায় অপরিকল্পিত ভাবে যত্রতত্র দাড়িয়ে থাকছে যা কিছুটা হলেও রাস্তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে।

বলতে গেলে বলার কোন শেষ নাই। এই দেশ সব সম্ভবের দেশ হলেও সুপরিকল্পনা, সুব্যবস্হাপনা, সুশাসন কি আদো সম্ভব?


গভীর সংকট আর জাতির প্রধানতম ভোগান্তি নিয়ে আপনার সময়পযোগী পোষ্টটির জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধণ্যবাদ ভাইয়া।

ভাল থাকবেন।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: খুব বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্মত মন্তব্য।

নগর পরিকল্পনাবীদরা যে পরিকল্পনা করেন তার সীমাবদ্ধতা আমাদের মেনে নিতেই হবে-কারন, অবকাঠামোগত কারনেই রাস্তা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছেনা এবং হবেওনা।

অব্যবস্হাপনা অন্যতম প্রধান সমস্যা। ব্যবস্থাপনার উন্নয়ণ তথা যত্রতত্র পার্কিং, একটু পর পরই রাস্তা ক্রসিং, ইউটার্ন যদি নিয়ন্ত্রণ করা যায় তবে যানজট অনেকটাই কমে আসবে।

যানযট নিয়ে আমি কয়েকটি পর্ব লিখতে চাই.........

১১. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০৮
মিলটন বলেছেন: আমার মতে কোন কিছু দিয়েই এর উন্নতী সম্ভব না। আমি একটা বিস্ফোরনের জন্য অপেক্ষা করছি। সেটা হতে পারে, জনগনের বিস্ফোরন, হতে পারে কোন দুর্ঘটনা, হতে পারে মানবিক বোধের বিস্ফোরন।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: হ্যা, সেই বিস্ফোরনটা হবেই "ম্যালথাসিয়ান থিউরী" অনুযায়ী। তবে প্রাকৃতিক বিস্ফোরনের চাইতে জনগনের বিস্ফোরনের সম্ভাবনাই খুব বেশী পরিলক্ষিত হচ্ছে......। হোক বিস্ফোরন, সব ধংশ হয়ে যাক-তারপর সেই ধংশস্তুপের মাঝে গড়ে উঠূক সুন্দর এক বাংলাদেশ। যা আমরা রেখে যেতে চাই আগামী প্রজন্মের জন্য।

১২. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৯
জুন বলেছেন: না পড়েই প্লাস দিয়েছি এবার পড়ে মন্তব্য লিখছি জুলভার্ন।
আপনি ঢাকাবাসীর এক নিত্যনৈমিত্যিক অপরিসীম ভোগান্তীর কথা তুলে এনেছেন অত্যন্ত সাবলীল ভাষায়।
রাজধানী এখন বিকেন্দ্রিকরন করা উচিৎ যাতে আমরা ঢাকার অধিবাসীরা নিশ্বাস নিতে পারি।
কাল নিউমার্কেট গিয়ে মানুষের ধাক্কায় একটা চশমার দোকান খালি দেখে ওখানে ঢুকে পড়লাম।তারপর বিনা প্রয়োজনে একটা সান গ্লাস কিনে বাসায় ফিরে আসলাম ৫ মিনিটের পথ ২ ঘন্টায়।কি যেন কিনতে গিয়েছিলাম তা মনে পড়লো বাসায় এসে।
পাবলিক ট্রান্সপোর্ট নেই বলেই মানুষ প্রাইভেট কার চড়ে ।আগে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ব্যাবস্হা হোক অন্যান্য দেশের মত তারপর প্রাইভেট কার উঠিয়ে দিক কোনো আপত্তি নেই।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: গত কাল বিকেল তিনটা থেকে সন্ধে পর্যন্ত শাহাবাগ, এলিফেন্ট রোড, নিউ মার্কেট, কলাবাগান পর্যন্ত কী দুঃসহ যানযট, মানবযট হয়েছিল-আমিও তার প্রত্যক্ষদর্শী এবং অবশ্যই ভুক্তভোগী ছিলাম। কাল আমার ড্রাভারের ছুটির দিন থাকায় আমিই ড্রাইভ করছিলাম। মতস্য ভবন থেকে দীর্ঘ যানযট পেরিয়ে আমি দীর্ঘ দুই ঘন্টাইয় পৌঁছি শাহাবাগ- কাটাবন...... শেষ পর্যন্ত এলিফেন্ট রোডে নিথর হয়ে বসে থাকি...। কিছুটা অসুস্থ্য হয়ে আমার বড়ছেলেকে ফোন করি। ছেলে মোটর সাইকেলে অলিগলি পেরিয়ে বাটার মোড়ে আসে। ওকে গাড়ি দিয়ে আমি মোটর সাইকেলে চেপে সন্ধায় বাড়ি পৌছি......

প্রাইভেট কার কারো আইন করে উঠিয়ে দেবার দরকার হবেনা-যা পরিস্থিতি-তাতে প্রাইভেট কারের মালিকেরাই ঐ বাহনটি গ্যারাজে চিরদিনের জন্য রেখে দিতে বাধ্য হবেন-সেই দিন খুব বেশী দূরে নয়!

১৩. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩১
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে যা আসে, এই আজাব থেকে বাঁচতে হলেঃ
১. বেশির ভাগ সরকারি অফিস আদালত শহরের বাইরে নিয়ে আসতে হবে।
২. ঢাকা শহরের আশে পাশে আরো তিন চারটি উপশহর গড়ে তুলতে হবে।
৩. নগরীর রাস্তা গুলো কে দীর্ঘমেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিতে হবে।

এই কাজ গুলো সরকার চাইলে অবশ্যই হাতে নিতে পারে। তবে আজীবন ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রচেষ্ট সরকারের এসব কথা মাথায় নেয়ার জো নেই।

ও বলতে ভুলে গেছিঃ অন্য আরো দু'টি পথ ও বাতলিয়ে দেয়া যেতে পারে।

১. স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ শক্তির মারপিট লাগিয়ে দিয়ে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা অর্ধেকে নিয়ে আসার ব্যাবস্তা করা যেতে পারে।
২. Quanatum Transportation আবিস্কৃত হলে শহরের প্রতিটি ঘরে একটি করে ইউনিট বসানো যেতে পারে।

অঃটঃ কেমন আছেন ইদানিং?
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: ঢাকা শহরে স্থায়ী ভাবে বসবাস কারী এবং অস্থায়ী ভাবে আগত মানুষের ভীড় কমাতে বিচার ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরন, প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরন অতি দ্রুতারসাথে সম্পন্ন করা উচিত। ভাবতে পারেন-সুদুর পঞ্চগড়, তেতুলিয়া, টেকনাফ, মনপুরা, ভোলা, পাথরঘাটা থেকে একটা মানুষের ঢাকা সতে হয় হাইকোর্টে মামলার কাজে! বিচার ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরন করা হলে -সেই মানুষগুলোকে ঢাকা আসতে হবেনা। বিভিন্ন অফিস জেলা/বিভাগীয় শহরে সরিয়ে নিলেও ঢাকা শহরের উপড় চাপ কমবে।

আপনার মন্তব্যের ২য় পর্বে যথার্থ বলেছেন-কাজেই আর কোনো মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!

আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

নতুন লেখা নাই কেনো?

১৪. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
সুরঞ্জনা বলেছেন: আমি ঢাকা গেলে এই জ্যামের ভয়েই বাইরে যেতে চাইনা। কি ভয়াবহ অবস্থা!!!
জেলা শহরগুলোও এখন একই দশা।
প্রাইভেট কার কারো আইন করে উঠিয়ে দেবার দরকার হবেনা-যা পরিস্থিতি-তাতে প্রাইভেট কারের মালিকেরাই ঐ বাহনটি গ্যারাজে চিরদিনের জন্য রেখে দিতে বাধ্য হবেন-সেই দিন খুব বেশী দূরে নয়!
আপনার উপরুক্ত কথার সাথে আমি একমত। অনেক গুরুত্বপুর্ন পোস্ট। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ঢাকার বাইরেও ট্রাফিক জ্যাম মোটেই কমনা! আমি মাঝে মাঝে ঢাকার বাইরে যাই-চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, মৌলভীবাজারেও যাই। ঐসব শহরেও অসহনীয় যানযট লক্ষ করেছি।

১৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: দেশ যত এগিয়ে যাবে ততই মানুষের সম্পদ বাড়বে। রাস্তায় বাড়বে যানবাহনের সংখ্যা। যানবাহনের সংখ্যা বাড়াকে উন্নয়নের সূচক ভাবতে সমস্যা কোথায় বুঝি না।
তবে বলতে পারেন, আমাদের দেশে সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোন দূরদর্শী পরিকল্পনা নেই। আজ থেকে ১০ বছর আগেও সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ এবং নগর পরিকল্পনাবিদরা ঠিকই জানত ২০১০ সালে কি পরিমান যানবাহন রাস্তায় চলবে। কিন্তু সে সময় ভবিষ্যতকে সামনে রেখে কোন পরিকল্পনা করা হয় নি। যেমন আজও পরিকল্পনা হয়নি আগামী ১০ বছর পর ঢাকায় চলতে হলে কি পরিমান ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দরকার। কিভাবে ঢাকা শহরের বিকেন্দ্রীকরণ করা যায় সেই চিন্তাও নাই। খালি ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি আর বুলি কপচানো এবং সেটা নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুড়ি যাতে শুকনো মল ঘেটে আরও গন্ধ বের করা যায়।
ঢাকায় এত যে সমস্যা তারপরও ঢাকার জনসংখ্যা কি কমছে, বরং দিনকে দিন বাড়ছে।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: দেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সত্যি সত্যি এগিয়ে নাগেলেও ক্ষমতার দ্বাম্ভিকতা, চাপাবাজী, কুতসা রটনা, প্রতিশোধ পরায়নতা, খূন, ধর্ষন, ছিনাতাই, গুপ্ত হত্যা, আইনের শাসনের অপব্যবহার, দুর্ণীতি উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পেয়েই যাচ্ছে-এটাকে অবশ্যই "উন্নয়ন"নের খাতায় যোগ করতে হবে।

যেখানে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর মুখ থুবরে পরে আছে তথা জন সংখ্যা নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম সম্পুর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে আছে সেক্ষত্রে -জন সংখ্যা বাড়বেনাতো কমবে?

১৬. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২৮
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: ঢাকাকে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু করায় এ সমস্যা। বানিজ্যের বিষয়গুলো চট্টগ্রাম আর খুলনায় নেয়া যায়। পুতাজায়ার মতো ছোট শহর করে প্রশাসনিক বিষয়গুলো দূরে নেয়া যায়। চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রী করণ দরকার। মানসম্পন্ন শিক্ষার বিকেন্দ্রীকরণ দরকার। সংস্কৃতিরও বিকেন্দ্রীকরন দরকার। টিভি চ্যানেল ঢাকার বাইরে হতে সমস্যা কী। ঢাকার বাইরেও তারার মেলা বসুক। ঢাকার বাইরের পত্রিকার জাতীয় প্রচার সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া যায়। রেল ট্র্যাক ব্যবহার করে ভালো সমাধান সম্ভব। দ্রুত রেল ক্রসিংগুলোতে ওভারপাস করা দরকার। মাটির নীচে আমাদের জন্য সুবিধা হবে না। ওপর দিয়ে লাইট রেল চালুর ব্যবস্থা নেয়া যায়। মনো রেল বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে মনো রেল কাজে আসবে না।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: বাস্তব সম্মত চমতকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ কামাল ভাই। মালেশিয়ায় (স্পেশালী পুত্রাযায়ায়) প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরন একটা যথার্থ শিক্ষনীয় উদাহরন হতে পারে আমাদের দেশের জন্য।

যানযট নিরসনে উদাহরন হতে পারে বেজিং, সাংহাই, হংকং, ব্যাংকক, কোলকাতা। ঐ সব দেশের এডভাইস নিয়ে কমিশন বানিজ্যের লোভ সাম্লিয়ে কাজ করতে পারলে ঢাকা শহরের যানযটও কমানো সম্ভব।

১৭. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
রাজীব বলেছেন: যেখানে সেখানে পার্কিং ও ট্রাফিক আইন না মানা একটি বড় সমস্যা এটি নিয়ন্ত্রন করতে পারলে হয়ত কিছুটা উন্নতি হতো। সব মার্কেট ও বাসস্টান্ডর সামনে এলোমেলো ভাবে গাড়ির ভিড় দেখা যায় যেটি যানজট বাড়িয়ে দেয়।

রেলওয়েকে ভালোভাবে ব্যবহার করলে যানজট কিছুটা কমতো বলে মনে করি।

(সবচেয়ে বড় ও সর্বোপ্রথম এর ফাদে!!!!!
Click This Link

পাতালরেল, আকাশরেল ও আমরা
Click This Link
)



উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে দেড়-দুই ঘন্টা না আড়াই-তিন ঘন্টা লাগে। মাঝে মাঝে বাসে বসে বসে মনে হয় আত্মহত্যা করলে হয়ত এই যন্ত্রনা থেকে রেহাই পাওয়া যেত। (বুঝুন কতটা হতাশ হলে এমন হতে পারে)

আপনি ঈ রোজার মাসে গাড়ি নিয়ে বেড়োনোর সাহস করেছেন??? :|| :|| :||

গাড়ি চালানো আমার প্রিয় শখগুলোর একটি তারপরও জ্যামের ভয়ে গত এক বছর গাড়ি নিয়ে শহরের রাস্তায় বের হইনি।


মনে মনে ভাবে কবে যে ঢাকা ছেড়ে যেতে পারবো!!!


২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: যানযট নিরসনে তোমার মন্তব্যের সাথে একমত।

তুমি ঠিক বলেছো-ইদানীং প্রায়শই উত্তরা থেকে মতিঝিল আসতে/যেতে ২/৩ ঘন্টা পর্যন্ত লেগে যায়!


আমি মুলত অসুস্থ্যতার জন্যই গাড়ি নিয়ে বের হতে বাধ্য হই। সুস্থ্য থাকলে আমি অফিসে যাবার সময়ই গাড়ি ইউজ করি এবং বাড়ি ফেরার সময় হেটেই ফিরি...... মাঝে মাঝে বড় ছেলের মোটর সাইকেল ইউজ করি!

১৮. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩৭
লুকোচুরি বলেছেন: যান যট সমস্যার সহজ সমাধানের জন্য টংগী থেকে কমলাপুর পর্যন্ত কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস অপরিহার্য্য।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: একমত।

১৯. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩৯
লুকোচুরি বলেছেন: অনেক দিন পর আপনার ব্লগে এসেই বর্তমান ঢাকার প্রত্যাহিক সমস্যার বিষয় পড়ে কস্ট কিছুটা ভাগাভাগি করার সুযোগ হলো!
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০০
মিথুন-১ বলেছেন: আমাদের সীমাবদ্ধতার পরিসীমা নেই-তাই নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে কিছুটা মুসকিল আসান হতে পারে। +
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: সহমত।

২১. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৩৩
লুৎফুল কাদের বলেছেন: যানজট সমস্যার সমাধানের জন্য ঢাকাকে বিকেন্দ্রিও করা অনেক আগেই দরকার ছিল. রেল সার্ভিসকে উন্নত করে, প্রচুর পরিমানে ডাবল ডেকার বাস দিয়ে, এবং যারা ঢাকা শহরে গাড়ি চালাবে ( মালিক ) তাদের উপর বছরে কমপক্ষে ৫০০০০ টাকা আই কর ধার্য করা, প্রতিটা বিল্ডিং এ বাধ্যতা মূলক ভাবে পার্কিঙের বেবস্থা থাকতে হবে,. এই রকম কিছু কাজ করলে হইতবা যানজট কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে.
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: যানযট নিরসনে তোমার পজিটিভ চিন্তাধারার সাথে একমত। যানযট কমানোর জন্য একাধীক কার/জীপ ওনার্সদের উপর অবশ্যই লেভী ধার্য্য করা যেতে পারে। পার্কিং সুবিধা বিহীন কোনো কর্মাশিয়াল/রেসিডেন্স কন্সট্রাকশন করার অনুমতি একেবারেই দেয়া উচিত নয়।

২২. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৪
লুৎফুল কাদের বলেছেন: আন্কেল একটা অফ টপিক জিগ্গাস্সা, আমি যদি চীনে ট্রানজিট করি ১১ ঘন্টার মত এবং Airport থেকে বাহির না হই আমাকে কি ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে.
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: না, তোমাকে ট্রাঞ্জিট ভিসা নিতে হবেনা। তুমিতো এয়ারপোর্ট থেকেই বের হবেনা-কাজেই নিশ্চিন্ত থাকতে পারো। কিন্তু ১১ ঘন্টা এয়ারপোর্ট প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জে একাকী অপেক্ষা করা খুব বোরিং হবে। কারন, চীনাদের সাথে স্বাচ্ছন্দে কথা বলা সম্ভব নয় ভাষাগত কারনে।

২৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৫৪
সুবিদ্ বলেছেন: জ্যামের মতন আজাব আর নেই...আমি যেটা প্রতিদিন ফেইস করি, সেটা মিরপুর রোড আর ফার্মগেটের ভয়াবহ অবস্থা... খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট আসতেই মিনিট ৪০ লেগে যায়...অনেকসময় ওখানে নেমে হাঁটা দিয়ে দিই...কী যে অশান্তি!

ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা কতটা বাস্তবসম্মত, আমার সন্দেহ আছে...

আসলে আমি খুব ভয় পাই আমরা ধীরে ধীরে একটি পরিত্যক্ত নগরীর দিকে ধাবিত হচ্ছি নাকি...
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: সুবিদ, ঢাকা শহরে জ্যাম এখন আর সময় ভিত্তিক কিম্বা এলাকা ভিত্তিক নেই। জ্যাম নেই-এমন কোনো এলাকা আমি দেখছিনা।কয়েকদিন পুর্বে গুলশান থেকে ফেরার পথে গুলশান-বনানী কানেক্টিং ব্রীজের কাছে আমি ঘন্টাখানেক জ্যামে পরেছি। গুলশান-বারিধারা সংযোগ ব্রীজের কাছেও অমন জ্যাম রেগুলার হয়। গুলশান ১ নম্বর, ২ নম্বর মোড়, বনাঈর আতাতুর্ক রোড, বনানীর ১১ নম্বর রোড সব সময়ের জন্যই জ্যামময়! আমাদের ধানমন্ডি এলাকায় রিকাশার জ্যামের কারনে বাসা থেকে রাস্তায় গাড়ি বের করতে কিম্বা গাড়ি ঢোকাতে কখনো কখনো ১৫/২০ মিনিটও অপেক্ষা করতে হয়। গ্রীণ রোডের ল্যাব এইড থেকে শুরু করে ফার্ম গেইট পর্যন্ত সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্তই শুধু রিকশার জ্যাম! সারা ঢাকা শহর জুড়ে শুধু রিকশা আর রিকশা!

শুধু ট্রাফিকজ্যামের কারনেই ঢকা শহর অচিরেই একটি পরিত্যাক্ত শহর হয়ে যাবে!

২৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:০২
সারথী মন বলেছেন: প্রতিটি রাস্তাতে ট্র্যাফিক জ্যাম এখন নিত্য নৈমত্তিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫০

লেখক বলেছেন: একমত।

২৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: এতকিছুর মধ্যেও সঠিক পরিকল্পনা এবং নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমে কিছুটা হলেও উপকার পাওয়া যেতে পারে।
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন লোকমান ভাই।

 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি এক বিদেহী আত্মা! খুব ভালোলাগে ভালো ঘুম হলে। কিন্তু আমার পোড়া চোখে ঘুম নেই! ঘুম হীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই