বন্ধুত্ব ভালোবাসি

নাস্তিকের ধরমোকথার জন্য লেখা.....

০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০১

শেয়ার করুন:                   Facebook

নাস্তিক ভাই,
Click This Link

আপনার উপরের পোস্টে আমার করা প্রশ্ন এবং আপনার সংশ্লিস্ট উত্তর সাপেক্ষে আমার পুনরায় কিছু জিগ্যাস্য ছিলো...

আমার প্রশ্ন গুলো ছিলো,
১। সমকামিতা নিয়ে আপনার মতামত কি? সমাজে সমকামিতা কি এলাউ করা উচিত?

আপনার উত্তর:
১। সমকামিতা সম্পর্কে আমার কোন মতামত জানতে চান? আপনার সংশ্লিষ্ট প্রশ্নটিও সমকামিতা সম্পর্কিত এবং এ ব্যাপারে আমার মতামত হলোঃ দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্মতিতে যদি সমকামিতা হয় সেখানে অন্য কারো বাঁধা দেয়ার কি আছে? এখানে এলাউ করবো কি করবো না এ প্রশ্নই অবান্তর।

সশ্লিস্ট প্রশ্ন:

তাহলে রিলেশনসীপের ভ্যালিডিটির মাপকাঠি অনলি প্রাপ্ত বয়স্ক মিউচুয়াল একসেপ্টেসনস?তাহলে একটি প্রাপ্তবয়স্ক (সাবালিকা ) মেয়ে যদি সইচ্ছায়
একজন বুড়ো একের অধিক বিবাহকারীর পাণি গ্রহনে ইচ্ছুক হয় সেবেপারে আপনার মত কি?


২। মেরিচুয়াল ফাইন লাইন কিভাবে নিরধারন করা উচিত এবং ইন হোয়াট বেসিস? মানে আপন ভাই যদি তার বোনকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায় অথবা বাবা তার মেয়েকে তখন তাতে বাধা দেওয়া উচিত? কে এবং কিসের উপর ভিত্তি করে ফাইন লাইন টানবেন?

আপনার উত্তর :

অনেক বড় (Click This Link) এখানে আছে।

সশ্লিস্ট প্রশ্ন:

অনেক প্রশ্ন ই আছে তবে বেসিক কিছু জানতে চাইবো সংক্ষেপে,
....ক) আজো ওয়ারলডে দেখা যায় পাশাপাশি কোএকজিসটিং দুটো ভিন্ন ধরমের বা আদরশে বিশ্বাসি জাতির ফেমিলি ভ্যালুতে আমুল ডিফারেন্স।
যদি ক্রনোলজিক্যাল ডেভেলপ মেন্টের কারনেই ফাইনলাইন ইভলভড হয় তাহলে মেজর ডিফারেন্স আসলো কোত্থেকে আর কে ই বা এত বড় কাজটা করতে পারলো এবং হটাত করে আমুল চেন্জ হবার কারন কি?
....খ) ফাইনলাইন ডেভেলপমেন্টের বেলায় ক্লোজ রিলেশনের নিষিদ্দ করন
সাইনটিফিক বেসিসে হয়েছে কথাটা কি ঠিক বল্লেন? তাহলে হিন্দু বা খেরেস্তান ধরমে হাজারো বছরে গড়া কালচার কিভাবে হলো?
আর মুসলমানদের কোটি কোটি কাজিন বিবাহে কতজন বিকলাং দেখছেন এপরযন্ত আর যা দেখেছেন সেটার উপর বেজ করে উপসংহার টানা কতটা যুক্তিযুক্ত?


৩। রাইট নাউ আমেরিকায় কালো পুরুষদের মধ্যে বিশাল একটা অংশ জেলে বা সামহাউ আউট অব মেইন স্ট্রিম সোসাইটি যা কালোদের মেয়েদের % কে অনেক বেশি করেছে। এমতাবস্থায় প্রাপ্ত বয়স্ক অবিবাহিত কালো মেয়েদের জন্য আপনার কি সমাধান? তারা কি আনমেরিড অবস্থায় জীবন কাটাবে নাকি পতিতাবৃত্তি গ্রহন করবে?

আপনার উত্তর:
৩। আপনার কথিত সমস্যাটিতে .........................

১ম সম্ভাবনা- প্রাপ্ত বয়স্ক কোন নারী সঙ্গী খুজতে গিয়ে না পেলে সে যৌন চাহিদাকে সংযমে রেখে সঙ্গীহীন কাটিয়ে দিতে পারে।
.......এটা কি অমানবিক আন একসেপটেবল কথাভলো না ভাই?

আর সে যদি তা না পারে তবে নানাভাবেই যৌন চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করতে পারে: যেমন সমাকামিতা, বিবাহিত পুরুষের সাথে বিয়ে, বিবাহিত বা অন্য কোন মেয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট পুরুষের সাথে বিয়ে বহির্ভুত সম্পর্ক,ডিভোর্সের সংখ্যা বেড়ে গেলে ডিভোর্সড পুরুষের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি অনেক কিছুই সে করতে পারে (পতিতাবৃত্তি আউট অব লিস্টে রাখছি, কেননা সেটা আলাদা ফেনোমেনা- সেটার সাথে নারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই, এটা মূলত আর্থিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট)। ..........

এই কমেন্টার পর আমি আপনাকে সন্মানের সাথে রিকোয়েস্ট করবো আপনি কি বলছেন তা একটু ভালো করে খেয়াল করুন.......যাকে আপনি সমকামি হতে ব্লেন সে যদি আপনার মত সমকামি হতে না ইচ্ছুক হয় কি করবেন তখন? আর মাল্টি মেরিজকে এখানে কিন্তু সমরথন করছেন অনেকটা উপায় না দেখে ....উড ইউ লাইক টু রিচেক ইট?

 

 

  • ৫ টি মন্তব্য
  • ২৩৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার সম্পূরক প্রশ্ন গুলো দেখলাম- জবাব দিতে একটু সময় নিবো; কিছুটা ব্যস্ত আছি তাই; ..... দুই- একদিনও লাগতে পারে, প্লীজ মাইণ্ড করেন না!!!!


প্রশ্ন গুলো উত্থাপনের জন্য প্লাস, এবং
রয়ে সয়ে উত্তর দেয়ার জন্য শোকেজে..।
২. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
১। একটি প্রাপ্তবয়স্ক (সাবালিকা ) মেয়ে যদি সইচ্ছায়
একজন বুড়ো একের অধিক বিবাহকারীর পাণি গ্রহনে ইচ্ছুক হয় সেবেপারে আপনার মত কি?



প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে যদি সইচ্ছায় কোন বুড়ো একের অধিক বিবাহকারীর পাণি গ্রহণে ইচ্ছুক হয়- তবে সেক্ষেত্রে মেয়েটির ব্যাপারে কি বলা যায় তা নির্ভর করে বেশ কিছু বিষয়ের উপরে। তবে বুড়ো লোকটিকে বলার অনেক কিছুই আছে। ঐ বুড়ো লোকটির বিয়ে করার উদ্দেশ্য কি, তার আগের স্ত্রীদের মত এসব বেশ কিছু বিষয়ই এখানে চলে আসে। বিভিন্ন কারণেই একজন তরুণী মেয়ে বিবাহিত বুড়োকে বিয়ে করার ব্যাপারে আগ্রহী হতে পারে। আগের আমলে রাজা বাদশাদের অসংখ্য বিয়ের অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যেত অনেকেই স্বেচ্ছায় নিজেকে বাদশার কাছে সমর্পন করতো। আমাদের আকবরের এমন অনেক ঘটনা আমরা জানি। এরকম কোন একটি মেয়ে বাদশার স্ত্রী হওয়ার লোভ, রাজপুত্রের মা হওয়ার লোভ, আর্থিক স্বচ্ছলতার লোভ নানা কারণই সেখানে ছিল। আবার খুব সুদর্শন, খুব নামডাক অলা মানুষের প্রতিও অনেক সময় অনেককে আকৃষ্ট হতে দেখা যায়- বিবাহিত জেনেও সেই পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ধর্মীয় ক্ষেত্রেও অনেক সময় অন্ধবিশ্বাস জনিত কিছু কারণে, অলীক বিশ্বাস বা ভয়ে, বা উপরোক্ত কারণ সমূহেও একটা মেয়ে স্বেচ্ছায় ধর্মনেতা বা প্রবর্তককে বিয়ে এমনকি বিয়ে বহির্ভুত যৌন সম্পর্ক করার ব্যাপারে আগ্রহী হতে পারে।

এসব কারণে কোন মেয়ে বিবাহিত পুরুষের প্রতি আগ্রহী হলে- সেই মেয়েটির সম্পর্কে আমরা একটি ধারণা পেতে পারি। তবে, একিউজ আমি করবো প্রধানত সেই পুরুষটিকেই। কেননা, সে তার অর্থ-বৈভব, সামাজিক/ধর্মীয় মর্যাদা, চেহারা, এমনকি সমাজের পুরুষতান্ত্রিকতা .. এমন অনেক কিছুর সুযোগ নিয়ে একাধিক নারীকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করে অন্যায় করেছে এবং পূর্ববতী স্ত্রীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

সুতরাং একটি মেয়ে কোন পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হলেই সাথে সাথে সেই পুরুষটি সে মেয়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে না বলেই আমি মনে করি, এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী স্ত্রীর পূর্ণ ও স্বেচ্ছা সম্মতির বিষয়টিও খুব জরুরী।

তবে, পূর্ব স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতি ও আগ্রহ এবং অপর মেয়েটিরও সম্মতি দুটো থাকলে আমি তেমন সমস্যা দেখি না; যেমন দেখি না এক মেয়ের একাধিক বর গ্রহণে- যদি না তিনজনেরই কোন আপত্তি না থাকে!
৩. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
২। ক) আজো ওয়ারলডে দেখা যায় পাশাপাশি কোএকজিসটিং দুটো ভিন্ন ধরমের বা আদরশে বিশ্বাসি জাতির ফেমিলি ভ্যালুতে আমুল ডিফারেন্স।
যদি ক্রনোলজিক্যাল ডেভেলপ মেন্টের কারনেই ফাইনলাইন ইভলভড হয় তাহলে মেজর ডিফারেন্স আসলো কোত্থেকে আর কে ই বা এত বড় কাজটা করতে পারলো এবং হটাত করে আমুল চেন্জ হবার কারন কি?



যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে ফাইনলাইন নির্ধারণের কথা যদি বলি- কিছু কিছু ভ্যালু পাবেন সমস্ত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একই ধরণের ভ্যালু পাবেন। মার সাথে ছেলের, বাবার সাথে মেয়ের যৌন সম্পর্ক কোন ধর্মে এলাউড? এরপরের স্টেজ হলো- ভাই বোনের সম্পর্ক। এটাও কিন্তু অধিকাংশ ধর্মমতেই নিষিদ্ধ পাবেন। তবে এ সম্পর্ক গুলো কি এক সময় এভেইলেবল ছিল না? আপনি প্রাচীণ গাঁথা- পুরাণেও বাবা-মেয়ে বা মা ছেলের সম্পর্কের সন্ধান পাবেন। পার্বতীর জন্ম কার বীর্য থেকে? আপনি গ্রীক মিথে গেলেও দেবদেবীদের পারষ্পরিক সম্পর্কের চেইনটি খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন।
আপন ভাই-বোনের সম্পর্ক তো এই কিছুদিন পর্যন্তও খুবই স্বাভাবিক ও সাধারণ ছিল।

কিন্তু এসব থেকে মুক্ত হওয়ার ইতিহাসটি মূল ধারার ধর্ম গুলো আবির্ভাবের আগের।

তবে হ্যা আপনার সাথে এই ব্যাপারে একমত যে, প্রচলিত ধর্মগুলোর মধ্যে ভ্যালুজের আমূল পার্থক্যও অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যমান।
এখন আপনার প্রশ্ন হলো- কেন?

কারণ যদি বলি- তবে বলতে হবে, ধর্মগুলোর উৎপত্তির সময় কাল, স্থানের ভিন্নতা। মানুষ যখন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়ে, তখন এক জায়গার মানুষের সাথে আরেক জায়গার মানুষের কিছু বেসিক পার্থক্য তৈরী হওয়াটাই স্বাভাবিক। যেমনঃ যে অঞ্চলের মানুষ আগে ভাগে প্লেন ল্যাণ্ডের সন্ধান পেয়েছে, কৃষি জীবনে থিতু হতে পেরেছে তারা চিন্তার অবসরও আগে পেয়েছে (যারা বনে বাদারে পশু শিকার আর ফলমূল সংগ্রহের মাধ্যমে জীবন কাটায় তাদের তুলনায়)। ফলে, তারা অনেক কিছু খেয়াল করার সুযোগও পেয়েছে। এভাবেই অঞ্চল ভেদে মানুষের মধ্যকার জীবনযাপন- সংস্কৃতি- সামাজিকতা এসবের মধ্যে পার্থক্যও তৈরী হয়েছে। এবং অঞ্চল ভেদে এভাবে মানুষের ধর্মচিন্তারো পার্থক্য ঘটেছে। কোন অঞ্চলে মানুষ হয়েছে দেবতার পুজারি- কোথাও হয়েছে দেবীর পুজারী। এখানেও হিন্দুদের মধ্যে দেখবেন কোন অঞ্চলে দূর্গার উপাসক বেশী, আবার কোথাও কালীর উপাসক বেশী।
এটা হলো ধর্ম আবির্ভাবের স্থান ভিন্নতার বিষয়টি।

একইভাবে সময়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবন যাপন পাল্টেছে, উৎপাদন পাল্টেছে, আচার-আচরণ, সংস্কৃতি পাল্টেছে- অভিজ্ঞতা বেড়েছে- এবং মানুষের ধর্মাচরণও পাল্টেছে। ফলে, আগে আবির্ভূত ধর্মের সাথে পরে আবির্ভূত ধর্মের ভ্যালুজের মধ্যেও স্বভাবতই অনেক পার্থক্যও থেকে গিয়েছে।

৪. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
খ) ফাইনলাইন ডেভেলপমেন্টের বেলায় ক্লোজ রিলেশনের নিষিদ্দ করন সাইনটিফিক বেসিসে হয়েছে কথাটা কি ঠিক বল্লেন? তাহলে হিন্দু বা খেরেস্তান ধরমে হাজারো বছরে গড়া কালচার কিভাবে হলো?
আর মুসলমানদের কোটি কোটি কাজিন বিবাহে কতজন বিকলাং দেখছেন এপর্যন্ত আর যা দেখেছেন সেটার উপর বেজ করে উপসংহার টানা কতটা যুক্তিযুক্ত?



ক্লোজ ব্লাড রিলেশন বন্ধের পেছনে- বিশেষ করে মা-ছেলে, বাবাস্থানীয়-মেয়ের সম্পর্ক নিষিদ্ধকরণের পেছনে ডিসঅর্ডারড সন্তান উৎপাদনের অভিজ্ঞতাই মূল। এরপরেও কিন্তু যৌনতা অবাধ ছিল দীর্ঘদিন- এবং বাবা সেই সময়টাতে আনডিফাইনড ই ছিল। মা ডিফাইনড হয়ে যায় সন্তান পেটে ধরার কারণেই। এর পরে বাবা ডিফাইনড করা, এবং নারীর মনোগ্যামি আসে সোসাইটিতে পুরুষতান্ত্রিকতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ারফাত ধরেই। পুরুষতান্ত্রিকতা আসে সম্পদে বা উৎপাদনে পুরুষের আধিপত্য বিস্তারের প্রয়োজনেই, এবং এই সম্পদের উত্তরাধিকার নিরূপনেই পুরুষের "ঔরসজাত" সন্তান নির্দিষ্ট হওয়া দরকার- এবং সেখান থেকেই নারীর মনোগ্যামি (পুরুষের না)।

এবং এই পুরুষতান্ত্রিকতা আসার পরের সমস্ত ধর্মের ভ্যালুর মধ্যে সম্পূর্ণ মিল পাবেন এই ব্যাপারটিতে- সেটা হলো পুরুষতান্ত্রিকতা। এবং ফাইনলাই বলেন আর যাই বলেন- সেখানে নারীর পলিগ্যামিতা যত নন্দনীয় ও অপরাধ হিসাবে গণ্য- পুরুষের পলিগ্যামিতা ঠিক ততখানিই একসেপ্টেড। (বিভিন্ন ধর্মে আজকে যে একবিবাহের কথা বলা হয়, সেটা আবির্ভাব কালীন ধর্মের অবদান না- সেটা মানব সভ্যতার ক্রম উন্নতির অবদান)।

হিন্দু ধর্ম ও খৃস্টান ধর্মের হাজার বছরের গড়া কালচার কি উদ্দেশ্যে বললেন- পরিষ্কার নয়। তবে হিন্দুদের মধ্যে কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধের যে কালচারের কথা বললেন- সেটি একদম শুরু থেকেই একই রকম ভাবলে ভুল হবে। সেটাও পর্যায়ক্রমেই এসেছে। তবে হিন্দুদের কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার পেছনে ডিসঅর্ডারড সন্তানের অভিজ্ঞতার বিষয়টি গৌনই মনে হয় (যদিও এই রেট ব্লাড রিলেশনের বাইরের বিয়ের ক্ষেত্রটির চেয়ে বেশী )।
৫. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার এই পোস্ট কি ১ম পাতা থেকে ডিলিটেড???

 

 

comment by:
আমি সাধারন মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৪৮৫