র্জামানির একটি ইনশিওরেন্স কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী সে দেশে প্রতি বছর কম পক্ষে ৬০০ মানুষ মারা যায় ঘুমের ঘোরে বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে। বিছানা-প্রেম যে কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে,নিচে তার কয়েকটা উদাহরন দিচ্ছি,পড়-ন ঃ-
বেশ কয়েক বছর আগে, শেফিল্ডের এক লোক দুঃস্বপ্ন দেখে লাফিয়ে ওঠে। সাথে সাথে খাট ভেঙে মাটিতে পড়ে যায় সে। সিপ্রং- এর বিছানার সিপ্রং যায় ছুটে। লোকটি যতই লাফালাফি, দাপাদাপি করছিল সিপ্রং- এর বাঁধন থেকে মুক্তি পেতে, ততই সিপ্রং- এ পেঁচিয়ে যাচ্ছিল সে। টানা পাঁচদিন বিছানার সিপ্রং- এর জালে বন্দি থাকতে হয়েছে লোকটিকে। পাঁচদিনেও তার দেখা- সাক্ষাৎ না পেয়ে হুঁশ হয় প্রতিবেশীদের। তখন খোঁজ নিয়ে দেখা যায় মাটিতে, একরাশ সিপ্রং- এর মধ্যে আটকে রয়েছে সে। সিপ্রং কেটে সেবার প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে তাকে।
আরেকবার এক ভাঙা ম্যাট্রেসের সিপ্রং গায়ে বিঁধে এক স্কটিশ মহিলার মরো মরো অবস'া। ব্যথায় সারা শরীর বিষ হয়ে গিয়েছিল তার। শেষে পেইন-কিলার ইনজেকশন দিয়ে বিষ ব্যথা দূর করতে হয়েছে।
১৯৬০ সালের আগষ্ট মাসের ঘটনা এটি। মিডল সেক্সের এক মহিলা ঘুমের ঘোরে জোরে কথা বলতে বলতে জেগে যায়। আতঙ্কিত হয়ে দেখে, ঘুমের মধ্যে তার একদিকের চোয়াল স'ানচ্যুত হয়ে গেছে। এর দু’দিন আগে বিছানা উল্টে পড়া আরেক লোকেরও চোয়াল স'ানচ্যুত হয়ে গিয়েছিল। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল। এই মহিলাকেও ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়েছে।
ক্রীড়াবিদদের জন্যে ঝুঁকির্পূণ হলো বিছানা। ১৯৬৬ সালে, ছয় ফুট লম্বা জোয়াকিম জিয়েসচ যুগোশ্লাভিয়ার হকি চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয়ার জন্য গিয়েছিলেন। তার থাকার ব্যবস'া করা হয়েছিল হোটেলে। কিন' হোটেলের বিছানা তার তুলনায় খাটো হবার কারনে কিছুতেই ঘুমাতে পারছিলেন না জোয়াকিম। পরদিন সকালে খিঁচ ধরা পা নিয়ে হোটেল ছাড়তে হয় তাকে, খেলায় অংশ নিতে পারেননি তিনি।
কাজেই সাবধান। বেশি বিছানা-কাতুরে হবেন না। বিপদ হতে পারে!
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



