আমার প্রিয় পোস্ট

চলে এসো সব স্বপ্নচারীরা...

মায়াবতী...so what বলার মুদ্রাদোষটা কি এখনো আছে তোমার?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০২

শেয়ারঃ
0 2 0

আজ তনুষার কথা অনেক দিন পরে মনে পড়ল। এটা খুব অদ্ভুত একটা ব্যাপার। একটা সময় ছিলো যখন সারাক্ষন ওকেই ভাবতাম, অথচ আজ?...

তনুষার সাথে আমার প্রথম দেখা এবং প্রথম পরিচয় দুটোই হয় ঝিগাতলা বিটস ইউনোভাসির্টির আন্ডারগ্রাউন্ড সাইবার ক্যাফেতে।
সালটা ছিল ২০০০ সাল। ঢাকা সিটি কলেজে সবে ইন্টারে ভর্তি হয়েছি। চোখে মুখে নানা রঙ্গের ঝিলিক। কম্পিউটার স্যার তানিম আহমেদই প্রথম ক্যাফের খোঁজটা দিলেন। বাংলাদেশে সাইবার ক্যাফে, ইন্টারনেট এইসব তখনও এতটা জনপ্রিয় হয়নি। বাসায় কম্পিউটার ছিল অনেক আগে থেকেই কিন্তু ইন্টারনেটের জন্য ক্যাফেতে যেতে হত। খুজেঁ পেতে ঐ ছিমছাম ক্যাফেটা খুঁজে পেয়েছিলাম।

ওর সাথে আমার পরিচয় পর্বটা অত্যন্ত নাটকীয়। কাকতালীয় বল্লেও বলা যায়। বল্লে হয়ত কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না।
ক্যাফেতে তেমন জরুরী কোন কাজ ছিল না। নিতান্তই ব্রাউজ আর চ্যাট করার জন্য যাওয়া হত। একদিন বাংলাদেশ রুমে গিয়ে 'মায়াবতী' নামে একজনকে পেলাম। আর পায় কে? নক করে ধুমায়া আড্ডা !

আমার পাশে খুব সুন্দর ড্রেস পরা একটা মেয়ে বসে ছিলো, চেহারা দেখা যাচ্ছিল না, তাই খেয়াল করিনি প্রথমে। কিছুক্ষন পর হঠাৎ সেখানে একটা ছন্দমিল লক্ষ্য করলাম। যাচাই করে নিতে আমি মায়াবতীকে একটা প্রশ্ন করে মেয়েটার দিকে তাকালাম, দেখলাম ও মনিটরের দিকে একবার তাকিয়েই টাইপ করা শুরু করল। আবার আমি যখন টাইপ করছিলাম তখন আড়চোখে ওকে দেখি যে ও চুপ করে বসে আছে। সাহস করে উঠে গিয়ে জিগ্গেস করলাম-'এক্সকিউজ মি, আপনি কি মায়াবতী?'
মেয়েটা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো অনেকক্ষন। সেই প্রথম আমার মায়াবতীর অসম্ভব মায়াময় মুখটা দেখলাম। সেই থেকে শুরু।

আমরা পরস্পরের কাছে ধীরে ধীরে পরিচিত হতে থাকলাম। জানলাম, বনেদী বংশের মেয়ে ও, বা-মার একমাত্র মেয়ে। আর আছে এক ভাই, কানাডা সেটেলড। ব্যাঙ্গালোরে থাকে ওদের বেশীর ভাগ আত্নীয় স্বজন। ও হলি ক্রসে পড়ত। আমার চেয়ে বড় ছিলো ও। বয়সে প্রায় ৩ মাসের আর দৈর্ঘ্যে প্রায় ইন্চিখানেক।

মেয়েদের আর্কষন করার মত আমার ভেতর কিছুই নেই। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে ও আমাকে ভীষন আপন করে নিল। এদেশে ওর কোন বন্ধু ছিলো না এটা একটা কারন হতে পারে। তবে, আমার পরে ও আর কারো সাথে কোন প্রকারের সম্পর্কে জড়ায়নি। সে হিসেবে বাংলাদেশে আমিই ওর একমাত্র বন্ধু ছিলাম।

কতদিন ধানমন্ডি লেকের পাড় দিয়ে দুজনে হেটেঁ বেড়িয়েছি; রাইফেল স্কয়ারে ঘুরে বেড়িয়েছি। বিটসে আর ব্লু প্লানেটেও যেতাম প্রায়ই। পাবলিক লাইব্রেরীতেও যেতাম, তবে ঘুরে বেড়াতে নয়। এ্যাসাইনমেন্টের জন্য।
বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে আমার একটা স্টেজ শোতে ওকে দাওয়াত করেছিলাম। ওদের করলাটা নিয়ে গুলশান থেকে নিজে ড্রাইভ করে একা একা শাহবাগ চলে এল!

ওকে বলেছিলাম সামনের রোতে না বসার জন্য। ও সেটা বেমালুম ভুলে গেল। আমাকে ভাল করে দেখার জন্য বসল একেবারে সামনের সারিতেই। ফলে যা হবার তাই হল। ওর উপর চোখ আটকে গেল। উত্তরনের কর্ণধার ইরাজ ভাই পর্দার আড়াল থেকে তাগাদা দিতে লাগল- 'প্রলয় কি হল? শুরু কর।' যখন ধাত্স্থ হলাম, তখন আমি ভীষণ নার্ভাস। গীটারের রিড উল্টা পাল্টা করে ফেল্লাম। গানের লাইন ভুল গেলাম। ও সেটা বুঝতে পেরে মাঝের সারিতে গিয়ে বসল। আমার তাতে কোন লাভ হল না।

শো শেষে বাইরে বেরিয়ে অনেকক্ষন ওর গাড়িতে চুপচাপ বসে ছিলাম। ও -ও কোন কথা না বলে গাড়িটা ফুলার রোডের শেষ মাথায় এনে পার্ক করে মাথা নিচু করে বল্ল- 'সরি প্রলয়, সব দোষ আমার, আমি ভুলে গিয়েছিলাম।' আমার মুখ দিয়ে তখনও কোন কথা বের হয়নি।
কতদিন আগের কথা, অথচ মনে হয় এইতো সেদিন!

আশুলিয়ায় আমাদের অসম্ভব নির্জন একটা বটতলা ছিল। ওখানে আমাদের অনেক মজার মজার স্মৃতি ছিলো। বট তলায় বসে ও আমাকে প্রায়ই ওর ছোটবেলার অনেক ঘটনা আনমনে বলে যেত। সেসব শুনে প্রতিবারই আমি খুব কৌতুহলী হয়ে ওকে প্রশ্ন করতাম -'তনু, তোমার সেই সোনার চামচটা এখন কই?' ও অবাক হয়ে তাকালে আমি বলতাম -'আরে ঐ যে, যেটা মুখে নিয়ে তুমি জন্মেছিলে।' ও হাসতে হাসতে উল্টে পড়ত।

একদিন সেই বটতলার বটকে সাক্ষী করে আমার সাথে ওর চুক্তি হল যে ওকে আমি গিটার শিখাবো, তার বদলে ও আমাকে ড্রাইভিং শিখাবে। ও বল্ল,
-দেখ আবার চুক্তি যেন ভঙ্গ না হয়!
-হলে কি হবে?
-উমম...বটগাছকে সাক্ষী করে চুক্তি করে সেটা ভঙ্গ করলে তুমিও বটগাছ হয়ে যাবে!
-তাই নাকি?
-জ্বি স্যার, এটাই নিয়ম।
-বাহ সুন্দর নিয়ম তো! তাহলে চলনা, আমাদের চুক্তিটা বিল গেটসকে সাক্ষী রেখে করি, প্লিজ!

ও হাসতে হাসতে কুটিপাটি হয়ে যেত।

গুলশান লেকের ধারে বসে আমি ওকে গীটার বাজানো শিখাতাম। আমার জন্য সেটা ছিল বিরাট অস্বস্থির একটা কাজ। ও কিন্তু বেশ নির্বিঘ্নে আমাকে গাড়ী চালানো শেখাত। গোমড়ামুখে শুধু প্রায়ই বলত-'একটু সাবধানে প্রলয়। আমার কিন্তু জীবন বীমা করা নাই।'

কোন কোন দিন আমরা কোন কথা বলতাম না, তুরাগ নদীর তীরে গিয়ে দুজনে চুপচাপ বসে থাকতাম।

ও অসম্ভব চাপা স্বভাবের ছিলো। প্রচন্ড কষ্ট পেলেও সেটার বিন্দুমাত্র কাউকে বুঝতে দিত না। এখানেই আমার আপত্তি ছিলো। কতবার বলেছি সব কষ্ট দুজনে ভাগাভাগি করে নিবো। ও সায়ও দিত, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। ও কখনো করেনি।

ইন্টার পরীক্ষার পর যেদিন ওরা ব্যাঙ্গালোরে চলে যায়, তার আগেরদিন, আমাকে 'joruri meeting' লিখে মেইল করে বটতলায় আসতে বল্ল। আমি হেলেদুলে বটতলায় গেলাম। কারন ঐ কথাটা ও সব মেইলেই লিখত।
গিয়ে দেখি, ধবধবে সাদা কামিজ আর সাদা চূড়িদার পরে হাঁটু ভাজ করে তার উপর খোলা চুলে মাথা রেখে বিষন্ন মনে বটতলার বেদীতে বসে আছে। মাথার উপরে বটের ঝাড়গুলো কিলবিল করছিলো। স্বর্গের অপ্সরীর মত লাগছিলো ওকে।

অনেক জোরাজুরি করেও ওর পেট থেকে কোন কথা বের করতে পারলাম না। শেষে যখন হাল ছেড়ে দিলাম, তখন কাঁদ কাঁদ হয়ে বল্ল- 'প্রলয়, আব্বু আমাদের নিয়ে কাল সকালের ফ্লাইটে ব্যাঙ্গালোর চলে যাচ্ছে। কবে ফিরব জানি না।"
আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। প্রচন্ড অভিমান হলো ওর উপর। আমাকে কেন আগে জানালো না?

ওরা চলে গেল। আর ফিরে আসেনি কখনো...।

মাঝে মাঝে শুধু আমাদের ল্যান্ড ফোনে কল করত। ওর নানাবাড়ী চেরাপুন্জি থেকে ফোনে আমাকে বৃষ্টির শব্দ শোনাত। রাতের বেলা ইলেকট্রিসিটি চলে গেলে অন্ধকারে বারান্দায় বসে বসে আমি চেরাপুন্জীর বৃষ্টি 'শুনতাম'। ও বলত: 'প্রলয়, সাত দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। থামাথামির কোন লক্ষন নেই। সারাদিন বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। এই শব্দটা মাথার ভেতর পাকাপাকি ভাবে বসে গেছে। বৃষ্টি থামার পরও দেখা যাবে মাথার ভেতর ঝমঝম শব্দ হচ্ছে।' বলেই ও রিনরিন করে হাসত। ওর হাসি আর বৃষ্টি একাকার হয়ে মিশে যেত। আমি দ্বিধান্বিত হতাম। কোনটা শুনব? দুটোই তো আমার জীবন...!

আরেকদিন বল্ল- মনে হচ্ছে বৃষ্টির পানিতে আজ কালের ভেতর চেরাপুন্জী নামক শব্দটা পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ধুয়ে মুছে যাবে।'

কথাটা শুনে ওর সাথে আমিও হেসেছিলাম সেদিন, কারন তখনও জানতাম না যে সেটাই ছিলো আমাকে করা ওর শেষ ফোন।

তনুষা চমৎকার রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারত। গাড়ীর ক্যাসেট প্লেয়ারে চলা সুশীলা রহমান আর মৌসুমী ভৌমিকের সাথে সাথে ও সুর ভাজত। আমিও যথারীতি প্লেয়ারটি জোর করে বন্ধ করে শুধু ওরটা শুনতাম।
সুশীলা রহমানের 'ও রামা' আর মৌসুমী ভৌমিকের 'আমি খুঁজছি তোমার ঠিকানা' ওর হেভী ফেবারিট দুটো গান ছিল। বেশ চমৎকার গাইত এদুটো। আর আমি গিটারে টিউন করতাম। খুব ইচ্ছে ছিল দুজনে একটা ডুয়েট স্টেজ পারফরম্যান্স করব!

আমি সাধারনত 'ঘুমপাড়ানি' ধরনের গান খুব একটা শুনিনা। তবে সুশীলার 'ও রামা' গানটা আমার খুব পছন্দের ছিলো। চমৎকার মেলোডিয়াস। কিন্তু মিউজিক ছাড়া আগা-মাথা আর কিছুই বুঝতাম না। অথচ তনুকে অবাক হয়ে দেখতাম কত অবলীলায় গানটা গাইতে। ও বলত গানটা নাকি হিমালয়ের কোন এক বিখ্যাত মুনীর কথা। খুবই আধ্যাত্নিক। অনেক আগের গান, salt rain এ remake করা হয়েছে। গানগুলো এখনও যখন শুনি, মনে হয় ও-ই গাইছে।

ওকে নিয়ে যে সব জাগায় ঘুরে বেড়াতাম, সেসব জাগায় গিয়ে স্থানুর মত বসে থাকতাম। আর মজার মজার স্মৃতি গুলোই বেশী মনে পড়ত। কথায় কথায় 'সো হোয়াট' বলাটা ছিল ওর একটা মুদ্রাদোষ। মাঝে মাঝে এমন সব জাগায় বলত, ও নিজেই লজ্জায় পড়ে যেত।

ওর জোকস শুনে যখন মুখ ভার করে বলতাম-'হাসতে পারলাম না বলে দুঃখিত।' আমাকে তখন কাতুকুতু দিয়ে হাসাত। আর আমার ওটা ছিলও ভীষণ। এরপর তাই ওর হাত থেকে বাঁচতে ও যেটাই বলত, মেকী অট্টহাসি দিতাম। একদিন ধরা পড়ে গিয়েছিলাম। কপালে জুটল শাস্তি স্বরুপ ডাবল কাতুকুতু!

ইয়াম্মি ইয়াম্মির আইসক্রিম ও ভীষন পছন্দ করত। বলতঃ আমিও একটা দোকান খুলব। নাম দেব 'ইয়াব্বি ইয়াব্বি'।

দুজনে খুব মান্জা মেরে একদিন সাত মসজিদ রোডের 'হাইফাই' একটা আইসক্রিম পার্লারে গিয়ে ওর হঠাৎ খেয়াল হল ও ওর ভ্যানিটি ব্যাগ বাসায় ফেলে এসেছে। আমার কাছে তখন সাকল্যে ছিল মাত্র বিশ টাকা। আর সবচে সস্তা যেটা ছিলো ওটার দাম হলো ৩০ টাকা। এখন কি করি? এত মানজা মেরে এসে কিছু না কিনে গেলে তো খারাপ দেখায়। তার উপরে দোকানে শুধু আমরাই। আমাদের দিকে বিক্রেতারা হা করে তাকিয়ে আছে। ভাবছি আজ আর রক্ষ নাই। মান সলেমান সব যাবে। হঠাৎ ও এগিয়ে গিয়ে খুব ভদ্র ভাবে একজনকে বল্ল- 'ভাইয়া, আপনাদের কাছে ইটালিয়ান এস মার্কের আইসক্রিম আছে?' আমি মনে মনে ভাবি -ও কি করছে এটা? আমি তো ভয়ে সারা। লোকটা হতাশ হয়ে মাথা নেড়ে বল্ল- 'না নেই, আপা।' তনু একটা শ্রাগ করে আস্তে করে আমাকে নিয়ে বেরিয়ে এল। যেন এমন একটা ভাব "কি সব আজে বাজে দোকান। ইটালিয়ান এস মার্কের আইসক্রিম নাই।"
বের হয়েই ওকে ধরলাম-
- আজকে কপাল জোরে বেঁচে গেলা। ঐ আইসক্রিসমটা থাকলে কি হত এখন? বিল দিতে কিভাবে?
-ও মুখ টিপে হাসতে হাসতে বল্ল- আরে আমি তো জানি যে নাই।
-'কিভাবে জান?' আমার তখন মেজাজ খারাপ।
-আরে বাবা, এই নামে দুনিয়াতে কোন আইসক্রিম থাকলে তো!

আরো কত শত পাগলামি করত। কটার কথা বলব?

প্রচন্ড জ্বর নিয়ে একদিন আমার সাথে দেখা করতে এল, আমি খুব করে বকা দিলাম তাই। গাড়ীর ভেতর বসে আমার কাঁধে মাথা রেখে ক্লান্ত স্বরে বল্ল- 'তোমাকে যে কথা দিয়েছিলাম আজ দেখা করব!' দেখলাম জ্বরের তীব্রতায় চোখ দিয়ে পানি ঝরছে। ছুঁয়ে দেখলাম...খুব গরম...! আমি ওর কপালে আর চোয়ালে হাত দিয়ে দেখলাম, জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে। আমাকে দেয়া কথা রাখতে পাগলীটা আমার সাথে এত অসুস্থ শরীর নিয়েও দেখা করতে এসেছে! আর ওদের ড্রাইভারটাও ছিল আরেক ছাগল। ও বল্ল আর ওমনি ওকে নিয়ে চলে আসল।
....কত তীব্র এক ব্যাথা....ওর জন্য তখন কত তীব্র এক মায়া...আমার মায়াবতীর জন্য....বলে বোঝাতে পারব না কখনো। আল্লাহ মানুষকে এত মায়া দিয়ে পাঠালেন কেন?

ওর সেসব পাগলামীর কথা মনে করে অনেকদিন পর্যন্ত একা একা বসে হাসতাম। বেশীরভাগ সময়ই হো হো করে হাসতে হাসতে হু হু করে কেঁদে ফেলতাম।
খুব ছিচ কাঁদুনে ছিলাম আমি !

উড়ো খবরে শুনেছিলাম, বছরখানেক ইন্ডিয়াতে থেকে ও ওর বড়ভাই'র কাছে চলে যায়। মন্ট্রিলের কনর্কডিয়া ইউনোভার্সিটি থেকে ডিজিটাল আর্টসে গ্রাজুয়েশন করে। গত বছর বিয়ে হয়ে গেছে। ওর স্বামী মাইক্রোসফটের জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার। এখন ওরা নিউইয়র্কে থাকে। ভালই হয়েছে, আমার তো আর অত যোগ্যতা ছিলো না, এখনও নেই। তনুষার মত মেয়েকে আমি হয়ত কখনোই ডির্জাভ করিনি।


আজ কেন জানি অনেকদিন পর শাহানা আপুর (শাহানা বাজপেয়ী) 'একটা ছেলে' গানটা শুনে ওর কথাটাই ঘুরে ফিরে বারবার মনে পড়ছে। মনে হচ্ছে গানটা যেন ও-ই গাইছে। যদিও ওর গলার সাথে সবচে বেশী মিল ছিল নীলা আপুর (আনিলা)। তবুও মনে হচ্ছে গানটা গেয়ে গেয়ে ও আমাকে শোনাচ্ছে। 'একটা ছেলে মনের আঙ্গিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে.....!



পুরান চাউল নাকি ভাতে বাড়ে। ইকটু টেস কইরা দেখি।:)

Click This Link

এইটা কিন্তু একটা কাল্পনিক কাহানি।

:D

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: তাতে কিছুই না।

২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১
রাতমজুর বলেছেন:
আমার এক বন্ধু ডাকতো আমাদের এক বন্ধু (মেয়ে)কে "মায়াবতী"
শেষমেশ কেন জানি সম্পর্কটা টেকেনি। তবে দুটোকে পাশাপশি দেখতে ভালোই লাগতো :)

রিপুষ্টে +
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: মায়াবতী নামটা কি কুফা নাকি?:#)

আমাদের দুজনকে মোটেই ভাল লাগত না। ও আমার চে লম্বা ছিলো, হিলওয়ালা জুতো যেদিন পড়তো, সেদিন থুতনি উচা কইরা ওর সাথে কথা বলতে হতো।:(

৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: এটা যদি কাল্পনিক হয়; তাহলে আপনার আরো একটা নতুন গুনের সাথে পরিচিত হলাম। ধাপ্পাবাজিটাও বেশ ভালো জানা আছে আপনার হাসান ভাই।:(
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: শেষ পর্যন্ত ধাপ্পাবাজ বল্লেন?:(

৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: কালপনিক কাহিণী কেউ এত চমৎকার লিখতে পারে!

মুগ্ধ হলাম।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আমার কল্পনাশক্তি বড়ই প্রখর!:D

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: এখন তো তাইলে তরকারী দর্কার।:(

৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৭
দুষ্টু রোমান্টিক বলেছেন: হুমমম........জানার মধ্যে অনেক খাঁদ ছিল, পুরা করলাম। ভবিষৎ-এ কাজে দিবো। তা তোর স্বপ্ন কেমন আছে রে ???
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: শালা তুই সব জাগায় বাগড়া দেস! এতদিন ধইরা কোন খবর নাই। কই থেইকা উইড়া আইসা এখন আরেকটা বাগড়া দিলি।X((


ইয়ে মানে..স্বপ্ন ভালো আছে। ইকটু আগে ফোন করছিলাম। বল্ল বসুন্ধরা সিটিতে শপিং করছে। ১৫ রোজা থেইকা শপিং শুরু হইছে, এখনো শেষ হয় নাই।:(

৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮
ইমির বলেছেন: এরশাদ বাদশা বলেছেন: এটা যদি কাল্পনিক হয়; তাহলে আপনার আরো একটা নতুন গুনের সাথে পরিচিত হলাম। ধাপ্পাবাজিটাও বেশ ভালো জানা আছে আপনার হাসান ভাই।:(
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি আমার আর কয়টা গুনের সাথে পরিচিত বলেন তো দেখি?;)

৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২০
রাইডার বলেছেন: ব্যস্ত নাকি? কম দেখতাছি /:)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ব্যস্ত মানে!!! চরম ব্যস্ত মিয়া। এই মেইল চেক করতাছি তো এই ভাত খাইতাছি, এই গোসল করতাছি তো এই অফিসের ফাইল দেখতাছি। এই ব্লগাইতেছি তো এই ফুনালাপ করতাছি। ব্যস্ততার কোন শেষ আছে নিকি?

৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৮
ইমরান হাসান বলেছেন: অসাধারন । খুব সুন্দর করে পুরো সময়টা তুলে ধরেছেন, অনেক ভালো লাগলো তবে সাথে সাথে একটা কষ্টের অনুভুতিও ছুঁয়ে গেল ।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে কষ্ট দিতে চাইনি। দয়াকরে নিজগুনে ক্ষমা করে দিবেন ইমরান হাসান ভাই। প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ এবং সেই সাথে ঈদের শুভেচ্ছা।:)

১০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আমার মন্তব্যের জবার দ্যান না ক্যালা??X(
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: সরি ভাই। ইকটু ম্যারাথন দৌড়ের উপর ছিলাম। মাফ কইরা দ্যান।:(

১১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১
নোবেলজয়ী বলেছেন: কাল্পনিক কাহিনী হিসেবে প্রিমিয়াম হইসে ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: নোবেল পামু নিকি নোবেল্ভাই?;)

১২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৭
তামিম ইরফান বলেছেন: রিপুষ্টের লেগ্গা মাইনাচ:-Pআইলসা:-P
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: :|


কইয়াওতো মাইনাস তো দিলি না, এত ভাল হইলি কবে থেইকা?:-P

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: এত প্লাস দিয়া কি করবো? তয় আপনারে টেনকু।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।

১৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখাটা পুরোটাই অনেকক্ষণ সময় নিয়ে পড়লাম। অনুভুতিগুলো অনেক সুন্দর করে প্রকাশিত........

গত ফেব্রুয়ারিতে একটা ধারবাহিক শুরু হয়েছিলো। অন্য নিকে এসে এইটা এখন শেষ হলো। পুরোটা পড়তে পেরে ভালো লাগলো।

তবে খটকা আছে একটা। আপনি এই পোস্টের শেষে বললেন- এইটা কিন্তু একটা কাল্পনিক কাহানি।
কিন্তু আগের পোস্টটা পড়ে মনে হয়েছিলো বাস্তব জীবনের কাহিনী।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: এআপনি যতটা হালকা ভাবছেন, আমার কাছে নয় মোটেও। এটা কোন গল্প নয়, আমার জীবনের একটা অংশ।

যাই হোক লেখাটা খুব ভালো লেগেছে।

( ব্যাপার না, হলিক্রস আর ইন্দিরা রোড কাছাকাছিই ;) )
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: নাহ, তোমাগো জ্বালায় আর পারলাম না! পোস্টাইয়াও শান্তি নাই!
আপসুস!:(

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: আসলে আমার ঐ কমেন্টাও এক্টা কাল্পনিক কমেন্টাছিলো।:D

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: কোন ধারাবাহিকের কথা বলছো? নাম কি?

১৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: Click This Link
এই পোস্টটাতে কতটুকু লিখে বলছিলেন চলবে। তাই আমি ধারাবাহিক ধরে নিছিলাম তখন লেখাটাকে। :)

আইচ্ছা কাল্পনিক কমেন্ট :D

তবে অনেক অনেক ভালো হইছে লেখাটা।
আমার জীবনে যদি এমন একটা ঘটনা থাকতো :(
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: তোমার ধারনা ভুল।

Click This Link

:D


মাত্র সাড়ে তিন ঘন্টা পরই কিন্তু পরের পর্বটা দিসিলাম।;)

১৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কাল্পনিক না সত্য কাহিনী জানি না, তবে কাহিনী যে যাপিত জীবনের তাতে কোনও সন্দেহ নাই।

লেখার ঢঙ কেমন হইছে সেটা লেখা ছুঁয়ে যাবার উপরেই নির্ভর করে। আপনি সেটা করতে পেরেছেন বলে, ধন্যবাদ। ভালো লাগছে খুবই!!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনাদের এই জাতীয় আস্কারা পেয়েই তো এইসব হাবি জাবি ছাইপাশ লিখি।:(

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৭
কঁাকন বলেছেন: এইটা কিন্তু একটা কাল্পনিক কাহানি ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: হ, সত্য বলছেন! ;)

১৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৮
গণিত পাগল বলেছেন: দুই পর্ব ফিউশন করা মনে হচ্ছে...;)
অনেকদিন আগে পড়েছিলাম...আবার কয়েকদিন আগে পড়েছি; তাই আর নতুন করে পড়লাম না:)
যাই হোক,আপনাকে অনেকদিন পর এখানে দেখে ভাল লাগছে। ভাল থাকবেন।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: আর বইলেন না। ভাবসিলাম ৩ তারিখে আসবো। পার্লাম না।:(
ঈদ মোবারক গণিত পাগল ভাই।:)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: হুমম...অযথা পর্ব বাড়াইয়া লাভ কি?;)

২০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
কোজাগরী চাঁদ বলেছেন: মানুষের এমন গলপ শুন্লে আমার সাধারণত হাসি পাই। আপনারটা পড়ে কস্ট পাচ্ছি।
লেখাটা খুব খুব খুঊঊব ভালো হয়েছে।যদি সত্যি হয় তাহলে সুন্দর সময় গুলো খুব মজার ছিলো এটা ভেবেই একটু খুশী হলেও হবেন প্লিজ।একটুও কস্ট পাবেন না।পেলেও ধরে নেবেন সেটা দুঃখ বিলাস।

অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা।ভালো থাকবেন।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: হাহ, ভালো বলেছেন...দুঃখ বিলাস।

বিলাস করার সীমা শেষ তক দুঃখে গিয়েও ঠেকলো তাহলে!!!


আাপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা। ভাল থাকবেন আপনিও। কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

২১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
নিরক্ষর বলেছেন: লেকাডা বালা অইচে মাগার এই কতাডা বাল্লাগেনাই "এইটা কিন্তু একটা কাল্পনিক কাহানি" ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: সত্য কথা কারোরই ভালো লাগে না। আপসুস!:(

২২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: খুব সুন্দর......।খুবই।
লেখাটা মন ছুঁয়ে গেলো।
শুভেচ্ছা রইলো.......।
ঈদ মোবারক।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য শুভেচ্ছা এবং ঈদ মোবারক আপু। ভাল থাকবেন। :)

২৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
নুশেরা বলেছেন: মায়াবতীর কাহিনীর কী স্বপ্ন স্বপ্ন বর্ণনা... ! খুউব ভাল লাগল।
ঈদ মোবারক, প্রলয়।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: আপু ফোন নাম্বার দ্যান। ইকটু ফুনাই!:)
এক দেশে থাকি কিন্তু ব্লগের বাইরে কথা হয় না। আপসুস!:(

ঈদ মোবারক।

২৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০১
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এই লেখাটা আগেও পড়েছিলাম আপপনার অন্যনিকে।
ভালো লেখা।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: টেনকু ইমন ভাই। ঈদের শুভেচ্ছা।:)

২৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
বরুণা বলেছেন: মনে পড়ে যায় সুনীলের কথা।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: বরুনা যেহেতু হইছেন সেহেতু মনে তো পড়বই।

২৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
ইউনুস খান বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর করে আপনি পুরো ব্যাপারটা লিখেছেন।

অসাধারণ!

আপনার জন্য------

পারবোনা ভুলে যেতে
হৃদয়ে আছো গেঁথে
জীবনের গতি থামিয়ে
স্মৃতির বেলায় ভাসিয়ে
কোথায় হারিয়ে গেছ।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: এটা কি কোন গানের লিরিকস নাকি স্বরচিত কবিতা?:)

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আর ঈদ মোবারক ইউনুস ভাই।:)

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: কাল্পনিকই তো! চোখ টিবি মারার কি হৈল?:(

০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা।:)

২৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৯
নিহন বলেছেন: ঈদ এলোরে ......
আমার আপনার ...
পথের মাঝে ঘুমিয়ে আছে যে ,
পথ শিশু তার ।
তুলে নিন সেই শিশুদের
বুকের মাঝে ,নতুন সাঝে ।

.............ঈদ মোবারক ..........
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: দারুন কবিতা। তোমার লেখা নাকি?:)

তোমাকেও ঈদ মোবারক নিহন ভাইয়া।:)

৩০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
নোবেলজয়ী বলেছেন: @প্রলয়

হুমম...কমিটির সাথে কথা বইলা দেখি ;)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: মিয়া এখনও বলেন্নাই!!X(

৩১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১০
এরশাদ বাদশা বলেছেন: রাগ করে বলেছি। আমার তো মনে হয়না এটা কাল্পনিক ঘটনা। আপনিই এটাকে কাল্পনিক নাম দিচ্ছেন...

ঈদ মুবারক হাসান ভাই...অনেক ভালো কাটুক আপনার ঈদ...
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: হা হা। আরে ওটা তো ফান করে বলেছি।:)

নাম দিইনি ভাই। ঘটনাটা আসলেই কাল্পনিক। পুরোটাই। বিশ্বাস না করলে আমার কি করারাছে বলুন? অবশ্য দোষ আপনাদেরও না। আমার নিজেরই তো মাঝে মাঝে অবিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: একই কামনায় আপনাকেও ঈদ মোবারক এরশাদ বাদশাহ ভাই। :)

৩২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৬
রাতমজুর বলেছেন: এইটা আসলেই একটা কাল্পনিক কাহিনী। ;)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: তাইলে চোখ টিবি মার্লেন যে!:|

৩৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
রাতমজুর বলেছেন: ভুলে হৈয়া গেছে, আসলে এইটা হৈব - এইটা আসলেই একটা কাল্পনিক কাহিনী। :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার হাসিটাও ভালো না। যেন মনে হইতাছে কথাটা ঠিকমত বিশ্বাস করেন্নাই।:(

৩৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
পারভেজ বলেছেন: কাল্পনিক কাহিনী গল্পের মতো কইরা বলেন নাই কেন? এই জন্য মাইনাস ;)
so what এর ব্যাপারটা আরেকটু বেশী ফোকাস পেলে ভালো হতো।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: তাইলে কিসের মত কইরা বলছি? কবিতার মত?X((

সবাই দেখি চোখ টিবি মারে! আপসুস!:(

কি করবো বলুন, এর বেশী যে কল্পনা করতে পারলাম না।:|

পোস্ট পড়া এবং প্লাস দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। ভালো থাকবেন।:)

৩৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
আরিয়ানা বলেছেন: আপনার ধারনা টা ঠিক। এটা কি গল্প নাকি সত্যি?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: আমার কোন ধারনাটা ঠিক আরিয়ানা?:|


অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন।:)

৩৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০১
আরিয়ানা বলেছেন: কিছু না। forget about it. প্লাস দিতে এসেছিলাম। যদিও আপনার দরকার নেই! ভাল থাকুন।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ভুলে গেলাম। :)

কষ্ট করে আবার এসে প্লাস দেবার জন্য অনেক অনেক টেনকু আরিয়ানা। আপনিও ভালো থাকুন।:)

৩৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০
আরিয়ানা বলেছেন: হা হা হা আপনি মাজার!!
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: পুরোন স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছি বল্লেন!! দুঃখিত সে জন্য। ভাল থাকুন আরিয়ানা।

৩৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪১
প্রলয় হাসান বলেছেন: এইটা কি কইলেন!! আমি মাজার? তা কোন পীরের মাজার?:| @আরিয়ানা।
৩৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
আরিয়ানা বলেছেন: ব্যপারটা "মজার" হবে। সরি আমি বাংলা টাইপে খুবই বাজে। আপনি অস্ট্রেলিয়ায় কোথায় থাকেন? আমরা মেলবর্ন যাচ্চি মার্চে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: হা হা। বুঝতে পেরেছি। ফান করলাম। :)

নাহ। আপনি খুব ভাল টাইপ করেন। আর ওটা তো ছিল টাইপিং মিসটেক। না জানার দোষ নয়। :)

আমি সিডনী থাকি। প্রলয় হাসান ব্লগের প্রোফাইলে আমার ইমেইল ঠিকানা দেয়াছে। মেলবোর্নে ব্লগের নুশেরাপু আর নোক্সেরডার ভাই থাকেন। "আমরা" মানে কি স্বামী-সন্তানসহ?:)

ভালো থাকুন আরিয়ানা।

৪০. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০
তারানা_শব্দ বলেছেন: আমার চোখে পানি চলে এলো! গলা বুজে গেলো!
এটা কাল্পনিক হতেই পারে না!! হলেও আমি বিশ্বাস করি না!!!
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: বিশ্বাস না হলে এখন আমি কি করতে পারি বলেন?:(

অসংখ্য ধন্যবাদ তারানা শব্দ। ভালো থাকুন।:)

৪১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: সেই কবের লেখা...আর আমি পড়লাম আজ...!


আজকে জানিনা কি হইসেরে ভাই...অনেক লেখা পড়লাম আজকে...ইচ্ছা করল হঠাত...


যাই হোক...ভালা আচেন্নি?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: আমি ভালো আছি। তুমি ভালো আছো তো বালিকা?:)


অনেক পুরনো এই লেখাটা খুজেঁ বের করে পড়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থেকো।:)

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। :D

৪৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০০
খুশবু বলেছেন: হয়তবা কারো কারো সাথে এমন হয়
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৮

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? হয়েছে নাকি কারো সাথে!!! :|


ধন্যবাদ আপনাকে।:)

৪৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
তনুজা বলেছেন: হুমম.. পুরোটাই মায়া
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। টেনকু। :)

মোট সময় লেগেছে ১.০২৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I'll come back,
When it's over.
No need to say good bye...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই