somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সহায়ক পাঠ

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এখন দরকার পা দু'টোকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা, মস্তিস্কের ধূসর বস্তু সহ যা কিছু আমার উর্বর, সব নিবেদন করছি পাহাড়ের সুউচ্চ থেকে গড়ানো, অমসৃন পাথর কিংবা বৃদ্ধ কাঠ ঠোকরা পাখির পায়ে।
গুনটানা সময় যেখানে কলোর কাছাকাছি, সেখানে অশ্বক্ষুরচ্যুতি ভাসমান সমীকরন। দু'একটি সংকেত উঠে গেছে চেনা চেনা হয়ে, যেহেতু সমীকরন, বাকিটা ইচ্ছা সমাধান।
কালো ছুঁড়ে দাও আলোর দীর্ঘ শ্বাষের বৃত্তে, স্বপ্ন ছুঁয়ে যাবে তেমন, তুমি বললেই আমি ভাল হয়ে যাব।
ছবি বললে ছবি নয়ত কিছুই নয়। নয়ত প্রলম্বিত স্বপ্নের হাঁটুতে মুখগুজে গেড়ে বসা।এক ধরনের নীল আর কালোর একটা ভাঙা যুদ্ধের প্রতিকৃতি।এখানে ভাঙা মানে গুড়িয়ে যাওয়া নয়,গাছে ডাল ভাঙলে সেখান থেকে ডাল গজাবার মত।নৌকার বৈঠা দিয়েছি, মাছ রেখেছি, ভুলে যাইনি মীনকন্যাকে, কোথাকার একটা নোঙরও আছে।জলের গভীর থেকে সঞ্চারি রঙের উজানের কথা।শৈবালের কাছে পরাজয় হতে পারে স্রোতের।শিকর-বাকড় নিয়ে অনেক কথাই যদি, তবে নৌকার বৈঠার পথে মীনকন্যার শুধুজালে উঠে আসার কথা নয়।ছিন্নমূল শিকরের কথা মুখে বলছি।

পরিযায়ী পাখিরা জীবনের কত বাঁক ফেলে দিতে চলে যায় দূরে।

ব্যথার বিলাসিতা যদিচ মনোরম সুখের চেয়ে, এটা ফেলে দেবার কোনও কারন নেই। কীসের খোঁজাখুঁজি, কীসের প্রতিক্ষা, সেটা যদি বুঝে ফেলা, সেখানেই শেষ পরিব্রাজন। পথ চলতেই পথের দেখা।রহস্য দূর থেকেই হাতছানি দেয়। তার কাছে যাওয়ার অভিযান যদি ব্যর্থ না হয়, সন্দেহ না থাকে অভিযাব শেষে, হাতছানি শেষ হয়ে যায়। রহস্যসত্যই সুন্দর, বাকীটা গোয়েন্দা কাহিনি। সেই কাহিনি শেষ বাদ রেখে সত্য জীবন্ত রাখা।

ছলাৎ ছলাৎ

এক স্বপ্নে, এক বোবা প্রেমিক, রিকশার পেছনে দৌড়ছে, রিক্‌শা কোথায় যাচ্ছে জানা নেই, চারদিকে, লোক দৌড়ছে, কোথায় যেন ভানুমতির খেল, না গেলে বাঁচা-মরা অসম্ভব। দৌড়ছে সব, বোতলের জল, বোতল থেকে বেড়িয়ে ছুটছে, কোথায়-! প্রচন্ড দৌড়, আরও দৌড়,দৌড়___দৌড়। মাটিও দৌড়চ্ছে।
বোবা প্রেমিক বা-পাশ হয়ে শোয়। এখানে বোবা প্রেমিক সমকামী হয়ে যেতে চায় ঘুম পাথরের সাথে। কোনও গল্প শোনা উৎসের হা-হুতাশ যদিবা তেমন প্রবোধ না দেয়, দীর্ঘশ্বাসের অনুরণন শিহরন তোলে।
কথায় কথা বলতে গিয়ে চারপাশের পৃথিবী যা নিয়ে আমাকে থাকতে হয়, তার পরিমাপ ছেড়ে দিচ্ছি না।

এই লেখার সময় আমার মামা মারা গেছেন, কোনও অস্বাভাবিক কিছু না, শুধু মারা গেছেন। মারা যাবার আগে তার ইচ্ছা, তার দেহ যেন ডাক্তার ছাত্ররা কেটেকুটে কাজে লাগায়। মরা শরীরের সামনে দাঁড়িয়ে ঠিক যেন তখন বিশেষ হল রং।এখানে আর পাওয়ার কিছু নেই। বেঁচে থাকতে তিনি কি আরও বেঁচে থাকতেই চাননি, তার দেহ ডাক্তারদের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে।বেঁচে থাকতে আরও কী কিছু পেতে চাওয়া নয়, এমনকি মরনের পরও, এখানে খুব ব্যক্তিকেন্দ্রিক পাওয়া না হয় যদি, তা আরও, এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের পাওয়ার কথা বলে দাঁড় করানো যায়, যা ঠিক পাবার নয়, তাও ছাড়িয়ে।
কথকথা তাই। পাশে যারা আছেন, তাদেরও এই একই সত্তায় ছলাৎ ছলাৎ রং আমাকে মৃতের শরীর ধরে বলে দিয়ে যায়।

আধ খাওয়া আপেলের আহ্বান, শেষ না হওয়া। আবোল-তাবোল কাটা আপেল, চোখে একটা শূন্য অবয়ব দেয়। এই অবয়ব 'ছিল' হয় না, 'আছে', আবার অনেক শূন্যের সাথে মিলেও গেছে। ফিউসনে আপেল খঁজলে চলবে না। অথবা আপেল নয় কেন, শূণ্যে সঙ্ঘবদ্ধ।রং এখানে রঙের পাশাপাশি।চোখে ভুল করে কাটা-গোপন,মানে গোপন কোথাও।

ক্রিটিক নই( এই শ্লা-কে কিছুতেই সেটা হতে দেয়া যাবে না) কোথাও আরও মসৃন ভাল হতে পারত,কোথাও বা ভাসমান মাছ মিলে মানুষের মুখের আদল ধরে, মাঝখানে শুরু অথবা দিক পরিবর্তন, তা উহ্য।
মাছের লেজে কার মুখ কেমন, আমার মুখে এসে লাগেনি।

শিকড়-বাকড়ের উৎস নিয়ে এখানে বলা যাবে না। যদি পারও কাউকে ফুস মন্তর দাও। পটভূমি তোলা থাকল না। ওই যে গোয়েন্দা কাহিনি। রঙের দর্শন চেয়ে রংদর্শনই মধু ও বিষের ভান্ড।কলতালায় ঘেমো কথা, উজ্জ্বল আলোয় স্যান্ডো গেন্জি, ফোকর গলে বেরিয়ে পড়া প্রাগৈতিহাসিক গুহারচাবি।
অনেক দোষ থাকে। দোষ ধরিয়ে দেয় নদীও । নিজের নাম লেখতে গিয়ে লেখা হয় গুমখুন। আসলে ঠোঁট থেকে তুলে দেয়া রক্ত, শুষে নিতে হবে বিষ।বিষ ভালবাসা কী কে জানে।

'মূর্খ দেয় হাততালি, জনতা বাহবা'।

----------------------------------------------------------------------------------
এখানে আমরা লেখা, ইন্টারেকসন, বিচরন---ঠাট্টা এবং তামাশা-------অনুরোধ ও অভিমান--------প্রতিক্রীয়া--------ভালবাসা অথবা ভন্ডামি--এর পর্যালোচনা এটি।
আমার কবিতাগুলির এলিজি এটি।
আমার কথা, আফসোস, অক্ষমতা বাচন এটি।

এটা প্রতিক্রিয়া। আমার কবিতাগুলির এলিজি এটি।

----------------------------------------------------------------------------------প্রায় প্রায় অনেকটা এই লেখা প্রায় সবাই খারিজ করেছিলেন একসময়, দু'জন বাদে।এখানে অনেকেরই অনেক লাইন পরিচিত পড়বে। জানি অতি পুনউক্তি কিন্তু আমি হতে পারি না সব ছাড়িয়ে মহান।
----------------------------------------------------------------------------------
প্রতিশিরোনাম: স্বপাঠ সহায়িকা
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০২
১৯টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×