এখন দরকার পা দু'টোকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা, মস্তিস্কের ধূসর বস্তু সহ যা কিছু আমার উর্বর, সব নিবেদন করছি পাহাড়ের সুউচ্চ থেকে গড়ানো, অমসৃন পাথর কিংবা বৃদ্ধ কাঠ ঠোকরা পাখির পায়ে।
গুনটানা সময় যেখানে কলোর কাছাকাছি, সেখানে অশ্বক্ষুরচ্যুতি ভাসমান সমীকরন। দু'একটি সংকেত উঠে গেছে চেনা চেনা হয়ে, যেহেতু সমীকরন, বাকিটা ইচ্ছা সমাধান।
কালো ছুঁড়ে দাও আলোর দীর্ঘ শ্বাষের বৃত্তে, স্বপ্ন ছুঁয়ে যাবে তেমন, তুমি বললেই আমি ভাল হয়ে যাব।
ছবি বললে ছবি নয়ত কিছুই নয়। নয়ত প্রলম্বিত স্বপ্নের হাঁটুতে মুখগুজে গেড়ে বসা।এক ধরনের নীল আর কালোর একটা ভাঙা যুদ্ধের প্রতিকৃতি।এখানে ভাঙা মানে গুড়িয়ে যাওয়া নয়,গাছে ডাল ভাঙলে সেখান থেকে ডাল গজাবার মত।নৌকার বৈঠা দিয়েছি, মাছ রেখেছি, ভুলে যাইনি মীনকন্যাকে, কোথাকার একটা নোঙরও আছে।জলের গভীর থেকে সঞ্চারি রঙের উজানের কথা।শৈবালের কাছে পরাজয় হতে পারে স্রোতের।শিকর-বাকড় নিয়ে অনেক কথাই যদি, তবে নৌকার বৈঠার পথে মীনকন্যার শুধুজালে উঠে আসার কথা নয়।ছিন্নমূল শিকরের কথা মুখে বলছি।
পরিযায়ী পাখিরা জীবনের কত বাঁক ফেলে দিতে চলে যায় দূরে।
ব্যথার বিলাসিতা যদিচ মনোরম সুখের চেয়ে, এটা ফেলে দেবার কোনও কারন নেই। কীসের খোঁজাখুঁজি, কীসের প্রতিক্ষা, সেটা যদি বুঝে ফেলা, সেখানেই শেষ পরিব্রাজন। পথ চলতেই পথের দেখা।রহস্য দূর থেকেই হাতছানি দেয়। তার কাছে যাওয়ার অভিযান যদি ব্যর্থ না হয়, সন্দেহ না থাকে অভিযাব শেষে, হাতছানি শেষ হয়ে যায়। রহস্যসত্যই সুন্দর, বাকীটা গোয়েন্দা কাহিনি। সেই কাহিনি শেষ বাদ রেখে সত্য জীবন্ত রাখা।
ছলাৎ ছলাৎ
এক স্বপ্নে, এক বোবা প্রেমিক, রিকশার পেছনে দৌড়ছে, রিক্শা কোথায় যাচ্ছে জানা নেই, চারদিকে, লোক দৌড়ছে, কোথায় যেন ভানুমতির খেল, না গেলে বাঁচা-মরা অসম্ভব। দৌড়ছে সব, বোতলের জল, বোতল থেকে বেড়িয়ে ছুটছে, কোথায়-! প্রচন্ড দৌড়, আরও দৌড়,দৌড়___দৌড়। মাটিও দৌড়চ্ছে।
বোবা প্রেমিক বা-পাশ হয়ে শোয়। এখানে বোবা প্রেমিক সমকামী হয়ে যেতে চায় ঘুম পাথরের সাথে। কোনও গল্প শোনা উৎসের হা-হুতাশ যদিবা তেমন প্রবোধ না দেয়, দীর্ঘশ্বাসের অনুরণন শিহরন তোলে।
কথায় কথা বলতে গিয়ে চারপাশের পৃথিবী যা নিয়ে আমাকে থাকতে হয়, তার পরিমাপ ছেড়ে দিচ্ছি না।
এই লেখার সময় আমার মামা মারা গেছেন, কোনও অস্বাভাবিক কিছু না, শুধু মারা গেছেন। মারা যাবার আগে তার ইচ্ছা, তার দেহ যেন ডাক্তার ছাত্ররা কেটেকুটে কাজে লাগায়। মরা শরীরের সামনে দাঁড়িয়ে ঠিক যেন তখন বিশেষ হল রং।এখানে আর পাওয়ার কিছু নেই। বেঁচে থাকতে তিনি কি আরও বেঁচে থাকতেই চাননি, তার দেহ ডাক্তারদের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে।বেঁচে থাকতে আরও কী কিছু পেতে চাওয়া নয়, এমনকি মরনের পরও, এখানে খুব ব্যক্তিকেন্দ্রিক পাওয়া না হয় যদি, তা আরও, এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের পাওয়ার কথা বলে দাঁড় করানো যায়, যা ঠিক পাবার নয়, তাও ছাড়িয়ে।
কথকথা তাই। পাশে যারা আছেন, তাদেরও এই একই সত্তায় ছলাৎ ছলাৎ রং আমাকে মৃতের শরীর ধরে বলে দিয়ে যায়।
আধ খাওয়া আপেলের আহ্বান, শেষ না হওয়া। আবোল-তাবোল কাটা আপেল, চোখে একটা শূন্য অবয়ব দেয়। এই অবয়ব 'ছিল' হয় না, 'আছে', আবার অনেক শূন্যের সাথে মিলেও গেছে। ফিউসনে আপেল খঁজলে চলবে না। অথবা আপেল নয় কেন, শূণ্যে সঙ্ঘবদ্ধ।রং এখানে রঙের পাশাপাশি।চোখে ভুল করে কাটা-গোপন,মানে গোপন কোথাও।
ক্রিটিক নই( এই শ্লা-কে কিছুতেই সেটা হতে দেয়া যাবে না) কোথাও আরও মসৃন ভাল হতে পারত,কোথাও বা ভাসমান মাছ মিলে মানুষের মুখের আদল ধরে, মাঝখানে শুরু অথবা দিক পরিবর্তন, তা উহ্য।
মাছের লেজে কার মুখ কেমন, আমার মুখে এসে লাগেনি।
শিকড়-বাকড়ের উৎস নিয়ে এখানে বলা যাবে না। যদি পারও কাউকে ফুস মন্তর দাও। পটভূমি তোলা থাকল না। ওই যে গোয়েন্দা কাহিনি। রঙের দর্শন চেয়ে রংদর্শনই মধু ও বিষের ভান্ড।কলতালায় ঘেমো কথা, উজ্জ্বল আলোয় স্যান্ডো গেন্জি, ফোকর গলে বেরিয়ে পড়া প্রাগৈতিহাসিক গুহারচাবি।
অনেক দোষ থাকে। দোষ ধরিয়ে দেয় নদীও । নিজের নাম লেখতে গিয়ে লেখা হয় গুমখুন। আসলে ঠোঁট থেকে তুলে দেয়া রক্ত, শুষে নিতে হবে বিষ।বিষ ভালবাসা কী কে জানে।
'মূর্খ দেয় হাততালি, জনতা বাহবা'।
----------------------------------------------------------------------------------
এখানে আমরা লেখা, ইন্টারেকসন, বিচরন---ঠাট্টা এবং তামাশা-------অনুরোধ ও অভিমান--------প্রতিক্রীয়া--------ভালবাসা অথবা ভন্ডামি--এর পর্যালোচনা এটি।
আমার কবিতাগুলির এলিজি এটি।
আমার কথা, আফসোস, অক্ষমতা বাচন এটি।
এটা প্রতিক্রিয়া। আমার কবিতাগুলির এলিজি এটি।
----------------------------------------------------------------------------------প্রায় প্রায় অনেকটা এই লেখা প্রায় সবাই খারিজ করেছিলেন একসময়, দু'জন বাদে।এখানে অনেকেরই অনেক লাইন পরিচিত পড়বে। জানি অতি পুনউক্তি কিন্তু আমি হতে পারি না সব ছাড়িয়ে মহান।
----------------------------------------------------------------------------------
প্রতিশিরোনাম: স্বপাঠ সহায়িকা
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



