দিন দিন অপেক্ষা করে আছি, মা-বাবা চলে যাবেন, বান্ধবীকে নিয়ে বাড়ি আসব। তার আরেক বান্ধবী আসবে। আমরা পাশের ঘরে চুমু খাব। পাশের ঘরে মেয়েটি চোখ রাখবে, কাগজে, দেয়ালে, দরজায় এবং বিছানার চাদরে। মেয়েটি, অভিলাষা, এরকমই নাম। তার ভাই আমার একক্লাসের ছোট। এখন টুইশ্যান করে, বোনের হাতে মেহেন্দী এঁকে দেয়। বাড়ির উঠোনে যে নবম শ্রেণীর ছাত্রীটি রোদে মেলে দেয় ভেজা জামা, তাকে তার ভূগোল পড়াতে, ইতিহাস পড়াতে ইচ্ছা হয়। ইচ্ছা হয়, বইয়ে মলাট দিয়ে দিতে। ইচ্ছা হয়, কলেজের দর্শনপড়াতেও, টাকা ছাড়া। খাতার উপর কয়েকবার নামও লিখেদিয়েছে,মালতি, শেফালি,নেহা, সিমরন। অভিলাষা কথাটা , হাতের তালুতে লিখে মুছে ফেলে। নিজের টাকায় লিখে সেই দোকানে খরচ করে যেখানে তার বাবা পান কিনতে যান প্রতিদিন।
বাবা-মা চলে যাবেন, ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে, ছেলেটি যাবে ট্যুইসান করতে, মেয়েটি আসবে চুমু খেতে, এই ছেলেটির অফিস নেই, অপেক্ষা করছে, ঐ মেয়েটি রোদে মেলে ধরবে সদ্যঅনভ্যস্ত অন্তর্বাস যেহেতু বাড়ির বাইরে কথা বলে নাকের ডগার ঘাম রুমালে মুছে নিতে পারেনা, ছাত্র পড়িয়ে স্টকক্লিয়ারের লিপস্টিক কিনবে ছেলেটি বোনের জন্য, আগেই ডাক্তারদেখানো দরকার হলেও, কয়েকমাস আগে টিকিট কেটে ভাড়ার ছাড়নিয়ে পৌঁছানো, ফাঁকে টেসে গেলে, সেটাও বেঁচে কাজে লাগে, মেয়েটি কিছুতেই চাকরি করতে চায় না কিন্তু ভাবে প্রথমবিভাগে পাশ করলে পরে যদি রোজগার হয়, ছেলেটির ট্যুইশান করানো বন্ধ করে দেয়া যাবে, ছেলেটি টাকায় নাম লিখে বাবার অনুমতি চায়
প্রত্যেকে নিজেই প্রতিশোধ,
সেটাও ঠিকঠাক হচ্ছেনা।
_______________________________________

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

