আদিগন্ত পরে আছে পাতানো ইশারার জট
মুখের শব্দে সেই বলে দিয়ে যেমন অনর্থ
স্থানিক বিষমতা মাঝবেড়া, বোঝা নড়ে-চড়ে
লতা'র ফুল, বাসী থুথু, আরও কিছু চোখের উদবৃত্ত
বুড়ো আঙুলে গড়িয়ে পরে যার রক্ত, বয়স ঋতুসময়ের কম ।
গোড়ালি ধরে এসে সেই লাল সাজানোর -আবেদনের পেছনে প্রতিযোগিতায় । রক্তে ভেসে যায় পুরোনো একই দাগ,যেদিন ছেড়েছে খোলস, ভেতর থেকে বেড়িয়ে পড়ে উর্বর বিষ, নতুন শরীর কেঁপে ওঠে থামে, খাবার-চাই, এসব না বলে।
, তারপরেও যেসব হাত আকাশের দিকে মেলে ওঠে, আমাদের পায়ের নীচের কড়কড় ঘেঁটে ঘেঁটে নেমে আসে বিক্ষত। এইভাবে এখানে নেমে আসছে ক্রমাগত।
হাসপাতালের বারান্দায়ও একইরকম। সেখানেও নেমে আসা ক্ষতে মলম লাগায় না কেউ, সেখানে জন্মের মালিকানা কেউ তলিয়ে দেখে না, নিখোঁজ বিছানায় কে শুয়ে ছিল, কীভাবে শুয়েছিল। বারন্দার নিরাপত্তায় ঘরগুলোতে এদের ঢুকিয়ে দেবার কেউ নেই, সেখানে অভিবাবকহীনতা এবং অক্ষমতা, দুটোই অপরাধ গুরুতর।
হাইড্রেনের পাশের ঘাস তাদের কোল দেয়, যে ঘাস নিজেও ক্ষনিক।
শ্রেণীচেতনা বিলোপ এইভাবে, মানে পাল্টে স্থায়ী হয়ে গেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

