আমার প্রিয় পোস্ট
- ২৪ শে অগাস্ট ব্লগার কালবেলা আর প্রত্যুৎপন্নমতিত্বর শুভ জন্মদিন - সুলতানা শিরীন সাজি
- নবীনদের জন্য - নাদান
- একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি - মুকুল
- আমার মেয়ের নামে বন্ধক রেখো আসমানদারী - আজহার ফরহাদ
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- ফিরে পাওয়া মুখ - সুলতানা শিরীন সাজি
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-১ - মানচুমাহারা
- দুঃখপাচার - মুজিব মেহদী
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- সপ্তাহের নির্বাচিত ব্লগ [১৬ ডিসেম্বর - ২২ ডিসেম্বর] - একস্লিপ
- সামহোয়ারে ৩য় সংস্করনে কমেন্টে যেভাবে লিংক এড করা হয় - নাজিরুল হক
- উইকিপিডিয়া খুঁজছে --- আপনাকেই!! - রাগিব
- ব্লগার আড্ডার কয়েকটি ছবি.. - নতুন পৃথিবী
- ব্লগারদের মিলন মেলার কিছু ছবি !!! - সুখী মানুষ
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- সাহায্য চাই: ল্যাপটপে ভাইরাস: আইটি এক্সপার্টরা, বাঁচান.. - রাহী
- একা - সুলতানা শিরীন সাজি
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- পিডিএফ ফাইল তৈরির সফটওয়্যার ডুপিডিএফ (DoPDF) - বিপ্র
বাড়ির নাম ‘কালবেলা’
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
মনের মাধুরি মিশিয়ে
চোখের সাধ্ মিটিয়ে
বুকের কাব্য জড়িয়ে
মেঘের বৃষ্টি ঝরিয়ে
শিউলির গন্ধ ছড়িয়ে
স্মৃতির নুপুর পড়িয়ে
আমি বানাবো সে বাড়ি।
আসবে কখনও?
সহসা চিনবে না জানি।
তোমার ইদানীংকালের চেনাজানা হাটা পথেই পড়বে বাড়িটা
বিনে পয়সায় পেয়েগেছি জায়গাটা।
অনেকেই এসে বসত করছে সেখানে
না না ঘর হয়ত বাঁধছে না
তবে থেকে যাচ্ছে বা রেখে যাচ্ছে একটা বাংলো বাগান বাড়ি
মাঝে মাঝে এসে হাফ ছেড়ে যায়।
আমি সেখানেই আছি
এসব জায়গায় যদি কোনদিন এসেই পড়
যদি কোন দিন ঢুকেই পড় সেই বাড়িতে
অবাক হবে তুমি !
দেখবে কত কি দিয়ে সাজিয়েছি আমি!
না বলে দিলেও
ড্রয়িং রুমে দেখতে পাবে সেই গাছটা
আজো অমলিন
যার নিচে বসা তোমার আমার ছবি তুলে দিয়েছিল রাখাল ছেলেটা?
কোন দিন ক্যামেরা ধরেনি
ডিজিটাল ক্যামেরাটা ধরতে তার কত আপত্তি!!
তবুও ছবিটা কত মিষ্টি উঠেছিল না?
ঐ দেখ, ঐ দিকে দেখ-
না না এক্যুরিয়াম নয়
ওটা সেই নদীটা
দুজন নৌকা ভ্রমন? হা…হা……মাঝিটাও বেস রসিক ছিল।
নদীতে যে পানি দেখছ- ওগুলো তোমার কান্না,
হুঁ হুঁ গত পাঁচটা বছর ধরে ঘুরে ঘুরে কুড়িয়ে এনেছি!
এদিকে এসো , দেখো-বুক শেলফ জুড়ে
তোমার অভিমানগুলো,
তোমার আদরগুলো
তোমার ভালোবাসাগুলো
তোমার অপেক্ষাগুলো
তোমার বিনীদ্র প্রহরগুলো
তোমার চিঠিগুলো
তোমার হাসিগুলো
তোমার ছোঁয়াগুলো
তোমার আব্দারগুলো
তোমার বাক্যগুলো,শব্দগুলো
সময়গুলো,বকুনিগুলো…………আরো কত কি!
উপরে তাকাও- না না ফ্যান নয়
ওগুলো তোমার ওড়না নয়ত আঁচল
যে ঘরে যেটা ম্যাচ করেছে আর কি!
যাই হোক, কেমন হচ্ছে বলো ?
সবটা নিজে নিজে ঘুরে ঘুরে দেখো কিন্তু।যদিও এখনো অনেক কিছুই বাকি।
এখনো ইলেক্ট্রিসিটি নেই নি
বলবে চলছি কি দিয়ে?
এদিকে এস্,ঐ যে দেখ
তোমার ফেলে আসা চোখ দুটো
কুড়িয়ে এনেছি,
যখন সূর্য ডুবে নামে সন্ধ্যা
সন্ধ্যা ঘনিয়ে বসে প্রহর
প্রহর পেরিয়ে চলে সুব্হেসা’দেক ,
অথবা অমাবস্যার ঘুটঘুট্টি অন্ধকার
ঘন দেয়া বরষায় চারিদিক ছাই
শৈত্য প্রাবাহের সূর্যহীন দিন
অনাবিল
ঐ দুটো চোখ,
আমায় আলো দিয়ে যায়
নিরন্তর………।বাড়ির নাম ‘কালবেলা’।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
কালপুরুষ বলেছেন:
খুব চমৎকার লিখেছেন। ভাল লাগলো। একদিন আসবো বেড়াতে সেই বাড়িতে, গোধূলিবেলায়।
লেখক বলেছেন: কালপুরুষ'দ,
আগে বলেন কেমন আছেন?ঈদ মুবারাক। নতুন লেখা কই? ক্রেডিটক্ররড ক্যাশ করেন আর আমাদের জন্য নতুন ঈদি ছাড়েন। জানেন তো ঈদ মোবারক দিলে ঈদি দিতে হয়!
আর আপনি আমার বাড়িতে নিজে মুখে আসতে চাইছেন এইটা আমার অনেক বড় সৌভাগয় কালপুরুষ'দা। যাই হোক......একটু সবুর বাড়ি হইতেসে।আপনাদেরই আশে পাশে......মাঝে মাঝে ভুল করে অনেকেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আমার বাড়ির দিকে তাকাইছিল ,
আমার মনে আছে আপনিও তাকাইছিলেন কিন্তু বুঝতে পারেন নাই।আমি কিন্তু ঠিকই বুঝছি- এইটা কালপুরষদা।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমি ভাল আছি। আপনাকেও ঈদ মোবারক। সবার টাকা তোলার হিড়িকে কিছু এটিএম বুথে বিমুখ হয়ে ফিরতে হলো। ক্রেডিট কার্ড পাঞ্চ করলেই রিপ্লাই আসে-"সরি, সারভিস ইজ আনএ্যাভেইলেবল এ্যাট দিস মোমেন্ট"। কিংবা, "ফান্ড ইজ ইনসাফিসিয়েন্ট, প্লিজ ট্রাই লেটার অন"। আপনার বাসাটা আমি ঠিক চিনতে পারিনি। "কালবেলা" নামের কোন বাড়ি আমার বাড়ির আশে পাশে নেই। থাকলে বিনানুমতিতেই আমার অনুপ্রবেশ ঘটতো।
লেখক বলেছেন:
হামযা! দারুন ধন্যবাদ।
ঈদ মুবারাক।
গ্রস একটা মিস্টেক করে ফেলসি!! আমি বলছিলাম আপনি আমার বাড়ির দিকে তাকাইছিলেন, কিন্তু আসলে না। "আপনি আমার বাড়িতে আসছিলেনও" এবং প্রতিনিয়তই আসেন। হা...হা......কি বিশ্বাস হচ্ছে না?
আপনি সরকারী উন্নয়ন সংস্থার বড় কর্মকর্তা বলেই শুধু নয়, বরং মনে প্রানে একজন প্রকৃত উন্নয়নকামি বলে আপনার মুল্যবান অ্যাপ্রুভাল, আমি আমার বাড়ির প্রত্যেকটা ইন্টেরিয়র কালেকশন এবং ঊন্নয়নেই পেয়ে আসছি। আপনাকে নতুন করে আমার বাড়িতে আর কি আনব!
তবে বৃষ্টি থেকে বাঁচতে, রোদ থেকে ছায়া পেতে ইট-সুরকির আর একটা বাড়িও দরকার। সেখানে অবশ্যই আপনি যাননি এখনো আর তাই অবশ্যই নিয়ে যাব।
ধন্যবাদ।
( পুনশ্চঃ বেশি হেঁয়ালি হয়ে গেল নাকি ?)
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত সুন্দর একটা কবিতা।দারুন..এমন একটা বাড়িতে একবার হলেও যেতে চাই....।.ঈদ এর শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: শিরীন,
দারুন ধন্যবাদ আপনাকে। ঈদের শুভেচ্ছা নিলাম , ঈদ মুবারাক।
কালপুরুষ বলেছেন:
না হেঁয়ালী নয়। বুঝতে পেরেছি। ইনভিজিব্যল্ বাট ইনভিনসিব্যল্ টাচ এ্যট ইওর ইন্টেরিওর - মানুষের হৃদয় দেহের ভেতরে থাকে তবুও মানুষ তাকে ছুঁতে পারে- হাতের ছোঁয়া নয়, আবেগ আর অনুভূতির ছোঁয়ায় হৃদয় ভরিয়ে দেয়া যায়। আপনাকেও সেভাবে ছোঁয়া যেতেই পারে। আমাকেও ছুঁয়েছেন আপনি আমাকে সম্মান দেখিয়ে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
হুম্ম্......এটাও হতে পারে আবার আমার ব্লগটাও কি হতে পারে আমার সেই বাড়ি? এবার লেখাটা আর একবার পড়ে দেখুন তো কেমন লাগে?
(লেখক কর্তৃক লেখার রহস্যভেদ ঘটিল!!! )
লেখক বলেছেন: ঈদের দাওয়াত রইল,
ঈদ মুবারাক।
লেখক বলেছেন:
বিহংগ বিমোহিত
ফুলেরা বিব্রত,
কি হল কি হল
বাগান যে ভরে গেল !
আদনান ফায়সাল বলেছেন:
অসাধারণ!!!!!! এরকম যদি লিখতে পারতাম!
লেখক বলেছেন:
অসাধারন ধন্যবাদ।
হুম্ম...
পলিটেকনিকো দি মিলানো (ইতালি) এর মাস্টার্স ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র। লেখা-লেখি করতে ভালোবাসেন, কিন্তু অলসতার কম্বল থেকে বেরিয়ে আসা খুব একটা হয় না.........হা...হা......।
কি দরকার বেরিয়ে আসার ,বের না হতে হলে? জাস্ট রিল্যাক্স।
লেখক বলেছেন:
নিহন,
হুম অবশ্যই.........সাদরে.........।।
লেখক বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মুকুল।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা রইল।
প্রচেত্য বলেছেন:
মুগ্ধতায় আবদ্ধ হয়ে গেলাম ব্লগের "কালবেলা" নামের ছোট্ট বাড়ীতে ঢুকে
যে আবদ্ধতায় সমস্ত উচ্ছাস, আনন্দ, বেদনা, অশ্রু এক সাত রং-এর রংধনু করে দিল যেখানে প্রতিটি রং আলাদা কিন্তু একই জাগায় বাস, সহবস্থান।
লেখক বলেছেন:
প্রচেত্য,
আপনি এত সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেন কি করে? অন্যান্য, অনেকের লেখায় ও দেখেছি খুব সুন্দর করে , যত্ন করে মন্ত্যব্য করেন আপনি!!
এ এক অনবদ্য গুন, স্রষ্টা আপনাকে দিয়েছেন!
অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
বাড়িজুড়ে স্মৃতিগুলো
ঘুরে ঘুরে নেচে যায়
চেনা মনে সুরে সুরে
কার চুড়ি বেজে যায়।
প্রিয় হাসি মনে করে
চোখ জলে ভিজে যায়।
কবিতাটা পড়ে স্মৃতির কাছে সঁপে দিয়ে আসা প্রিয় কারো কথা মনে পড়ে গেল।
মন খারাপ করে দেবার মত ভাল কবিতা।
অসম্ভব সুন্দর প্রকাশ আপনার!
অনেক অনেক ধন্যবাদ জিহাদ।
আপনার এই ছয় লাইনের কবিতাই একজন সংবেদনশীল মনের মানুষকে কাঁদাতে সক্ষম।
আমি যেগুলা লিখি
কিংবা কলমে দেখি
না হয় কবিতা;
না হয় ছড়া
কবিতার 'ক' আর
ছড়াটার ' ড়া ' নিয়ে
হয়ে যায় কড়া।
রাশেদ বলেছেন:
ভালোই।
নীল েঢউ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন:
নীল ঢেঊ ,
অনেক ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কালবেলাবলতে আসছিলাম....... খুব বেশী ব্যাস্ততা নাকি?
মিস করতেছি তোকে।
তোর লেখালেখি কি বন্ধ?
কোথায় আছিস?কেমন আছিস?
লাপাত্তা কেনো?
শুভেচ্ছা নিস।
সাজি'বু
পথিক মানিক বলেছেন:
সাজি কিসে মন্তব্য দিল দেখতে এসেছিলাম।এসে অবাক হলাম।
এতসুন্দর একটা কবিতা এখান...........
আমি এই আসরে নতুন কি না তাই।
ভাল লাগা রেখে গেলাম কবি।

















