আমার প্রিয় পোস্ট

বাঙ্গালীর জাতীয় রোগ কি হাঁপানি, পাইলস আর যৌন সমস্যা?

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২৫

শেয়ারঃ
0 1 0

লেখাটি বিষয় কিছুটা রীতি বহির্ভূত মনে হলেও আমার মনে হয় পাঠক সকলেই এ সমস্যা নিয়ে সম্যক অবগত। প্রচন্ড বিরক্তি আর সচেতন নাগরিক হিসাবে বা নিকট কেউ যাতে প্রতারিত না হন, সে সচেতনতা সৃষ্টির জন্যই আমার লেখা।

রাস্তাঘাটে, বাজার-হাটে কিংবা স্টেশন, বন্দরে বিভিন্ন গাছের সাথে কিংবা লাইটপোস্টের গায়ে ঝোলানো অথবা যারা নিয়মিত বাসে চলাচল করেন, তাদের বোধহয় একটি বিষয় প্রতিনিয়ত চোখে পড়ে। আর তা হলো হাপানি, পাইলস আর পুরুষত্বহীনতা দূরীকরণের বিজ্ঞাপণগুলো। অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায়, কুরুচিপূর্ণ বিজ্ঞাপণগুলো বাসের ভেতরে জানালায় কিংবা ড্রাইভারের সামনের কাঁচটিতে সেটে থাকা পোস্টারগুলোর বক্তব্য প্রায় একই। সেদিন দেখলাম একটার পাশে আবার কাবা শরীফের ছবি সেঁটে দেয়া হয়েছে। নোংরামীর চুড়ান্ত সীমা ছাড়িয়ে যেতে দেখে একবার ভাবলাম, পোস্টারের নিচের মোবাইল নাম্বারটাতে রিং দিয়ে কয়েকটি গালি পাঠিয়ে দেই। অনেক কষ্টে নিজেকে সংবরণ করলাম। আবার প্রায়ই দেখা যায় কিছু বোরখা পড়া মহিলা স্টপেজগুলোতে বাসের জানালা দিয়ে ছোট ছোট বিজ্ঞাপনের কাগজ ফেলে দিচ্ছে যাত্রীর কোলে। গরীব এই মহিলাগুলো সারাদিন কষ্ট করে ১০০-১৫০ টাকা রোজগারের আশায় এ পেশা বেছে নিয়েছে। এসব লিফলেটের বক্তব্য ঐ একই। হাপানি নির্মুল, পাইলস নিশ্চিহ্ন আর আগা মোটা,গোড়া চিকন, আকারে ছোট, বিয়ের আগে ভয় আর অশ্রাব্য যত শব্দ। প্রথমত দুটি কমন সমস্যা হচ্ছে হাপানি আর পাইলস। বিজ্ঞাপণ গুলোতে ২৪ ঘন্টার ভেতরে ফলাফলের গ্যারান্টি দেয়া হয়। দেশজুড়ে এত প্রচারণায় মনে হয় বাংলাদেশীরা জাতীয়ভাবে হাপানি, পাইলস আর আগা মোটা, গোড়া চিকন,আকারে ছোট (কথাগুলো এভাবে বলতে চাইনি, কিন্তু বিজ্ঞাপনে ভাষা আরও নোংরা) সমস্যায় ভুগছে।

আমার অফিসের এক কর্মচারী, যার সমস্ত বস হচ্ছেন ডাক্তার, ছোটবেলা থেকেই হাপানির রোগী। এ রোগীদের র্দুভাগ্য এটাই যে, এ রোগটি স্টাবলিসড হয়ে গেলে পুরোপুরি নির্মুল করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু একজন রোগী কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ খেলে আজীবন সুস্থ মানুষের মতো জীবন যাপন করতে পারেন। সে মনভোলানো বিজ্ঞাপনে নিয়মিত ঔষধ খাবার যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে এক পীরের কাছ থেকে ঔষধ নিয়ে আসল। আমাকে অফিসে এসে দেখাচ্ছে, স্যার, অমুক স্যারের ঔষধ অনেকদিন খেলাম (স্বনামধন্য চেস্ট স্পেশালিস্ট), অসুখ তো পুরা ভালো হয়না। এক পীর সাহেবের কথা শুইনা তার কাছ থেকে স্বপ্নে পাওয়া হারবাল ঔষধ নিয়া আসলাম।
পীর বললো সারা জীবনে আর কিছু খাইতে হবেনা, এটা খাইলেই হবে।
আমি বলি, তুমি এত ডাক্তারের অধীনে কাজ করে পীর সাহেবের কাছ থেকে ঔষধ আনলে?
আপনি একটু দেখেন। ছোট্ট একটা কাগজের পোটলা, তার ভেতরে অর্ধেক করে রাখা কিছু ট্যাবলেট। দেখে আমি তো হতবাক। হায়রে বাঙ্গালী।
বললাম, এই তোমার হার্বাল ঔষধ!! এগুলো তো স্টেরয়েড আর এরকম ট্যাবলেট বানাতে গেলে তো কয়েক কোটি টাকার মেশিন লাগে। পীর সাহেব কি সরাসরি এগুলো স্বপ্নে আমদানি করে নাকি মেশিনে বানায়? আর এ ঔষধ সারা জীবন খেয়ে গেলে তো তোমার কিডনী, লিভার সব যাবে।
আমি তাকে দুটো টুকরো মিলিয়ে দেখালাম। একটা ঔষধ কোম্পানীর নামও বোঝা গেল। সব দেখে শুনে সে পুরো বোকা বনে গেল। আমতা আমতা করে বলে, কিন্তু স্যার হাজার হাজার মানুষ তো তার কাছ থেকে নিয়ে এই ঔষধই খাচ্ছে।
আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম,আর এজন্যই তো হাসপাতাল আর ডাক্তার চেম্বারে দিন দিন লিভার আর কিডনী সমস্যার রোগীর ভীড়ও বাড়ছে। এই হলো আমাদের সচেতনতার নমুনা।

পাইলস রোগটি মূলত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে, তারাই বেশি ভোগেন। টয়লেটের সময় রক্ত যায়। এ নিয়ে আরেকদিন লিখব, পোস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে। তবে মনে রাখা দরকার, এটি ১ ডিগ্রী, ২ ডিগ্রী ও ৩ ডিগ্রী হিসাবে চিকিৎসা করা হয়। ২ ডিগ্রী ও ৩ ডিগ্রীর চিকিৎসা মূলত সার্জারী। বাংলাদেশে অত্যন্ত সুলভে মেডিকেল কলেজ, জেলা সদর হাসপাতাল সহ প্রায় সকল হাসপাতালে এর সার্জারী সম্ভব। পিজি হাসপাতালসহ ঢাকার কিছু বেসরকারী হাসপাতালে না কেটেই বিশ্বমানের অপারেশন হচ্ছে। সম্প্রতি কিছু ভালো ঔষধও বাজারে এসেছে, ১ ডিগ্রীর জন্য কাজে দেয়। তবে প্রচলিত অপচিকিৎসায় সাময়িক ভালো বোধ হলেও শেষ পর্যন্ত দেরী করার কারনে ১ ডিগ্রীর রোগীরা যখন সার্জনের কাছে যায়, তখন অলরেডি প্রমোশন হয়ে রোগ ২ বা ৩ ডিগ্রী হয়ে গেছে।

পাশ্চাত্যে ইন্টারেস্টিং রোগগুলোর মাঝে, 'বাংলাদেশী সিনড্রোম' নামে একটি রোগ আছে, যার শতকরা ৯০ ভাগ রোগীই মূলত বাংলাদেশী। এসব সিনড্রোমে আক্রান্ত রোগীরা ডাক্তারদের কাছে উপরোক্ত কয়েকটি মোটা-চিকন,ছোট-বড় মার্কা যৌন সমস্যা নিয়ে যান এবং হাসির পাত্রে পরিণত হন। এমনই সিনড্রোম যে তার নামই হয়ে গেছে দেশের নামে। পাশ্চাত্যে হাসির কারণটি হচ্ছে, আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আর অসচেতনতা। সস্তা বিজ্ঞাপণে আমরা জাতীয়ভাবে এতটাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছি যে মনে হয় সমস্যাগুলো আসলে বাস্তব। অথচ অসাধু এক শ্রেনীর ব্যবসায়ী আমাদের পুরো জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। পাঠকের সচেতনতার জন্য এতটুকু বলছি যে বাহ্যিক কোন আকার-আকৃতি কোন প্রয়োজনের মুহূর্তে কোন সমস্যার জন্ম দেয়না, কারণ ব্যক্তিগত জীবনে সুখী হবার জন্য আকার-আকৃতির ভূমিকা অতি নগণ্য। পোস্টের শালীনতার রক্ষায় এর বেশি বলতে পারছিনা, তবে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। স্বাভাবিক যে কোন ব্যক্তিরই এজাতীয় কমপ্লেন থাকতে পারে। যতক্ষণ না ব্যক্তিগতভাবে সত্যিকারের সমস্যা ফিল করছেন, এ চিন্তাগুলোকে আপনি র্নিদ্বিধায় ইগনোর করতে পারেন। আর সমস্যা হলে ডাক্তার তো আছেনই। তবে এমন কোন ঔষধ নেই, যা ঐসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। যদি কেউ পারেই, রিস্ক আপনার। যত ঔষধ প্রেসক্রাইব করা হয়, সবই ফাংশনাল স্টিমুলেটর। অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে দৌড়ান। মনে রাখা দরকার, তারা হচ্ছেন যৌন ও তৎসংক্রান্ত রোগের চিকিৎসক, ফাংশনাল কোন প্রবলেম তারা চিকিৎসা করেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রব্লেমটি নেহায়েতই মানসিক দুর্বলতা। এজন্য ভূক্তভোগীকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছেই যেতে হবে।

স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আমাদের জানার পরিধি যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি সঠিক বিষয়টি না জানার কারনে আমরা প্রায়শই বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুকির মাঝে পড়ে যাই। আপনার আপনজনকে পরামর্শ দিন যে, কোন ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে কার্পন্য না করতে। ভিজিট দিয়ে প্রাইভেটভাবে না দেখাতে চাইলে সিম্পলি সরকারী বা বেসরকারী হাসপাতালের আউটডোরে ৫-২০ টাকার টিকিটে ভালো পরামর্শ ও সেবা পাওয়া সম্ভব। নানা অভিযোগের মাঝেও সেখানে ভালো সেবা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু সেটুকু পেতে খানিকটা উদ্যোগী হওয়া ছাড়া আর কি উপায় আছে বলুন?

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩১
হাসান মাহবুব বলেছেন: বাংলাদেশি সিনড্রোমের কথাটা আগেও শুনসিলাম। আপনার পোস্ট পৈড়া শিউর হৈলাম। লইজ্জার বেফার!
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: কোন রোগের নামের সাথে একটি দেশকে জড়িয়ে বিদেশীগুলো হাসাহাসি করছে........ভাবতেই কেমন লাগে বলুন তো?

৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
জিতু৭৫ বলেছেন: ভাই,আপনার তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটা পড়ে খুব ভাল লাগল।এভাবে বিঙ্গাপন দেওয়া বন্ধ করার জন্য সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে।ভাই জান,ডায়াবেটিসের ওপর একটা তথ্যবহুল পোষ্ট দিন।অনেকে কাজে লাগবে।ধন্যবাদ।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আন্তরিক চেষ্টা করব আপনার পরামর্শ বাস্তবায়নের।

৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সইত্য সত্যই লইজ্জার বেফার!
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: সইত্য সত্যই লইজ্জার বেফার! উদ্বেগেরও।

৫. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪০
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ভুয়া ডাক্তার থেকে সাবধান।
৬. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪০
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ভুয়া ডাক্তার থেকে সাবধান।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: যেকোন ভুয়া জিনিস থেকেই সাবধান হওয়া উচিত নয় কি?

৭. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
জহির২০১০ বলেছেন: আমি আর কি বলব, বাঙালীর সভাব এমনই। তারা সবসময়
সাধুবাবা-পীরবাবাদের ভক্ত আর বিশ্বাসী।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই এ-ও জানেন যে এদের েভতর অনেকস বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটও আছেন। সমস্যা জাতীয়। শিক্ষার কোন লেভেলেই আমাদের বেসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে কখনই আইডিয়া দেয়া হয়না?

৮. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
ঘাসফুল বলেছেন: ব্যাফক লইজ্জার ব্যাফার :(
৯. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
ছুক্কুরালী বলেছেন: আরে এগুলান ল্যাহেই। একবার আফনেরে বদনা পাইলে বিশ তিরিশ হাযারেও কুল কিনারা করাহারব্যান না। কইবো আফনের সমস্যা পুরান, এই ওষুদে কাম করবো না, বৈঠক করা লাগবো। হ্যার বাদে বৈঠকের ট্যাকা দিবেন ৫/১০ জন জরিবুটির বিশষজ্ঞ আনতে তো আর কমডি ট্যাকা লাগে না। এইসব বিশষজ্ঞ আইলে দ্যাকবেন সব এক্কেরে বকলম আর গাঞ্জুটির দল। এগুলারে আফনে ইডাবাঙ্গার কামো দিতেন্না। এগুলান অইলো জরিবুটির বিশষজ্ঞ। বৈঠক অইলে তো ট্যাকা শ্যাষ। আবারো ওষুদ কাম না করলে আবার বৈঠক। বৈঠকের পর আকামের বৈঠকের নামে দান্দাবাজি বুইজ্জা আফনে নিজেই কইব্যান আমার রোগ বালা অয়া গ্যাসে। মানে বিক্কা চাইনা মা কুত্তা সামলা আরকি। যাউগ্গা... আফনের পুষ্টে একটা প‌্যালাস মাইরা দিলাম।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও প্লাস

১০. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: রাস্তাঘাটে, বাসে সবসময়ই দেখা যায় কিছু লোক বা মহিলা এই ধরনের মহৌষধের লিফলেট বিলি করে। এই কম্পানিগুলি আমাদের দেশের প্রশাসনের সামনেই সবে জনসাধারনকে প্রটারিত করছে। এই কম্পানিগুলি বন্ধ করে দিয়ে এদের শাস্তি মূলক ব্যাবস্থা গ্রহন করা উচিৎ।

তবে মজার কথা হলো এক সচিব মহোদয় আমাকে বলেছেন এই ধরনের কবিরাজি ঔষধ খেয়ে তিনি এখন একেবারে সুস্থ্য।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: এটির দায়িত্ব ঔষধ প্রশাসন আর বিএসটিআইয়ের, আমরা সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা ছাড়া আর কি করতে পারি, বলুন?

বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি প্রচলিত আছে। আমি এদর নিয়ে কিছু বলতে চাইনা। কারন কারো সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে বলা ঠিক নয়। হারবাল ঔষধও স্বীকৃত যেমন হামদর্দ। বর্তমানে বাংলাদেশের সকল বড় রড় ঔষধ কোম্পানী হার্বাল প্ল্যান্ট তৈরী করছে। কিন্তু কোন জিনিসের প্রস্তুত প্রক্রিয়া যদি বিজ্ঞানসম্মত কিংবা অনুমোদিত না হয় কিংবা জিনিসটি কি দিয়ে তৈরী হলো, তা যদি প্রস্তুতকারক সরবরাহ না করে, তবে সেসব প্রতিষ্ঠােনর উদ্দেশ্য আর যাই হোক, মানব কল্যাণ নয়।

১১. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
মানুষ বলেছেন: হাসতেই আছি। চর্ম যৌন ও সেক্স (যৌন ও সেক্স খিয়াল কইরা) চিকিৎসক দিয়া পুরা দেশ সয়লাব। এখনো মফস্বলে গেলে দেখবেন বিভিন্ন হাট-বাজারে জোকের তেল নামে এক প্রকার দ্রব্য বিক্রী হয়। বাঙ্গালী সেই সব কেনেও।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: এজন্যই তো বললাম এটা জাতীয় সমস্যা কিনা?

১২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০০
অমিত০৯৭ বলেছেন: কিন্ত হলিউড মুভিতেই তো বেবি ডিক নিয়ে হাসি তামাশা করতে দেখি। Anger management ছবিতে দেখি Adam Sandler কে তার বন্ধুরটা দেখে ঈর্ষান্বিত হতে। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় এ ধরনের মানসিক সমস্যা সবার মধ্যেই আছে।
১৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১০
অকৃতকার্য বলেছেন: স্টেরয়েড কি জিনিস? খায় না গায়ে মাখে?
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: দুটোই করা যায়........মূলত প্রদাহরোধক। অনেক অনেক উপকারী কিন্তু অপব্যবহার ক্ষতিকারক হতে পারে।

১৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
অলস ছেলে বলেছেন: সেক্স ও যৌন বিশেষজ্ঞে দেশটা ভৈরা গেল ভাই। ভালো লিখেছেন।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ওদের প্রচারণায় জাতিও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: যা বলেছেন

১৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৯
ফিরোজ-২ বলেছেন: ভাই,আপনার তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটা পড়ে খুব ভাল লাগল।
ভুয়া ডাক্তার থেকে সাবধান।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: যেকোন ভূয়া জিনিস থেকেই........সাবধান। আর না জেনে ঔষধ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

১৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭
স্পাইডার বলেছেন: এইগুলো নিয়ে লেখাই সার, আমগো মূর্খতা এইতে কমবে না।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: তারপরেও তো চেষ্টা চালাতে হবে ভাই, হাল ছেড়ে দিলে যারা জানতে আগ্রহী তারাও তো বঞ্চিত হবেন। আপনার আমার কোন চেষ্টায় একজনও যদি উপকৃত হন, তবেই তা স্বার্থক।

১৮. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
পরশমনি বলেছেন: ভাল লিখেছেন। সচেতনতা দরকার। +
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: আমার সবাই চেষ্টা করলে হয়তো কিছু মানুষ হয়তো ওদের প্রতারণার হাত থেকে রেহাই পাবে। ধণ্যবাদ আপনাকে।

১৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
সুবিদ্ বলেছেন: খুবই বিরক্ত হই যখন সকালে ঠাসা বাসের ভিতরেও ধপ করে কাগজগুলো ছুঁড়ে মারে আর দু-একজন খুবই আগ্রহ নিয়ে তা পড়তে থাকে.......আসলে আমাদের নিম্নবিত্তদের তো enjoyment বলতে ঐ অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যকর সেক্সলাইফ......আর বড়লোকদের হলো সব শেষে গিয়ে সান্ত্বনা খোঁজার জন্য কবিরাজের কাছে যাওয়া......

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টা তুলে ধরার জন্য.......
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:০৫
পারাবত বলেছেন: ছোট বেলা থেকেই দেখতাম , রাস্তার পাশের প্রায় সব গাছেই হলুদ রংগের একটা টিনে লেখা থাকত "অশ্ব হাপানি''
সেই অশ্ব শব্দের অর্থ বুঝতে পেরেচিলাম ২০ বছর পর
২২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:১৪
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: অনেক জরুরী পোস্টের জন্য আপনার ধন্যবাদ টা প্রাপ্য ... অনেক লোক এই পোস্ট থেকে অনেক ভুল ধারণা থেকে অব্যহতি পাবে ...
২৩. ১৪ ই জুন, ২০১১ সকাল ৯:৫৪
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: একটি সুন্দর সচেতনতামূলক পোস্ট, ধন্যবাদ। :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
শতভাগ অকৃত্রিম বাংলাদেশী। এ প্রজন্মের হলেও নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ব্যাপারে পুরানোদের দলে। আর দেশের স্বাধীনতা আর মানুষের স্বার্থে একটু বেশি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই