somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

http://www.facebook.com/wdcup বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফেসবুক পেজ: http://www.facebook.com/wdcup

ক্রিকেট ইতিহাসে কোনো আয়োজনের সবচেয়ে ঝলমলে উদ্বোধন বৃহস্পতিবার দেখল বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ১০ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধন ঘোষণার আগে-পরে আতশবাজি, আলোক-রশ্মি, বাংলাদেশ-ভারত-শ্রীলংকার ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সাড়ে তিন ঘণ্টা মোহিত সময় কাটালেন স্টেডিয়ামের ভেতরের ও বাইরের টিভি পর্দার দর্শকরা।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে শিল্প ব্যাংক ভবনে টানানো বিশাল পর্দায় ভেসে ওঠে বিশ্বকাপের প্রতিকৃতি। ফুটে ওঠে ক্রিকেট খেলার দৃশ্যও। একটি ছক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে ওঠে বিশ্বকাপের লোগো।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে শুরু হয় ৫০ মিনিটের প্রথম পর্ব। মুনমুন ও নওশীনের উপস্থপনায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন রিঙ্কু, তপু, বিউটি ও মাহদী।

এই প্রথম এত বড় আয়োজনের সঙ্গী হলো বাংলাদেশ। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও হবে দু'টি খেলা। ভারত ও শ্রীলঙ্কাতেও খেলা হবে বিশ্বকাপের।

খেলা মাঠে গড়াবে ১৯ ফেব্র"য়ারি। রাজধানীর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী খেলায় বাংলাদেশ লড়বে ভারতের সঙ্গে।

নাচ-গান-কোরিয়গ্রাফি-আলোকরশ্মিতে বাংলাদেশ
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণরা পরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথমে ভারতীয় ও শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা নেচে গেয়ে তাদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন। সব শেষে মঞ্চে আসেন বাংলাদেশের শিল্পীরা।

বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গৌরবময় ঘটনা প্রবাহ ফুটিয়ে তোলা হয় সঙ্গীত, নৃত্য, কোরিওগ্রাফি ও আলোকরশ্মির মাধ্যমে।

শুরুতেই মঞ্চের মাটি ফুঁড়ে 'রাখালের বাঁশির সুরে'র সঙ্গে তাল মিলিয়ে উপরে উঠে আসেন শিবলী মোহাম্মদ। সুর থেমে যেতেই রাখাইন, সাঁওতাল ও চাকমারা ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ড ধরে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর পরিবেশন করা হয় মনিপুরি ও কথক নৃত্য।

দ্বিতীয় পর্যায়ে মহান ২১ ফেব্র"য়ারির স্মরণে মাঠের চারিদিক থেকে শুরু হয়ে যায় 'রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই' স্লোগান ও মিছিল। সে সময় গাওয়া হয় 'ওরা...আমার মুখের ভাষা... কাইড়া... নিতে চায়..' গানটি।

সেই সঙ্গে মাঠজুড়ে আলোক-রশ্মির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় বাংলা বর্ণমালা। এরপরই দেখা যায় একটি শিশু গাইছে, 'আমার... ভাইয়ের.. রক্তে রাঙানো.. ২১ ফেব্র"য়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি...'।

তৃতীয় পর্যায়ের শুরু হয় একাত্তরের মার্চ মাসের অসহযোগ আন্দোলনের মুহূর্ত দিয়ে। আলো ও গোলাগুলির শব্দ দিয়ে তুলে ধরা হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দিনগুলো।

'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে একদল ছেলে-মেয়ের ছুটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় 'জয়... বাংলা... বাংলার.. জয়..' গানটি। এক পর্যায়ে বেজে ওঠে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, 'এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম'। বঙ্গবন্ধু যখন বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তোলেন 'জয় বাংলা' তখন স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশের শিল্প ব্যাংকের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা ৬০ ফুট পর্দায় ফুটে ওঠে তার ৭ মার্চের ভাষণের মুহূর্তটি।

এরপর কবি নজরুল ইসলামের 'কারার ওই... লৌহ কপাট...' গানটি পরিবেশন করা হয়।

এক পর্যায়ে চারদিক থেকে বাংলাদেশের মানচিত্রসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিশাল চারটি পতাকা নিয়ে ছুটে আসেন প্রতীকী মুক্তিযোদ্ধারা। বিশাল আকৃতির মঞ্চটি প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ও পরে বর্তমানের লাল-সবুজ পতাকা দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া হয়।

১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের আনন্দের পাশাপাশি দেশের প্রতি ভালবাসা স্পষ্ট করে তুলতে গাওয়া হয় 'ও আমার দেশের মাটি...তোমার পরে ঠেকাই মাথা...'। এ সময় মঞ্চে ফুটে ওঠে শাপলা ফুল।

শেষ পর্যায়ে সুন্দরবনের গহীন অরণ্য ফুটিয়ে তোলার পর রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন ও 'থিম' সঙ্গীতের সুরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পতাকা মেলে ধরা হয়।

এরপর কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পর্বের ইতি টানা হয়।

এ সময় ঢাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২ হাজার ১০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর ৩৫০ সদস্য কোরিওগ্রাফিতে অংশ নেন। পুরো কোরিওগ্রাফি পরিচালনা করেন ভারতের কোরিওগ্রাফার সন্তোষ শেঠজি।

এর আগে শ্রীলঙ্কার কোরিওগ্রাফার ও শিল্পীরা আট মিনিটের 'দি পার্ল অব ইন্ডিয়ান ওশান' পর্বের শুরুতেই আলোক-রশ্মি ও শব্দের মাধ্যমে সাগরের ঢেউয়ের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলেন। সে সময় মাঠ ও আকাশে ছড়িয়ে পড়ে নীল রঙের ছটা। এক পর্যায়ে সুরের তালে তালে মঞ্চে ফুটিয়ে তোলা হয় বিশাল একটি মুক্তা। তার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন শ্রীলঙ্কার একজন তারকা অভিনেত্রী।

সন্তোষ শেঠজির পরিচালনায় তার দেশের কোরিওগ্রাফার ও শিল্পীরা পরিবেশন করেন 'সিম্ফোনি অব কালারস'।

১২ মিনিটের এ পর্বে ভারতের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

কানাডার বিশ্বখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গান 'এভরিথিং আই ডু...' পরিবেশন করেন। সর্বশেষ অ্যালবাম 'বেয়ার বোনস' থেকেও একটি গান পরিবেশন করেন তিনি।

তিন ভাষায় থিম সঙ্গীত
এরপর থিম সঙ্গীত 'জিতবে এবার.... জিতবে ক্রিকেট' এবং হিন্দীতে 'দে ঘুমাকে... ঘুমাকে' পরিবেশন করেন ভারতের বিখ্যাত শিল্পী শংকর মাহদেবান ও তার দল। পাঞ্জাবী ভাষায় এই গানটিই 'জিতো, খিলাদি...ওয়াহি...' পরিবেশন করা হয় একই সঙ্গে।

প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা স্টেডিয়ামে প্রবেশের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় শুরু হয় মূল পর্বের অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানায় একটি শিশু। এরপর পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।

৬টা ২২ মিনিটে সুসজ্জিত ও হাইড্রলিক পদ্ধতির মঞ্চে স্বাগত সঙ্গীত 'ও পৃথিবী এবার এসে.. বাংলাদেশ নাও চিনে, ও পৃথিবী...তোমায় স্বাগত জানাই এই দিনে..' পরিবেশন করেন ইবরার টিপু ও তার দল। সঙ্গে ছিলেন ৪০ জন যন্ত্রশিল্পী।

এরপর বিশ্বকাপের মাসকট স্ট্যাম্পিকে মাঠে আনা হয় একটি রিকশা-ভ্যানে করে। এরপর 'লিড' নামের রিকশায় চড়ে প্রথমেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিং মাঠে প্রবেশ করেন। এরপর একে একে প্রবেশ করেন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ১২টি দেশের অধিনায়ক। সব শেষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

মাঠ প্রদক্ষিণ শেষে মঞ্চে ১৪ জন অধিনায়কের পাশাপাশি দাঁড়ানোর পর সনু নিগম ইংরেজি ভাষায় থিম সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এ সময় চলছিল আতশবাজির খেলাও।

পৌনে ৭টায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আবু হেনা মুস্তফা কামাল স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উৎসব আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও কো-চেয়ারম্যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার।

৭টায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি শারদ পাওয়ার।

সোয়া ৭টায় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের ঘোষণা দেন। এর আগে তিনি তার বক্তব্যে ভাষা শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বাংলাদেশের মর্যাদার পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবার সহযোগিতা চান তিনি।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের শুরুতেই বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং আটটি খেলা আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আইসিসিকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, "আমরা বিশ্বাস বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব আরো দৃঢ় হবে।"

স্টেডিয়ামে ঢুকতে দুপুর ১ টায় লোকজনের লাইনে দাঁড়ানো শুরু হয়। দুপুর ২টায় গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সারি বেঁধে ঢোকা। এক পর্যায়ে লাইন সচিবালয় পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

ক্রিকেটপ্রেমীদের কলরবে সকাল থেকেই স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ছিল। বাজছিল ভুভুজেলাও। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন তৎপর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হয় রাত ৮ টা ৪৫ মিনিটে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:২৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×