
জার্মানীর শিল্প ও খনিসমৃদ্ধ ডুইসবার্গ নগরীতে সে দেশের বৃহত্তম মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে গত রবিবার এর মুসলি ধারণক্ষমতা ৩৫শ’। কিন্তু রবিবার সপ্তাহিক ছুটিতে স্থান সংকুলান হয় না মুসলিদের। জার্মানীর স্থাপত্যকর্মের অপূর্ব নিদর্শন এই মসজিদ প্রকল্পের বেইজমেন্ট ফ্লোরে কমিউনিটি মিটিং সেন্টার। গম্বুজের উচ্চতা ৭৫ ফুট। মূল গম্বুজের নিচে মসজিদের কেন্দ্রে ১২শ’ মুসলির নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। গম্বুজের অভ্যন্তরভাগ মানানসই উপযুক্ত চিত্রকর্ম ও ব্রোঞ্জের উপর সোনার কারুকাজ দ্বারা শোভিত। জানালায় নীল রংয়ের কাঁচ। গম্বুজের অগ্রভাগ থেকে কয়েক মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে ঝুলে রয়েছে সোনালী রংয়ের ঝাড়বাতি। নামাজের মূল কে পুরু গালিচায় পা দেবে যায়। ইতিপূর্বে ডুইসবার্গের এই মার্ক্সলো এলাকার মুসলমানদের একটি পরিত্যক্ত ক্যাফেটেরিয়ায় নামাজ আদায় করতে হতো। আজ সেখানে দাঁড়িয়েছে চমৎকার ঝলমলে মসজিদ। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭০ লাখ ইউরো। বেইজমেন্ট মিটিং সেন্টরের জন্য প্রাদেশিক সরকার দিয়েছে ৩২ লাখ ইউরো। মসজিদের বাদবাকী নির্মাণকাজ একান্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে অনুরাগী ব্যক্তিদের চাঁদায়। মিটিং সেন্টারটি সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত। জার্মানীর অন্যান্য নগরে কিংবা শহরে মসজিদ তৈরি করতে গেলে সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ট খ্রিষ্টান নাগরিকদের প্রতিবাদের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ডুইসবার্গ মসজিদের ক্ষেত্রে এমনটি হয়নি। কিন্তু কেন? এর দু’টি কারণ হতে পারে। প্রথমত এর ৩৪ মিটার উচ্চ মিনারটি স্থানীয় ক্যাথলিক গির্জার উঁচু চূড়ার অর্ধেক মাত্র। দ্বিতীয়ত শুরু থেকেই স্থানীয় মুসলমানরা লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আজান না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এত কিছুর পর মসজিদটি নিমার্ণ করা সম্ভব হয়েছে এটাই বড় কথা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



