somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জার্মানীর ডুইসবার্গ নগরীতে ঝলমলে মসজিদ

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জার্মানীর ডুইসবার্গ নগরীতে ঝলমলে মসজিদ


জার্মানীর শিল্প ও খনিসমৃদ্ধ ডুইসবার্গ নগরীতে সে দেশের বৃহত্তম মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে গত রবিবার এর মুসলি ধারণক্ষমতা ৩৫শ’। কিন্তু রবিবার সপ্তাহিক ছুটিতে স্থান সংকুলান হয় না মুসলিদের। জার্মানীর স্থাপত্যকর্মের অপূর্ব নিদর্শন এই মসজিদ প্রকল্পের বেইজমেন্ট ফ্লোরে কমিউনিটি মিটিং সেন্টার। গম্বুজের উচ্চতা ৭৫ ফুট। মূল গম্বুজের নিচে মসজিদের কেন্দ্রে ১২শ’ মুসলির নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। গম্বুজের অভ্যন্তরভাগ মানানসই উপযুক্ত চিত্রকর্ম ও ব্রোঞ্জের উপর সোনার কারুকাজ দ্বারা শোভিত। জানালায় নীল রংয়ের কাঁচ। গম্বুজের অগ্রভাগ থেকে কয়েক মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে ঝুলে রয়েছে সোনালী রংয়ের ঝাড়বাতি। নামাজের মূল কে পুরু গালিচায় পা দেবে যায়। ইতিপূর্বে ডুইসবার্গের এই মার্ক্সলো এলাকার মুসলমানদের একটি পরিত্যক্ত ক্যাফেটেরিয়ায় নামাজ আদায় করতে হতো। আজ সেখানে দাঁড়িয়েছে চমৎকার ঝলমলে মসজিদ। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭০ লাখ ইউরো। বেইজমেন্ট মিটিং সেন্টরের জন্য প্রাদেশিক সরকার দিয়েছে ৩২ লাখ ইউরো। মসজিদের বাদবাকী নির্মাণকাজ একান্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে অনুরাগী ব্যক্তিদের চাঁদায়। মিটিং সেন্টারটি সব ধর্মের মানুষের জন্য উন্মুক্ত। জার্মানীর অন্যান্য নগরে কিংবা শহরে মসজিদ তৈরি করতে গেলে সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ট খ্রিষ্টান নাগরিকদের প্রতিবাদের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ডুইসবার্গ মসজিদের ক্ষেত্রে এমনটি হয়নি। কিন্তু কেন? এর দু’টি কারণ হতে পারে। প্রথমত এর ৩৪ মিটার উচ্চ মিনারটি স্থানীয় ক্যাথলিক গির্জার উঁচু চূড়ার অর্ধেক মাত্র। দ্বিতীয়ত শুরু থেকেই স্থানীয় মুসলমানরা লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আজান না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এত কিছুর পর মসজিদটি নিমার্ণ করা সম্ভব হয়েছে এটাই বড় কথা।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×