জ্বি কমবে, হয়তো লোডশেডিং আর থাকবেই না। সরকার বলেছিল এবছরের শেষ নাগাদ ৭০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হবে। এখন তামিম মিয়া বলতেছেন ৬০০০ হবে। ১৪ টাকা কিলোওয়াটে বিদ্যুত কিনেও বিদ্যুত সমস্যা সামাল দিতে পারছেনা সরকার। সরকারের জন্য আসলেই করুণা হয়।
বর্তমানে মাত্র ৩,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত তৈরী হচ্ছে দেশে। অথচ ফকরউদ্দিনের আমলে প্রায় ৫,০০০ উৎপাদন হইছিল। এথন কেন ৩,৫০০ মেগা? কারণ, অনেকগুলি বিদ্যুতকেন্দ্র বিকল। ইফিসিয়েন্সির কতটা অভাব একবার ভেবে দেখুন।
১৪ টাকা বা ৮ টাকা দিয়ে (ফার্নেস অয়েল) বিদ্যুত কিনে সরকার ৪ টাকা করে বিক্রি করলে বিদ্যুত বিভাগের অবস্থা কী রকম শোচনীয় হবে এটা সহজেই বোঝা যায়। এর মধ্যে আছে বিদ্যুতের লোকজনের চুরি চোট্টামি।
এখন একটা কাজ সরকারের জরুরী ভিত্তিতে করা দরকার। তা হইতেছে এখনি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো। এবং তা দ্বিগুণ করা, মানে ৮ টাকা করা (প্রতি কিলোওয়াট আ্ওয়ার)।
সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীকে এটাও বলতে হবে যে তিনি নিজহাতে বিদ্যুত চোরদের বিচার করবেন।
ব্যাস, এতেই বিদ্যুতের লোডশেডিং প্রায় শূণ্যের কোঠায় চলে আসবে।
কারণ, বিদ্যুতের দাম বাড়লে, আর চুরি বন্ধ হলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমে যাবে। জনগন তখনি সাশ্রয়ী হবে। আহবান জানালে হবে না।
এখন আমরা ঘরে অফিসে দোকানপাটে ইচ্ছামত বিদ্যুত ব্যবহার করছি। দাম কম হওয়াতে বিদ্যুত সাশ্রয় করার কথাটা চিন্তাও করছি না।
তাছাড়া, ১৪ টাকা দিয়ে বিদ্যুত কিনে ৪ টাকায় বিক্রি করাটা একটা অপদার্থের দুনিয়া ছাড়া আর কিছু না।
(যাদের কমনসেন্স পর্যাপ্ত নয় তাদের মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

