চমতকার সাপ্তাহিক মিডিয়া রিভিউ (দৈনিক পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল)
দেশের বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বামী গত শনিবার ৯ মে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নাইলাইহে রাজেউন)। তার মৃত্যুতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ একজন সজ্জন ব্যক্তিকে হারালো বলে মনে করে। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মৃত্যুর সংবাদ শুনে হাসপাতালে ছুটে যান। বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাত ৯টার দিকে সুধা সদনে যান। সেখানে তিনি প্রায় ২০ মিনিট ছিলেন বলে জানা যায়। পত্রপত্রিকা থেকে জানা যায়, তিনি শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে ধরেন, তখন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন দু�জনের চোখই সজল হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কান্নাজড়িত কণ্ঠে ১/১১ ঘটনাকে ওয়াজেদ মিয়া মেনে নিতে পারেননি বলে জানান। রাতে তাকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। পুলিশের সাথে তীব্র বাগ্বিতণ্ডায় লিপ্ত হন। তাকে গ্রেফতার করে গাড়িতে তুলে সুধা সদন এলাকা ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত পুলিশের সাথে তার তর্ক শেষ হয়নি। ওই ঘটনায় মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েন তিনি। এ ঘটনা থেকেই তার স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটতে থাকে। এ অসুস্থতা থেকে শেষ পর্যন্ত আর সু্�স্থ হয়ে ওঠা হলো না তার। এসব কথা বলেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ড� ওয়াজেদ মিয়াকে দেখতে যাওয়া ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিরোধী দলীয় নেত্রীর সহানুভূতি, জড়িয়ে ধরা, সেখানে লম্বা সময় একত্রে অবস্থান করা ও কথাবার্তাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। পত্রিকাগুলো এ নিয়ে যার যার মতো রিপোর্ট ও মন্তব্য প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রীকে সহানুভূতি জানিয়ে খালেদা জিয়া তার কাছে একটি লিখিত শোক বার্তা দেন।
সেনাাবহিনীতে কওমী মাদ্রাসা ছাত্র থাকার প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ১০ তারিখ আমার দেশের লিড নিউজ ছিল এটা। নয়া দিগন্তও রিপোর্টের আলোকে সংবাদ পরিবেশন করে। আমার দেশ পত্রিকাটি জানায়, �বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢোকার কোনো প্রমাণ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা কার্ল জে� সিওভাচ্চো এবং সাবেক কূটনীতিক ওয়ালিউর রহমানের সেনাবাহিনীতে শতকরা ৩৫ ভাগ সদস্য মাদ্রাসা থেকে আসার দাবি সঠিক নয়� - বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে এক রিপোর্টে বিশ্বব্যাংক এ তথ্য উপস্থাপন করেছে। তবে পত্রিাকটিতে মাদ্রাসার শিক্ষার খরচ সম্পর্কে জানা যায়। বিশ্বব্যাংকের উদ্ধৃত্তি দিয়ে বলা হয়, �বর্তমানে মাদ্রাসাগুলোর শতকরা ৫৭ ভাগ খরচ জোগাড় হয় পারিবারিক বা ব্যক্তিগত অনুদান থেকে। আয়ের শতকরা ৩০ ভাগ কোনো ক্যাটাগরিতে ফেলা যায় না। ১১ ভাগ আয় হয় ছাত্র বেতন থেকে। তবে সব মাদ্রাসায় বিনামূল্যে পড়ানো হয় না। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ভূইয়ার কাছে গত ১৫ মার্চ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টও শিয়ান ঝু এ রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।�
বিস্তারিত পড়ুন, http://sonarbangladesh.com/article.php?ID=825

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


