সংবাদ প্রতিদিন
প্রতিদিন রাত ১২টায় বাংলাভিশনে প্রচারিত হয় সংবাদ প্রতিদিন নামক একটি সংবাদভিত্তিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে টেলিভিশনের বিভিন্ন চ্যানেলের সংবাদ শিরোনামগুলি দেখানো হয় এবং দিনের উল্লেখযোগ্য খবর এবং সংবাদ শিরোনাম নিয়ে একজন অতিথির সাথে আলোচনা করা হয় । ১২ ই মে এই অনুষ্ঠানের অতিথি ছিলেন ফরিদ হোসেন, ঢাকা ব্যুরো চিফ, এপি । প্রথমে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে উপস্থাপক রুহুল আমীন অতিথির কাছে জানতে চান। এ প্রসঙ্গে ফরিদ হোসেন বলেন, নির্বাচিত সরকার আসার পর চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে গেছে এটা একটা দু:খজনক ঘটনা। দুই বছরের অসাংবিধানিক সরকার থাকার সময় কিন্তু চাঁদাবাজি, ছিনতাই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কম ছিল। তাই বলে আমি বলবোনা যে, গণতান্ত্রিক সরকার খারাপ । নানান কারণে বর্তমান সরকারের উপর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ব্যাপারটা একটা বিরাট ধাক্কা। বিভিন্ন মহল বিশেষ করে ব্যবসায়ী মহল বিজিএম এর সভাপতি চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন । কদিন আগে আমাকেও ফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জঙ্গীবাদ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন অথচ শহরের মধ্যে যে চাঁদাবাজি খুন, হুমকি এইসব বেড়ে গেছে সেদিকে খেয়াল করছেন না। CNG বা ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ি ফিরতে এখন ভয় লাগে। গাড়ি ছাড়া রাতে বাড়ি ফিরবো শুনলেই স্ত্রীর মাথায় বাজ পড়ে। নানা স্টাইলে ফোনে এখন চাঁদা চাওয়া হচ্ছে। চাঁদা না দিলে খুন হচ্ছে। অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি এবং ছোটখাটো নানান বাহিনী রাজধানীতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মহানগর পুলিশ কমিশনার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভাল কথা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এর বিরুদ্ধে তাকে action নিতে হবে । এরপর উপস্থাপক রুহুল আমীন আগামী বাজেট অধিবেশনে বিএনপির যাওয়া না যাওয়া প্রসঙ্গে বিএনপিতেই মতভেদ দেখা দেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে ফরিদ হোসেন উত্তর দেন, এর মাধ্যমেই দলের অবস্থান বোঝা যায়।
জমিরউদ্দিন সরকারের দূর্নীতি ও সদস্যপদ নিয়ে সংসদে এখন আলোচনা হচ্ছে । কাজেই তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হবে ঐসব ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সংসদ বর্জন করা। তবে শেষ পর্যন্ত যা সিদ্ধান্ত তা খালেদা জিয়াই নিবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমনী পাকিস্তানকে এখন ক্ষমা চাইতে বলাটা কতোটা যুক্তিসঙ্গত � এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার পর ফরিদ হোসেন উত্তর দেন, পাকিস্তানের জনগণ ও সুশীল সমাজও কিন্তু বলেছে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত। পাক সেনাবাহিনী যে গণহত্যা চালিয়েছিল তা নিয়ে কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্র প্রধান পারভেজ মোশাররফও একবার দু:খ প্রকাশ করেছিলেন কিন্তু ক্ষমা প্রার্থনা করেননি। কাজেই এখন ক্ষমা চাওয়াটা মোটেই অযৌক্তিক নয়। সবশেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর একটি উক্তিকে �দিনের উদ্ধৃতি� হিসাবে দেখানো হয়। তিনি বলেন আমাদের আশেপাশের বাতাসটাকে আপনারা কি ধরতে পারছেন। আভাস দেখেই মূলত তা বুঝতে পারছেন। জঙ্গী তৎপরতাও আভাস দেখেই বোঝা যাচ্ছে। জঙ্গীবাদের হুমকিগুলি যাতে বাস্তবে পরিনত হতে না পারে সেইজন্য সরকারের যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সরকার তা নিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই উদ্ধৃতি প্রসঙ্গে ফরিদ হোসেন মন্তব্য করে বলেন, যখন তখন জঙ্গী নিয়ে এতো বেশী প্রচার চালালে জঙ্গীরা আরো উৎসাহিত হবে। কাজেই প্রচারের দিকে না গিয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
বিস্তারিত পড়ুন, Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


