বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক বলয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অন্যতম প্রধান দল। বলতে গেলে প্রধান দল। যার আছে ব্যাপক গণভিত্তি, যা অন্য যেকোন রাজনৈতিক দলের জন্য রীতিমতো ঈর্ষার ব্যাপার। জাতির জনক বংগবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ দলের শীর্ষ নেত্রত্বের উপর বার বার হত্যা প্রচেষ্টা সহ শত বাধা বিপত্তির পরেও আওয়ামী লীগ এখন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের আসন অলংকৃত করে নিয়েছে। এর পিছনে দলটির ত্যাগী কর্মী বাহিনীর যেমন মুল অবদান আছে তার পাশাপাশি আরও অনেক উপাদান কাজ করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এই ব্যাপক জন সমর্থনের পিছনে কি কি প্রধান উপাদান কাজ করছে তার একটি সংক্ষিতপ্ত সার আমরা তুলে ধরতে পারি-
ক.
দলটির যাত্রার শুরুটাই ছিল জনগনের কথা মাথায় রেখে। আওয়ামী লীগ মানেই জনগনের (আওয়াম) দল (লীগ)। পাকিস্থান মুসলিম লীগ ছিল মুলত উচ্চ বা অভিজাত মুসলিম শ্রেণীর দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি দল। এর নেতাদের সাথে আম (সাধারন) জনগনের কোন যোগাযোগ ছিল না। সেই দলের নেতারা দলটিকে জনগনের দল করানোর ব্যাপারে ছেষ্টাও করেননি, করাতেও পারেননি। তাই মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী (প্রতিষ্টাতা সভাপতি) কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান শামছুল হককে(প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক) সাথে নিয়ে ১৯৪৯ গড়ে তোলেন পাকিস্থান আওয়ামী মুসলিম লীগ (জনগনের মুসলিম লীগ)। সেই থেকে দলটি গনতান্ত্রিক ভাবে তৃনমূল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সাধারন কর্মী বাহিনী দলটি্র মুল শক্তি। জেনারেল জিয়া আগে ক্ষমতা দখল করেন তার পর সামরিক বাহিনীর (মুলত ডিজিএফআই) মদদে সারা দেশের সুবিধা বাদীদের নিয়ে জাগদল (পরে নাম পরিবর্তন করে বিএনপি) গঠন করেন। বিএনপি শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে হয়ে উঠে সুবিধাবাদিদের একটি সাধারন প্লাট ফর্ম হিসেবে। জেনারেল এরশাদও তার পুর্বসুরীর পদ অনুসরন করেন সামরিক বাহিনীর মদদে জাতীয় পার্টি গঠন করেন। সুতরাং আওয়ামী লীগের জন্মটা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মত ক্যান্টনমেন্টে নয়। নয় কোন সরকারী ছত্র ছায়ায়। এখানেই নিহিত রয়েছে দলটির মুল চালিকা শক্তি।
খ.
বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ট অর্জন হচ্ছে ১৯৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে একটি স্বাধীন দেশের আত্নপ্রকাশ। কে না জানে এই অর্জনের মুল নেতৃত্বদান দানকারী দল আওয়ামী লীগ ও এর নেতা শেখ মুজিব। শেখ মুজিব তার ক্যারিশমাটিক
গুনাবলীর কারনে মুক্তি পাগল বাঙালী জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জিবিত করতে পেরেছিলেন। যার ফলশ্রতিতে ১৯৭০ সালে নির্বাচলে পুর্ব পাকিস্তানের একক ও একমাত্র দল হিসেবে আওয়ামী লীগের আবির্ভাব। মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র লীগ ও আওয়ামী লীগের হাজার হাজার কর্মীর শাহাদাত বরনের ফলেই আজকের এই বাংলাদেশ। সুতরাং বিএনপি-জামাত, তাদের বুদ্ধিজীবী মহল যতই আওয়ামী লীগ সম্পর্কে অপ্রচার করুক না কেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সাথে শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগ অবিচ্ছেদ্য অঙ হিসেবেই পরিগনিত হতে থাকবে চিরদিন। আর এটাই দলটির অন্যতম মুল চালিকা শক্তি, বিশেষ করে তরুন প্রজম্নের মাঝে।
বিস্তারিত দেখুন, Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



