ভোর হল। চোখ খুলল। কমলাফুলির টিয়েটা। চারপাশে মহুয়া গন্ধ। পাশের কোয়ার্টারে থাকতে থাকতে সে প্রিয় হয়ে যায়। আমরা কোয়ার্টার ছেড়ে দিলে, বোতলও প্রিয় হয়, ইয়ে যো মোহাব্বত হ্যায়, না কোনও হিন্দী গান, না।
আরে চারপাশে পুটুস। দেখে সর্ষে খেত বলে মনে হয়? না কিছুই মনে হয় না, কারণ বাগবাজারে ঐন্দ্রিলাদের বাড়ির ছাদের প্রত্যেক জানালাতেই পুটুস। আমাদের বাঁচাবে বলে। তা সেবার বিহার থেকে একটা চিঠিও লিখিনি পুটুসকে, তাতেই ধুন্দুমার।
যাই হোক, গাছের মাঝে বাড়ি ছিল। ন্যাংটো নদীতে স্নান ছিল। বি ই কলেজের কোনও এক বৌদি ছিল, যার দরজার সামনে মাঝ রাতে আমরা বাঘের ডাক ডাকতাম। আর তার আগে ও পরে মহুয়া খেতে খেতে আমরা জঙ্গলের এক একটা গাছ হয়ে যেতাম।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০২৩ ভোর ৬:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


