ক্রমান্বয়ে লাল বদলায়। টিন্চার আয়োডিনের মতো তুলো মেখে ভুত আমাদের মাংসদেহগুলি। ছায়া দেয় সুরার গেলাসে। দাশরথি রায়ের পাঁচালী ও পমফ্রেট মাছ কিছুটা গল্পকথা গনগনে আঁচ, সাত নদী আর তের সমুদ্দুর পেরিয়ে অর্কিড সকালে টানা চলে বাংলা ব্লগ। মেট্রো রেলের কামরায় অবিরত ভাঙন শব্দ, রক্তকরবীর মতো উদ্ধত কাঁটাতার আর কিই বা দিতে পারি।
পিঁপড়েদের মিছিলে খাওয়ারের কণা দেখে দুষ্মন্তের চিনে ওঠা কোন ঘটনা নয়। শব্দের পাঁচিল, শাড়িতে শাড়িতে ভাঁজ, মেরুদন্ডের উপরে কঙ্কাল, সাজানো বাগানে ছায়া পড়ে তার। খেলা শেষে আঙুলগুলি ডুবে যাবে বেসনের গোলায়। আলুর চপ ও মুড়ি ভিজে বাতাসে ভারি হলে তেচোখো মাছেরা উঠে আসে পুকুরের কোনায়। ছায়া পড়ে, ছায়া নড়ে, শব্দেরা নড়ে ওঠে, শ্যাওলা রঙা জলের ভিতর। কখনও বা মাছ তারা, বোরলি, কাজলি, বোয়াল। কখনও বা বটপাতা। ভেসে যাওয়া পিঁপড়ে পাতা ও ব্যাধের গল্পের মতো। এইভাবে গড়ে ওঠে একশোর খাঁচা।
ছায়া ছায়া ছায়া। পালাবার পথে সূর্য খেলে যায় দু এক রাউন্ড তাস।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


