ফেলে দেওয়া মাল, কেউ নেই ধারে কাছে, বাতাস এলে উড়ে সব তালগোল,এখনই ঠিক সময়,লুঠ তো করতেই হবে। হা হা হা...

মায়াময় ব্লেড ও বনবাসের সিলেট
১৩ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:২৪
ধার দিয়ে চলে গেছে রাস্তা। শান দেওয়া মটোরে ওঠে ছোট ছোট আগুনের ফুলকি, চালের দানা ভরা ফুলুরিরা ফুসে ওঠে সেই আকাশ ভরা তেলে, সবুজ লঙ্কার আঁচ বাইরে টের পাওয়া যায়।
বেলফুলের গন্ধে স্তিমিত বিকেলে কোন জঙ ধরা ছাদে রঙিন রোদ পড়ে। কম্পাসের মত এদিকে ওদিকে নদী সেইমত ছাদে দোলা শাড়ি আর সারি সারি টব। আর গোল গোল শ্যাওলা-মাটির চাকতি নিয়ে টব হারা ছাদেরা মাথা নত করে মেঘ দেখে প্রমিকার চোখে।
টেলিভিশনে চ্যানেল প্রোমশনের মত ছুটে যাওয়া শাড়ি। অনামিকার সিলেটে এখন কেবল আ্যকাডেমি অব ফাইন আর্টস। নদীতে নৌকো যায়। চৈতন্য লাইব্রেরির তাকে ধুলো জমে জমে বাগবাজারের নরম পলি অজান্তে লেগে থাকে ধরা পড়ার জিনসে। লেক গার্ডেন্সের অটোয় চেপে এমন বাদলা দিনে অনামিকা সিলেটে চলে যায়।
ওহো আহিরিটোলায় রাজশ্রীদের বাড়ির কথাই আমি বলে উঠতে পারিনি। ছাদেতে কাঁচ ঘর। মানুষকে চিরে দেয় রঙিন কাঁচ। সন্ধ্যা মুখার্জির গলায় কেউ একটা গান গাইছিল। ঐন্দ্রিলা একটা ব্লেড দেখায় আমায় আঙ্গুল দিয়ে, সেই ব্লেড তখন উড়ে যাচ্ছিল, ওমন কিছু নদী পেরিয়ে সে কুমোরটুলি ও মতিঝিলের দিকে। সেই ব্লেড আমি মাঝে মাঝে দেখি উড়ে যাচ্ছে।
বাদলা দিনে অটোপোকারা কোনদিকে যে চলে যায়! লেকগার্ডেন্স থেকে সিলেট কতটা রাস্তা কে জানে। শুকনো দিনে অটো পাল্টে পাল্টে গড়িয়া, তারপর শ্মশান, মহা শ্মশান। এই খানে কথিত আছে অনামিকার সন্ন্যাস যাত্রার কথা। ওর ফ্ল্যাটে গ্লুস্টিকে "ভীষন দরকার" আটকে ঘুরতেই দেখি সেই মায়াময় ব্লেড উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে নদীগুলোর উপরদিয়ে, মায়াহীন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রেমিকা, ব্লেড ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
শশুরবাড়ি গেছিলেন?
শ্যাজা বলেছেন:
যায় নাইক্কা :-((
সুমেরু বলেছেন:
একই ব্যাপার।

















