ফেলে দেওয়া মাল, কেউ নেই ধারে কাছে, বাতাস এলে উড়ে সব তালগোল,এখনই ঠিক সময়,লুঠ তো করতেই হবে। হা হা হা...

আমার ভিতর ও বাহিরে
২০ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
সুগন্ধা পেরেয়ে যাও, ঐ মাথা নিচু, দুই পাশে ধান্যক্ষেত্র ও হংসধ্বনি রাগে কানন, মা জগদ্ধাত্রী ষ্টাইলে লো আ্যঙ্গেলে সুপ্রিয়া আর আমাদের যতসব চড়ুইভাতি সব ঐ মজা নদীর ধারে।
বাঁশ দিয়ে বানানো সেতু যেন তার বিনুনির মত, এবং বিয়ারে চুল ধুতে ধুতে, সময় হয়ে যায় নদী আর একসময় কেবল পোড়া আলুর খোসা ছাড়ানো, আর সেই মজা নদী ছাগল বেঁধে রাখে খোঁটায় খোঁটায়, সারা ঘড়িময়।
ঐ দূর ট্রেন, আমাদের ছোট নদী ভারী একলা। হুইসেল শব্দ নিয়ে মাথা ঝাকা দেয় আমাদের ছায়া আর লিচু গাছ, যেন সব বক এখুনি মেঘ হয়ে যাবে, অমন সবুজ ড্রইং খাতা তার আর ঐ দূর মন্দিরে ঘন্টা বাজে, টিপটুপ টিপটাপ, লিচু ঝরে। আর মাটির ঢেলা গড়াতে গড়াতে আমাদের মজা নদীর কলঙ্কে, কখন বা লিচু।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): লিচু চুরি, লিচু চুরি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
অন্ধকার বলেছেন:
আমার প্রিয় ফলের এমন রসালো টসটসে রূপ...
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
মনে করিয়ে দেয় অপু আর দূর্গা...কিন্তু সত্যজিৎও সিনেমা বানাতে যেয়ে...লিচু্র খোসাটাই দিয়েছিলেন যদিও হাড় মাংস সবই দিয়েছিল বিভূতি।
কৌশিক বলেছেন:
মুখে পুরে নিলুম!
শ্যাজা বলেছেন:
:-))
সুমেরু বলেছেন:
সক্কলের লিগা লিসু।অন্ধকার আর অন্যমনস্করে বেশি বেশি। কৌশিকের ডায়েট। সুগার ফ্রি হইলে দিব।

















