ফেলে দেওয়া মাল, কেউ নেই ধারে কাছে, বাতাস এলে উড়ে সব তালগোল,এখনই ঠিক সময়,লুঠ তো করতেই হবে। হা হা হা...

দু নৌকায় পা দিয়ে,বাংলা গানে
০১ লা জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১২
জানালায় হলুদ বালি আর নীল ঢেউ। কতগুলি বাচ্চা হাওয়া বল ছোড়াছুড়ি করে, আর ঐ দূরে মেঘেরা কাজলের মত চোখ নিয়ে, দেখে নিচ্ছিল আমাকে আর সব নয়নতারা ফুলগুলি ঝরে পরছিল স্নেহের মত। বালিতে কিছু দূর দূর আ্যন্টেনা পোঁতা, কিছু কাক বাংলা গানের মত কেবল বাজছে। ঐ ঘুলঘুলি থেকে পালক ঝরে পড়ল ঝগড়ার পর, এখন কেবল রোদ।
এই রাজা, সে ওলিওগ্রাফটি রাজা রবি বর্মার কোন পদ্ম ও হাঁস আর দেবী।মায়াময় ধুলো , ক্যম্বিস বলের ওপাশে তার ছেঁড়া সোফা , মিউ মিউ বিড়ালে উলের গুলিতে বাংলা গান। জানালায় পাহাড়, আকাশ ভরা জল,দরজায় গুঁজে রাখা খবরের কাগজ। জমছে তারা জমছে। ধুলো, প্যাঁচ ও ভীমসেনের ক্যাসেটের নাড়িভুড়ি।
এত ধিরে শব্দ লিখছি যেন সন্ধ্যা নামছে। শাঁখ বাজছে, জেট প্লেনের থেকে যাওয়া ধোঁয়া মত।আসলে সাদা মার্বেল মেঝেতে তার আলতার ছাপ, যে কনিক ইকোয়েশন নিয়ে সম থেকে তেহাই যাওয়া যায়, বাংলা গান, সেই কুকুরটি এখনও দাঁড়িয়ে, ওরে বোকা গ্রামাফোন! আসলে জানালা খোলা, পাল্টে যাচ্চে সচল ট্রেনের মত।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলা গান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
পাগলা বাবু বলেছেন:
জুলফি ওলা গায়ক গুলানরে থামা
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
কাব্যিক।
সুমেরু বলেছেন:
কাব্যি তো আপনার জিনিস। আমি মাটি আঁচড়াই @মৃন্ময়জুলপির সাথে গানের কী সম্পক্ক কে জানে! আর মাইয়াগুলানের জুলপি কামাইতে গেলে তো মুশকিল @ পাগলা

















