আমার প্রিয় পোস্ট
- একটা উমর এই যামানায় চাই হে মেহেরবান - বিবেক সত্যি
- যাদুর বর্গ - বিবেক সত্যি
- শুভ পাই দিবস!!
- কণা
- খালীপায়ে হাঁটবো, মনে সাধ জেগেছে - টিকলি
- শেষ কবে কেঁদেছেন - মনে আচে ? - k-79er34b
- রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক - হলদে ডানা
- রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য - কানিজ আনিছা পিয়া
- মাইক্রোস্কপিক - ত্রিভুজ
- ভালো লাগেনা আর গালিগালাজ- কাদা ছোঁড়াছোড়ি... - শিরোনামহীন
- ```পিঁপড়াদের ব্রীজ!!``` - ময়না কাঁটা
- জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন? - আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট
- পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ১৯ এবং ১৯৬ প্যালিনড্রোমিক সংখ্যা - আজমান আন্দালিব
- মেঘের রাজ্য দার্জিলিং ঘুরে এসে... - মেসবাহ য়াযাদ
- ডাক্তার আইজউদ্দিন, আপনি কেমন আছেন ? - বিবেক সত্যি
- পারিজাতের ভাঙলে ঘুম - চাঁদের বুড়ি
- কুয়েত ফেরত বাঙ্গালী শ্রমীকদের যে কারনে আমি সহমর্মীতার বদলে জুতা-পেটা করার পক্ষপাতি - কাপালিক
- সামহোয়্যারইন আড্ডা: সব পাগলের হইলো মেলা.... - ত্রিভুজ
- ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা - মুনিয়া
- বজলু মহাজনের কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং- ব্লগ ভাতিজীর জন্য - - বজলু মহাজন
- Finnish Horse - সিস্টার হার্ব
- Palestine weather forecast: snow expected - সিস্টার হার্ব
- জানি না কেমন - নীল চুড়ি
- ব্লগ পাঠশালায় আমার প্রথম পদক্ষেপ - নীল চুড়ি
- আবার দেখা হবে বস্। কোন এক কবিতার আসরে
বা যুদ্ধক্ষেত্রে
। - নাহিদ মাহমুদ
- দেখা যাক ব্লগে প্রকাশ করতে পারি কিনা? - পারলাম দেখছি!!!!!! - উম্মু আবদুল্লাহ
- ওহে সামী মিয়াদাদ - আমার সঙ্গে দ্বন্দ যুদ্ধ!! - তবে তাই হোক - রাজামশাই
- ইরান, প্লীজ্, আমাদের মাথা হেট্ করে দিওনা! - ফারজানা১৬
- হাই তুলতে তুলতে মারা যাচ্ছি - অলস
- মাথায় ওটা কি যেনো?? - এই আমি মীরা
- নির্বোধের সন্ধানে - মাহমুদ রহমান
- শান্তির বার্তা নিয়ে নতুন গ্রুপ 'ইসলাম' - ত্রিভুজ
- 'একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ'? নাকি একটি অর্ধশিক্ষিত গোঁজামিল? (প্রথম পর্ব - ত্রিভুজ
- কম্যুনিজম মানবতার জন্য অভিশাপ।পর্ব ১ - ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান
- মন্তব্য করুনঃ আপনি মুক্তিযোদ্ধা - বিবেক সত্যি
- ব্লগানাস্তিক ও ব্লগাসেক্যুলারদের চিনে নিন - আওরঙ্গজেব
- দাড়িওয়ালা বনাম দাড়িহীন - আস্তমেয়ে
- হিন্দু ও মুসলিম জাতির কিছু যৌথ মুল্যবোধ.. - বিবেক সত্যি
- ইসলাম মানে ১৪-শ বছর আগের আদর্শ, ১৪-শ বছর আগের টেকনোলজির ব্যবহার নয় - বিবেক সত্যি
- কঠিন বাস্তবতা (আমার মৃত্যু ভাবনা)... - সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ
- ALLAH = ONE !!!!
- বিবেক সত্যি
- ব্লগে এসে রাজাকার দের চি.. নে.. ছি.. - বিবেক সত্যি
- Why Did The মুরগী Cross The Road?
- ত্রিভুজ
আদম আ: থেকে মুহাম্মদ সা: এর বংশধারা
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫২
১. আদম আ
(মানব জাতির প্রথম পুরুষ । বেহেশত থেকে পৃথিবীতে সরাসরি অবতীর্ন করা হয় তাকে । মানব জাতির আদী মাতার নাম হাওয়া । )
২. শীষ (অর্থ “আল্লাহর দান”)
৩. ইয়ানিশ (অর্থ সত্যবাদী)
৪. কায়নান (অর্থ সমান)
৫. মাহলীল (অর্থ প্রশংসিত)
৬. ইয়ারদ (অর্থ হচ্ছে নিয়ন্ত্রক)
৭. আখনুখ
(সম্ভবত ইনি হযরত ইদরীস আ, আদম আ এর পর প্রথম নবী, কলম দিয়ে তিনি ই প্রথম লেখার সূচনা করেন )
৮. মাতু শালাখ
( এর অর্থ হচ্ছে যার দুত মারা গেছে , উনি মার্তৃগর্ভে থাকাকালীন তার বাবা-আখনুখ মারা যান)
৯. লামাক
১০. নূহ আ:
(নুহ আ এর আসল নাম আব্দুল গাফ্ফার, নূহ শব্দটির অর্থ কান্না, সম্ভবত তিনি আল্লাহর ভয়ে প্রচুর কাদতেন বলে তার এমন নাম হয়েছিল । হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের বর্ণিত “মনু” ই হচ্ছেন নূহ আ, ইতিহাসের বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় ভারতবর্ষে হিন্দুজাতির আগমন নুহ আ এর প্লাবনের পরেই হয়েছিল । সরাসরি নুহ আ এর উম্মত হচ্ছেন আজকের হিন্দু জাতি )
১১. সাম
১২. আরফাখশাজ (অর্থ জ্বলন্ত প্রদীপ)
১৩. শালেখ (অর্থ প্রতিনিধি)
১৪. আয়বার
১৫. ফালেখ
১৬. রাউ
১৭. সারূগ
১৮. নাহুর (অর্থ কুরবানীদাতা)
১৯. তারেহ (অন্য নাম আযার - অর্থ , হে খোড়া ব্যাক্তি)
২০. ইবরাহীম আ
(শব্দটির মুল রূপ হলো, আবূন রহিম যার অর্থ দয়ালু পিতা, খৃষ্টানদের মধ্যে প্রচলিত নামটির রূপ হচ্ছে আব্রাহাম, মূলত বর্তমানে প্রচলিত জাতিগুলির সবাই ইবরাহীম আ
এর প্রতি সমানভাবে সম্মান প্রদর্শন করে থাকে... মহানবী সা এর নবুওতের সময়েও আল্লাহ বিভিন্ন সময়ে আরবের মুশরিক, ইয়াহুদী খৃষ্টানদেরকে “ইবরাহীমের দ্বীন” এর প্রতি আহবান জানিয়েছেন ।
২১. ইসমাঈল আ
(অর্থ আল্লাহর অনুগত- আল্লাহর নির্দেশে কুরবানী হতে পিতার ছুড়ির নিচে শুয়ে পড়েছিলেন নির্দিধায়, কুরবানীর ইতিহাস এখান থেকেই শুরু, তিনি ১৩০ বছর বেঁচে ছিলেন,তার মাতা হাজেরা মিশরীয় বংশদ্ভুত ছিলেন - রাসুল সা এর ওসীয়ত আছে এব্যাপারে, তিনি বলে দিয়েছিলেন সাহাবাদের, যেন মিশর জয় করার পরে তার অধিবাসীদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করা হয়, কারন, মুসলিম রাষ্ট্রের বিজিত অমুসলিম নাগরিক আইনানুগ ভালো ব্যবহার এর অধিকারী এবঙ আত্মীয়তার সূত্রেও ...)
২২. নাবিত
২৩. ইয়াশজাব ( অর্থ হচ্ছে নিন্দুক)
২৪. ইয়ারাব
২৫. তায়রা (দু:খ ভারাক্রান্ত)
২৬. নাহুর (পৃর্ববর্তী আরেক পুরুষের একই নাম রয়েছে)
২৭. মুকাওয়াম
২৮. উদাদ (স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা-শাব্দিক অর্থ)
২৯. আদনান (অর্থ চিরস্থায়ী)
৩০. মায়াদ (অর্থ শক্তিমান)
৩১. নিযার (শাব্দিক অর্থ অল্প)
৩২. মুযার (মুল শব্দরূপ মাযীরা, যা দুধের তৈরী একধরনের খাদ্যের নাম)
৩৩. ইলয়াস
(অর্থ, এমন বীর যিনি কখনও যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাননা)
৩৪. মুদরাকা (তার ২ ছেলে, খুযায়মা ও হুজায়ল)
৩৫. খুযায়মা
(এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে কোন কিছুকে শক্ত করে বাধা, তার ৪ ছেলে, কিনানা, আসাদ, আসাদাহ ও হুন)
৩৬. কিনানা
(তার মায়ের নাম আওয়ানা, তার ৪ ছেলে, নাজর ,
মালিক, আবদে মানাত, মিলকান, শেষ তিন জনের মা ভিন্ন)
৩৭. নাজর
(তার মা বাররাহ যার বংশ উপরের দিকে ইলয়াস(৩৩)এ একত্রিত হয়েছে , নাজরের নামই ছিলো কুরাইশ)
৩৮. মালিক (মালিকের মায়ের নাম আতিকা)
৩৯. ফিহের
(ফিহের শব্দটির অর্থ হচ্ছে লম্বা পাথর, তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে, গালিব, মুহারিব, হারিস ও আসাদ এবং জান্দালাহ এর মায়ের নাম লায়লা)
৪০. গালিব (তার তিন ছেলে লুআঈ, তায়ম ও কায়সের মায়ের নাম সালমা)
৪১. লুয়াই
(তার ৭ ছেলে, কা’আব, আমির, সামাহ এর মায়ের নাম মাবিয়াহ । আওফ, সাদ, খুজাইমাহ হারিস এর মা ভিন্ন ভিন্ন )
৪২. কা’আব
(রাসুল সা এর আগে ইনিই প্রথম আরব ঐক্যের ডাক দেন । কারো কারো মতে সপ্তাহের একটি দিনকে জুমআ নামটিও তার দেয়া, এই দিনে তিনি কুরাইশদের একত্রিত করে রাসুল সা এর আগমনের কথা আলোচনা করতেন , তার তিন পুত্র ছিল,
মুররা, আদী, হুসায়স এর মায়ের নাম ওয়াহশ্যিয়া যার পুর্বপুরুষ ফিহের (৩৯))
৪৩. মুররা
(শব্দটির অর্থ অতিশয় তিক্ত, তার ৩ ছেলে, কিলাব, তায়ম, ইয়াকাযা)
৪৪. কিলাব (তার ২ ছেলে ও ১ মেয়ে)
৪৫. কুসাই (তার ৪ পুত্র ও ৪ মেয়ে ছিল)
৪৬. আবদে মানাফ (অন্য নাম মুগীরা)
৪৭. হাশিম
(তার ৪ ছেলে -আব্দুল মুত্তালিব, আসাদ, আবূ সায়ফী, নাযলাও ৫ মেয়ে - শিফা, খালিদা, যাঈফা, রুকায়্যা, হাইয়া.. আব্দুল মুত্তালিব ও রুকায়্যা আপন ভাইবোন ছিলেন ।
৪৮. আব্দুল মুত্তালিব
(আসল নাম শায়বা, তার এই নামের কারন জন্মের সময়েই তার মাথায় পাকা চুল পাওয়া গিয়েছিল
, তিনি ১৪০ বছর বেচে ছিলেন, তিনিই নাকি চুলে কলপ ব্যবহার করেন সর্বপ্রথম, তার ১০ ছেলে ও ৬ মেয়ে ছিল...আব্বাস, হামজা, আব্দুল্লাহ, আবু তালিব, যুবায়র, হারিছ, হাজলা, মুকাব্বিম, যিরারা, আবু লাহাব.. এবং মেয়েরা ... সাফিয়্যা, উম্মে হাকীম বায়যা, আতিকা, উমায়মা, আরওয়া, বাররাহ) )
৪৯. আবদুল্লাহ
(তিনি পিতার সবচেয়ে স্নেহভাজন ছিলেন । যমযম কুপের সংস্কার করতে গিয়ে বিরোধ বাধলে আব্দুল মুত্তালিব মানত করেন তার যদি ১০ সন্তান জন্ম নেয় এবং জীবদ্দশায় বয়োপ্রাপ্ত হয় তবে ১ জনকে কুরবানী করবেন । পরবর্তীতে তীর টানা (এক ধরনের লটারী) য় আব্দুল্লাহর নাম চলে আসে । তিনি মানত পৃর্ন করতে উদ্যত হলেও অন্যান্য কুরায়শদের বাধা ও পরামর্শে হিজাজের জনৈক মহিলা জোতীষীর পরামর্শ নিয়ে ১০০ উট আব্দুল্লাহর পরিবর্তে কুরবানী দেয়ার মানত করার পরে তীর টানায় আব্দুল্লাহর পরিবর্তে উটের নাম চলে আসে । ) ![]()
৫০. মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
(রাসুল সা এর মাতা আমিনা সমগ্র কুরাইশ বংশের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন মহিলা ছিলেন ।আবদে মানাফ (৪৬)থেকে তার পির্তৃবংশ আলাদা হয়ে গেছে । এবঙ তার মায়ের বংশ কুসাই(৪৫) থেকে আলাদা হয়েছে । রাসুল সা এর মুহাম্মদ নাম আমিনাকে স্বপ্নের মধ্যে জানিয়ে দেয়া হয়েছে । এর আগে আরবে আরো ৩ জনের মুহাম্মদ নাম ছিলো । তাদের পিতা রা জেনে ফেলেছিল যে সর্বশেষ নবী যার আগমনের সময় আসন্ন তার নাম মুহাম্মদ হবে । )
প্রকাশ করা হয়েছে: হুম.. বিভাগে ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
লেখাটার উপলক্ষ্য সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- রাসুলের জন্মদিন লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । অনেক ভালো লাগলো ![]()
ক্যাচাল বলেছেন:
দয়া করে কি আমার একটা প্রশ্নের জবাব দিবেন?আপনার তালিকা মতে আদম নবী আজ থেকে কতো বছর আগে দুনিয়াতে এসেছিলেন?
লেখক বলেছেন: ক্যাচাল ভাই, আমি অনেক দয়ালু মানুষ । তবে কিনা , দেখেন উপরে মাত্র কয়েকজনের আয়ুষ্কাল জানি । আদম আ কত বছর হলো পৃথিবীতে এসেছেন ঠিক জানিনা ? তবে পৃথিবীতে মানব জাতির বয়স যতটা , তার আগমন ও তত বছর পূর্বে হবে ।
অক্ষর বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ ই হোক আমাদের জীবনের একমাত্র আদর্শ ।
সততার আলো বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ। রাসূলের (সলেখক বলেছেন: রাসুলের আদর্শ ই সর্বকালের উপযোগী সর্বাধুনিক আদর্শ । মানব জাতির কল্যানের জন্য যে আদর্শ তিনি রেখে গেছেন, তা আবার এ পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই পৃথিবীতে আবার শান্তি ফিরে আসবে ।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
এই ক্রম টা কোন বই এ পাইছেন? আইএসবিএন নামবার টা কি দিবেন? একট পড়ার ইচ্ছে ছিলো। @লেখক।
লেখক বলেছেন:
যে বই থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পোষ্টটা তৈরী করা হয়েছে তার নাম, "সীরাতুন্নবী সাঃ" মুল বইটির লেখকের নাম ইবনে হিশাম । লেখকের মুল নাম, আব্দুল মালিক । তিনি বসরায় জন্মগ্রহন করেন । মিশরে ইমাম শাফেয়ী র এর ছাত্র ছিলেন তিনি ।
বইটির বাঙলা অনুবাদক
১.মাওলানা আকরাম ফারূক
২.মাওলানা সাইদ মেসবাহ
৩.মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন সাইদ
৪.মাওলানা সাইফুল ইসলাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত এটি । প্রকাশকাল ১৯৯৪ সাল । আইএসবিএন নাম্বার ৯৮৪-০৬-০১৬৭-৯
আর বইখানা কোন এক সীরাতুন্নবী সা উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগীতায় প্রথম গিফোট হিসেবে পাইয়াছিলাম ![]()
এই হচ্ছে বইটার ইতিহাস ![]()
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
আচ্ছা এরা কেউ কিন্তু পুর্বতন দের উপায়ে প্রার্থনা করতোনা। প্রত্যেক নবীর লাইগা নতুন ষ্টাইলে প্রার্থান, সেটা কেন? আর আদম আঃ আসলে হেই যে নিওতড়ডাল মানুষের হাড় পাওয়া যায় সেটা কি?
লেখক বলেছেন: এদের প্রার্থনার স্টাইলে কি প্রমানিত হয় ? এরা সবাই নবী নন ।
প্রার্থনার স্টাইল ভিন্ন হতেই পারে ।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
ইবনে হিশাম কতো সালে বইটা লিখেছিলেন? উনি কোথা থেকে এই তথ্য পেয়েছিলেন?
লেখক বলেছেন: ৮৫ হিজরীতে ইবনে ইসহাক সীরাত গ্রন্থটি লিখেন । ইনার জন্ম মদীনাতে। ইবনে হিশাম মূলত ওই বইটির সংশোধন করে প্রসিদ্ধি লাভ করেন ।
ততকালীন সময়ে আরবজাতির প্রধানতম একটা গুন ছিলো বংশপরম্পরা মুখস্ত করার বিদ্যা । আরবরা এ কাজটা নিখুতভাবে করার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ।
আপনি বইটা পড়ে দেখবেন , আশা করি ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট... প্রিয় পোস্টে গেল। তবে এই বিষয়ে আরো গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। এধরনের বিষয় নিয়ে লেখা কিছু বইয়ের তালিকা দিয়ো সম্ভব হলে। আমার কাছে নেই....
লেখক বলেছেন: এখন ঠিক দিতে পারছিনা কোন তালিকা । তবে এধরনের বই ইসলামিক ফাউন্ডেশনেই পাওয়া যেতে পারে । অন্য কোথাও সম্ভবত বাংলাদেশে নেই ।
নবী করিমের (সাঃ) জন্মদিনে এই ধরণের ভ্রান্ত প্রচারণাতে মানুষকে বিভ্রান্ত করা ঠিক না।
লেখক বলেছেন: রাগিব, আপনার শেষ লাইনটা কি না লিখলে হতোনা । আপনি কি পোষ্টে পোষ্টে ঘুরে বেরান, মানুষের কথা মেনুপুলেট করার সুত্রপাতটা করে দিতে ? আমি ইতোমধ্যেই পোষ্টের তথ্যসূত্র উল্ল্যেখ করে দিয়েছি । এটা আমার বানানো কিছু না । আপনার কি উচিত ছিলোনা কমেন্টগুলোতেও একটু চোখ বুলানো ?
পোষ্টের তথ্য অনুযায়ী ইসমাইল আ বেচে ছিলেন ১৫০ বছর । আবার নুহ আ এর আয়ুষ্কাল আমরা শুনেছি ৯৫০ বছর । এখন, আপনি কি করে জানেন কোন পুরুষের আয়ুষ্কাল ঠিক কতটা ?
সুশীল সমাজ বলেছেন:
লেখক আশা করি এই লেখাটা ড্রাফ্ট করবেন না। উনার জন্য অপেক্ষা করতেছে উত্তম ঝাঝা। আমার কষ্ট হচ্ছে লেখকের জন্য। @রাগিব।
লেখক বলেছেন: ব্যান করাবেন নাকি ভাই ?
ভয় পেলাম , মাগ্গো
বাঁচাও ![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
@রাগিব সাহেব
এই বিষয়ে আপনি সঠিক প্রচারণা করুন। বিষয়টা আসলে সঠিক কি ভ্রান্ত তা নিয়ে বিতর্কের অনেক অবকাশ রয়েছে। আপনি কিছু দিলে আরো কিছু বিষয় জানতে পারবো তাতেই লাভ।
কাউকে ভুল প্রমাণীত করে কি লাভ? বরং আপনি এই বিষয়ে কি জানেন তা বলুন.. আমরাও জানি। জানাটাই মূখ্য....
লেখক বলেছেন: সীরাতুন্নবী সা উপলক্ষ্যে আজকে কয়টা পোষ্ট ব্লগে এসেছে ? আমি সারাদিন নেটে ছিলাম না । বলতে পারেন ত্রিভুজ ভাই ।
একটু আগে আমি যে আচরন পেলাম, তাতে আমি না হয়ে নতুন কোনো ব্লগার হলে নিশ্চিত বেচারা দমে যেত । ইসলাম নিয়ে কথা বলার উৎসাহ পাওয়াটা এই ব্লগে খুবই কঠিন ।
লেখক বলেছেন: বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা আমাদের একমাত্র অনুসরনযোগ্য মানুষ । রাসুলের প্রতি সালাম ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@বিবেক সত্যি
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পরের প্রযন্মের ধারাবাহিকতা নিয়ে কিছু পোস্ট দিতে পারো। বাংলাদেশের সৈয়দ বংশ রাসুল (সাঃ) এর বংশ বলে প্রচার করা হয়। বিষয়গুলো কতটা ঠিক?
এই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষনামূলক কিছু বইয়ের নাম দিতে পারো.. যদি জানা থাকে।
লেখক বলেছেন: "মুহাম্মদ তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নন " - ---
তবে রাসুলের মেয়েদের বংশধারা সম্ভবত আছে ।বিশেষ করে ফাতিমা রা পর্যন্ত বংশধারা আমি কোন একটা বইয়ে দেখেছিলাম ।
আমি প্রচুর বই পড়েছি কিন্তু মনে রাখতে পারিনি বিশেষ কিছু
তাই আমার কাছে বইয়ের তালিকা চেয়ে লাভ নেই :B
পোষ্টের তথ্য অনুযায়ী ইসমাইল আ বেচে ছিলেন ১৫০ বছর । আবার নুহ আ এর আয়ুষ্কাল আমরা শুনেছি ৯৫০ বছর । এখন, আপনি কি করে জানেন কোন পুরুষের আয়ুষ্কাল ঠিক কতটা ?
----
এখানে কারো আয়ুষ্কাল নিয়ে কথা বলা হচ্ছে না। প্রশ্ন হলো এক প্রজন্ম হতে পরের প্রজন্মের দূরত্ব কতো। ধরা যাক, কারো সন্তান জন্মালো ৩০ বছর বয়সে। সেই ক্ষেত্রে বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান ৩০। নাতির জন্ম এর ২৫ বছর পরে হলে সেই ক্ষেত্রে দাদার সাথে বয়সের তফাৎ ৫৫ বছর। এখানে দাদা কত বছর বাঁচলেন, তা মুখ্য না।
আপনার বানানো তা বলছি না, তবে যিনি লিখেছেন, তিনি মহানবী (সাঃ) সম্পর্কে বানোয়াট তথ্য দিয়েছেন। এভাবে নবীজীর (সাঃ) সম্পর্কে হাবিজাবি তথ্য প্রকাশ করে তাঁকে অপমান করাটা ঠিক না।
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনীকে সঠিক ভাবে তুলে ধরুন। ভুল তথ্য নিয়ে বিগলিত হয়ে থাকলে অন্যদের কাছে নিজেদেরকেই হাস্যকর করে তুলে ধরা হয়, আর সেই সাথে মহানবীর (সাঃ) বংশধারা সম্পর্কে ১০০% সঠিক ও সর্বসমর্থিত তথ্য না জানলে এক বইতে পড়া তথ্য প্রচার করতে থাকাটাও ঠিক না।
@ত্রিভুজ সাহেব
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বংশধারা সম্পর্কে আপনার মতো "আমার জানা মতে"/"আমার ধারণা" এরকম টাইপের কিছু জানলেও তা প্রচার করবো কেনো ... উনার সম্পর্কে আন্দাজে কথা বলতে যাবো কেনো? আপনি বলবেন নাকি, আপনার "জানা মতে"/"ধারণা অনুসারে"/"শুনেছেন" কী কী?
লেখক বলেছেন: বাহ , আপনি দেখছি মানবেতিহাসের প্রত্যক্ষদর্শী
কার কত বয়সে সন্তানাদি হয়েছে তাও দেখে এসেছেন
ইসমাইল আ ছিলেন ইবরাহিম আ এর বৃদ্ধবয়সের সন্তান । আয়ুষ্কাল অবশ্যই একটা ফ্যাক্টর ।
একটা আপনাদের উপযোগী পরামর্শ দেই ভাইয়া । বাংলা একাডেমীর ওই পাবলিকগুলোরে কোনো একটা ভিআইপি মিলনায়তনে ডেকে প্যাদানী দিয়ে দেন । আর একান্তই সেটা সম্ভব না হলে একটা মামলা করে দেন । আফটারঅল ইসলামের প্রতি আপনাদের যে প্রগাঢ় ভালোবাসা, তাতে ইমানের দাবীতে এই কাজ আপনাদের করা উচিত ।
কবিতা আর বংশপরম্পরা বিদ্যায় তৎকালীন আরবদের ক্ষমতা নিয়ে আমার দ্বিধা একটু কম । তারপর , এই বইয়ের লেখক ছিলেন ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহর সরাসরি তত্বাবধানের ছাত্র .
ইবনে হিশামের এই সীরাত গ্রন্থটি সারা বিশ্বে প্রসিদ্ধ । সীরাত লেখক হিসেবে অদ্বিতীয় বলা হয় ইবনে হিশাম কে ।
১০০% সঠিক তথ্য যোগার করতে আপনার সাহায্য কামনা করতেছি । হেল্প প্লিজ । আমি ওই কাজটা (আপনার বিচারে ১০০% সঠিক) করতে করতে ইহজীবন ফিনিস হয়ে যাবে । মাঝের থেকে প্রিয় নবী সম্পর্কে কিছু না জেনেই ওপারে হাজির হতে হবে ।
ক্যাচাল বলেছেন:
লেখক@আপনার তথাকথিত ক্রম কি নবীজী নিজে কোনসময় স্বিকার করেছিলেন? উনি নিজে কিন্তু কোনসময় বলেন নি যে উনি ৫০ তম বংশধর। উনি শুধুমাত্র উনার ৭ পুরুসের নাম বলে গেছেন।
আপাতত আর কিছু লিখছি না, প্রিয় পোস্টে এড করা আছে, পরে ডিটেইলস আসবে। দেখি কে কি বলে।
লেখক বলেছেন: আমার দেয়া ক্রম আপনার আদর্শিক বিশ্বাসে(নাস্তিকতা) কি কি সমস্যা তৈরী করে সেটা বলে যাবেন যখন আসবেন আবার ।
এই সীরাত রাসুলের মৃত্যুর পরে করা হয়েছে ।
এটায় কোনো ভুল থাকলে তার দায় হবে প্রধানত অনুবাদকের ।
বারবার যে কথাটি বলেছি, বংশপরম্পরা বিদ্যায় আরবরা খুবই দক্ষ ছিলেন । রাগিব যে যুক্তি দিয়েছেন , তা খুবই ছেলেমানুষী এবং হাস্যকর । মানুষের আয়ুষ্কালের হিসাব দিয়েছেন হাস্যকরভাবে । কোন ব্যক্তি কত বয়সে সন্তান পেয়েছেন, কে কতবছর বেচে থেকেছেন এব্যাপারটা উনি অবশ্যই জানেন না । আমিও পুরোটা জানিনা । তবে ওনার মত অদ্ভুত কথা বলিনি , দাদা আর নাতির বয়সের পার্থক্যের ব্যাপারে ।
মানুষের আয়ুষ্কালের অনিশ্চয়তা কে অস্বীকার করতে পারে ?
আপনার অপেক্ষায়...
আপনার পোস্ট দেখে এই ঈদে মিলাদুন্নবীর সময়ে আমিও আগ্রহ ভরে ঢুকেছিলাম। কিন্তু এরকম ত্রুটিপূর্ণ "ধারণা"র প্রচারণা দেখে আমিও দমে গেলাম। ইসলাম নিয়ে কথা বলুন উৎসাহের সাথে... কিন্তু মহানবী (সাঃ) সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ, কিছুটা "ধারণা" অনুসারে কথা বলা হয়েছে কোথায়, তা প্রচার করছেন দেখে দুঃখ পেলাম।
লেখক বলেছেন: ঈদে মিলাদুন্নবী শব্দটা ব্যবহার করা ঠিক না রাগিব ভাই ।
আপনার অনুভুতির প্রতি শ্রদ্ধা জানালাম![]()
"আমার ধারনা "আল্লাহর রহমতে এখন পর্যন্ত যৌক্তিক আছে । সবচেয়ে প্রকাশ্য যুক্তি , বাংলা একাডেমীর প্রকাশিত বইটা পৃথিবীর একজন শ্রেষ্ঠ সীরাত লেখকের লেখা । বইটা আমি পুরস্কার পেয়েছিলাম ১৯৯৬ সালে । আপনারা যারা বইটা এখন পড়বেন, কোন এডিট হয়ে থাকলে আমাকে জানালে ভালো লাগবে । আমি পোষ্টে নতুন পাওয়া তথ্য যোগ করে দেব ।
লেখক বলেছেন: যদি আবার ব্লগান্দোলনের রেফারেন্স হওয়া যায়
অবশ্য ফারজানা আপুর পোষ্টের কমেন্টগুলো পড়ে দারুন মজা পেয়েছি । যকে বলে "ধরা " ![]()
রিফাত হোসেন বলেছেন:
পড়লাম, অনেক অজানা তথ্য জানলাম । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ । মূল বইটা পড়ার পরামর্শ রইলো ।
নেমেসিস বলেছেন:
নবী করিমের (সাঃ) জন্মদিনে এই ধরণের ভ্রান্ত প্রচারণাতে মানুষকে বিভ্রান্ত করা ঠিক না।
একমত । কিছু কিছু মানুষের অতিরন্জীত আবেগে ধর্মের গুনগান গাওয়া যে ধর্মের প্রতি উল্টো ধারনা জন্ম নেয় , এই পোস্ট তার উজ্জল স্বাক্ষর ।
ঈশ্বর নিশ্চই কৃপা করবেন এদেরকে ।
লেখক বলেছেন: ব্লগের ধর্মানুরাগী বলে পরিচিত বেশ কয়েকজন ঘোষনা দিয়ে তাদের ভালো লাগার কথা জানিয়েছে ইতোমধ্যে..
ইশ্বরে অবিশ্বাসী, টুপিওয়ালাদের সমাবেশ দেখে ভয়ে কম্পমান কারো মতামত আমি ঠিক ততটা গুরুত্ব দিয়ে গ্রহন করতে পারছিনা বলে দুঃখিত ![]()
@রাগিব, ধন্যবাদ। আপনার কথা যুক্তিযুক্ত।
লেখক বলেছেন: সা.ইন কি আজকাল মাদ্রাসা হয়ে গেল নাকি
উফফফফ, কতটা হাস্যকর কথা মানুষ বলতে পারে রে আল্লাহ...![]()
রাগিব ইজ দ্যা রেফারেন্স ম্যান অব দ্য ব্লগ
এগিয়ো যাউন রাগিব ভাই, আমরা আছি আপনার সাথে ![]()
আজকের দিন ভাব (মুর্তির ) দিন না । চুপচাপ বসে থাকার জন্য আল্লাহ কোনো দিন বানান নি । রাসুল সা এর জন্মদিন পালনের সিষ্টেম যেটা সাধারন্যে প্রচলিত, তাও ইসলামের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক ।
রাসুলের জন্মদিনে আমাদের প্রত্যয় হোক , রাসুলের কর্মপন্থা জানা এবং তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা ।
আমার পোষ্ট থেকে আর কিছু না হোক, রাসুলের জীবনি জানার আগ্রহটা তৈরী হলেও খুশি হবো । হতে পারে আমার তথ্য ভুল । তবে সেটা যাচাই করতে রাগিব ভাই কে আদর্শ না মেনে নিজে নিজে একটু খোজখবর নেয়ার অনুরোধ সবাইকে । হতে পারে, একটা বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে আরো হাজারটা বিষয় জেনে যাবেন ইসলাম সম্পর্কে
শুভকামনা ![]()
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ব্লগের ধর্মানুরাগী বলে পরিচিত বেশ কয়েকজন ঘোষনা দিয়ে তাদের ভালো লাগার কথা জানিয়েছে ইতোমধ্যে..
ইশ্বরে অবিশ্বাসী, টুপিওয়ালাদের সমাবেশ দেখে ভয়ে কম্পমান কারো মতামত আমি ঠিক ততটা গুরুত্ব দিয়ে গ্রহন করতে পারছিনা বলে দুঃখিত
এদের নাম দিন বেকুব সত্য
লেখক বলেছেন: আইজু ভাগ ![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
@রাগিব সাহেব
এই পোস্টটের তথ্যগুলো অন্য একজনের গবেষণা লব্ধ জ্ঞান। তাঁর গবেষণায় ভুল থাকতে পারে। তবে কোরানে এসব বংশধারা সম্পর্কিত অনেক তথ্য রয়েছে। সেগুলো এবং আরো কোন সোর্স নিয়ে হয়তো গবেষক তাঁর গবেষনা করেছে।
সেটার সমালোচনা করতে পারেন.. বলতে পারেন যে তথ্য ভুল থাকতে পারে। কিন্তু প্রজন্ম সংক্রান্ত আপনি যে হিসেব দিয়েছেন, সেটাকে সঠিক ধরে নিয়েছেন কেন? আমরা কোরান থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রজন্মের গড় বয়স, আকার, আকৃতি ইত্যাদি বিষয়ক সম্পর্কে অনেক এমন তথ্য জানি যা আমাদের এই সময়ের বা গত ১৪ বছরের মানুষের ইতিহাসের সাথে পুরোই ভিন্ন। সেক্ষেত্রে আপনার এই অজ্ঞতা প্রসূত হিসেবটাও একটা বিভ্রান্তি। আলোচ্য বক্তব্যের বিভ্রান্তি নিরসনে আপনিও আরেক বিভ্রান্তি নিয়ে হাজির হলে সেটাও দু:খজনক।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@দুঃখবিলাস
রাগিব সাহেবের কথাগুলো কোন দলিলের ভিত্তিতে যুক্তিযু্ক্ত? নাকি সেটা রাগিব সাহেব বলেছেন তাই যুক্তিযুক্ত?
নেমেসিস বলেছেন:
ব্রাদার যার যার ধর্ম বিশ্বাস তার তার কাছে । এইটারে প্রকাশ্যে টেনে আনা দুর্বল ধর্ম চিত্ততার লক্ষন । আমি স্বঘোষিত নাস্তিক নাকি আপনি স্বঘোষিত ধর্মের বরকন্দাজ এসবে ঈশ্বর মনে হয় না তেমন মুল্য দিবেন । পৃথিবীতে করা সঠিক বেঠিক কর্মই ঈশ্বর বিবেচনা করবেন বলে জানি ।
লেখক বলেছেন: বিশ্বাসকে প্রকাশ্যে টেনে আনার মত সাহস না থাকাটাই বরং দুর্বল চিত্ততার লক্ষন
আমি এমন এক বিশ্বাসে বিশ্বাসী যাকে প্রকাশ্যে প্রকাশ করতে গর্ববোধ করি ।
আর আমি কোরান বিরোধী আইনের প্রতিবাদী সমাবেশের উপস্থিতির বিশালত্ব দেখে ভয় পাইনা , আনন্দ পাই
আহ, মানুষ ইসলামকে কতটা ভালোবাসে । আহা, আমি একা নই, হাজারও মানুষ আমার সাথে রয়েছে ![]()
ক্যাচাল বলেছেন:
আমার দেয়া ক্রম আপনার আদর্শিক বিশ্বাসে(নাস্তিকতা) কি কি সমস্যা তৈরী করে সেটা বলে যাবেন যখন আসবেন আবার । এই সীরাত রাসুলের মৃত্যুর পরে করা হয়েছে ।
রাসুল জীবিত থাকতে যেখানে ৭ পুরুষের নাম বলে গেছেন , সেখানে উনার বেহেশত গমনের পর ৪৯ পুরুষের নাম কিভাবে গ্রহনযোগ্য বলে আপনি মনে করেন?
লেখক বলেছেন: আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পাল্ট প্রশ্ন করলেন ভাই ?
রাসুলের মৃত্যুর পর তার জীবন নিয়ে গবেষণার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন কারন আমি দেখিনা ।এটা কোন ব্যাক্তির জীবন মৃত্যুর ওপর নির্ভরশীল না । আর ইসলামের একটা সিস্টেম হলো, গবেষনা বা চিন্তাভাবনার ফলাফল বিশ্বস্ত হতে হলে গবেষককেও চরিত্রবান ও বিশ্সস্ততার প্রমান রাখতে হয় ।
একারনেই দেখবেন , সন্ধ্যাবাতির চিন্তাভাবনা ইসলামপন্থীদের কাছে অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য হয় ব্লগে যেখানে নরাধমদের দুর দুর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়![]()
ঠিক একই কারনে, রাগিবের কথাবার্তার চেয়ে ইবনে হিশামের বইয়ের মুল্য আমার কাছে এখনও অনেক বেশি (আপনাকে এই জবাব দিচ্ছি, নীচে রাগিবের জবাবে কিছু বলারও পরে
)
কারো চরিত্র সম্পর্কে যদি একবার একটা ধারনা পাওয়া যায়, তবে তার কথাবার্তার মেরিট অথবা উদ্দেশ্য খুব সহজে ধরে ফেলা যায় ...
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: রাসুল সা এর আদর্শ নিজ জীবন ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা উচিত আমাদের সবার । তবেই সীরাতুন্নবী উদযাপন স্বার্থক হবে ।
মুল বইটা পারলে পড়ে নিয়েন ।
আপনাকেও ধন্যবাদ ..
আপনি একটু রেগে গেছেন, কিন্তু লজিকালি চিন্তা করুন। মানুষের আয়ু হযরত আদম (আঃ) এর সময়ে হাজার বছর হতে পারে, কিন্তু মোটামুটি গত ৬০০০ বছর ধরে মানুষের আয়ু সর্বোচ্চ ১০০ হয়েছে বড়জোর। এটুকু বলছি, কারণ এটুকু সময়ের লিখিত ইতিহাস আছে।
পবিত্র কুরআন শরীফে অনেক স্থানের ও ঘটনার বর্ণনা দেয়া আছে, যেগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা, এবং যার সময় কার্বন ডেটিং ও অন্যান্য পদ্ধতিতেও বের করা হয়েছে, পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণও পাওয়া গেছে। যেমন, হযরত মুসা (আঃ) যে ফেরাউন (ফারাও) এর হাত থেকে বনি ইসরাঈলদের মুক্ত করে তাদের নিয়ে মিশর থেকে ফিলিস্তিনে চলে এসেছিলেন, এটা যে ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ বা তার আশে পাশে হয়েছে, তার অনেক পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ রয়েছে। ঐ সময়ের ইতিহাস লিপিবদ্ধ। কাজেই ঐ সময়ে মানুষ হাজার বছর বাঁচতো না, তাও সহজেই বোঝা যায়।
এবার দেখা যাক অংক করে কী দেখা যায় - হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে। আপনি দাবী করেন, এই বংশ পরম্পরায় হযরত ইব্রাহিম (রাঃ) বৃদ্ধ বয়সে সন্তান নিয়েছেন। সেটা উনার ক্ষেত্রেই রয়েছে তাই না ... অন্যদের ক্ষেত্রে তা হয়েছে বলে কি শোনা যায়? আপনার বা আমার বংশে দেখুন, প্রতি প্রজন্মের পার্থক্য হলো কেবল ২৫ থেকে ৩০ বছর "গড়ে"।
একটু বাড়িয়ে নাহয় ৪০ বছর ধরলাম গড় প্রজন্ম সময়। তাহলে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সাল পর্যন্ত ২০০০ বছরে কত প্রজন্ম হবে? সহজ অংকের হিসাবে ৫০ প্রজন্ম। নাহয় ধরলাম সবাই ৫০ বছরে সন্তানের পিতা হয়েছেন, সেই ক্ষেত্রেও ৪০ প্রজন্ম।
কিন্তু, মিশরের পিরামিডগুলো যে তারও পুরানো! ইমহোটেপের স্টেপ পিরামিড ২৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৈরী, যা মহানবী (সাঃ) এর জন্মের ৩২৫০ বছর আগে তৈরী।
সেই সময়ে, মানে ৩২৫০ বছর আগে যদি ৫০ প্রজন্মও যায়, তাহলে প্রজন্ম প্রতি কত বছর হয়? ৬৫ বছর। আমরা মহানবী (সাঃ) এর আগের কয়েক পুরুষের হিসাব সহজেই জানি, উনার পিতা আবদুল্লাহ ইবন মুত্তালিব ৫৪৫ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহন করেন, এবং ইন্তেকাল করেন ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে ২৫ বছর বয়সে। মহানবী (সাঃ) এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব জন্ম গ্রহন করেন ৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে। তাঁর পিতা হাশিম ইবন আবদ মানাফ (হাশিম গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা) মারা যান ৪৯৭ সালে, উনার জন্ম কবে জানি না, তবে ধরা যাক, বেশি হলে ৫০ বছর আগেই জন্ম। সেই ক্ষেত্রে উনার জন্ম সাল ৪৫০ খ্রিস্টাব্দের আশে পাশে।
হাশিমের পিতা আবদ মানাফ ইবন কুসাই এর পিতা ছিলেন কুসাই ইবন কিলাব। কুসাই এর জন্ম ৪০০ খ্রিস্টাব্দে।
তাহলে দেখা গেলো, কুসাই হতে মুহাম্মদ (সাঃ) পর্যন্ত ৫ প্রজন্মের সময়কাল হলো ৪০০ হতে ৫৭০, অর্থাৎ ১৭০ বছর। গড়ে হয় ৩৪ বছর/প্রজন্ম। বাকি ৪৫ প্রজন্মের জন্য তাহলে বরাদ্দ থাকে ৩০৮০/৪৫, অর্থাৎ ৬৮ বছর প্রতি প্রজন্মে।
এখন, লিখিত ইতিহাসে (ধরা যাক, ১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত কেউ ওরকম ১০০০ বছর বেঁচে থাকতেন না) মানুষের আয়ু বেশি হলেও ৮০ বছর যদি ধরি, এবং ধরি যে প্রত্যেকে গড়ে ৫০ বছর বয়সে সন্তান নিয়েছিলেন, তাহলে ৩০০০ বছরে ৬০ প্রজন্ম সহজেই পার হয়ে যায়। হযরত আদম (আঃ) যে পিরামিডের আমলেরও অনেক আগে এসেছেন, সেটা নিশ্চয়ই অস্বীকার করবেন না, তাই না? তাহলে কেমন করে বলেন এই বিশাল সময়ে ৫০ প্রজন্ম গেছে মাত্র?
মহানবীর (সাঃ) জন্য আপনার যে ভালোবাসা আছে, আমারও তা আছে, তাই বলে উনার বংশ সংক্রান্ত একটি ভ্রান্ত তথ্য বলে মহানবীর (সাঃ) ব্যাপারে ভুল কথা বলাটা উচিৎ না কারো। যেই ব্যক্তি এই বংশক্রম রচনা করেছেন, তিনি সম্ভবত ধারণাই করতে পারেননি, ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের অনেক আগেই হযরত আদম (আঃ) এসেছেন, তাই ৫০
















