আমার প্রিয় পোস্ট

লাইলাতুল মিরাজের বিষ্ময়যাত্রা: বোঝার চেষ্টা করছি...

৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮

শেয়ার করুন:                   Facebook


১.পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুববেগে ধাবমান সকল রেফারেন্স ফ্রেমে পদার্থ বিজ্ঞানের যে কোন সূত্র একই রকম সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।

২. শূণ্যস্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোর বেগ ধ্রুব এবং এ বেগ আলোর উৎস ও পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক বেগের ওপর নির্ভরশীল না ।

এবং কোন বস্তু থেকে বিকিরিত আলো আমাদের চোখে এসে পৌছালেই আমরা তাকে দেখতে পারি । যেমন সূর্যকে প্রকৃতপক্ষে ৮ মিনিট পরে দেখি আমরা ।

প্রথম কথা হলো মিরাজ মহান-নবী মুহাম্মাদ সা এর জন্য একটি মিরাকল বা মু'জেজা । মিরাকল এমনই ফ্যাক্ট যার মানেই হচ্ছে মানবীয় ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে আয়ত্ব করা সম্ভব না । যদি মিরাকল কে মানুষ বুঝেই ফেলে তবে সেটা আর মিরাকল থাকেনা ।

মিরাজের রাত্রিতে কি হয়েছিলো :

১. সুরা বণী ইসরাইলের প্রথম আয়াত, তিনি সেই পরম-পবিত্র মহিমাময় সত্ত্বা যিনি তার স্বীয় বান্দাহ কে এক রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত । যার পরিবেশকে করেছেন তিনি বরকতময় । যেন তাকে নিজের কিছু কুদরত দেখান । নিশ্চয় ই তিনি সবকিছুর শ্রোতা ও দ্রষ্টা ।

২. সুরা নাজ্ ম এর ১৩-১৮ আয়াত, ...পুনরায় আর একবার সে তাকে (জিবরাঈল্) সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে দেখেছে । যার সন্নিকটেই জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত । সে সময় সিদরাকে আচ্ছাদিত করছিলো এক আচ্ছাদনকারী জিনিস । দৃষ্টিঝলসেও যায়নি কিংবা সীমা অতিক্রমও করেনি । সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ দেখেছে ।


-৬২২ খৃষ্টাব্দের ২৭ রজব মধ্যরাতে জিবরাঈল আ মুহাম্মদ সা এর কাছে এলেন "বুরাক" নামের বাহন নিয়ে । বুরাক শব্দটির অর্থ বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিসিটি শব্দের সাথে সম্পর্কিত ...

- রাসুল সা এসময় ঘুমিয়ে ছিলেন । জিবরাঈল আ তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে আল্লাহর ম্যাসেজ পৌছে দিলেন । এসময় রাসুলুল্লাহ সা এর বক্ষ পুনরায় বিদীর্ণ করে জমজমের পানি দিয়ে ধোয়া হয় । হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী রাসুলের বক্ষ (অন্তর) প্রজ্ঞা এবং আলো [ইংরেজীতে wisdom ও splendour (special light "Noor") ] দিয়ে পূর্ণ করে দেয়া হয়!! রাসুল সা এরপর হাউজে কাউসর এর পানি তে গোসল করেন !

-মিরাজের যাত্রার দুটি অংশ ছিলো । প্রথমটি আনুভূমিক দ্বিতীয়টি উলম্ব । প্রথম অংশটিকে ইসরা বলা হয় । এসময়ের ভ্রমণটি ছিলো বায়তুল্লাহ (কাবা) থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত । বায়তুল মুকাদ্দাসে (মসজিদুল আকসা-ফিলিস্তীন) আল্লাহ তায়ালা সকল নবীর সমাবেশ ঘটান । এসময়ে সকল নবী এবং ফেরেস্তারা সম্মিলিতভাবে ২ রাকায়াত নামাজ আদায় করেন নবী মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ সা এর ইমামতিতে ।

- এখান থেকে শুরু হয় উদ্র্ধমূখী যাত্রা । মানুষের কল্পণার অতীত গতিতে বোরাক ছুটে চলে মহাশূণ্যের দিকে । আকাশের প্রতিটি স্তরে প্রধান ফেরেস্তাগন এবং নবীদের সাথে সাক্ষাৎ এবং কথাবার্তা হয় রাসুলুল্লাহ সা এর সাথে । ১ম স্তরে হযরত আদম (Adam) আ, ২-য় স্তরে হযরত ইয়াহিয়া (John) আ এবং হযরত ইশা (Jesus Christ) আ, ৩-য় স্তরে হযরত ইউসুফ (Joseph) আ , চতুর্থ স্তরে হযরত ইদরীস (Enoch) আ, পন্ঞম স্তরে হযরত হারুন (Aaron) আ , ষ্ষঠ স্তরে হযরত মুসা (Moses) আ এবং সপ্তম স্তরে হযরত ইব্রাহীম (Abraham) আ মুহাম্মদ সা কে স্বাগতম জানান :)

- জীবরাইল আ এর বোরাক পরিচালনায় রাসুল সা সিদরাতুল মুনতাহা নামক স্থানে এসে পৌছলে উদ্র্ধমূখী যাত্রার দ্বিতীয় স্তর শুরু হয় । এপর্যায়ে জীবরাঈল আ আর অগ্রসর হতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।

-বাহন পরিবর্তন হয় এখানে । রফরফ নামের আরেকটি যান রাসুলুল্লাহ সা কে আল্লাহর নিকটবর্তী স্থানে (!!) পৌছে দেয়ার দায়িত্ব নেয় !




আইনস্টাইন ও স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটি :

আলবার্ট আইনস্টাইন তার স্পেশাল থিওরী আব রিলেটিভিটি প্রকাশ করেন ১৯০৫ সালে এবং জেনারেল থিওরী অব রিলেটিভিটি প্রকাশ করেন ১৯১৭ সালে । এখানে সাধারন একটা প্রশ্ন মনে আসে তাহলো, কেন তিনি স্পেশাল থিওরী, জেনারেল থিওরীর আগেই প্রকাশ করলেন । জানিনা... কেউ জানলে জানাতে পারেন ...


প্রথম স্বীকার্য: Special Principle of Relativity - The laws of physics are the same in all inertial frames of reference. In other words, there are no privileged inertial frames of reference.

দ্বিতীয় স্বীকার্য: - Invariance of c - The speed of light in a vacuum is a universal constant, c, which is independent of the motion of the light source.


এ থিওরী থেকে প্রাপ্ত ফলাফল :

১. টাইম ডায়ালেশন (সময় দীর্ঘায়ণ) : একই ঘটনার , স্থির কোন স্থানে পরিমাপকৃত সময়ব্যবধান ধ্রুববেগে গতিশীল স্থানে পরিমাপকৃত সময় ব্যবধানের চাইতে বেশি । (অর্থাৎ রুমে বসে ব্লগ লিখতে ৩ মিনিট লাগলে কোন মহাকাশযানে বসে লিখতে হয়তো ১ মিনিট লাগবে- ব্যাপারটা এরকম...)


২.Relativity of simultaneity : মনে করুন, আপনি কোথাও দাড়িয়ে একই সাথে ২ টি ঘটনা ঘটতে দেখছেন । কিন্তু ওই ঘটনাদুটিই অন্য কোন স্থান ( ধরুন, গতিশীল) থেকে অন্য কেউ একই সাথে ঘটতে দেখবে না । সে দেখবে একটি ঘটনা শেষ হবার পর বা শুরু হবার কিছুক্ষণ পর আরেকটি শুরু হলো ।

৩. লরেন্জ কনট্রাকশন : একই বস্তুর ডাইমেনশন (দৈর্ঘ্য..উচ্চতা..) গুলো দুটি ভিন্ন গতিতে গতিশীল স্থান থেকে মাপলে ভিন্ন ভিন্ন পাওয়া যাবে ।


৪. বস্তু গতিশীল হলে এর ভর বৃদ্ধি পায়....

৫. E = mc² ......... ভর আর শক্তি একই সত্তার ভিন্ন রূপ এবং রূপান্তরযোগ্য ।


....
....
....


মি'রাজ ও স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটি :

১. রাসুলুল্লাহ সা এর উদ্র্ধগমনের সম্ভ্যাব্যতার ব্যাপারটি নিয়ে প্রশ্নের কোন অবকাশ ই নেই । যেহেতু মহাকাশ ভ্রমন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক থিওরী -ও আজকাল অনেক পুরোনো হয়ে গেছে ।

২. অন্তত একজন হলেও লাইট-স্পিড বা এর চেয়ে বেশি গতিতে ভ্রমণ করতেই হবে আইনস্টাইনের সূত্রকে বাস্তবতা দেয়ার স্বার্থে হলেও । ধরে নেই সেই ভ্রমণকারী মুহাম্মাদ সা ।

৩. মহাবিশ্ব ভ্রমণ শেষে রাসুল সা ফিরে এসে দেখতে পান, দরজার শেকল ঠিক আগের অবস্থানে দুলছে । এতবিশাল স্থান অতিক্রম করার পরেও সময়ের কোন হেরফের কিভাবে না হয়ে পারে ?

উত্তর ১: আল্লাহ ইজ অলমাইটি..
উত্তর ২: স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটির; টাইম-স্পেস-ভেলোসিটি রিলেশন । আলোর গতির সমান গতিতে চললেই সময় স্থির হয়ে যাবে খুব সহজে । তখন সময়কে ধরে রেখে যতখানি ইচ্ছা কাজ করে নেয়া সম্ভব । টাইম ডায়লেশন এবং Relativity of simultaneity মূলত এ দুটি ফলাফল এ ঘটনার ব্যাখ্যা ।


৪. আলো ১ বছরে ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার পরিমান স্থান অতিক্রম করতে পারে । এবং বলা হয় পৃথিবীকে কেন্দ্র ভাবলে দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ব্যাসার্ধ ৪৬.৫০ বিলিয়ন আলোকবর্ষ । অর্থাৎ আলোর গতিতে চললেও এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছুতে এত বিশাল সময়ের প্রয়োজন । যদিও মহাবিশ্বের সত্যিকার ব্যাস আরো অনেক অনেক বেশি । তো, প্রশ্ন দাড়ালো রাসুল সা কিভাবে এত বিরাট সময়কে অতি অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারলেন ?

উত্তর : স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরী থেকে প্রাপ্ত লরেন্জ কন্ট্রাকশন ফলাফল । এ ফলাফল অনুযায়ী গতিশীল অবস্থানে দৈর্ঘ্য সংকুচিত হয়ে যায় । অর্থাৎ রাসুল সা এর জন্য গতির কারনে মহাবিশ্বের বিশাল দৈর্ঘ্য ছোট হয়ে গিয়েছিলো । আল্লাহ ই জানেন , আসলে কি হয়েছিলো !!


৫. E=mc2 সূত্র অনুযায়ী, কোন বস্তু আলোর গতিতে চলমান হলে তা বস্তু থেকে শক্তিতে রুপান্তরিত হয়ে যাবে । এই শক্তি যখন পুনরায় বস্তুতে রুপান্তরিত হবে তখন কিছু পরিমান লস হবে যা mass defect বলে পরিচিত । কোন জীবন্ত শরীর এই প্রকৃয়ার মধ্য দিয়ে গেলে নাকি তার শারীরীক কিছু পরিবর্তরন হওয়া উচিত । যেমন শরীরের অংগ প্রত্যংগ গুলোর অবস্থান পরিবর্তন । কিন্তু মিরাজের ক্ষেতে এমনটা হয়নি । কেন ?

উত্তর : এখানে একটি ব্যাপার মনে করিয়ে দিতে হবে আবার । মি’রাজ ছিলো একটি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা যা বাস্তবে ঘটেছিলো । এটি কোন থিওরী বা সূত্র বা ধারনা নয় । এটি বাস্তবতা ।

যেকোন সূত্রকেই বাস্তবে সত্য হতে হলে কিছু শর্ত সম্পন্ন হওয়া লাগে । খুব সাধারন কিছু ব্যাপার উদাহরনস্বরূপ, তাপ-চাপ-.. ইত্যাদি.....

যতদুর ভাবা যায়, মিরাজে; আইনস্টাইনের থিওরীর এই অংশকে অতিক্রম করা হয়েছিলো কিছু পূর্বপ্রস্তুতির মাধ্যমে । যাত্রার পূর্বে মহানবী সা এর বক্ষ বিদীর্ন করা, অন্তর প্রজ্ঞা ও নুর দিয়ে পূর্ণ করে দেয়া.. এসবের সত্যিকারের রহস্য আমরা জানিনা এখন ও.....


তারপর.....

 

প্রকাশ করা হয়েছে: হুম..  বিভাগে ।

 

  • ১০৪ টি মন্তব্য
  • ৯১০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫
comment by: জাহান৮২ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
comment by: লুকার বলেছেন:

মেরাজের অনেক পরে আইনস্টাইনের পেপার পাবলিশ হইছে!

এইটা যে ছাগলীয় রূপকথা, সেইটা বুঝার ক্ষমতাও আপনাদের নাই। আবার ডায়ালেশন, রিলেটিভিটি, কন্ট্রাকশন নিয়া আসছেন ছাগল তত্ব প্রমাণের লাইগা!
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ভদ্রতা বজায় রেখে কিছু শেখাতে এলে খুশি হতাম । স্টুপিডের কাছ থেকে কিছু শিখতে চাইনা ।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯
comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট টি।কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা গুলি পরিপূর্ন মনে হলো।আরো পরিষ্কার ভাবে কেউ কিছু জানালে খুশি হতাম।
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: আমি ও জানি এটা পরিপূর্ণ পোষ্ট না । পোষ্টের শিরোনাম এবং শেষটা দেখলেই বুঝতে পারবেন । আশা করছি, সবার সহযোগিতায় পোষ্টটি পরিপূর্ণ হলেও হতে পারে..

৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
comment by: রাজামশাই বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট টি।কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা গুলি পরিপূর্ন মনে হলো না
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: রাজামশাই হেল্প মি । রাজ্যের বৈজ্ঞানিকদের জরুরী ভিত্তিতে তলব করেন ।

৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে নিয়ে গেলাম।


আছেন কেমন?
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: মোটামুটি ভালো আছি । আপনি-ও ভালো, আশা করি :) ব্লগস্পটে দাওয়াত রইলো ...

থ্যাংকস...

৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
comment by: আরজু বলেছেন: "অন্তত একজন হলেও লাইট-স্পিড বা এর চেয়ে বেশি গতিতে ভ্রমণ করতেই হবে আইনস্টাইনের সূত্রকে বাস্তবতা দেয়ার স্বার্থে হলেও । ধরে নেই সেই ভ্রমণকারী মুহাম্মাদ সা ।"

---এই কথাটি কোথায় পেলেন ভাই?আইনস্টাইন তো বলেননি যে লাইট-স্পিড বা এর চেয়ে বেশি গতিতে ভ্রমণ করতেই হবে।উনি তো উল্টা বলেছেন এর চেয়ে বেশি গতি সম্ভব নয়।
.99C গতিতে ভ্রমণ করেও এটা সম্ভব -সেটা আইনস্টাইন প্রমাণ করে গেছেন
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: বুঝলাম, আইনস্টাইন বলে গেছেন এটা সম্ভব নয় । কিন্তু এটাতো তিনি বলেছেন সূত্রের বাইরে গিয়ে ।


সূত্র বলছে অনেক কিছুই সম্ভব । আইনস্টাইন হয়তো তার প্রাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন দেখাতে পারেন নি বলে সম্ভব নয় বলে দিয়েছেন । এখন আমি ওই সূত্রের ই যদি প্রাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন দেখাতে পারি, তাহলে তো সমস্যা থাকে না ...

৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট টি।কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা গুলি পরিপূর্ন মনে হলো।

হলো না হবে।
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: বুঝতে পেরেছি । ধন্যবাদ :)

৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: "লুকার বলেছেন:
মেরাজের অনেক পরে আইনস্টাইনের পেপার পাবলিশ হইছে!"


লুকারের মন্তব্যটা অনেকটা এরকম যে, অক্সিজেন আবিষ্কারের আগে মানুষ বাঁচতো কি করে? আইস্টাইন অনেক পরে থিউরী দিয়েছে বলে ওগুলো কোন প্রয়োগ আগে থাকতে পারে না.. বাহ, কি চমৎকার যুক্তি!

যাই হোক, অসাধারণ লেখা বি.স। মিরাকল শব্দটা মানুষের নিজের বানানো একটি বিষয়। মুজেজাও সেরকমই.. আমরা যতক্ষন একটি সিস্টেমকে পুরোপুরি বুঝতে না পারবো, ততক্ষন পর্যন্ত সিস্টেমের অনেকগুলো ঘটনাই আমাদের কাছে মিরাকল বলে মনে হবে। বস্তুত মিরাকল হলো সেইসব ঘটনা যা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বলে মনে হয়। তাই মিরাকল কোন অবাস্তব বিষয় নয়। আল্লাহ নিজেই বলেছেন তিনি সিস্টেমের বাইরে কিছু করেন না।

জাফর ইকবালের একটা লেখায় একবার পড়েছিলাম ভূমিকম্প কিভাবে হয় এটা আবিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরে নাকি অভিশাপ বা গজব বিষয়টা হাস্যকর বা ভূয়া হয়ে গিয়েছে। গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারণে পুরো দুনিয়ার অনেক অংশ ডুবে যাওয়াটকে কেউ গজব বলতে চাইলেও এরা তেড়ে আসবেন... বলবেন বিশ্বেস উষ্ণতা বেড়ে যাওয়াতে উত্তর মেরুতে বরফ গলে পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে.. কোন গজব টজব না। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে এই বরফ গলে যাওয়ার কারণটাই মানুষের একটা কর্মফল.. আর খারাপ কর্মের খারাপ ফলটাই যে গজব, এই সহজ সত্যটা এদের বুদ্ধিমান মস্তিস্কে পৌঁছানো এক কথায় অম্ভব বলেই মনে হয় আমার কাছে! (পোস্টের মূল বক্তব্য থেকে সরে আসার জন্য দু:খিত.. কিন্তু এই পোস্টের সমালোচকরা যে ক্ষৃদ্র বৃত্তের ভেতরে বাস করেন, সেই বৃত্তের পরিধিটা কিছুটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর জন্য বললাম।)


+

৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ।

এখন কথা হলো, নবী রাসুলদের ক্ষেত্রে আমরা যে মিরাকল (মু'জেজা) শব্দটি ব্যবহার করি সেই শব্দটি আর পৃথিবীর আর দশটি সাধারন অলৌকিকতা বোঝাতে ব্যবহার করা মিরাকল শব্দের মধ্যে আমি পার্থক্য করতে চাই ।


যতদুর জানি, ব্যাপারটি এরকম, (ভুল হতে পারে ) রাসুলদেরকে মু'জেজা দেয়া হতো, নবীদের জন্য মু'জেজা প্রয়োজন ছিলো না । মুসা আ এর হাতের লাঠি সাপ হয়ে যাওয়া, ইশা আ এর অন্ধকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেয়া.. এসবের ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত আমি বুঝতে পারিনি ।

এজন্যই পোষ্টের শুরুটা ওরকম হয়েছিলো । শ্রেষ্ঠ রাসুল মুহাম্মদ সা এর মি'রাজ কে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে পুরোটুকু আয়ত্ব করে ফেলবো, এমন দুঃসাহস আমি করতে চাইনা ।

৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
"প্রথম কথা হলো মিরাজ মহান-নবী মুহাম্মাদ সা এর জন্য একটি মিরাকল বা মু'জেজা । মিরাকল এমনই ফ্যাক্ট যার মানেই হচ্ছে মানবীয় ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে আয়ত্ব করা সম্ভব না । যদি মিরাকল কে মানুষ বুঝেই ফেলে তবে সেটা আর মিরাকল থাকেনা ।"

তাইলে আর বুজোনের চ্যাস্টা কৈরা কি ফাইদা? নাকি মিরাকল্রে আর মিরাকল থাকপার্দিবেন্না?
@বিবেক সত্যি
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: মানুষ হয়ে যখন পৃথিবীতে আসছি, সবকিছু নিয়ে কৌতুহল একটা তো আছেই । এই "বুঝবার চেষ্টা"র জন্য সেই কৌতুহল দায়ী, আমি না :)

১০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
comment by: স্টিংরে বলেছেন: রুপকথাকে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দ্বারা কাঁটাছেঁড়া না করলে হয় না ?
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: বৈজ্ঞানিক সত্যকে রূপকথা বলার ধৃষ্টতা না দেখালে হয় না ?

১১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
comment by: নাজমুল। বলেছেন: লেখক কে আনেক ধন্যবাদ।সুন্দর হয়েছে।আসুন আমরা কুরআন পড়ার চেস্টা করি।- http://www.quraanshareef.org
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ নাজমুল । আপনার দেয়া লিংকটা আগেও দেখেছিলাম । বাংলাটা আসেনা । ইউনিকোডে করা না মনে হয় ।

১২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
হোক্কে, বেস্ট অভ লাক!
@বিবেক সত্যি
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্খু :) আমার কৌতুহলের জয় হোক ...

১৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
comment by: মামু বলেছেন: লুকারের মন্তব্যটা অনেকটা এরকম যে, অক্সিজেন আবিষ্কারের আগে মানুষ বাঁচতো কি করে? আইস্টাইন অনেক পরে থিউরী দিয়েছে বলে ওগুলো কোন প্রয়োগ আগে থাকতে পারে না.. বাহ, কি চমৎকার যুক্তি!
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: লুকার মিয়া এইটা বুঝতে পারেনাই যে, প্রমানিত সব থিওরী-ই অনাদিকাল থেকে সৃষ্টিজগতে চলতেছে । কিন্তু জিনিসটা মানুষ বুঝতে পেরেছে বিংশ শতাব্দীতে এসে ।

১৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:১০
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
অতি ফালতু
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: হ :)

১৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পড়লাম।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: জানি, আপনি পড়বেন :) থ্যাঙ্কু ...

১৬. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: প্রিয় পোস্টের তালিকাভূক্ত হইল।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: জানিয়া আশ্বস্ত হইলাম । তাইলে পোষ্টে কিছু অন্তত আছে :)

১৭. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
comment by: মুনিয়া বলেছেন: পড়লাম। এসব বিষয়ে আমার নলেজ খুবই কম।
ভাল বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন। থ্যাংকস।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও প্রায় কিছুই জানতাম না । লিখতে গিয়ে কিছু কিছু বিষয় বুঝতে হলো ।

১৮. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২২
comment by: লুকার বলেছেন:

আমার আগের মন্তব্যে প্রথম বাক্যটি ঠাট্টা করে বলা হয়েছিল, অন্তত '!' দেখেও এটা বোঝা উচিৎ ছিল। কয়েকজন সিরিয়াসলি নিয়েছেন দেখছি!

এই পোস্টে আমাকে পচানো হচ্ছে বলে কেউ কেউ জানিয়েছেন। আসলে আমি এসবের জবাব দেয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি। আমার মূল বক্তব্য আমি সরাসরি এক কথায় বলে দিয়েছি।

আমাদের এদিকে রাস্তায় সামনে ছাগল এসে যদি 'ম্যা ম্যা' করতে থাকে তবে আমরা 'হেট হেট' বলে সরিয়ে দেই। ভদ্রতা বজায় রেখে ছাগলের সাথে জ্ঞানালোচনা করতে যাই না।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: লুকার ভাইয়া, লুকার ভাইয়া, বিশ্বাস করো, তোমাকে পঁচানো হয়নাই B-) বরং উল্টোটা করা হইসে । তোমাকে ওয়াশ করিয়া পঁচনমুক্ত করার চেষ্টা করা হইয়াছিলো ;) তবে দুঃশ্চিন্তা করিও না, লুকার ভাইয়া । উনারা সে কার্যে সফল হন নাই, তাহা তুমি আবারো প্রমান করিয়া দিলে :)

যদিও উনারা তোমার জন্য এইমাত্র এইপোষ্টে কিস্যু ত্বত্ত্বকথা ;) দিয়াছেন বা শুনাইয়াছেন, কিন্তু তুমি সেই আদি(প্রথম কমেন্টে যাহা বলিয়াছিলাম)কালের লুকার ভাইয়াটিই রহিয়া গিয়াছো B-) অতএব প্রমানিত হইলো , অকশিজেন আবিষ্কারের পূর্বে ধরনী জুড়িয়া বিশুদ্ধ বাতাস যথেষ্ট পরিমান থাকিলেও কোথাও অকশিজেন সিলোনা । আমরা (আমাদের পূর্বপুরুষগণ) বায়ুমন্ডল হইতে বিশুদ্ধ বাতাস নাসিকামধ্যে টানিয়া লইয়া বাঁচিয়া থাকিতাম !:#P তোমার ই জয় ভাইয়া :)

যে বা যাহারা তোমাকে বলিয়াছে, তোমাকে পঁচানো হইতাসে, তাহাদিগকে এখ্খনি একখানা ঠোনা মারিয়া আসো B:-/

১৯. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: তা কতটুকু বুঝছেন@ বিবেক ভাই

ধন্যবাদ
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: কিছুটা... :)

২০. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:

মজা পাইলাম।
ভালো হাস্যরস হইসে।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: হ , যতটুকু ধারন করা সাধ্যে কুলায় :)

২১. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
comment by: কঁাকন বলেছেন: ধর্মে বিজ্ঞান--নিম গাছে আমের সন্ধান
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ধর্মহীন বিজ্ঞান, আতা গাছের উপশিরায় তোতাপাখির পালক সন্ধান । বড়ই গাছের শীর্ষমূলে বান্দরের লেজ আবিষ্কার :-B

২২. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: ভায়া, আগে থেকে কোন কিছুকে সত্য ধরে নিয়ে তারপর সেটা নিয়ে কৌতুহল, গবেষনা, বোঝার চেষ্টা করে কি হবে?

আমি আমার বিশ্বাসকে বৈগ্যানিক যুক্তি দিয়ে প্রমান করতে চাই।
নাকি,
আমি প্রমানিত বৈগ্যানিক যুক্তিকে বিশ্বাস করতে চাই।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: আকাশে(!) চাঁদ আছে বিশ্বাস করে চাঁদের দেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া যায় । "আকাশে 'চাঁদ' আছে" বিশ্বাস করার ব্যাপার টায় অবৈজ্ঞানিকতার কিছু নাই।

আবার, "আকাশে চাঁদ নেই" ধরে নিয়েও চাঁদের সন্ধানে উড়তে শুরু করা সম্ভব।

ইসলাম হচ্ছে সুবিস্তৃত একটি ক্ষেত্র । যার আওতার মধ্যে সৃষ্টিজগতের সবকিছুকে নিয়ে আসা হয়েছে । বিজ্ঞান সেই বিশাল ক্ষেত্রের একটামাত্র উপাদান ।

এখন ব্যাপারটা হলো, সৃষ্টিজগতের এই অসংখ্য অফুরন্ত উপাদানের সুশৃঙ্খল সামন্জস্ব করার জন্য যে সিস্টেম / ব্যবস্থা/ বিধি তাকে ইসলাম বলে । তো, একটা উপাদান বিজ্ঞানকে(বিজ্ঞানের থিওরীকে ) ধ্রুবসত্য বলে মেনে নিয়ে এই বিশাল সৃষ্টির মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরী করার কোন অবকাশ নাই । এটা বিজ্ঞান নিজেও বোঝে । সে কখনই নিজেকে "অপরিবর্তনীয় সত্য" বলে ধরে রাখতে পারে নি বেশিদিন ।

মানুষের কাজকে সহজ করে দেয়ার জনই বিশ্বাসের তাগিদ এসেছে । কিছু বিষয়কে অপরিবর্তনীয় সত্য বলে "জানিয়ে" দেয়া হয়েছে । ঘাড়ত্যারা মানুষ সেইটার অপরিবর্তনীয়তাকে চ্যালেন্জ করার চেষ্টা অনেক করেছে , এখন ও করছে । কিন্তু সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই ফলাফল হযনি । কোরানের ভাষায় এটা "ক্ষতিগ্রস্থ" হওয়া ।

সারমর্ম হলো, ইসলাম নিজেকে বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করার অপেক্ষায় নেই । তার আওতাধীন অসংখ্য উপাদানের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিজ্ঞান কে বুঝতে পারলে ইসলামকেও বোঝা সহয- এটুকুই ...

২৩. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
comment by: কোলাহল বলেছেন: লুকারের প্রথম মন্তব্য পড়ে হাসলাম।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: হাইসেন না । হাসির শব্দ ওনার কানে "হেট হেট "
হয়ে বাজে... B-)

২৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর তো।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: শুনেছি মহাশূণ্যে আমাদের ধারনাতীত সৌন্দর্য ...

২৫. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১১
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: হুমম। জটিল ব্যাপার। বুঝতে সময় লাগবে।
কিন্তু নিম্নোক্ত সংজ্ঞা ধ্রুব?

"সৃষ্টিজগতের এই অসংখ্য অফুরন্ত উপাদানের সুশৃঙ্খল সামন্জস্ব করার জন্য যে সিস্টেম / ব্যবস্থা/ বিধি তাকে ইসলাম বলে । "
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমি আমার ভাষায় বলেছি । "সূর্য ও চন্দ্র একটি হিসাবের অনুসরণ করছে এবং তারকারাজি ও গাছপালা সব সিজদাবনত" - সুরা আর রাহমানের ৪,৫,৬ আয়াত ।

আকাশসমূহ ও পৃথিবীর মধ্যে যা কিছুই আছে সবই তার বান্দাহ, সবাই তার হুকুমের অনুসারী - সূরা আর-রূম এর ২৬ আয়াত ।

মূল কথা হলো সবকিছুর মধ্যে একটা সুশৃঙ্খল সিষ্টেম তৈরী করে দেয়া হয়েছে এবং সেই "সবকিছু" ওই শৃঙ্খলা মানতে বাধ্য । এই আত্মসমর্পনের নামই ইসলাম । মানুষ বাদে অন্যদের জন্য এই আত্মসমর্পন বাধ্যতামূলক । "মানুষ" এর কিছু অংশকে কিছুটা স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে স্রষ্টার সিষ্টেমের প্রতি অনুগত হবে কি হবে না ।

[পোষ্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা /:) ]

২৬. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৯
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: "আকাশে(!) চাঁদ আছে বিশ্বাস করে চাঁদের দেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া যায় ।"

এটা কোন উদাহরন হয়নি।

০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: বুঝলামনা । কেন হবে না ?

অন্ধ ব্যাক্তি ছাড়া আর সবাই তো চাঁদকে দেখতে পায় । এখন কেউ যদি এই অকাট্য সত্যকে অস্বীকার করে বলে , না আমি দেখছি না, তাহলে কি আর করা !

২৭. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
comment by: লুকার বলেছেন:
একটা বিষয় লক্ষ্যনীয়, ধর্ম এখন আশ্রয় খুঁজছে বিজ্ঞানের কাছে।
কারণ বিজ্ঞান নিয়ে এমনকি মোল্লারাও সন্দেহ করছেন না, তাদের যত সন্দেহ নিজেদের আজন্ম লালিত ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে।

বিবেক সত্যি আরেকটু চেষ্টা করলে ঠাকুরমার ঝুলি, আরব্য উপন্যাস, গ্রীক উপকথা বা রামায়ণ-মহাভারতের গল্পগুলোও E=mcc এর সাহায্যে প্রমাণ করতে পারবেন ইনশাল্লাহ!
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ভাই, আপনে যথেষ্ট হাসাইছেন । এই এলাকায় আর না আসলে হয় না.. ?

যাবার আগে এইটুকুতে আরেকটু চোখ বুলায়া যাইয়েন,

"....সারমর্ম হলো, ইসলাম নিজেকে বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করার অপেক্ষায় নেই । তার আওতাধীন অসংখ্য উপাদানের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিজ্ঞান কে বুঝতে পারলে ইসলামকেও বোঝা সহয- এটুকুই ... "

২৮. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

ভাইজান এইসব কৃশ্চানগো লাইনের পাগলামী বন্ধ করেন। খাসী দিয়া তো আর হালচাষ হয় না।
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: বিবর্তিত হইয়া আপনে নাকি হালচাষে সক্ষম প্রাণীতে পরিনত হইসেন .. লোকে বলে B-)

২৯. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০১
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন বিবেক সত্যি ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এবং (+)
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: নুর ভাই থ্যাঙ্কুশ :) আছেন কেমন ...

৩০. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মন্তব্য পড়ে মজা পাইলাম।
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: কয়েকটা "সেইরকম" নিক পোষ্টে আসছিলো বলে কাটখোট্টা এধরনের পোষ্টেও কিছু হাসাহাসি করার সুযোগ পাচ্ছি । ভালো ই ;)

৩১. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৪৩
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: আমার মনে হলো, এই পোস্টটির মাধ্যমে ইসলামকে অপমান করা হলো। পদার্থবিদ্যার কতগুলো সুত্র অপ্রাসংগিকভাবে উল্লেখ করে, আপনি কি প্রমান করতে চেয়েছেন, খোদাই জানে। মুমিন অর্থ বিশ্বাসী, এর অর্থ বিজ্ঞানের ছাত্র নয়। ধর্মে বড়জোড় দর্শন আসতে পারে, বিজ্ঞান নয়। এভাবে আপনারা কেন ইসলামকে হাস্যকর করে তুলেন, আমি বুঝি না।

বলুন তো আপনার নিচের এই কথাগুলো সাথে মিরাজের কি সম্পর্ক?:

১। পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুববেগে ধাবমান সকল রেফারেন্স ফ্রেমে পদার্থ বিজ্ঞানের যে কোন সূত্র একই রকম সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।


২। শূণ্যস্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোর বেগ ধ্রুব এবং এ বেগ আলোর উৎস ও পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক বেগের ওপর নির্ভরশীল না ।


৩। একই বস্তুর ডাইমেনশন (দৈর্ঘ্য..উচ্চতা..) গুলো দুটি ভিন্ন গতিতে গতিশীল স্থান থেকে মাপলে ভিন্ন ভিন্ন পাওয়া যাবে ।


৪। বস্তু গতিশীল হলে এর ভর বৃদ্ধি পায়।

৫। ভর আর শক্তি একই সত্তার ভিন্ন রূপ এবং রূপান্তরযোগ্য

৬। আলোর গতির সমান গতিতে চললেই সময় স্থির হয়ে যাবে খুব সহজে । তখন সময়কে ধরে রেখে যতখানি ইচ্ছা কাজ করে নেয়া সম্ভব ।

- এটা যে ভুল বললেন, সে খেয়াল কি আপনার আছে? ত্রিমাত্রিক কোন বস্ত্তর পক্ষে আলোর গতিতে চললে সময় স্থির হবে ঔ বস্তুর অবস্থান সাপেক্ষে।

ধরা যাক, আপনি আলোর বেগে ৮ মিনিট ভ্রমন করে সূর্যে পৌঁছলেন। এই আট মিনিট আপনার কাছে মনে হবে পৃথিবীর সময় স্থির হয়ে আছে। এখন যদি আপনি পৃথিবীর দিকে একইভাবে রওয়ানা হন - পৃথিবীর সময়কে দেখবেন ফাস্ট-ফরওয়ার্ড করা কোন ছবির মতো। এর মানে, সময়কে খুবই দ্রুত দেখবেন। আপনার ভ্রমনের সময়টা যদি একটু বেশি হয়, আপনার ছোট ভাই আপনার বড়ভাই হয়ে যাবে (যদি বেঁচে থাকে।)

যাইহোক, মিরাজ প্রমান করতে বিজ্ঞানের সুত্র ধার করতে চাইলেন। আবার যখন খাটে না, তখন মিরাকল বলে চালালেন। ব্যপারটা ছাগলীয় হয়ে গেল না?

খোদায় আর কোরানে যদি বিশ্বাস থাকে, বিজ্ঞান নিয়ে অস্বস্থিতে থাকার দরকার কি?

রাসুল্লাহ (সাঃ) নিজেকে সবসময় মানুষ দাবী করেছেন। একজন মানুষ ভুমি থেকে ১০০ কি.মি উপরে উঠলেই, তার বেচে থাকার কথা নয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন - যা হয়েছিল, সবই সর্বশক্তিমান খোদার ইচ্ছায়, তা আপনি আইনস্টাইন নয়, (উইটেনের) এম-থিওরী দিয়েও প্রমান করতে পারবেন না।

মিরাজ বিশ্বাস করার জিনিস, প্রমান করার নয়। যদি আপনার ঈমানে সমস্যা হয় (মনে হচ্ছে আপনি বিশ্বাসের জন্য বিজ্ঞানের আশ্রয় খোঁজছেন), তবে তওবা করে আবার কালেমা পড়ে নিন।

আমার মনে হয়, আপনি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র নন। তা না হলে এভাবে উদ্ভট কিছু লিখে বসতেন না।
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: হয়তোবা ইসলামকে অপমান করার অনেক চেষ্টা করছি ! কিন্তু পারি নাই । যদি পারতাম, তাহলে অন্তত কোরানের আয়াত বিকৃতকারী বন্ধনহীনের কাছ থেকে বাহবা পাওয়া যেত B:-) আর বিশ্বাসী লোকজন বিজ্ঞানের ছাত্র হইতে পারবে না, এমন উদ্ভট কথা আপনার মত লোকজনের মাথায় আসতেই পারে । অবাক হলাম না ...

যে বিষয়গুলোর সাথে মিরাজের সম্পর্ক নিয়ে আপনি সন্দেহ প্রকাশ করলেন, তা আপনার এতখানি টাইপ করার পরিশ্রমকে ই মাটি করে দিলো ! অন্তত এটুকুন বোঝা উচিত ছিলো, যে swi ব্লগের সবাই আপনার মত বিদগ্ধ পদার্থবিদ না ! পুরো পোষ্ট টা জুড়ে রিলেটিভিটি থিওরী বোঝার চেষ্টা করা হলো, আর আপনি বুঝতেই পারলেন না পোষ্টে ওই থিওরী সম্পর্কিত কথাগুলি বলার কি দরকার ছিলো ... :-*

আপনি সূর্যে পৌছুতে ৮ মিনিট সময় লাগাচ্ছেন । কারন লরেন্জ কন্ট্রাকশনের কথা আপনি মনে রাখতে পারেন নি । এই ব্যাপারটা মনে রাখতে পারলে আরেকটু দ্রুত গিয়ে সূর্যমামাকে দেখে আসতে পারতেন । আশা করি পরবর্তী ট্রিপে এটা মনে রাখবেন ।

রাজর্ষীকে দেয়া কমেন্ট টা আবার ও লিখতে হলো । “ইসলাম নিজেকে বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করার অপেক্ষায় নেই । তার আওতাধীন অসংখ্য উপাদানের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিজ্ঞান কে বুঝতে পারলে ইসলামকেও বোঝা সহয- এটুকুই ... "

আমি যে কথা বারবার স্