উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ...
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪২
হে লোক সকল! মুহাম্মদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কারও পিতা নন, বরং আল্লাহর রাসূল ও নবীদের ধারাবাহিকতা সমাপ্তকারী ।
- এ হচ্ছে সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ আল কুরআনের সূরা আহযাব এর ৪০ নম্বর আয়াতে সু-স্পষ্ট ঘোষণা ।
আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন (জীবনব্যাবস্থা) কে পরিপূর্ণ করে দিলাম । এবং তোমাদের জন্য ইসলামকেই জীবনব্যবস্থা হিসেবে মনোনীত করলাম ।
- সুরা মা'য়েদা : ৩য় আয়াত ; রাসুলুল্লাহ সা এর বিদায় হজ্জের পরপর ই নাযিলকৃত আয়াত ।
মিথ্যা নবুওয়্যতের দাবীদারেরা :
রাসুলুল্লাহ সা এর জীবদ্দশাতেই মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই পন্থা শুরু হয় । এক্ষেত্রে প্রখম ব্যাক্তিটি ছিলো আসওয়াদ আল আনসারী । নবুওয়্যতের দাবীদার এই ব্যাক্তি ৩ মাস ধরে তার প্রচারনা চালিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় ।
নবুওয়্যতের দাবীদার তৎকালীন আরো কয়েকজন হলো,
১. তুলায়হা বিন খুওয়ালিদ,
২. মুসায়লামাতুল কাজ্জাব ,
৩. সাজাহ বিনতে আল হারিস
এর মধ্যে তুলায়হা রাসুলুল্লাহ সা এর অসুস্থার সুযোগে নিজেকে নবী দাবী করে বসে । এই ব্যক্তির কারনে শহীদ হন উক্কাশা ইবনে মিহসান আসাদী (রাঃ) ও ছাবিত ইবনে আকরাম বালাবী (রাঃ) এর মত প্রখ্যাত সাহাবা । পরবর্তীতে খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর কাছে পরাজিত হয়ে ইনি আন্তরিক তওবা করে ইসলামে ফিরে আসেন এবং শেষপর্যন্ত অটল থাকেন ।
মুসায়লামা কাজ্জাব আর সাজাহ (মহিলা) এরা বিয়ে করে যুগ্মভাবে নবীত্বের দাবীদার হয়ে বসে ! এদেরকে জাহান্নামে পাঠাতে গিয়ে অগণিত কুরআনের হাফেজ সহ প্রায় হাজার জন সাহাবাকে শাহাদাত বরন করতে হয় ।
রাসুল সা এর মৃত্যুর পরে আবুবকর রা কে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সময় অতিক্রম করতে হয় । অসংখ্য লোককে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় এরা । আবুবকর রা এর কঠোর দিক নির্দেশনায় সম্পূর্ণরূপে ধুলিস্যাত করে দেয়া হয় মিথ্যাবাদী বিভ্রান্তকারীদের !
এরপর....
বহুদিন এধরনের কোন অপছায়া মুসলমানদের মধ্যে দেখা যায় নি ।
পলাশী-পরাজয়ের পর উপমহাদেশে বিদ্রোহের দাবানল :
পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হবার পূর্ব পর্যন্ত উপমহাদেশে শাসনভার ছিলো মুসলমানদের কাছে । খুব স্বাভাবিকভাবেই দখলদার ইংরেজ সরকারকে একটা মুহুর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেয়নি এই জনপদের মুসলমানরা । আর তাদেরকে গাইড করেছেন তৎকালীন আলেমসমাজ । এসময়ে আলেমদের ওপর নেমে আসে কঠোর অত্যাচার আর হত্যাযজ্ঞের খড়্গ ।
দিল্লীর চাঁদনীচক থেকে খায়বার পর্যন্ত এমন কোন গাছ ছিল না যার শাখায় উলামায়ে কেরামের গর্দান ঝুলেনি.. ... .. ... ..ইংরেজদের ফাঁসির কাষ্ঠে প্রতিদিন ৮০ জন করে আলেমকে ঝুলানো হতো
- এটা ইংরেজ ঐতিহাসিক টমসন এর লেখা ।
১৮৫০ থেকে ১৮৫৭ সালের মধ্যে ইংরেজদের নিয়মিত সেনাবাহিনীর প্রায় ৩৩ হাজার সৈন্যকে অন্তত ১৬ টি অভিযান পরিচালনা করতে হয় আলেমদের ইন্ধনে স্বাধীনতার সংগ্রামরত মুসলিম মুজাহিদদের বিরুদ্ধে ।
উইলিয়াম হান্টারের দি ইন্ডিয়ান মুসলিম বইয়ে ভারতে বৃটিশ শাসনের জন্য মুসলমানদেরকে "স্থায়ী বিপদ" নাম দিয়ে চিহ্নত করা হয় ।
১৮৬৪ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত ১৪ হাজার আলেমকে ফাঁসি দেয়া হয়। কোরআনের তিন লাখ কপি জ্বালিয়ে দেয়া হয় এবং ৮০ হাজার মাদ্রাসা ধ্বংস করা হয় এই স্থায়ী বিপদ থেকে ইংরেজ সাম্রাজ্য রক্ষা করার জন্য ।
কিন্তু...
পুরোপুরি ব্যার্থ হয় ইংরেজ রাজ !!
উইলিয়াম হান্টারের নেতৃত্বেই কমিশন গঠন করে ১৮৬৯ সালে পাঠানো হয় কারন সন্ধানের জন্য । এরা আবিষ্কার করে স্বাধীনতার জন্য এমন আক্ষেপ-এমন সর্বস্ব বিলিয়ে দেয়ার আকুতি- সবকিছু হারিয়েও অদম্য মুসলিম সমাজের প্রেরণাস্থল ।
রিপোর্ট আসে...
"ভারতীয় মুসলমানরা কঠোরভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে। তাদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনেই নির্দেশ রয়েছে বিজাতীয়দের শাসন মানা যাবে না এবং শাসকদের জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করতে হবে। তাদের ধর্মীয় নেতারা ফতোয়া জারী করেছে যে, ভারত বর্ষ দারুল হরব বা শত্রুদেশে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় মুসলমানদের উপর জিহাদ ফরজ হয়ে পড়েছে। জিহাদের প্রেরণায় মুসলমানরা উন্মাদের মত আত্মাহুতি দিতে পারে"
বুদ্ধিমান হান্টার পরামর্শ পাঠান কেন্দ্রে,
মুসলমানদের মধ্য হতে আমাদের আস্থাভাজন এমন একজন পন্ডিত ব্যক্তিকে নবী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে, যিনি বংশ পরম্পরায় আমাদের আস্থাভাজন বলে প্রমাণিত হবেন। দারিদ্র-পীড়িত ধর্ম-জ্ঞানহীন মুসলমানদের মধ্যে তার নবুয়তী তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে সকল প্রকার সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার নিশ্চয়তা দিতে হবে। অতঃপর সেই নবী এক সময় ঘোষণা দিবে, আমার নিকট এই মর্মে ওহী এসেছে যে, ভারতবর্ষে বৃটিশ সরকার আল্লাহর রহমত স্বরূপ এবং ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা এখন থেকে জিহাদ হারাম করেছেন। এভাবে মুসলমানদের জিহাদী চেতনা দুর করতে হবে। অন্যথায় ভারতে আমাদের শাসন দীর্ঘায়িত করা সম্ভব হবে না।
এই হলো পেছনের কাহিনী । এরপর ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতায় গোলাম কাদীয়ানীর নবী হবার প্রচেষ্টা চলতে থাকে । ইংরেজদের প্রতি আস্থার প্রকাশ ঘটান এই ব্যাক্তি বিভিন্ন সময়ে...
আমার মরহুম পিতা আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে শুধুমাত্র ইংরেজ সরকারের খেদমতের জন্য কোন কোন যুদ্ধে প্রেরণ করেছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারের সন্তষ্টি অর্জন করেছেন। আর এ অধমের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা মির্জা গোলাম কাদের যতদিন বেঁচে ছিলেন তিনিও পিতা মরহুমের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মনে প্রাণে বৃটিশ গভর্ণমেন্টের খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন।
- গোলাম কাদীয়ানী শাহাদাতুল কুরআন গ্রন্থ।
জিহাদ নিষিদ্ধকরণ ও ইংরেজ সরকারের আনুগত্য সম্পর্কে আমি এত বেশী পুস্তক রচনা করেছি ও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছি যে, ঐগুলো একত্র করলে ৫০ টি আলমারী ভর্তি হয়ে যাবে।
- গোলাম কাদীয়ানীর ইয়াকুল কুলুব গ্রন্থ ।
"হে পূণ্যময়ী ভারত সম্রাজ্ঞী মহারাণী ভিক্টোরিয়া! তোমার মহত্ব ও সুখ্যাতি তোমার মোবারক হোক। এদেশের ওপর খোদার দৃষ্টি রয়েছে। যে প্রজার ওপর তোমার মতা বিরাজমান তাদের ওপর খোদার রহমতের হাত রয়েছে। তোমার পবিত্র নিয়তের অনুপ্রেরণায় খোদা আমাকে পাঠিয়েছেন। যাতে পরহেজগারী, সৎচরিত্র ও শান্তির পথ দুনিয়াতে আবার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।
- ইংরেজদের অনুপ্রেরণায় নবী হওয়ার কথা প্রকাশ করে ফেলেন এভাবে তার সেতারায়ে কায়সারাহ বইয়ে ...
তার বর্তমান অনুসারীদের বিভ্রান্তি :
গোলাম কাদীয়ানীর বর্তমান অনুসারীরা প্রচার করতে চায় সে নিজেকে নবী দাবী করেনি । কিন্তু এটা তাদের বিভ্রান্তি অথবা বিভ্রান্ত করার আরেক অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না.. অবশ্য গোলাম কাদীয়ানী এই বিভ্রান্তির শুরুটা নিজেই করে রেখেছিল ।
দেখুন, ...
- আমি মাহদী এবং ব্রিটিশ সরকার আমার তরবারি । আল্লাহ এই সরকারকে সাহায্য করার জন্য ফেরেশতা প্রেরন করেছেন - ১৯১৮সালের ৭ই ডিসেম্বর কাদিয়ানী পত্রিকা "আল ফজল" এ তার বক্তব্য ।
- ১৮৮৫ সালে নিজেকে তিনি মুজাদ্দেদ হিসাবে দাবী করেন
- ১৮৯১ সালে নিজেকে মাহদী হিসাবে আবার দাবী করেন
- এক-ই বছরে সে আবার দাবী করে প্রতিশ্রুত মসীহ বলে
- ১৯০১ সালে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নবী বলে দাবী করে বসে
মীর্যা গোলাম কাদিয়ানী ১৮৯১ সালের ২১শে অক্টোবর তাবলীগে রেসালাতের ২য় পাতায় বলেন : হযরত মোহাম্মদ ( স: ) আল্লাহর প্রেরিত শেষ নবী , তার পরে আর কোনো নবী আসবেন না ।
"মেরাতে কামলাতে ইসলাম" বইয়ের ৩৮৩ প্ষ্টায় তিনি বলেন : আমি নবী নই তবে আল্লাহ আমাকে নবায়নকারী কালিম বানিয়েছেন ।
এইসাথেই আবার , "হাকীকাতুল ওহীর" ৬৮ পাতায় বলতেছে : ঐ আল্লাহর শপথ , যার হাতে আমার প্রান , তিনিই আমাকে প্রেরন করেছেন এবং নবী নামে অভিহিত করেছেন
গোলাম কাদীয়ানীর ছেলে-তার দ্বিতীয় খলিফা কি বলে, শোনেন,
আমাদের উপর বৃটিশসাম্রাজ্যের অনেক অবদান রয়েছে। আমরা পূর্ণ শান্তি ও আরামের সহিত আমাদের উদ্দেশ্য সাধন করছি এবং বিভিন্ন দেশে প্রচারের উদ্দেশ্যে আমরা যেতে পারছি। বৃটিশ সরকার এখানেও আমাদের সাহায্য করছে। এটা হলো আমাদের উপর তাদের পূর্ণ করুণা ও দয়া
- 'বারাকাতুল খেলাফত' নামক গ্রন্থের ৬৫ পৃষ্ঠা ।
গোলাম কাদীয়ানির নিজের বানী দিয়েই শেষ করি...
আমাদের হিতাকাংখী সরকারের জন্য আমরা সকল প্রকার বিপদ সহ্য করছি এবং ভবিষ্যতেও করবো। কেননা, তার করুণা ও দয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বৃটিশ সরকারের জন্য আমরা আমাদের প্রাণ ও ধন-সম্পদ উৎসর্গ করবো। আর প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে উহার মর্যাদা ও উন্নতির জন্য আমরা সর্বদা প্রার্থনা করবো।
- গোলাম আহমদের রচিত 'আরিয়া ধর্ম' পৃষ্ঠা- ৭৯ ও ৮০...
আরো জানতে SWI বা wiki থেকে পাতা উল্টান ....
প্রকাশ করা হয়েছে: হুম.. বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করতেছিলাম, এমন কোন পোষ্টের জন্য । কিন্তু বেশিরভাগ লোকজন দেখি ওখানে গিয়ে ফান করতেছে ... যারা পারতো, তারাও হয়তো ব্যাস্ত.. তাই নিজেই শেষমেস কিছু একটা দাঁড় করিয়ে ফেল্লাম । ধন্যবাদ আপনাকে ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্ট....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । ব্লগ-সময়োপযোগী...
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
কাদিয়ানী ইস্যুটি নিয়ে বিস্তারিত জানার ইচ্ছে ছিলো| ভালো তথ্য পেলাম| ধন্যবাদ|লেখক বলেছেন: পোষ্টের শেষে দেয়া লিঙ্কগুলো দেখুন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ভাই । ব্লগে কাদীয়ানী ইস্যুটা থামানোর জন্য এই পোষ্ট । আশা করি এইটা নিয়া আর কোনো অস্থিরতার দরকার হবেনা কারো ।
অ্যামাটার বলেছেন:
সহমত!তবে শুধুই কি কাদিয়ানী??
হালের পীর সম্প্রদায়ওতো নিজেদেরকে নবী-রাসূল সমপর্যায়ের দাবী করে!
লেখক বলেছেন: পীর সম্প্রদায় আর মাজারী জটাধারী গাঁজাখোর - এই হলো আরেক আপদ !
অথচ এমন সব মহান ইসলাম প্রচারকদের কবরের ওপর বর্তমান এই ব্যবসায়ীরা ব্যবসাছত্র খুলে বসেছে - মানুষের ঘরে ঘরে শান্তির সুমহান দাওয়াত পৌছে দিতে যাদের অবদান ছিলো অপরিসীম ।
লিঙ্কটা ওইখানে দিয়া আইসোতো এ্যামু চাচা, আমি ওইখানে ব্যান খাইছি প্রথম দিন ই ![]()
আশরাফ রহমান বলেছেন:
কাদিয়ানীদের ব্যাপারে বেশ কয়েকজনের লেখা এক করে চমৎকার একটি লেখা তৈরী করা হয়েছে। কষ্ট করে লেখাটি তৈরীর জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টটা সবথেকে তথ্যবহুল পেয়েছি ।অনেক ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: ধুরু..
আমি ভাবছিলাম আপনি এইটা নিয়া লিখবেন !!
এর বেশি রিসোর্স-ফিসোর্স আমি দিতে পারুম না
আমার সাধ্যে যদ্দুর কুলাইসে, বইয়ের নাম পৃষ্টা নম্বর এইসব দিসি
থ্যাঙ্কু...
বিডি আইডল বলেছেন:
তথ্যবহুল লেখা
লেখক বলেছেন: যতখানি পেয়েছি.. ধন্যবাদ আপনাকে ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ব্লগার রাব্বির লেখা থেকে......"ভারতবর্ষে পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুর জেলার কাদিয়ান গ্রামে হযরত মির্যা গোলাম আহ্মদ আলায়হেস সাল্লাম আল্লাহ্তাআলার আদেশে ইমাম মাহ্দী ও প্রতিশ্রুত মসীহ্ দাবী করেন।"
ব্লগার রাব্বী সচেতনভাবেই গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর নবী দাবীর ব্যাপারটি চেপে গেছেন।
এখন দেখা যাক ঈসা আ. এর আগমনের ব্যাপারে হাদীস কি বলে?
" আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন সেই মহান সত্তার কছম যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে ইবনে মরিয়ম ন্যায় বিচারক শাসক রুপে অবতীর্ণ হবেন। অতৎপর তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন। এবং যুদ্ধ খতম করে দেবেন। তখন ধনের পরিমাণ এতো বৃদ্ধি পাবে যেতা গ্রহণ করার লোক থাকবে না এবং একটি সিজদা করে নেয়াটাকেই দুনিয়া ও দুনিয়ার বস্তুর চেয়ে বেশি মুল্যবান মনে করবে।"
অন্য একটি হাদীসে আবু হুরায়রা বর্ণনা করেছেন...ঈসা ইবনে মরিয়ম অবতীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না।
অন্য হাদীসে এসেছে......
হযরত নওয়াস ইবনে সাময়ান কেলাবী (দাজ্জাল প্রসংগে) বর্ণনা করেছেন, রাসুল সা. বলেছেন: দাজ্জাল তখন এসব করতে থাকবে, ইত্যবসরে আল্লাহ তায়ালা মসীহ ইবনে মরিয়মকে প্রেরণ করবেন। তিনি দামেশকের পূর্ব অংশে সাদা মিনারের সন্নিকটে দুটো হলুদ র্বণের কাপড় পরিধান করে দুজন ফেরেশতার কাঁধে হাত রেখে নামবেন। তিনি মাথা নিচু করলে পানি টপকাচ্ছে বলে মনে হবে। আবার মাথা উঁচু করলে বিন্দু বিন্দু পানি মোতির মত চমকাচ্ছে। তাঁর নিঃশ্বাসের হাওয়া যে কাফেরের গায়ে লাগবে এবং এর গতি হবে তাঁর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত, সে জীবিত থাকবে না। অতঃপর ইবনে মরিয়ম দাজ্জালের পশ্চাদ্ধাবন করবেন এবং লুদের (Lydda) দ্বারপ্রান্তে তাকে গ্রেফতার করে হত্যা করবেন।
হাদীসগুলোতে প্রতিশ্রুত মসীহ বলে কিছু উল্লেখ নেই। রাসুল সা. যে মসীহের আগমনের ভবিষ্যতবাণী করেছেন তিনি হলেন ঈসা ইবনে মরিয়ম।
গোলাম আহমদ কাদিয়ানী রাসুল সা. কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে উল্লেখিত মসীহের সাথে নিজের সাদৃশ্য করতে কিছু গল্প ফেঁদেছিলেন তার নমূনা নিচে দেওয়া হলো...
"তিনি (অর্থাৎ আল্লাহ) বারাহীনে আহমদীয়ার তৃতীয় বংশে আমার নাম রেখেছেন মরিয়ম। অতঃপর যেমন বারাহীনে আহমদিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে, দু'বছর পর্যন্ত আমি মরিয়মের গুণাবলী সহকারে লালিত হই......অতঃপর.........মরিয়মের ন্যয় ঈসার রুহ আমার মধ্যে ফুৎকারে প্রবেশ করানো এবং রুপকর্থে আমাকে গর্ভবতী করা হয়। অতৎপর কয়েকমাস পরে, যা দশ মাসের চাইতে বেশি হবে না, সেই এরহামের মাধ্যমে, যা বারাহীনে আহমদীয়ার চতুর্থ অংশে উল্লেখিত হয়েছে, আমাকে মরিয়ম থেকে ঈসায় পরিণত করা হয়েছে। কাজেই এভাবে আমি হলাম ঈসা ইবনে মরিয়ম।" (কিশতীয়ে নুহ, ৮৭, ৮৮, ৮৯ পৃষ্ঠা)
হাদীসের বর্ণনানুযায়ী ঈসা ইবনে মরিয়ম দামেশকে অবতরণ করবেন। এই সমস্যার সমাধান দেয়া হয়েছে এভাবে,
" উল্লেখ্য যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে দামেশক শব্দের অর্থ এভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যে, এ শহরে এমন একটি শহরের নাম দামেশক রাখা হয়েছে যেখানে এজিদের স্বভাবসম্পন্ন ও অপবিত্র এজিদের অভ্যাস ও চিন্তার অনুসারী লোকদের বাস।...... এই কাদিয়ান শহরটি এখানকার অধিকাংম এজিদী স্বভাব সম্পন্ন লোকের অধিবাসের কারণে দামেশকের সাথে সামঞ্জস্য ও সম্পর্ক রাখে। (এযালায়ে আওহাম, ফুটনোটঃ ৬৩ থেকে ৭৩ পৃষ্ঠা পর্যন্ত)
আরও সমস্য রয়ে গেছে, হাদীসের বর্ণনানুযায়ী ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ) দাজ্জালকে হত্যা করবেন লুদের (Lydda) প্রবেশ দ্বারে। এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে কখনও স্বীকার করা হয়েছে যে, বায়তুল মুকাদ্দাসের একটি গ্রামের নাম লিড্ডা (এযালায়ে আওহাম, আঞ্জুমানে আহমদীয়া লাহোর কর্তৃক প্রকাশিত, ২২০পৃষ্ঠা)। আবার কখনও বলা হয়েছে লুদ এমন সব লোককে বলা হয় যারা অযথা ঝগড়া করে।.......যখন দাজ্জালের অযথা ঝগড়া চরমে পৌঁছে যাবে তখন প্রতিশ্রুত মসীহের আবির্ভাব হবে এবং তার সমস্ত ঝগড়া শেষ করে দেবে। (এযালায়ে আওহাম, ৭৩০ পৃষ্ঠা)। এত করেও যখন হলো না তখন পরিস্কার করা হলো এই বলে যে, লিড্ডা (আরবীতে লুদ) অর্থ হচ্ছে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা শহর। আর লুধিয়ানার প্রবেশ দ্বারে দাজ্জালকে হত্যা করার অর্থ হচ্ছে, দুষ্টুদের বিরোধিতা সত্তেও মীর্জা গোলাম আহমদ সাহেবের হাতে এখানেই সর্বপ্রথম বাইয়াত হয়।(আল হুদা, ৯১ পৃষ্ঠা)
লেখক বলেছেন: দারুন তথ্য দিলেন মাহমুদ ভাই । থ্যাংকস..
কাদিয়ান ধর্ম নিয়া কাদিয়ানীরা তুষ্ট থাকুক । তাদেরকে এই মিথ্যা বিশ্বাসের জগত থেকে সুমহান ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসার আহবান রইলো । অনাবিল ইসলামকে পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে কাদিয়ান অনুসারিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হোক । যেমনটা হয়েছে বিশ্বজুড়ে অনেকগুলো মুসলিম রাষ্ট্রে ...
লেখক বলেছেন: র্যাভেন ধন্যবাদ
। আপনার জন্য একটা সুখবর আছে । ফারজানাআপুর পোষ্টে আপনার একটা কমেন্ট "ছাপা" হইছে ![]()
আবূসামীহা বলেছেন:
সুন্দর তথ্যবহুল লিখা। ধন্যবাদ। সোর্সগুলো আরও পরিষ্কার করে উল্লেখ করলে ভাল হত।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে খুব কম জানি । আরেকটা সমস্যা হলো, যখন যেটা প্রয়োজন ওটা কখনও হাতের কাছে পাইনা...
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম ......... আরও আপডেট চাই, রেফারেন্স সহ........ প্রিয়তে যোগকরা হলো .......... লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে আপডেট করার । আপনাদের কাছ থেকেও তথ্য চাই । মাহমুদ ভাইয়ের মত করে সবাই যদি নিজ নিজ জানা তথ্যগুলো একজায়গায় জড়ো করতেন, ভালো একটা ব্যাপার হত । ধন্যবাদ ...
হলদে ডানা বলেছেন:
একটানে পড়ে ফেললাম। কষ্ট করে লিখেছেনই যখন, সময় নিয়ে সোর্সগুলো লিখলে রীতিমত স্বীকৃত আর্টিকেলে পরিণত হবে- তারচেয়ে বড় কথা আমরা রেফারেন্স হিসেবে কাজে লাগাতে পারবো। লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
১. alhafeez.org/rashid/2in1/titlecover.htm
২. টমসনের বিবরণটা পাবেন-"যাদের ত্যাগে এদেশ পেলাম" এর ২৮ পৃষ্ঠায়
৩. উইলিয়াম এইচ হান্টারের লেখা দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস বইটা বাংলায় আছে । যে কোন লাইব্রেরী থেকে কিনতে পারেন কিংবা যেকোন পাবলিক লাইব্রেরীতে খুজলেও পাওয়া যেতে পারে ।
৪ গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর লেখা অধিকাংশ বই উর্দুতে। এর বাংলা ভার্সন কোন কাদীয়ানি আখড়ায় হয়তো পাবেন ।
আরো বিস্তারিত জানতে আশরাফ ভাইয়ের পোষ্টটা দেখেন ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
"রিয়াদুস সালেহীন" এর ৪র্থ খন্ডের শেষ চাপ্টারে এই বিষয়ে প্রচুর সহী হাদিস আছে .......... এখন একটু ব্যাস্ত , ইনশাআল্লাহ, সময় পেলে সবগুলো এই পোষ্টে কমেন্ট আকারে দিয়ে দিব ....... তাহলে আপনি ঐ গুলো মুল পোষ্টে দিয়ে দিয়েন.......... আর আপনার কাছে যদি "রিয়াদুস সালেহীন" এর ৪র্থ খন্ড থাকে তাহলে এই মূহুর্তেই দিয়ে দিতে পারেন ..........
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: রিয়াদুস সালেহীনের সকল হাদীস ই সহী হাদিস । ধন্যবাদ তথ্যের জন্য....ডাউনলোড লিংক...
ভয়ানক০৭ বলেছেন:
খুবই সুন্দর লিখেেছা।ধন্যবাদ কষ্ট করার জন্য। +৫
লেখক বলেছেন: আপনাকে-ও ধন্যবাদ ।
k-79er34b বলেছেন:
আমি এ ব্যাপারে কিছু কথা বলতে পারি ।একজন মুজাদ্দিদ বা সংস্কারকের বৈশিষ্ট্য
১.সত্য উপলদ্ধি করার গভীর দৃষ্টিসম্পন্ন ।
২. সব ধরনের বক্রতা ও ত্রুটিমুক্ত
৩.তিনি মধ্যম পন্থা অবলম্বনকারী
৪.নিজের পরিবেশ এবং শতাব্দীর পুঞ্জিভুত ও প্রতিষ্ঠিত বিদ্বেষমুক্ত হয়ে চিন্তা করার শক্তি
৫.যুগের বিকৃত গতিধারার সাথে যুদ্ধ করার যোগ্যতা
৬.সাহসী নেতৃত্বের জন্মগত যোগ্যতা
৭.ইস্তিহাদ ও পুনর্গঠনের অস্বাভাবিক ক্ষমতা
৮.দ্বিধামুক্ত জ্ঞানের অধিকারী
৯.দৃষ্টিভঙ্গী ও বুদ্ধিজ্ঞানের দিক থেকে পরিপূর্ণ মুসলমান
যুগে যুগে ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করতে যে সকল ব্যাক্তিগন কাজ করেছেন মুলত তাদেরকে মুজাদ্দীদ বলা হয় । ইসলামের কয়েকজন বড় বড় মুজাদ্দীদ হলেন, উমর ইবনে আব্দুল আজীজ র:, ৪ ইমাম (আবুহানিফা র:, ইমাম মালিক র:, ইমাম শাফেয়ী র:, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল র
মুজাদ্দিদ ও নবীর মধ্যে পার্থক্য হলো, নবী আল্লাহর কাছ থেকে অহিপ্রাপ্ত । তিনি তার কাজ শুরু করেন নিজেকে নবী দাবী করে । কিন্তু মুজাদ্দিদ যেহেতু আল্লাহর কাছ থেকে সরাসরি অহিপ্রাপ্ত হন না, তাই তিনি নিজেকে মুজাদ্দিদ বলে দাবী করতে পারেন না । মানুষ তার কর্মপন্থা, তার সাফল্য, ইসলামের প্রকৃত অবস্থা তার মধ্যে দেখতে পেয়ে তাকে মুজাদ্দিদ হিসেবে চিহ্নিত করে । এটা তার জীবনঅবসানের পরেও হতে পারে ।
এখন পর্যন্ত একমাত্র উমর ইবনে আব্দুল আজীজ র: কে সবচেয়ে সফল মুজাদ্দিদ বলা হয় । তবে রাসুল সা এর হাদীসের ভবিষ্যতবানী অনুযায়ী ইমাম মেহেদী র: হবেন শতভাগ কামেল মুজাদ্দীদ । যিনি সারা বিশ্বব্যাপী ইসলামকে পরিপূর্নভাবে প্রতিষ্ঠিতকরতে সক্ষম হবেন ।
মীর্যা গোলাম আহম্মদ কাদীয়ানীর মত একজন তৃতীয়শ্রেনীর প্রতারকের সাথে ইসলামের কোন অবস্থানকেই জড়ানো যাবে না ।
লেখক বলেছেন: চমৎকার ... প্লাস আপনাকে
সাঈদ সৌদিআরব বলেছেন:
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে এবং যারা তথ্যসমৃদ্ধ মন্তব্য করেছেন তাদেরকে। তবে আপনার প্রতি অনুরোধ থাকলো পোস্টটিকে কয়েকবার রিপোস্ট করুন। এতে অনেকেই জানতে পারবে। কারন শয়তানটা(রাব্বী নামধারী) তার শয়তানী পোস্ট কয়েকবার/ অনেকবার রিপোস্ট করতে আছে।
লেখক বলেছেন: আমাদেরকে তার মত হতে হবে না ভাইয়া
আমরা আমাদের মত থাকি ... বড়জোর, এই পোষ্টের লিঙ্ক সব জায়গায় ছড়িয়ে দিতে পারেন ...
বিবেক সত্যি বলেছেন:
নীল তেপান্তর বলেছেন:
দারুন তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট ...... বোঝা যাচ্ছে আপনার কাছ থেকে বেশ কিছু জিনিস জানা যাবে এবং অন্ধকার থেকে মুক্তির পথ মিলবে .... আহমদিয়া জামাতের ওয়েব সাইট থেকে নেয়া নিচের লেখাটির জবাবে কিছু লিখবেন কি ?.... উপকৃত হতাম।
-------------------------------------------------------------
আহ্মদীয়া মুসলিম জামাতের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামের মৌলিক বিষয়ে অন্যান্য সুন্নী মুসলমানদের বিশ্বাস আর আমাদের বিশ্বাস এক ও অভিন্ন। এ প্রসঙ্গে আহ্মদীয়া মুসলিম জামাতের পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্যা গোলাম আহ্মদ (আঃ)-এর লেখার একটি অংশ উদ্ধৃত করছি। তিনি বলেনঃ
“আমরা ঈমান রাখি, খোদা তা‘লা ব্যতীত কোন মা‘বূদ নাই এবং সৈয়্যদনা হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম আল্লাহ্র রসূল এবং খাতামুল আম্বিয়া। আমরা ঈমান রাখি, কুরআন শরীফে আল্লাহ্ তা‘আলা যা বলেছেন এবং আমাদের নবী (সা)-এর পক্ষ থেকে যা বর্ণিত হয়েছে উল্লিখিত বর্ণনানুসারে তা সবই সত্য। আমরা এ-ও ঈমান রাখি, যে ব্যক্তি এই ইসলামী শরীয়ত থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয় অথবা যে বিষয়গুলি অবশ্যকরণীয় বলে নির্ধারিত তা পরিত্যাগ করে এবং অবৈধ বস্তুকে বৈধকরণের ভিত্তি স্থাপন করে, সে ব্যক্তি বে-ঈমান এবং ইসলাম বিরোধী। আমি আমার জামা‘তকে উপদেশ দিচ্ছি, তারা যেন বিশুদ্ধ অন্তরে পবিত্র কলেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্’- এর উপর ঈমান রাখে এবং এই ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করে। কুরআন শরীফ হতে যাদের সত্যতা প্রমাণিত, এমন সকল নবী (আলাইহিমুস সালাম) এবং কিতাবের প্রতি ঈমান আনবে। নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাত এবং এতদ্ব্যতীত খোদা তা‘লা এবং তাঁর রসূল (সা) কর্তৃক নির্ধারিত কর্তব্যসমূকে প্রকৃতপক্ষে অবশ্য-করণীয় মনে করে যাবতীয় নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে নিষিদ্ধ মনে করে সঠিকভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করবে। মোট কথা, যে সমস্ত বিষয়ে আকিদা ও আমল হিসেবে পূর্ববর্তী বুজুর্গানের ‘ইজমা’ অর্থাৎ সর্ববাদী-সম্মত মত ছিল এবং যে সমস্ত বিষয়কে আহলে সুন্নত জামা’তের সর্বাদি-সম্মত মতে ইসলাম নাম দেয়া হয়েছে, তা সর্বতোভাবে মান্য করা অবশ্য কর্তব্য। যে ব্যক্তি উপরোক্ত ধর্মমতের বিরুদ্ধে কোন দোষ আমাদের প্রতি আরোপ করে, সে তাকওয়া বা খোদা-ভীতি এবং সততা বিসর্জন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটনা করে। কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগ থাকবে, কবে সে আমাদের বুক চিরে দেখেছিল, আমাদের এই অঙ্গীকার সত্বেও অন্তরে আমরা এসবের বিরুদ্ধে ছিলাম”?
“আলা ইন্না লা’নাতাল্লাহে আলাল কাযেবীনা ওয়াল মুফতারিয়ীনা” অর্থ্যাৎ - সাবধান! নিশ্চয় মিথ্যাবাদী ও মিথ্যারোপকারীদিগের ওপর আল্লাহ্র অভিসম্পাৎ।
(আইয়ামুস্সুলেহ্ পুস্তক, পৃষ্ঠাঃ ৮৬-৮৭)
(ওয়েব এড্রেসটা ডিলিট করে দিলাম @ নীল তেপান্তর)
লেখক বলেছেন: আপনার করা কিছু কমেন্ট দেখে যা মনে হলো, ওই ব্লগারের-ই দ্বিতীয় নিক । দুটো নিকের উদ্দেশ্য অন্তত এক । যাহোক, এসব বাজে কথা
যে প্রসঙ্গ তুলেছেন এটা নিয়ে পোষ্টে বলা আছে । আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিয়েন । "তার বর্তমান অনুসারীদের বিভ্রান্তি " হেডিঙের নিচের অংশটুকু । গোলাম কাদীয়ানীর বইগুলোর প্রথম প্রকাশকালটা জানতে পারলে ব্যাপারটা একেবারে পরিস্কার করে দেয়া যেত । পোষ্টে সময়কাল মেইনটেইন করে সে কখন নিজেকে কি ঘোষণা করেছিলো সে সম্পর্কে বলা আছে ।
ওবায়েদ বলেছেন:
ধন্যবাদ এবং +
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...
ত্রিভুজ বলেছেন:
রাব্বীর প্রতিটি পোস্টে এই লিংকটা রেখে আসতে হবে.. বি.স কে আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু
তার ব্লগে আমি ব্যান । তাই কিছু বলার সুযোগ নাই ... অবশ্য বলার তেমন কিছু নাই-ও ![]()
লেখক বলেছেন: হু , দরকার ছিলো , তো দ্যান নাই ক্যান ? ^_^ ধইন্যবাদ
একমত হলাম না। সবকিছুকে গুরুত্ব দিতে নেই।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@উম্মু আবদুল্লাহ :রেখে আসলে ক্ষতি কি ?
"সবকিছুকে গুরুত্ব দিতে নেই" - ঠিক আছে মানলাম, কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যে কি গুরুত্বপূর্ন জিনিষ ও অন্তর্ভুক্ত ?
আমার মনের হয় রেখে আসা উচিৎ। ......... যে রাব্বির ঐ লেখা গুলো পড়বে সে যুক্তি, পাল্টা যুক্তি সবই একসাথে পাবে ...... তারপর কারও যদি মুসলিম থেকে কাদিয়ানী হতে ইচ্ছা করে সে কাদিয়ানী হবে ........... আর কারও যদি কাদিয়ানী থেকে মুসলিম হতে ইচ্ছা করে সে মুসলিম হবে।
আছে। ক্ষতি আছে। এসব অনেক পুরোনো সেটলড ইস্যু। এসব নিয়ে কথা বলার কোন প্রয়োজন আদৌ আছে কিনা সেটাই প্রথম কথা। আমি শুনেছি ও আই সির ৫০ টি দেশে মুসলিমদের যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আহমদীয়া জামাত অন্তর্ভুক্ত নয়। সে ৫০ টি দেশের মধ্যে অমুসলিম দেশও আছে। এটা সঠিক তথ্য কিনা তা জানতে চাই। সে দেশগুলির নাম ও সোর্স চাইছিলাম। অথচ সেটা কেউ দিতে পারল না। সম্ভব হলে সেটা দিলে খুশী হব।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@উম্মু আবদুল্লাহসত্যি, এসব অনেক পুরোনো সেটলড ইস্যু ?? ......... কৈ ! আমিতো জানি না !! ........... বাংলাদেশে কি কাদিয়ানীরা অফিসিয়ালী অমুসলিম ঘোষনা করা হইছে ?? ......... কোন প্রমান লাগবে না, আপনি বললেই আমি বিশ্বাস করবো..........
যাই হোক , অন্য দেশে কি হয়েছে সেইটা আমার মাথা ব্যাথা না, আমি মনে করি বাংলাদেশে এইটা এখনও সেটলড ইস্যু না.........
ত্রিভুজ বলেছেন:
সহমত @ শান্তির দেবদূত
@উন্মু আব্দুল্লাহ
সেটলড ইস্যু হলেও এসব প্রপাগান্ডার বিরুদ্বে মিনিমাম কিছু বলা উচিত। শুধু লিংকটা রেখে আসলে আর বিতর্কের প্রয়োজন হয় না। এটা অনেকটা তথ্য শেয়ারের মত। রাব্বি তার মতের পক্ষে বলেছে.. আমি ভিন্নমত রেখে এসেছি... যারা বিষয়টা জানে না, তারা দু'টেই জানবে.. তারপর নিজের বিবেক বুদ্ধি কাজে লাগাবে। এইটুকুই...
বিবেক সত্যি বলেছেন:
হা হা.. ওইরকম ফান-পোষ্ট পড়ে কেউ কাদীয়ানি হয়ে যাবে, swi ব্লগে এমন কোন পাঠক আছে বলে মনে হয়না । ওকে যেকয়টা সাপোর্ট করছে সবকয়টা চিহ্নিত স্বঘোষিত নাস্তিক । আর এইখানে নাস্তিকদের একটা বৈশিষ্ট্য হলো, এরা শুধুমাত্র ইসলাম-নাস্তিক । তাই এই নাস্তিকরা যদি ওকে সাপোর্ট করে, সেটা সাধারন ব্লগারদের জন্য খুবই ভালো একটা ব্যাপার । বলা যায় এক ঢিলে দুই পাখি টাইপের ব্যাপার । নাস্তিকতার কদর্যতাটাও সাথে সাথে শেখা হয়ে গেলে আরকি কাদীয়ানী ব্লগারের পোষ্টকে আসলেই গুরুত্ব দেয়ার কিছু নাই । নিতান্তই নির্বোধ টাইপের প্রচারণা । তবে লিঙ্ক রেখে আসাটা গুরুত্ব দেয়ার পর্য়ায়ে পড়েনা । এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অনেক পাঠক ই হয়তো জানেন না । তাদের জানার দরকার আছে ।
উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস সার্চ দিলে তীতুমীর - শরীয়তউল্লাহদের নাম খুজে পেতে কষ্ট হয় যতটা না সহজে পাওয়া যায় শেষ দিকের ক্ষুদিরামদের নাম । মুসলমান মুজাহিদদের একটানা সংগ্রামী শতকগুলো সম্পর্কে জানেনা অনেকেই । পরাজিত জাতি এই সুদীর্ঘ সময় ধরে কি অপরিসীম লড়াই করেছে হারানো স্বাধীনতা অর্জন করতে , তা জানার কৌতুহল ও সকলের মধ্যে জেগে ওঠা উচিত । ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে মুসলমানদের অবদান এত বেশি, যাকে একক অবদান বললে খুব একটা বাড়িয়ে বলা হয় না..
(অপ্রাসঙ্গিক কথা বাদ দিলাম
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
দুর্দান্ত, অসাধারণ....প্রিয় পোস্টে
লেখক বলেছেন: হা হা । ধন্যবাদ সাইফ শেরিফ ...
আল্লাহ আপনার লেখার মান আরও বাড়িয়ে দিন।
আমিন।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুন ।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
এত পোস্ট প্রিয়তে রাখা যায়? আপনাকে লিঙ্কেই রেখে দেই, কেমন?
এত চমৎকার একটা পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আর শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: জবাবে নিতান্তই একটা সহজ হাসি দিচ্ছি
শুভ-শুভ-ইচ্ছা অনেক...
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
রাব্বি আমারে ব্লগ কইরা রাখছে ....... কোন কারন ছাড়া........ আস্ত একটা কাপুরুষ ..... আমি রাব্বিরে কোন গালিতো দেই নাই এমন কি তার নবীরেও কিছু কই না...... এমন কি কোন বক্র কথাও কই নাই ....... আমি শুধু যুক্তি ভিক্তিক আলোচনা করতে চেয়েছিলাম ...... তাতেই আমি ব্লক আমাকে কারন ছাড়া শুধু শুধু কেন ব্লক করবে ? অনেক ভেবে মনে করতে পেরেছি, মাস তিনেক আগে , স্বাধীনতা তুমির ব্লগে বলেছিলাম, "আমি কোরআনের ২ টা ইংরেজী তফসির পড়েছি, ৩ টা বাংলা তফসির পড়েছি। আর সে মনে হয় এইটাও জানতে পেরেছে আগে আমি নাস্তিক ছিলাম তার পর আস্তিক হয়েছি, বাইবেল ও মুটামুটি ভালো জানি" ------ সুতরাং আর যাই হোক, শান্তির দেবদূতকে ব্লক করে রাখা ছাড়া কোন উপায় নাই
হা হা হা ....... আস্ত একটা ভন্ড ........ কৈ গেলেন রাব্বি ভাই যদি সত্যি সত্যি আপনার মধ্যে একফোটা সততা থাকে তাইলে আমারে আনব্লক করেন .......।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
শান্তির দেবদূত, আমার মনে হয়, ওই সব পোষ্টে আর কারো যাওয়াই উচিত না । এক বিভ্রান্ত সম্প্রদায় তাদের এক নির্বোধকে পাঠিয়েছে ব্লগে প্রচারের জন্য যে একটা কথারও সঠিক জবাব দিতে পারেনা । লোকটা এই পোষ্ট দেখে গেছে...
চাঁদের বুড়ি বলেছেন:
হুমম, পড়লাম। পোস্ট, কমেন্ট আর লিংক সব মিলিয়ে সংগ্রহে রাখার মত মনে হল।
সাধুবাদ জানাই আপনাকে।
লেখক বলেছেন: Thankssss.. ![]()
আমার মত হল, ওটা রাব্বির সাইট। তার মালিকানা সেখানে। সে যা খুশী রাখতে পারে। চাইলে এই লেখার লিংক নিজেই তার ব্লগে রাখতে পারে।
আর তাছাড়া কোন ব্যক্তিকে এতটা গুরুত্ব দেবার মানে নেই। যে জানতে চাইবে সে এখানে এসে এটা দেখতে পাবে। অহেতুক কাউকে আলোচনার কেন্দ্রে টানা সমর্থন করতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: রাব্বি এখানে আসবে আলোচনা করতে ???? কয়েকবার এসে ঘুরে গেছে, হয়তো এখনো সাহস করে উঠতে পারেনি কিছু বলার জন্য । আসলে তাকে আমন্ত্রণ জানানোর কোন ব্যাপার না এটা । এ ধরনের ছেলেমানুষী করার কোন ইচ্ছা নাই । তাকে ইগনোর করার জন্য ই লিঙ্ক রেখে আসার কথা বলা হচ্ছিলো সম্ভবত । ব্লগার রা যেন ওখানে ফালতু সময় নষ্ট না করে লিঙ্ক ধরে এখানে আসতে পারে । এই আরকি..
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।
দিপু বলেছেন:
সংগ্রহে রাখলাম। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
অবকাশ বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ । ভালো থাকবেন ...
সাজিদ শাহরিয়ার বলেছেন:
ভাল বলেছ, বৎস....প্লাস প্রদান করিলাম।
লেখক বলেছেন: ওকে । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: বলার তো আর কিছু বাকি রাখলেন না
বেলা অবেলা বলেছেন:
এতো comments এতো প্রশংসা! আমি আর নতুন কিছু লিখতে পারলাম না। আপনার লেখাটা তথ্যসমৃদ্ধ। প্রশংসার দাবি রাখে। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আল্লাহতালা আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন।
লেখক বলেছেন: আমিইইইন
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ....
লেখক বলেছেন: এরকম না বলাটাই বি.স. এর জন্য ভালো
কেন শুধু শুধু লজ্জা দিচ্ছেন ?
সেরাদের কাতারে আসার কোন সম্ভাবনাই নেই । কোনদিন হবেও না । সেরা হতেও চাইনা...
k-79er34b বলেছেন:
৫ টা মাইনাস । এরা রাব্বির পোষ্টে প্লাস দেয় ।
লেখক বলেছেন: হাহাহা.. ব্যাপার না । ৫ টার মধ্যে ৪ টাকে ধরতে পারছি । এর একটা আবার ওরই নিজের নিক
রেডিও বাংলাদেশ বেতার বলেছেন:
অতিশয় তথ্যবহুল লেখা। ভাল না লাগানো গেল না। +
লেখক বলেছেন: ভালো না লাগাতে চাইছিলেন বুঝি ? থ্যাঙ্কস ...
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কাদীয়ানী ব্লগার রাব্বির পোষ্টকে তেমন একটা গুরুত্ব দেই নাই, তাই ওখানে ফান করছিলাম। ঐ সময়ে আপনার এই সময়োপযোগি পোস্ট পেয়ে শুধু মন্তব্য করে চলে যাই। ভাল মত পড়া হয় নাই, তাই দুঃক্ষিত। খুব তথ্যবহুল ও সুন্দর লিখলেন। সরাসরি প্রিয়তে। রাব্বি আপনার এই পোস্টে মন্তব্য করতে সাহস করল না। কপিপেস্ট ব্লগারদের থেকে এরচে বেশি কিছুই আশা করা যায় না। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, বেচারা ফান ব্যাপারটা মনে হয় ঠিক বোঝেনা !! সে এই পোষ্ট দেয়ার প্রথমদিন থেকেই নিয়মিত এসে ঘুরে গেছে । আজকে ব্লগাররা রীতিমত জোড় করে তাকে দিয়ে এখানে মন্তব্য করিয়েছে
তার সাথে এই টপিক নিয়ে কথাবার্তা বলার আসলেই কোন ইচ্ছা নেই । প্রি-সেট করা কয়েকটা বাক্য ছাড়া তার ভান্ডারে বলার মত আর কিছু দেখছিনা । থাকুক সে তার মত । সাধারন ব্লগারদের কাউকে সে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পাচ্ছেনা, এটাই বড় ব্যাপার ...
আপনাকে ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস...
রাব্বি বলেছেন:
পোস্টের প্রথম অংশ ঠিক আছে কিন্তু পরেরটুকুতে বানোয়াট তথ্যের অপপচার। উনার মত সম্মানিত ব্যাক্তিকে নিয়ে যারা এরূপ অপপ্রচারে মেতে উঠেছে তাদের জন্য রইলো করূণা
লেখক বলেছেন:
রাব্বি বাইয়ার আগোমোণ
চুবেচ্ছা স্বাগোতোম
লেখক বলেছেন: তার সম্মানের ১২ টা সে নিজেই বাজিয়ে গেছে । আমাদের কি দোষ, বলেন ? এগুলো সব তার নিজের কথা ...
বিজাতীয় দখলদার শাষকের গোলামী করা- নবুও্যতের মিথ্যা দাবীদার এক ব্যাক্তি কখনই নিজেকে সম্মানিত দাবী করতে পারে না । সে নিজেই যেগুলো স্বীকার করে গেছে আপনাদের সেগুলো অস্বীকার করে এক মিথ্যা অন্ধ বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে থাকার চেষ্টা একেবারেই নির্বুদ্ধিতা... তার শেষ পরিনতির থেকেও অন্ত:ত আপনাদের শিক্ষা নেয়া উচিত...
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সা: এর সময়ে আল্লাহ বিভক্ত বিশ্বাসের মানুষদেরকে আহবান জানিয়েছিলেন, এক কমন প্লাটফর্ম হযরত ইবরাহীম আ: এর দ্বীনের দিকে । তাহলে আপনাদের প্রতিও কি সেরকম এক আহবান আমি এখন জানাতে পারি ? কি দরকার বিভ্রান্ত মেহেদী বা মসীহ বা কাদীয়ানি মতবাদ নিয়ে পড়ে থাকার ।
গোলাম কাদীয়ানির নিজেকে নবী ঘোষণা করার ব্যাপারটা অস্বীকার করে আপনারাই তো আজকাল বলেন, মুহাম্মদ সা: ই শেষ নবী । তাহলে আল্লাহ যেমন তৎকালীন সময়কার ইয়াহুদী-খৃষ্টান এবং মুসলমান সবাইকে ইবরাহীম আ: এর ধর্মের দিকে এসে এক হবার আহবান জানিয়েছিলেন, আসুন বর্তমানের আমরা ও আপনারা সকল মধ্যস্বত্ত্ব - সকল মাধ্যম- সকল মিডিয়া বাদ দিয়ে এক ও একমাত্র মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্ব মেনে নেই - একমাত্র তাকে অনুসরন করি - একমাত্র মুহাম্মদ সা: কি বলে গেছেন, সেটা নিয়ে মাথা ঘামাই...
এই বিশ্বাসে ফিরে আসতে পারলে সাদরে মুসলিম সমাজে স্থান পাবেন । অন্যথায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীরা যেমনটা নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে সম্মানের সাথে বাংলাদেশে বসবাস করে আসছেন, আপনারাও এক আলাদা ধর্মাবলম্বী হিসেবে সেই মর্যাদা নিয়েই থাকতে পারবেন । অবশ্য-অবশ্যই মুসলমান হিসেবে নয় ...
মদন বলেছেন:
অসাধারন পোষ্ট+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । শুভকামনা....
@লেখক: ভালো লিখেছেন। ++
লেখক বলেছেন: বেচারারা বিভ্রান্তির মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে । সত্যিই দু:খ লাগে । গোলাম কাদীয়ানির নিজের বলে যাওয়া ইংরেজ গোলামীর স্বীকারোক্তিমূলক কথাগুলো শোনানোর পরেও যদি তার ভন্ডামী চিনতে না পারে, আফসোস করা ছাড়া আর কি করা যায় ! আমি একান্তভাবে আশা করি, কাদীয়ানি ধর্মাবলম্বীদের মধ্য থেকে অনেকেই এই ব্যাপারগুলো বুঝতে পেরে সত্য-সুন্দর ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসতে পারবে । আর যাই হোক, এদের মুসলমান হওয়া বা মুসলমান বলে পরিচিতি দেয়ার ইচ্ছাটাকে আল্লাহ কবুল করুন... এক ভন্ডের মিথ্যাচারের আনুগত্য-অনুসরণ থেকে এরা ফিরে আসুক... মুসলিম সমাজ সাদরে বরন করে নেবে এদের....
জুবাইর রেযা বলেছেন:
অসাধারন পোষ্ট. প্রশংসার দাবি রাখে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে...
পারভেজ বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে রাখলাম!! কষ্ট করে অনুসন্ধানের জন্য ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য, মন্তব্য করার জন্য , রেটিং করার জন্য- আপনাকেও ধন্যবাদ ...
আবূসামীহা বলেছেন:
শোকেসে উঠিয়ে নিলাম।
লেখক বলেছেন: শুনে ভালো লাগলো । পোষ্টের গ্রহনযোগ্যতা অনেক বেড়ে গেলো । থ্যাঙ্কস....
কেএসআমীন বলেছেন:
এমন তথ্যবহুল লেখা অনেকদিন ধরে খুজছিলাম, সরাসরি প্রিয়তে... ধন্যবাদ ভাইজান।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ K.S. আমীন ভাইজান ।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বেশিরভাগ ব্লগারের ধারনা রাব্বির সাথে "স্বাধীনতা তুমি" র সবচেয়ে বেশি মিল । দুইজনার ই মুখ খুব খারাপ । স্বাধীনতা তুমির ব্লগে আবার কিছু পোষ্ট ডিলিট করা । নাস্তিকরা তার পোষ্টে ঘোষণা দিয়ে প্লাস দেয় । তাদের পরিচিত বা তাদের মধ্য থেকেও কেউ হবার সম্ভাবনা আছে ।
লেখক বলেছেন: এটাই ভালো
লেখক বলেছেন: সাময়িক পোষ্টটা ডিলিট করার পর আমি যতটা সম্ভব তার নাম-ও উচ্চারণ না করার চেষ্টা করেছি...
রাব্বি বলেছেন:
ফারহান দাউদ, মুখ সামলে.............
লেখক বলেছেন:
যাক, আপনে আবার আসছেন
আরেকটা লেকচার দেই তাইলে ![]()
"তিনি (আল্লাহ) নিজের কাজের জন্য তোমাদেরকে বাছাই করে নিয়েছেন এবং ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের ওপর কোন সংকীর্ণতা আরোপ করেন নি । তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের ধর্মে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাও । আল্লাহ আগেও তোমাদের নাম রেখেছিলেন "মুসলমান এবং এর (কুরআন) মধ্যেও " -সুরা হাজ্জ - ৭৮
বুঝলেন ভাইজান, ইবরাহীম আ: ছিলেন মক্কার মুর্তিপূজক বা মদীনার ইয়াহুদী বা নক্ষত্রপুজারী বা খৃষ্টান - সবার কাছে সমান ভাবে সম্মানীয় । এরা সবাই ই কমবেশি জানতো যে ইবরাহীম আ: এর দ্বীন থেকে এরা বিচ্যুত হয়ে গেছে । ইবরাহীম আ: এর পর থেকেই এরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে ।
এই কারনেই আল্লাহ বারবার মানুষদেরকে মুহাম্মদের ধর্মের দিকে আহবান না জানিয়ে ইবরাহীমের ধর্মের দিকে আহবান জানিয়েছেন । যদিও মুহাম্মদ সা : এর ধর্ম আর ইবরাহীম আ: এর ধর্ম একই ।
আপনারা যদি বিশ্বাস-ই করেন অথবা অন্ত:ত এটুকুন জানেন যে ইসলামের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সা: এর পর থেকেই আপনারা আর আমরা বিভক্ত হয়ে পড়েছি, তাহলে কোরআনের ভাষার মত করেই বলি, আসেন , আমরা মুহাম্মদের ধর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাই ।
মাঝখানের মাধ্যমের কোন দরকার ই নাই । গোলাম কাদীয়ানি নামের কোন ব্যক্তির আনুগত্য করার কোন দরকার ই নাই । আমাদের দুই সম্প্রদায়ের ই যেখানে অরিজিন (আপনাদের ই কথামতে ) সেই সর্বশেষ রাসুল মুহাম্মাদ সা : এর আনুগত্যকেই একমাত্র আনুগত্য হিসেবে মনে নেই ।
শুনবেন এই আহবান .... ? ![]()
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে রাখলাম। আপনি কষ্ট করে তথ্য সংগ্রহ করে পোষ্ট করেছেন । এ বিষয়ে আমি তেমন জানতাম না, আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু জানলাম। ভালো লাগলোশুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু...
অ্যামাটার বলেছেন:
আপ্নারা সব্বাই অফযান গো ভাই-বেরাদার!!আসল ঘ্যাটনা হৈল নেক্ছট নবুয়্যৎটা আম্গো বুদ্ধিজীবি রাব্বী ভাইজানের উপ্রে নাযিল হৈতাছে...হেই লাইগ্যা গত দু-চার্দিন ধৈরা উনার এট্টু ল্যুজ-মোশন শুরু হৈছে...
লেখক বলেছেন:
আশিক হাসান বলেছেন:
অসাধারন একটি তথ্যবহুল পোস্ট শোকেসে সাজিয়ে রাখলাম ।পাঁচতারার বেশী কি দেওয়া যায়না ? আফসুস!!!!!!!
লেখক বলেছেন: পাঁচতারা পেয়েই পুরোপুরি তুষ্ট
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ব্রডগেজ রেইলওয়ে আঁকলেন
... থ্যাঙ্কুশ
চন্দন বলেছেন:
ধন্যবাদ শোকেসে রাখলাম
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ....
লেখক বলেছেন: আপনার নিকট হইতে পেলাচ এবং ধন্যবাদ প্রাপ্ত হইয়্যা অন্নেক আনন্দে বিগলিত হইয়্যা গেলাম :-) শুভেচ্ছা ... ;-)
লেখক বলেছেন: পারিনা ...
অ্যামাটার বলেছেন:
নয়া পুষ্ট কৈ??
লেখক বলেছেন: কি লিখুম ? পারি না
লেখক বলেছেন: যেই হোউক.. কয়েকদিন ধৈরা পোলাপানে ভালোই আনন্দ পাইসে ..
লেখক বলেছেন: শিরোনামটি গ্রহনযোগ্য নয়....
লিঙ্কে কিছু একটা সমস্যা আছে ... উইকিপিডিয়ার ইংরেজী লিঙ্ক অবশ্য পোষ্টের শেষে দেয়া আছে.. এটা মনে হয় বাংলা..
শিট সুজি বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট । ভাল লেগেছে ।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিট সুজি...
লেখক বলেছেন: ঘুড্ডি...
... ![]()
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ হ্যাঁ
এমনি এমনি মন্তব্য করা যাবেনা.. সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরণ
রাক্ষস বলেছেন:
ভাল লেগেছে ।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...
পথহার২১ বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্লাসের জন্য...
জলপাই দেশি বলেছেন:
আপনার ব্লগ থেকে অনেক অজানা কথা জানলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ। আরো লিখুন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ...
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
অনেক দিন ধরে লিখব২ করে আর লেখা হল না; চাকুরী নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। ধন্যবাদ অনেক তথ্য দিয়ে পোষ্টটি সাজানোর জন্য।
আমাদের বাসার পাশেই থাকে। অনেকবার আন্দোলন করেছিলাম; একবার সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছিলাম- "আহমদীয়া উপাসনালয়, কেউ মসজিদ মনে করে নামাজ আদায় করবেন না"। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী সরকার শেষ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনকে সফল করতে দেয়নি।
আমি ওদের অফিসে গিয়েছি, উপাসনালয়ে গিয়েছি, ওদের বই পড়েছি। অনেক জায়গায় কুরআন ও হাদীসের বাক্যগুলো নিজেদের মতো করে পরিবর্তন করা হয়েছে এবং তার সমর্থনে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
লন্ডন ভিত্তিক MTVর মাধ্যমে যতসব কুকীর্তি প্রচার করে। এদের একটি ওয়েব সাইট আছে (সাবধান!!!) ইসলাম.অর্গ নামে। নিশ্চিত হয়ে পরে লিংক দেবো।
*** অনমতি পেলে পোষ্টটির প্রচারে, সংযোজন-বিয়োজনে কাজ করতে আগ্রহী। আমার ব্যক্তিগত ব্লগ, ফোরামে ছাপাতে চাই *** অপেক্ষায়...
লেখক বলেছেন: সাইনবোর্ড ঝুলানোর এই আন্দোলনের সাথে আমি একমত না । এতে কোন লাভ হয়না .. বরং ইসলাম বিদ্বেষী চক্র অপপ্রচারের সুযোগ পায় ...
হাসান খা বলেছেন:
আল্লাহ আপনার ভাল করুন......
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুন..
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ..
মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.. ভালো থাকুন..
লেখক বলেছেন: থ্যঙ্কু..
জানতেএলাম বলেছেন:
বাটপার হারামিদের থেকে ঈমান রক্ষা করার জন্য আল্লাহ্ তায়ালা প্রতি শতাব্দীতে মুজাদ্দিদ পাঠান। যেমনঃ এই শতাব্দীর মুজাদ্দিদ এর ঠিকানাঃ http://www.al-ihsan.net
এস এইচ খান বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট! প্লাস এবং প্রিয়তে।অপট: আমার জাষ্ট উপরে দেখুন এক প্রতিবন্ধী আসছে! ওরে মোল্লা সল্ট দিন যদি ওর হাবাগোবা স্বভাবটা একটু কমে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























সময়োপযোগী পোস্ট....
ভাল লিখেছো...
ধন্যবাদ বি.স!
(স্টার প্লাস)