অভিযাত্রি ছিলাম মোট ২৬ জন। কোম্পানির বার্ষিক প্রীতিভোজ সভা। এবারের স্হান নির্বাচন করা হয়েছিল " মালাক্কা "। হোটেল ইকোটোরিয়ালে আমাদের আস্তানা নির্ধারন করা হয়েছিল। যা রায়ানে অবস্হিত। পর্তুগিজ ভিলেজ সহ দর্শনীয় আরো নানা স্হান কাছাকাছি ছিল বিধায় আমাদের জন্য ও সহজ হয়েছিল ঘুরাফিরা করে সময়টাকে উপভোগ করার ।যথারিতি সকাল ৭ টায় বাসের জন্য নির্দিষ্ট স্হানে উপস্হিত হলাম। দেখলাম অনেকে আমার আগেই পৌঁছে গেছে।
যাক অবশেষে রওনা হলাম । রাস্তার দুপাশে নয়নাভিরাম দৃশ্য । যা ভাষায় কি ভাবে প্রকাশ করা যায় তা আমার জানা না থাকায় ছবি শেয়ার করছি...
তোয়াজ ব্রিজ। যার ওপারেই মালেইশিয়া। আর এপারে সিংগাপুর।
এগুলো বাসের জানালা থেকে তোলা রাস্তার দুপাশের দিগন্ত বিস্তৃত পাম গাছের সারি। এরই মাঝে এক জাগায় বাস থামানো হল প্রকৃতির ডাকে কেউ সাড়া দিতে চায় যদি।
আবার শুরু হল পথ চলা।
মালাক্কার দারপ্রান্তে ।
পাহাড়ী ঝরনা.....
জেলা সদর অফিস....
"রিক্সা" ইন মালাক্কা স্টাইল.....যা ছিল আমাদের সংগের সাথী।
কি তামসা ....সব ফকফকা.....উপরে উঠলেই সব দেখা যায়। তবে বিদেশীদের জন্য ২০ রিংগিত আর মালেদের জন্য ১৭ এইডা একটা বে-ইনসাফি কাম ....
হে...হে এই রকম জাহাজে কইরা না কি এক সময় ডাচ আর পর্তুগিজরা এই শহরে আইছিল মেলা আগে।
সাগরপারের এক নয়নাভিরাম মসজিদ। যা পুরোটাই পানির উপরে ভাসমান।
দুপরে খেতে গেলাম এক রাস্তের পাশের রেস্টুরেন্টে। অবাক হলাম ওখানে পুরোনো জিনিসের এক সংগ্রাহকের সংগ্রহ দেখে।
কতধরনের দিয়াশলাই যে আছে তার সংগ্রহে...
মালাক্কা সি বিচ.....
অবশেষে বাড়ি ফেরা........
পাদটিকা : আরো ছবি ছিল। লোড করার সময় দেখি মনিটরের পর্দা কাঁপে তাই আর সাহস করলাম না। নিঃসন্দেহে মালাক্কা দেখার মতো জায়গা। সময় ও সুযোগ যদি মিলে যায় মিস্ কইরেন না ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


